ডায়োজেনিস ও পরাধীন আকাঙ্ক্ষার দর্শন
ডায়োজেনিস বেঁচে থাকলে আজ হয়তো বলতেন, কুকুরের মতো বিশ্বস্ত হও; কিন্তু কারো দরজার সামনে বসে থাকা পোষা প্রাণী হয়ে যেও না। পপুলিজম ও ক্ষমতার দরজা যত বড়ই হোক, তার কাছে নিজের মেরুদণ্ড বন্ধক রেখো না। এখানে এসে স্বাধীনতার একটি মৌলিক সূত্র তৈরি হয়। প্রয়োজনের ওপর কর্তৃত্ব স্বাধীনতাকে গভীর করে। আকাঙ্ক্ষার ওপর কর্তৃত্ব স্বাধীনতাকে স্থায়ী করে। আর সত্যের প্রতি দায় স্বাধীনতাকে বানায় নৈতিক। এ তিনটির কোনো একটি অনুপস্থিত হলে স্বাধীনতা অসম্পূর্ণ হয়ে পড়ে। তাই স্বাধীন মানুষের যা আছে, তা তাকে নিজের বিবেকের বিরুদ্ধে যেতে বাধ্য করে না। সম্পদ তার থাকতে পারে; কিন্তু সম্পদ তার বিবেকের মালিক নয়। ক্ষমতা তার কাছে আসতে পারে; কিন্তু ক্ষমতার স্বীকৃতি তার সত্যের মাপকাঠি নয়। সমাজ তাকে সম্মান দিতে পারে, আবার প্রত্যাখ্যানও করতে পারে; কিন্তু মানুষের আত্মমূল্য যেন এর সাথে ওঠানামা না করে। ....

