লোড হচ্ছে...

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে সংস্কারের সুপারিশ ছাড়াও বাস্তব করণীয় সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কিছু পরামর্শ দেয়া হয়েছে। বলা হয়েছে— সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতাধীন একাধিক খাদ্যভিত্তিক ভর্তুকি কর্মসূচি একীভূত করা এবং ফ্যামিলি কার্ডের সাথে বিদ্যমান নগদ সহায়তা কর্মসূচি যথাযথভাবে সমন্বয় করা হলে অতিরিক্ত সাড়ে ২৮ লাখ মানুষকে দারিদ্র্য থেকে বের করে আনা সম্ভব। মূলত ২০১৯-২০ সালের বিপর্যয়কর কোভিড মহামারীর সময় থেকেই বাংলাদেশে গরিবির হার বৃদ্ধির প্রবণতা শুরু হয়। আর্থিক খাতে সংস্কার ও শত ভাগ সুশাসন প্রতিষ্ঠা ছাড়া উত্তরণের কোনো উপায় নেই। এই বাস্তবতা সরকার যত দ্রুত অনুধাবন করবে দেশ ও জাতির জন্য ততই মঙ্গল।

নতুন সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর আগের সরকারের আমলে নেয়া প্রকল্পগুলোর প্রয়োজনীয়তা নতুন করে যাচাই করা হচ্ছে। কিন্তু সেটি করতে গিয়ে পুরো উন্নয়ন কাজ ঝুলিয়ে রাখা উচিত নয়। সিদ্ধান্তহীনতায় শেষ তিন মাসে বাজেট খরচ করার তাড়াহুড়ো লেগে যাওয়ার শঙ্কা থেকে যায়। পুরনো এ অপচর্চা নতুন করে ফিরে আসুক, সেটি কাম্য নয়। এতে কাজের মান ঠিক রাখা যায় না। সেই সাথে অপচয় হয় সরকারি অর্থের।
২ দিন আগে

কর্মসংস্থানকেন্দ্রিক ঢাকার যে একক আধিপত্য এর অবসান হওয়া দরকার। এটিকে জেলায় জেলায় ছড়িয়ে দিতে হবে। সব জেলায় তৈরী পোশাকশিল্প গড়ে তুলতে হবে বিষয়টি তেমন নয়; বরং প্রতিটি জেলার বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী সেই জেলাগুলোতে শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে। এই উদ্যোগ সরকারকেই নিতে হবে। কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী দেশের বড় বড় শিল্পগোষ্ঠীগুলোকে এ কাজে সরকারকে আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করতে হবে। জেলাকেন্দ্রিক পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারলে ঢাকায় জনস্রোত অনেকটাই কমানো সম্ভব।
৩ দিন আগে

সংখ্যালঘুদের ওপর পীড়নকারীদের দৃষ্টান্তমূলত শাস্তি হয় না। অনেক ক্ষেত্রে এরা ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক গোষ্ঠীর আশকারা পায়। ভারতে এ ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিপীড়ন ও বঞ্চনা ক্রমেই বাড়ছে। সেখানে তাদের কোণঠাসা করে ফেলা হচ্ছে। ভারতীয় শাসকরা এর ভয়াবহ নেতিবাচক দিক অনুধাবনে ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছেন। এর প্রতিক্রিয়ায় একসময় পুরো অঞ্চলে সাম্প্রদায়িক অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়তে পারে।
৩ দিন আগে

মীক্ষার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সমস্যা হলো— এ দেশে কোনোরকম সমীক্ষা ছাড়া প্রকল্প বাস্তবায়নের রেকর্ড যেমন আছে, তেমনি সমীক্ষার নামে দীর্ঘসূত্রতার ঘটনাও কম নয়। এ কারণে নতুন সমীক্ষার সিদ্ধান্ত জনমনে সংশয় সৃষ্টির কারণ হতে পারে।
৪ দিন আগে

বিমানবন্দরের সীমাহীন অব্যবস্থাপনার শিকার হয়ে একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে এর প্রতিবাদ করেছেন মেজর (অব:) আখতারুজ্জামান। তার প্রতিবাদের ভাষা অগ্রহণযোগ্য স্বীকার করেও একথা বলা যায়, একজন ভুক্তভোগী অনিয়মের বিরুদ্ধে সোচ্চার হলে তা অপরাধ হিসেবে আমলে নিতে হবে? এটি করে সরকার কী বার্তা দিতে চায়? সরকার কি ভেবে নিয়েছে, এতে তাদের ভাবমর্যদা বাড়বে?
৪ দিন আগে

বিদেশ থেকে পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে আনা এবং অপরাধীদের শাস্তি দেয়া শুধু অর্থনৈতিক সুবিধার বিষয় নয়; এতে নিহিত আছে আমাদের অর্থনীতি ভবিষ্যতে কতটা সুস্থ ধারায় ফিরবে তার বার্তা। এ কাজে ব্যর্থ হলে সরকার উন্নত নৈতিক ভিত্তি পাবে না। মুদ্রা পাচারকারীরা আখেরে মাফ পেয়ে যায়— এমন ধারণা থেকে যাবে। সে কারণে শুধু পুরনো নয়, নতুন চোররাও উৎসাহী হবে। সুতরাং এআরটিএফকে করিৎকর্মা হতে হবে। প্রয়োজনে কারো সহযোগিতার দরকার হলে তাদেরও কাজে লাগাতে হবে। যে করেই হোক, যারা দেশকে দেউলিয়া করেছে; তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।
৫ দিন আগে

এনসিটিবির মতো দায়িত্বশীল একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষা বছরের সূচনালগ্নে এমন গাফিলতি কোনোভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। প্রশ্ন হলো— কর্মকর্তাদের অবহেলা ও নজরদারির অভাবে শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ সময় নষ্টের দায় কে নেবে? সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উচিত অনতিবিলম্বে এনসিটিবির কার্যক্রমে কঠোর তদারকি নিশ্চিত করা; কয়েক দিনের মধ্যে সিলেবাস ও নম্বর বণ্টন প্রকাশ করা।
৫ দিন আগে

দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বড় দাগে ভারতের অনুকূলে। হাতে গোনা কয়েকটি মাত্র পণ্য দেশটিতে রফতানি হয়। বাংলাদেশ যখন প্রিমিয়াম পণ্য নিয়ে ভারতীয় বাজারে প্রবেশ করতে চায়, তখনই একের পর এক বেআইনি শুল্ক ও কঠিন পোর্ট-বিধি চাপিয়ে পথ বন্ধ করে দেয়া হয়। শুধু কূটনৈতিক অনুরোধ বা আনুষ্ঠানিক চিঠিপত্র পাঠিয়েই এই অন্যায্য বাণিজ্য বাধা উত্তরণ সম্ভব নয়। দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে সরকারকে দৃঢ় ও শক্ত অবস্থান নিতে হবে।
৬ দিন আগে

জরুরি সার আমদানিতে বিসিআইসি পোস্ট ল্যান্ডিং ইন্সপেকশন এবং প্রাক-জাহাজীকরণ পরিদর্শনের মতো কিছু কাগজে-কলমে সুরক্ষামূলক শর্ত রাখলেও সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে বা নিম্নমানের সার এলে শুধু শর্ত দিয়ে সঙ্কট মোকাবেলা করা সম্ভব হবে না। এ ক্ষেত্রে ভরা মৌসুমে মাঠে সারের ঘাটতি দেখা দিলে এর সরাসরি প্রভাব পড়বে দেশের খাদ্য উৎপাদনে। কৃষকের হাতে যথাসময়ে সার পৌঁছানো যেমন জরুরি; তেমনি রাষ্ট্রীয় অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
৬ দিন আগে

সংসদে বিরোধী দলকে আস্থায় নেয়া সরকারি দলের জন্যই জরুরি। সংবিধান সংশোধন কমিটিতে বিরোধী দলের যোগ দেয়ার বিষয়টিকেও সরকারি দল ভিন্ন ইস্যুতে শর্ত হিসেবে দাঁড় করিয়েছে, যা দৃষ্টিকটু। তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফিরেছে। এর রূপরেখা নির্ধারণ করতে হবে রাজনৈতিক ঐকমত্যের মাধ্যমেই। ভিন্নপথ অবলম্বন বা ধোঁয়াশা সৃষ্টি হতে পারে এমন কোনো পদক্ষেপ কারোরই কাম্য হতে পারে না।
৭ দিন আগে

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি নিয়োগের জন্য এখন দরকার এমন একটি পদ্ধতি, যার মধ্য দিয়ে সৎ, যোগ্য ও দক্ষ শিক্ষকরা এ পদে নিয়োগ পাবেন। এ জন্য একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি গঠন করতে হবে। অতীতের মতো রাজনৈতিক বিবেচনায় যে কাউকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হিসেবে নিয়োগ দেয়া বন্ধ করতে হবে। আমরা চাই ভিসি নিয়োগে সবধরনের স্বেচ্ছাচারের অবসান হোক।
৭ দিন আগে

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মূল অঙ্গীকার ছিল নাগরিকের মৌলিক অধিকার ও বাকস্বাধীনতার সুরক্ষা। প্রস্তাবিত খসড়া আইনটি যদি কোনো মৌলিক পরিবর্তন ছাড়া পাস হয়, তবে সাংবাদিক মতিউর রহমান চৌধুরীর ভাষায়— দেশ একটি ‘বৃহৎ কারাগারে’ পরিণত হতে পারে। আমাদের প্রত্যাশা, গঠিত পর্যালোচনা কমিটি সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও জনস্বার্থে সংবাদ প্রকাশের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করবে।
৮ দিন আগে

অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, ঋণ-স্থবিরতা কেবল ব্যাংকিং খাতের কোনো বিচ্ছিন্ন সমস্যা নয়; এটি পুরো বাস্তব অর্থনীতির দুর্বলতার প্রতিচ্ছবি। সুদের হার কমিয়ে ঋণ সহজ করার চেষ্টা প্রশংসনীয়। কিন্তু উদ্যোক্তার কাছে গ্যাস-বিদ্যুতের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ, স্থিতিশীল নীতিমালার নিশ্চয়তা এবং উৎপাদিত পণ্য বিক্রির বাজার না থাকলে সস্তা ও সহজ ঋণও বোঝা মনে হতে পারে।
৮ দিন আগে

সরকারের ওপর মানুষের আস্থা কমছে। দলীয় কিছু সদস্যের অপরাধ এভাবে আশকারা দেয়া হলে একসময় তারা দানবীয় হয়ে উঠতে পারেন। তখন চাইলে সরকারও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার শক্তি পাবে না। এমনটি হলে সেটি শুধু ক্ষমতাসীন দল নয়, দেশের জন্য বিপদ ডেকে আনবে। সময় থাকতে সরকারকে এসব অপরাধীর বিরুদ্ধে কঠোর হওয়ার কোনো বিকল্প নেই।
৯ দিন আগে

সাংবাদিক নেতাদের সাথে মতবিনিময়ে এ কথা বলেন তিনি। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের সাথে অনুষ্ঠিত গণভোট বাতিল হয়নি বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।
৯ দিন আগে
