
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার বড়বাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ছাদ ও বিম থেকে প্রায়ই পলেস্তারা খসে পড়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। নিরাপত্তার জন্য ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা শেখ মোর্শেদুর রহমানসহ কয়েকজন কর্মচারী হেলমেট পরে অফিস করছেন। গত ছয় মাসে ভবন থেকে পলেস্তারা খসে পড়ে অন্তত সাতজন সেবাগ্রহীতা আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন প্রশাসনিক কর্মকর্তা।
সরেজমিনে দেখা যায়, প্রায় অর্ধশত বছর আগে নির্মিত ভবনটির বিভিন্ন অংশে ফাটল ও পলেস্তারা খসে পড়ার চিহ্ন রয়েছে। হলরুম, তথ্যসেবা কেন্দ্রসহ বিভিন্ন কক্ষে প্রতিদিন সেবা নিতে মানুষের ভিড় হয়। ফলে দুর্ঘটনার আশঙ্কায় আতঙ্কে থাকেন কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সেবাগ্রহীতারা।
গতকাল সোমবার পরিষদে সেবা নিতে আসা বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসহাক শেখ, ধীরেন্দ্র নাথ ঢালী ও মেরাজুল ইসলাম বলেন, জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ বিভিন্ন সেবা নিতে প্রতিদিন মানুষ এখানে আসেন। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের কারণে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন।
ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের আয়া সবিতা রানী রায় জানান, রোববার ছাদ থেকে পলেস্তারা খসে পড়ে তিনি আহত হয়েছেন। প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোর্শেদুর রহমান বলেন, পরিষদের কোনো কক্ষই ভালো অবস্থায় নেই। গত ছয় মাসে অন্তত সাতজন সেবাগ্রহীতা আহত হয়েছেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। বর্তমানে নিরাপত্তার জন্য হেলমেট পরে কাজ করছেন তিনি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাদিজা আক্তার সরকারি কাজে বাইরে থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এদিন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদেরও কার্যালয়ে পাওয়া যায়নি।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








