লোড হচ্ছে...

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক প্রবেশদ্বার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সুনাম রক্ষা করতে হলে কোনো তালি দেয়া সাময়িক পদক্ষেপ নয়; বরং প্রয়োজন আমূল প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ও আধুনিক ব্যবস্থাপনা। আন্তর্জাতিক ফ্লাইট আসার সঠিক সময়ের সাথে ট্রলি মেলানো, লাগেজ কাটা ও চুরির জন্য দায়ী অসাধু সিন্ডিকেট নির্মূল করা, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ট্রানজিট যাত্রীদের জন্য যুক্তিসঙ্গত বিকল্প পথ উন্মুক্ত রাখা এবং সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করা হতে পারে এ অচলাবস্থা দূরের একমাত্র পথ। দেশের প্রবাসী আয় এবং বিদেশী পর্যটকদের কাছে প্রথম ইম্প্রেশন হিসেবে এই বিমানবন্দরকে একটি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর এবং যাত্রীবান্ধব সেন্টারের উপযোগী করতে প্রশাসনিক জবাবদিহি ও সদিচ্ছার কোনো বিকল্প নেই।

একটি জাতি কতটা সভ্য ও প্রগতিশীল, তা নিরূপিত হয় তার শিশু ও প্রবীণ জনগোষ্ঠীর সুরক্ষার স্তরের ওপর ভিত্তি করে। কেবল আইন প্রণয়ন করে কিংবা সন্তানের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের ব্যবস্থা করলেই প্রশাসনের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। প্রতিটি সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও জেলা পর্যায়ে সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগে প্রবীণবান্ধব পার্ক, কল্যাণকেন্দ্র এবং কমিউনিটিভিত্তিক বিনোদনকেন্দ্রের পরিধি বাড়ানো সময়ের দাবি। পাশাপাশি বার্ধক্যজনিত রোগ নিরাময়ে বিশেষায়িত জেরিয়াট্রিক কেয়ার বা চিকিৎসাকেন্দ্র গড়ে তোলা জরুরি।
১ দিন আগে

নিবন্ধন থাকবে, চালকের প্রশিক্ষণ থাকবে, নিরাপত্তা মান থাকবে, নির্দিষ্ট রুট থাকবে, অনুমোদিত চার্জিং ব্যবস্থা থাকবে এবং আইন ভাঙলে শাস্তিও থাকবে। একই সাথে থাকবে চালকের জীবিকা ও সাধারণ যাত্রীর সাশ্রয়ী যাতায়াতের নিশ্চয়তা। আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত এমন একটি পরিবহন ব্যবস্থা, যেখানে ব্যাটারি রিকশা রাস্তার বিশৃঙ্খলার প্রতীক নয়; বরং পরিকল্পিত নগর পরিবহনের একটি নিরাপদ ও কার্যকর অংশ হয়ে উঠবে। এ জন্য প্রয়োজন সুস্পষ্ট নীতি, সমন্বিত পরিকল্পনা এবং তার ধারাবাহিক বাস্তবায়ন
২ দিন আগে

একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় নাগরিকের ক্ষোভ প্রকাশের অধিকার এবং সরকারের অব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তোলার স্বাধীনতা স্বাভাবিক বিষয়। এ ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রতিবাদের আইনি ও শিষ্টাচারের সীমা রক্ষা করা নাগরিকের দায়িত্ব; কিন্তু সরকারের ব্যবস্থার নামে প্রতিবাদের জবাব যদি হয় সন্ত্রাসবিরোধী মামলা, বিএফআইইউ তলব কিংবা পুলিশি হেফাজত; তবে সেটি আইনের শাসনের বদলে রাষ্ট্রের কর্তৃত্ববাদী ক্ষমতার মনোভাবকে ফুটিয়ে তোলে। সমালোচনা সহ্য করা এবং ভুল সংশোধন করা হলো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শক্তি
২ দিন আগে

ব্যাংকিং খাতের ওপর নজরদারি বা সুপারভিশনকে আরো অধিকতর কার্যকর করার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংককে পুরোপুরি রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ও শক্তিশালী করতে হবে। একই সাথে ব্যাংকিং খাতের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বেতন কাঠামো ও সুযোগ-সুবিধা বিশ্বের অন্যান্য উন্নত দেশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা দরকার, যাতে তারা কোনো ধরনের লোভ বা দুর্নীতির শিকার না হন। ব্যাংকিং খাতের মতো একটি সংবেদনশীল জায়গায় দ্বৈত ব্যবস্থাপনা বা দ্বৈত নিয়ন্ত্রণের চর্চা কখনো কোনো সুফল বয়ে আনে না। বর্তমান ধ্বংস্তূপ থেকে এ খাতকে বাঁচাতে সামগ্রিক বিষয়টি গভীরভাবে পর্যালোচনা করে অবিলম্বে আমূল সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি
২ দিন আগে

বুশরা ভিডিওতে সৌদি আরব থেকে ভারতে এসে এক সম্মানিত সরকারি পদে পৌঁছানোর পথপরিক্রমা বর্ণনা করেন। তিনি ভিডিওটিতে আরো বলেন, বিয়ে ও পারিবারিক দায়িত্ব থাকা সত্ত্বেও তার সংকল্পে কোনো ঘাটতি আসেনি। তার এ আলোচনার উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষার্থীদের, বিশেষ করে ছাত্রীদের এটা আশ্বাস দেয়া যে, যদি তাদের ভেতর উৎসাহ ও একাগ্রতা থাকে, তাহলে তারাও জীবনের লড়াইয়ে অনেক কিছু অর্জন করতে পারবেন। বুশরার পক্ষ থেকে ‘ভুল’ শুধু এটুকু হয়েছিল, তিনি আলিগড়ের ঐতিহ্য অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে কথা বলতে গিয়ে ‘আসসালামু আলাইকুম’, ‘ইনশা আল্লাহ’ এবং ‘জাজাকাল্লাহ’র মতো দোয়াবাচক বাক্য ব্যবহার করেছিলেন, যা প্রতিটি মুসলমান নিজেদের সাধারণ কথোপকথনে ব্যবহার করে থাকেন। ব্যস এ বাক্যগুলো বলায় তার বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অপরাধের অভিযোগ আনা হয়। একটি উগ্রপন্থী টিভি চ্যানেল সরাসরি তার সাথে ‘ইউপিএসজি জিহাদ’জুড়ে দেয়। বলা হয়, তিনি ‘বন্দে মাতরম’ এবং ‘জয় হিন্দ’-এর মতো শব্দ কেন ব্যবহার করলেন না?
২ দিন আগে

আইনশৃঙ্খলার সাথে ব্যক্তিনিরাপত্তার, ব্যক্তিনিরাপত্তার সাথে সামাজিক নিরাপত্তার, সামাজিক নিরাপত্তার সাথে আয় উপার্জনের সব কার্যক্রমের কার্যকারণগত সম্পর্ক রয়েছে। দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে সংগ্রামে চাই আয় উপার্জনের সুস্থ স্বাভাবিক পরিবেশ। শিক্ষা কর্মদক্ষতাকে, স্বাস্থ্যসেবা কর্মক্ষমতাকে, কর্মদক্ষতা ও কর্মক্ষমতা উৎপাদন ও ব্যবসাবাণিজ্যে প্রসার ঘটবে— এটিই প্রত্যাশা। সর্বত্র সেই পরিবেশের সহায়তা একান্ত অপরিহার্য যেখানে সীমিত সম্পদের ও সুযোগের সর্বোত্তম ব্যবহার সম্ভব। একটিকে উপেক্ষা মানে যুগপৎভাবে অন্যান্য অনেক সমস্যাকে ছাড় দেয়া
৩ দিন আগে

চব্বিশের পর আমাদের তো ‘ফাউল প্লে’ হওয়ার কথা না। এর আগে দেখেছি সংসদীয় গণতন্ত্রের নাম করে স্বৈরতন্ত্রের বীভৎস বিস্তার। মানুষের আশা ছিল, নতুন দিনে এই লেবাস খুলে ফেলা হবে; কিন্তু সেটি হয়নি। আবার শুরু হয়েছে দখলবাজি, পেশিশক্তির দাপট, ভাঙচুর। ধসে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষের ওপর আস্থা। আর রাজনীতি ধীরে ধীরে জাতীয় সংসদ থেকে চলে যাচ্ছে রাজপথের দিকে। তাহলে কি ‘রোমে’ আগুন লেগে গেছে? না, সঙ্কট এতটা পরিণত হয়নি। তবে ‘রোম’ উষ্ণ হয়ে উঠছে। এই উষ্ণতাকে স্বাভাবিক তাপে ফিরিয়ে আনার পথ এখনো বন্ধ হয়ে যায়নি। পরিস্থিতি নিয়ে তেমন হতাশ হওয়ারও কিছু নেই। এসব অনিয়ম শক্ত হাতে দমন করতে পারলে সব ঠিক হয়ে যাবে, এটাই স্বাভাবিক। এর জন্য চাই সদিচ্ছা ও দূরদর্শিতা।
৩ দিন আগে

যেসব এলাকায় চীনের খনি বা পাইপলাইন রয়েছে (যেমন— শান বা রাখাইন রাজ্য), সেখানকার শক্তিশালী বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোকে (যেমন— আরাকান আর্মি ও অন্যান্য জাতিগত গোষ্ঠী) চীন অস্ত্র সরবরাহ ও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নিয়ন্ত্রণে রাখে। বেইজিং বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোকে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে, তাদের ভূখণ্ডে থাকা চীনা প্রকল্পে যেন কোনো হামলা না হয়। এভাবে চীন ‘চেকস অ্যান্ড ব্যালান্স’-এর মাধ্যম মিয়ানমারকে সামাল দিচ্ছে। সার্বক্ষণিক গৃহযুদ্ধ ও নিরাপত্তা শঙ্কার মধ্যে বাংলাদেশ বা চীন কেউই সড়ক করিডোর খাতে বড় অঙ্কের দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের ঝুঁকি নিতে পারছে না। বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সবচেয়ে বড় সঙ্কট হলো রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন। রাজনৈতিকভাবে এই সঙ্কটের সম্মানজনক সমাধান না হওয়া পর্যন্ত মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের কোনো যৌথ অর্থনৈতিক বা কানেক্টিভিটি প্রকল্প এগিয়ে নেয়া রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল। চীন এই করিডোর নিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা চালালেও, মিয়ানমারে যতক্ষণ না একটি স্থিতিশীল সরকার প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে এবং দেশটির অভ্যন্তরীণ যুদ্ধ পরিস্থিতি শান্ত হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে চীন সড়ক যোগাযাগ বাস্তব রূপ নেয়া সম্ভব নয়।
৩ দিন আগে

সামাজিক সুরক্ষা ও নীতি-নির্ধারণে অংশগ্রহণ : রাষ্ট্রীয় সামাজিক পদমর্যাদায় শিক্ষাবিদদের অগ্রাধিকার প্রদান এবং জাতীয় শিক্ষানীতি নির্ধারণে শিক্ষকদের সক্রিয় প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা। বিগত ছয় দশক ধরে যে আন্তর্জাতিক সনদের মূল বক্তব্য ছিল শিক্ষকদের ক্ষমতায়ন ও সুরক্ষা, তা বাংলাদেশে কার্যকর করার এখনই উপযুক্ত সময়। শিক্ষকরা যদি দৈনন্দিন আর্থিক অনিশ্চয়তা, সামাজিক অবহেলা ও প্রশাসনিক বৈষম্যের শিকার হন, তবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার স্বপ্ন অধরাই থেকে যাবে। আসুন, পেশাগত মর্যাদা ও ন্যায্য অধিকার ফিরিয়ে দিয়ে শিক্ষকদের পাশে দাঁড়াই এবং উন্নত ও আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথ প্রশস্ত করি।
৩ দিন আগে

উন্নয়ন বাজেটের সাথে দুর্নীতি ও অপচয়ের প্রশ্নও গুরুত্বপূর্ণ। কোনো প্রকল্পের প্রকৃত ব্যয় কত হওয়া উচিত এবং বাস্তবে কত টাকা ব্যয় হচ্ছে— সে বিষয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি। প্রকল্পের ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেলে তার কারণ জনসমক্ষে পরিষ্কার করা দরকার। একই সাথে নিম্নমানের কাজ, অতিরিক্ত ব্যয়, ঠিকাদারি অনিয়ম কিংবা প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বার্থের সঙ্ঘাত থাকলে তা কঠোরভাবে তদন্ত ও প্রতিরোধ করতে হয়। আরো গুরুত্বপূর্ণ একটি জাতীয় চিত্র হলো, ২০২৬ সালের একটি সরকারি গ্রামীণ সড়ক পুনর্বাসন প্রকল্পে দেশে গ্রামীণ সড়কে বিদ্যমান সেতু-কালভার্টের মোট দৈর্ঘ্য দুই লাখ ১৯ হাজার ৯৭১ মিটার উল্লেখ করা যায়। অথচ এর অধিকাংশ এখন সচল নয়। অচল কয়েকটি সেতু-কালভার্টে ব্যয় করা হয়েছে ১৩ কোটি কয়েক লাখ টাকা।
৪ দিন আগে

চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে সরকারের নতুন করে কঠোর অভিযান পরিচালনার কথা শোনা গেলেও তার দ্রুত ও দৃশ্যমান বাস্তবায়ন দেখতে চায় নগরবাসী। অপরাধীদের মনে আইনের এমন এক কঠোর ভীতি তৈরি করতে হবে, যাতে কেউ আর ঢাকাকে অপরাধের অভয়াশ্রম ভাবার দুঃসাহস না পায়। ঢাকা বাঁচলে তবেই বাঁচবে আমাদের জাতীয় আশা-আকাঙ্ক্ষা।
৪ দিন আগে

তিউনিসিয়া, তুরস্ক ও মরক্কোর মতো দেশগুলোর ইসলামী আন্দোলনের গতিপ্রকৃতি আলোচনার মাধ্যমে আমার বাবা মূলত এটি খতিয়ে দেখেছেন, জনপরিসরে ইসলামী মূল্যবোধের প্রতিফলন ঘটানোয় জামায়াতের অনুসৃত পন্থা সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি কি না। তিনি ধর্মীয় দাওয়াত ও রাজনৈতিক আন্দোলনকে পরস্পর থেকে পৃথক রাখার জোর সুপারিশ করেছিলেন। তার যুক্তি ছিল, ইসলামের প্রতি অনুগত থাকার অর্থ এই নয় যে, একটি নির্দিষ্ট দলীয় কাঠামো বা রাজনৈতিক কৌশলের সাথে স্থায়ীভাবে আবদ্ধ থাকতে হবে। তিনি মূলত সমাজ কাঠামোর নিচ থেকে উপরের দিকে রূপান্তরের প্রস্তাব দিয়েছিলেন; যেখানে শিক্ষা, গবেষণা, সমাজসেবা ও বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনার মাধ্যমে সামাজিক পর্যায়ে পরিবর্তন নিয়ে আসা সম্ভব।
৪ দিন আগে

প্রধানমন্ত্রীর ফেনীর বক্তব্য ধরে দেশ আবার সঙ্ঘাতের রাজনীতির দিকে যাবে কি না এমন প্রশ্ন তোলা হয়তো সমীচীন নয়, তবে একটি সতর্ক সঙ্কেত হিসেবে দেখাই যায়। সরকার ও বিরোধী দল পরস্পরকে শত্রু ভাবতে শুরু করলে, সঙ্ঘাতের ঝুঁকি বাড়তে পারে। ‘আমাদের নসিহত করার আগে নিজের ঘর সামলান’— এই বক্তব্য শুধু জামায়াতের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক জবাব হিসেবে দেখার বিষয় নয়। এটি বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সংস্কৃতির সামনে একটি বড় প্রশ্নও রেখে গেছে যে, আমরা কি আবার সঙ্ঘাতের পুরনো পথে হাঁটব, নাকি একটি সহনশীল, জবাবদিহিমূলক ও নীতিনির্ভর রাজনৈতিক সংস্কৃতির দিকে এগোব?
৪ দিন আগে

জনপ্রশাসন এখন ঠিকমতো কাজ করছে না বলে সরকারের নীতিনির্ধারকরা আফসোস করছেন; কিন্তু জনপ্রশাসনকে মেরিটোক্র্যাসি এবং পেশাদারত্বের নীতির ওপর দাঁড় করাতে কার্যকর কোনো উদ্যোগ না নিয়ে; বরং পতিত সরকারের রেখে যাওয়া প্রশাসনিক মেশিনারি দিয়ে কাজ চালানোর ফল যা হওয়ার তা-ই হচ্ছে। সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. আকবর আলি খানের একটি উদ্ধৃতি দিয়ে আজকের কলাম শেষ করছি— ‘রাজনৈতিক বিবেচনাই যদি পদোন্নতির মাপকাঠি হয়, তাহলে কর্মকর্তাদের মধ্যে রাজনীতিকীকরণ বাড়বে। প্রশাসন তার নিজস্ব গতি হারাবে। নতুন ও অনভিজ্ঞ রাজনীতিকদের নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ গঠন করা গেলেও মেধাহীন ও অদক্ষ কর্মকর্তাদের দিয়ে কাঙ্ক্ষিত মানের প্রশাসন কায়েম করা যায় না’।
৫ দিন আগে

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ক্ষমতার পালাবদল বরাবর সাধারণ মানুষের মনে নতুন আশার সঞ্চার করে। গণ-অভ্যুত্থান বা বড় ধরনের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের মানুষ স্বপ্ন দেখে একটি...
৫ দিন আগে
