লোড হচ্ছে...

বিমানবন্দর কারো পৈতৃক সম্পত্তি বা ব্যক্তিগত জমিদারি নয়; এটি রাষ্ট্রের সম্পত্তি এবং জনগণের ট্যাক্সের টাকায় পরিচালিত একটি জাতীয় সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। কয়েকজনকে বদলি বা সাময়িক বরখাস্ত করে মূল সমস্যা ধামাচাপা দেয়ার পুরনো ও ব্যর্থ কৌশল থেকে বেরিয়ে আসতে হবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে। জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করে দল-মত ও পদের ঊর্ধ্বে উঠে অপরাধী ও কর্তব্যে অবহেলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে। তবেই একটি আন্তর্জাতিক মানের মর্যাদাপূর্ণ, নিরাপদ ও সেবামুখী বিমানবন্দরে রূপান্তরিত হতে পারে ঢাকা বিমানবন্দর, যেখানে প্রবাসীদের দীর্ঘশ্বাসের বদলে শোনা যাবে পরম স্বস্তির নিঃশ্বাস।


সমাধানের শুরু হতে হবে প্রকৃত মালিকানা স্বচ্ছ করার মাধ্যমে। কোন ব্যাংকের প্রকৃত মালিক কে, কোন কোম্পানি কার সাথে সম্পর্কিত এবং একই গোষ্ঠীর মোট ঋণ ও সম্মিলিত ঝুঁকি কত, এসব তথ্য নিয়ন্ত্রকের কাছে হালনাগাদ থাকতে হবে। কাগজপত্রে কোম্পানি আলাদা হলেও প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ একই হাতে থাকলে ঝুঁকির হিসাবও একসাথে করতে হবে। একই সাথে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে ঋণের সীমা, একই জামানতের বিপরীতে একাধিক ঋণ, অস্বাভাবিক আন্তঃকোম্পানি অর্থ স্থানান্তর, দ্রুত ঋণ বৃদ্ধি, বারবার পুনঃতফসিল এবং বড় বিদেশী লেনদেনকে আগাম সতর্কতার সঙ্কেত হিসেবে বিবেচনা করতে হবে
১ দিন আগে

আমাদের তরুণরা শিক্ষা কিংবা চাকরির প্রয়োজনে, ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণে কোনো প্রকার হয়রানি ছাড়াই পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে যাবে। জীবিকার তাগিদে মেক্সিকোর জঙ্গল, ভূমধ্যসাগর কিংবা ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিতে গিয়ে আর লাশ হয়ে ফিরবে না। অন্য দিকে সরকারের নিষ্ক্রিয়তা, ঘুমিয়ে থাকা পাসপোর্টের মান অদূর ভবিষ্যতে নর্থ কোরিয়া কিংবা আফগানিস্তানের সারিতে নামিয়ে আনলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।
১ দিন আগে

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক প্রবেশদ্বার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সুনাম রক্ষা করতে হলে কোনো তালি দেয়া সাময়িক পদক্ষেপ নয়; বরং প্রয়োজন আমূল প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ও আধুনিক ব্যবস্থাপনা। আন্তর্জাতিক ফ্লাইট আসার সঠিক সময়ের সাথে ট্রলি মেলানো, লাগেজ কাটা ও চুরির জন্য দায়ী অসাধু সিন্ডিকেট নির্মূল করা, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ট্রানজিট যাত্রীদের জন্য যুক্তিসঙ্গত বিকল্প পথ উন্মুক্ত রাখা এবং সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করা হতে পারে এ অচলাবস্থা দূরের একমাত্র পথ। দেশের প্রবাসী আয় এবং বিদেশী পর্যটকদের কাছে প্রথম ইম্প্রেশন হিসেবে এই বিমানবন্দরকে একটি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর এবং যাত্রীবান্ধব সেন্টারের উপযোগী করতে প্রশাসনিক জবাবদিহি ও সদিচ্ছার কোনো বিকল্প নেই।
২ দিন আগে

অপরাধীদের দলীয় পরিচয় এখনো মুখ্য হয়ে আছে। অন্তত রাবিতে সাংবাদিক পেটানোর এই ঘটনায় তার প্রমাণ মিলছে। কারণ তদের কাউকে আইনের আওতায় আনা হয়নি। প্রকাশ্যে তারা অন্যদের এখনো হুমকি দিয়ে বেড়াচ্ছেন। ফ্যাসিস্ট সরকারের অন্যতম প্রধান চরিত্র ছিল এটি, যার কারণে তাদের শেষ পর্যন্ত পালাতে হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পুরনো স্টাইলে আধিপত্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা ছাত্রসমাজসহ কেউ ভালো চোখে দেখবে না। রাবিতে যারা প্রকাশ্যে সাংবাদিক পিটিয়েছে, ছাত্রলীগের নিষ্ঠুর চরিত্র অর্জন করার আগে তাদের বিচারের আওতায় আনুন। দল থেকে বহিষ্কারের চেয়েও অপরাধের শাস্তি তাদের পাওয়া দরকার। তা না হলে ভুল বার্তা যাবে
২ দিন আগে

দরকার বড় বড় ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর একচেটিয়া আধিপত্য খর্ব করা। মুষ্টিমেয় করপোরেট গ্রুপের হাতে ভোজ্যতেল, চিনি বা ছোলার মতো জরুরি পণ্যের এলসি (LC) ও আমদানি সুবিধা সীমিত না রেখে, মাঝারি ও নতুন ব্যবসায়ীদের জন্য ঋণ ও লাইসেন্স প্রাপ্তি সহজ করা। দরকার প্রতিযোগিতা কমিশনকে (Competition Commission) শক্তিশালী করা : দেশে একটি প্রতিযোগিতা কমিশন আইন আছে। কিন্তু কার্যকারিতা নেই। এই কমিশনকে স্বাধীন ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থায় পরিণত করা হলে তা একচেটিয়া ব্যবসা বা বাজারে জোটবদ্ধ হয়ে দাম নির্ধারণের বিরুদ্ধে সরাসরি ফৌজদারি ব্যবস্থা নিতে পারবে। টিসিবির সংস্কার, বিকল্প বাজার শক্তি (Countervailing Force) গড়ে তোলা, যাতে সরকারি গুদামে পর্যাপ্ত মজুদ রাখা হবে। সিন্ডিকেট কৃত্রিম সঙ্কট তৈরির চেষ্টা করলে, সরকার বাজারে কম দামে পণ্য ছেড়ে তাদের কারসাজি ব্যর্থ করে দিতে পারবে। একই সাথে বিশেষ ব্যবস্থা যেমন— সরকারি কোল্ড স্টোরেজ বা হিমাগার স্থাপন, আমদানিকৃত পণ্য বন্দর থেকে খালাস হওয়ার পর কোন আড়তে যাচ্ছে, তা ডিজিটাল ট্র্যাকিংয়ের আওতায় আনা, কৃষকরা যাতে সরাসরি পণ্য বাজারজাত করতে পারে সে জন্য কৃষি বাজারের মতো বাজার প্রতিষ্ঠা করে মধ্যস্বত্বভোগীর দৌরাত্ম্য দূর করার মতো পদক্ষেপ অবিলম্বে বাস্তবায়ন করা।
২ দিন আগে

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত এমন এক যুগে প্রবেশ করেছে যার কোনো সুস্পষ্ট পূর্বদৃষ্টান্ত নেই। বাংলাদেশ যে রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিক প্রতিবেশী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়, সে রাষ্ট্র আর সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ করে না; আর যে সংগঠন সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ করে, সেটি একই সাথে সম্ভাব্য সহযোগী, নিরাপত্তা-ঝুঁকি, জাতিগত-জাতীয়তাবাদী শক্তি এবং স্বীকৃতিপ্রত্যাশী একটি প্রকৃত কর্তৃপক্ষ। কিন্তু স্থায়ী স্থিতিশীলতার জন্য প্রয়োজন নিরবচ্ছিন্ন সংলাপ, শক্তিশালী সীমান্ত প্রতিরক্ষা, সুস্পষ্ট রেডলাইন এবং বেসামরিক মানুষের সুরক্ষার প্রতি দৃঢ়অঙ্গীকার। সীমান্ত বদলে গেছে; এখন বাংলাদেশের প্রতিক্রিয়াই আগামী এক প্রজন্মের নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক অবস্থান নির্ধারণ করবে।
৩ দিন আগে

রিপাবলিকানদের হাতে ৭৩ বিলিয়ন ডলার আটকে দেয়ার জন্য শুধু এই অন্তর্বর্তীকালীন সময়টুকুই থাকবে, যা তাদের বিপক্ষে কাজ করতে পারে। পেন্টাগনের প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা জুলস হার্স্ট বলেছেন, ইরান যুদ্ধ ও অস্ত্রের জন্য অর্থায়নের সিদ্ধান্ত ডিসেম্বরের আগে প্রত্যাশিত নয় এবং ২০২৭ অর্থবছরের চূড়ান্ত বাজেট সিদ্ধান্ত এক বছর পিছিয়ে যেতে পারে। এর তাৎপর্য সহজবোধ্য। হার্স্টের সময়সূচি থেকে বোঝা যায়, অর্থায়নের লড়াই ডিসেম্বরের আগে শুরু নাও হতে পারে এবং তা ৩ জানুয়ারির পরও যেতে পারে। সুতরাং ক্ষমতা হস্তান্তরের আগে এই কংগ্রেসকে সুরক্ষিত করার জন্য রিপাবলিকানদের হাতে হয়তো মাত্র চার সপ্তাহ সময় থাকবে
৩ দিন আগে

একটি জাতি কতটা সভ্য ও প্রগতিশীল, তা নিরূপিত হয় তার শিশু ও প্রবীণ জনগোষ্ঠীর সুরক্ষার স্তরের ওপর ভিত্তি করে। কেবল আইন প্রণয়ন করে কিংবা সন্তানের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের ব্যবস্থা করলেই প্রশাসনের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। প্রতিটি সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও জেলা পর্যায়ে সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগে প্রবীণবান্ধব পার্ক, কল্যাণকেন্দ্র এবং কমিউনিটিভিত্তিক বিনোদনকেন্দ্রের পরিধি বাড়ানো সময়ের দাবি। পাশাপাশি বার্ধক্যজনিত রোগ নিরাময়ে বিশেষায়িত জেরিয়াট্রিক কেয়ার বা চিকিৎসাকেন্দ্র গড়ে তোলা জরুরি।
৩ দিন আগে

নিবন্ধন থাকবে, চালকের প্রশিক্ষণ থাকবে, নিরাপত্তা মান থাকবে, নির্দিষ্ট রুট থাকবে, অনুমোদিত চার্জিং ব্যবস্থা থাকবে এবং আইন ভাঙলে শাস্তিও থাকবে। একই সাথে থাকবে চালকের জীবিকা ও সাধারণ যাত্রীর সাশ্রয়ী যাতায়াতের নিশ্চয়তা। আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত এমন একটি পরিবহন ব্যবস্থা, যেখানে ব্যাটারি রিকশা রাস্তার বিশৃঙ্খলার প্রতীক নয়; বরং পরিকল্পিত নগর পরিবহনের একটি নিরাপদ ও কার্যকর অংশ হয়ে উঠবে। এ জন্য প্রয়োজন সুস্পষ্ট নীতি, সমন্বিত পরিকল্পনা এবং তার ধারাবাহিক বাস্তবায়ন
৪ দিন আগে

একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় নাগরিকের ক্ষোভ প্রকাশের অধিকার এবং সরকারের অব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তোলার স্বাধীনতা স্বাভাবিক বিষয়। এ ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রতিবাদের আইনি ও শিষ্টাচারের সীমা রক্ষা করা নাগরিকের দায়িত্ব; কিন্তু সরকারের ব্যবস্থার নামে প্রতিবাদের জবাব যদি হয় সন্ত্রাসবিরোধী মামলা, বিএফআইইউ তলব কিংবা পুলিশি হেফাজত; তবে সেটি আইনের শাসনের বদলে রাষ্ট্রের কর্তৃত্ববাদী ক্ষমতার মনোভাবকে ফুটিয়ে তোলে। সমালোচনা সহ্য করা এবং ভুল সংশোধন করা হলো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শক্তি
৪ দিন আগে

ব্যাংকিং খাতের ওপর নজরদারি বা সুপারভিশনকে আরো অধিকতর কার্যকর করার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংককে পুরোপুরি রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ও শক্তিশালী করতে হবে। একই সাথে ব্যাংকিং খাতের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বেতন কাঠামো ও সুযোগ-সুবিধা বিশ্বের অন্যান্য উন্নত দেশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা দরকার, যাতে তারা কোনো ধরনের লোভ বা দুর্নীতির শিকার না হন। ব্যাংকিং খাতের মতো একটি সংবেদনশীল জায়গায় দ্বৈত ব্যবস্থাপনা বা দ্বৈত নিয়ন্ত্রণের চর্চা কখনো কোনো সুফল বয়ে আনে না। বর্তমান ধ্বংস্তূপ থেকে এ খাতকে বাঁচাতে সামগ্রিক বিষয়টি গভীরভাবে পর্যালোচনা করে অবিলম্বে আমূল সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি
৪ দিন আগে

বুশরা ভিডিওতে সৌদি আরব থেকে ভারতে এসে এক সম্মানিত সরকারি পদে পৌঁছানোর পথপরিক্রমা বর্ণনা করেন। তিনি ভিডিওটিতে আরো বলেন, বিয়ে ও পারিবারিক দায়িত্ব থাকা সত্ত্বেও তার সংকল্পে কোনো ঘাটতি আসেনি। তার এ আলোচনার উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষার্থীদের, বিশেষ করে ছাত্রীদের এটা আশ্বাস দেয়া যে, যদি তাদের ভেতর উৎসাহ ও একাগ্রতা থাকে, তাহলে তারাও জীবনের লড়াইয়ে অনেক কিছু অর্জন করতে পারবেন। বুশরার পক্ষ থেকে ‘ভুল’ শুধু এটুকু হয়েছিল, তিনি আলিগড়ের ঐতিহ্য অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে কথা বলতে গিয়ে ‘আসসালামু আলাইকুম’, ‘ইনশা আল্লাহ’ এবং ‘জাজাকাল্লাহ’র মতো দোয়াবাচক বাক্য ব্যবহার করেছিলেন, যা প্রতিটি মুসলমান নিজেদের সাধারণ কথোপকথনে ব্যবহার করে থাকেন। ব্যস এ বাক্যগুলো বলায় তার বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অপরাধের অভিযোগ আনা হয়। একটি উগ্রপন্থী টিভি চ্যানেল সরাসরি তার সাথে ‘ইউপিএসজি জিহাদ’জুড়ে দেয়। বলা হয়, তিনি ‘বন্দে মাতরম’ এবং ‘জয় হিন্দ’-এর মতো শব্দ কেন ব্যবহার করলেন না?
৪ দিন আগে

আইনশৃঙ্খলার সাথে ব্যক্তিনিরাপত্তার, ব্যক্তিনিরাপত্তার সাথে সামাজিক নিরাপত্তার, সামাজিক নিরাপত্তার সাথে আয় উপার্জনের সব কার্যক্রমের কার্যকারণগত সম্পর্ক রয়েছে। দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে সংগ্রামে চাই আয় উপার্জনের সুস্থ স্বাভাবিক পরিবেশ। শিক্ষা কর্মদক্ষতাকে, স্বাস্থ্যসেবা কর্মক্ষমতাকে, কর্মদক্ষতা ও কর্মক্ষমতা উৎপাদন ও ব্যবসাবাণিজ্যে প্রসার ঘটবে— এটিই প্রত্যাশা। সর্বত্র সেই পরিবেশের সহায়তা একান্ত অপরিহার্য যেখানে সীমিত সম্পদের ও সুযোগের সর্বোত্তম ব্যবহার সম্ভব। একটিকে উপেক্ষা মানে যুগপৎভাবে অন্যান্য অনেক সমস্যাকে ছাড় দেয়া
৫ দিন আগে

চব্বিশের পর আমাদের তো ‘ফাউল প্লে’ হওয়ার কথা না। এর আগে দেখেছি সংসদীয় গণতন্ত্রের নাম করে স্বৈরতন্ত্রের বীভৎস বিস্তার। মানুষের আশা ছিল, নতুন দিনে এই লেবাস খুলে ফেলা হবে; কিন্তু সেটি হয়নি। আবার শুরু হয়েছে দখলবাজি, পেশিশক্তির দাপট, ভাঙচুর। ধসে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষের ওপর আস্থা। আর রাজনীতি ধীরে ধীরে জাতীয় সংসদ থেকে চলে যাচ্ছে রাজপথের দিকে। তাহলে কি ‘রোমে’ আগুন লেগে গেছে? না, সঙ্কট এতটা পরিণত হয়নি। তবে ‘রোম’ উষ্ণ হয়ে উঠছে। এই উষ্ণতাকে স্বাভাবিক তাপে ফিরিয়ে আনার পথ এখনো বন্ধ হয়ে যায়নি। পরিস্থিতি নিয়ে তেমন হতাশ হওয়ারও কিছু নেই। এসব অনিয়ম শক্ত হাতে দমন করতে পারলে সব ঠিক হয়ে যাবে, এটাই স্বাভাবিক। এর জন্য চাই সদিচ্ছা ও দূরদর্শিতা।
৫ দিন আগে

যেসব এলাকায় চীনের খনি বা পাইপলাইন রয়েছে (যেমন— শান বা রাখাইন রাজ্য), সেখানকার শক্তিশালী বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোকে (যেমন— আরাকান আর্মি ও অন্যান্য জাতিগত গোষ্ঠী) চীন অস্ত্র সরবরাহ ও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নিয়ন্ত্রণে রাখে। বেইজিং বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোকে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে, তাদের ভূখণ্ডে থাকা চীনা প্রকল্পে যেন কোনো হামলা না হয়। এভাবে চীন ‘চেকস অ্যান্ড ব্যালান্স’-এর মাধ্যম মিয়ানমারকে সামাল দিচ্ছে। সার্বক্ষণিক গৃহযুদ্ধ ও নিরাপত্তা শঙ্কার মধ্যে বাংলাদেশ বা চীন কেউই সড়ক করিডোর খাতে বড় অঙ্কের দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের ঝুঁকি নিতে পারছে না। বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সবচেয়ে বড় সঙ্কট হলো রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন। রাজনৈতিকভাবে এই সঙ্কটের সম্মানজনক সমাধান না হওয়া পর্যন্ত মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের কোনো যৌথ অর্থনৈতিক বা কানেক্টিভিটি প্রকল্প এগিয়ে নেয়া রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল। চীন এই করিডোর নিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা চালালেও, মিয়ানমারে যতক্ষণ না একটি স্থিতিশীল সরকার প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে এবং দেশটির অভ্যন্তরীণ যুদ্ধ পরিস্থিতি শান্ত হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে চীন সড়ক যোগাযাগ বাস্তব রূপ নেয়া সম্ভব নয়।
৫ দিন আগে
