লোড হচ্ছে...

‘টেল অব হিলশা এন্ড এ বয়’ (লেখক: মো. হাবিবুর রহমান) গ্রন্থটি নিয়ে আলোচনার আগে বৈশাখ সম্পর্কে কিছু কথা বলা প্রয়োজন। বঙ্গাব্দের সূচনালগ্নে বৈশাখ এলে বাংলা...

পহেলা বৈশাখ ঘিরে রাজধানী ঢাকাজুড়ে বইছে উৎসবের আমেজ। গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী মেলার আবহ শহরেও ছড়িয়ে দিতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের উদ্যোগে বসেছে বৈশাখী মেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও লোকজ আয়োজন। যেখানে পরিবার বা বন্ধুদের নিয়ে ঘুরে আসার সুযোগ আছে। বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে বিসিক ও বাংলা একাডেমির যৌথ উদ্যোগে বৈশাখী মেলা চলছে ১৪ থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত, যেখানে গ্রামীণ ঐতিহ্যের নানা পণ্য পাওয়া যাচ্ছে। একই সময়ে বাংলাদেশ–চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এসএমই বৈশাখী মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যেখানে শতাধিক স্টলে দেশীয় পণ্য ও খাবারের পাশাপাশি প্রতিদিন সাংস্কৃতিক আয়োজনও থাকছে।
১৪ এপ্রিল, ২০২৬

বাংলা নববর্ষ মানেই বাঙালির প্রাণের উৎসব-আনন্দ, উচ্ছ্বাস আর বৈচিত্র্যের এক অপূর্ব মিলনমেলা। আর সেই আনন্দঘন আয়োজনেই এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে দেখা গেল এক অনন্য চিত্র, যেখানে শারীরিক সীমাবদ্ধতা কোনো বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। বরং উৎসবের রঙ, সুর ও ভালোবাসার স্পর্শে মুছে গেছে সব ভিন্নতা, তৈরি হয়েছে এক অন্তর্ভুক্তিমূলক মানবিক পরিবেশ। পয়লা বৈশাখ উদযাপন উপলক্ষে ক্যাম্পাসজুড়ে ছিল বর্ণাঢ্য আয়োজন। চারুকলা অনুষদের আনন্দ শোভাযাত্রা, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের পরিবেশনা এবং রঙিন পাঞ্জাবি-শাড়িতে সজ্জিত মানুষের ভিড়ে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। এর মাঝেই বিশেষভাবে নজর কাড়েন বিভিন্ন শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী মানুষ।
১৪ এপ্রিল, ২০২৬

রাজধানীর রবীন্দ্র সরোবরে শুরু হয়েছে হাজার কণ্ঠে বর্ষবরণ আয়োজন। খুদে শিল্পী থেকে শুরু করে দেশের প্রথিতযশা শিল্পীদের সম্মিলিত পরিবেশনায় বরণ করা হলো বাংলা নতুন বছর। চ্যানেল আই ও সুরের ধারার যৌথ উদ্যোগে মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ভোর ৫টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এ আয়োজন চলে সকাল ৯টা পর্যন্ত। সকাল থেকেই সুরের ধারার শিক্ষার্থীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা শিল্পীদের অংশগ্রহণে সরোবর প্রাঙ্গণ মুখর হয়ে ওঠে। সম্মিলিত কণ্ঠে বাংলা গান পরিবেশনার মধ্য দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানান অংশগ্রহণকারীরা। ভোর সাড়ে ৬টায় রেজওয়ান চৌধুরী বন্যার নেতৃত্বে ‘তুমি নির্মল করো, মঙ্গল করো’ গান পরিবেশিত হলে পুরো পরিবেশ আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
১৪ এপ্রিল, ২০২৬

“নববর্ষের নব স্বপ্নে নব উদ্যমে জাগো” স্লোগানকে ধারণ করে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন করেছে দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৯টায় রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাব-এর সামনে থেকে বর্ণিল বৈশাখী শোভাযাত্রার মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। র্যালিটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে রমনা পার্ক-এর অরুণোদয় গেটে গিয়ে শেষ হয়। এতে অংশ নেন ঢাকা-বরো আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন, ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য কামাল হোসেন এবং দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদের সভাপতি শিল্পী সাইফুল্লাহ মানসুরসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
১৪ এপ্রিল, ২০২৬

বৈশাখের রঙে রঙিন হয়ে উঠেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। বাংলা নববর্ষের এই আনন্দঘন মুহূর্তে দেশীয় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিদেশি শিক্ষার্থীরাও মেতে উঠেছেন বাঙালির প্রাণের উৎসবে। বর্ণিল পোশাক, মুখে আলপনা এবং ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির ছোঁয়ায় তারা যেন হয়ে উঠেছেন একেবারে বাঙালি। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থান, বিশেষ করে টিএসসি এলাকা, চারুকলা অনুষদ ও বটতলায় শিক্ষার্থীদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। বিদেশি শিক্ষার্থীরা লাল-সাদা শাড়ি, পাঞ্জাবি ও ফতুয়া পরে উৎসবে অংশ নেন। অনেকেই মাথায় ফুলের মালা ও হাতে রঙিন চুড়ি পরে বৈশাখী আবহে নিজেকে সাজিয়ে তোলেন।
১৪ এপ্রিল, ২০২৬

পয়লা বৈশাখ মানেই পান্তা-ইলিশ এমন এক ধারণা এখন প্রায় প্রতিষ্ঠিত। নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে ভোরবেলা পান্তাভাত আর ইলিশ ভাজা যেন এক অনিবার্য আয়োজন। কিন্তু এই চেনা দৃশ্য কি সত্যিই বহুদিনের ঐতিহ্য? ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায়, গল্পটা আসলে একটু ভিন্ন। পান্তাভাতের শিকড় অনেক গভীরে প্রোথিত। বাংলার গ্রামীণ জীবনে এটি ছিল একেবারেই সাধারণ খাবার-সহজলভ্য, পুষ্টিকর এবং গরমের দিনে শরীর ঠান্ডা রাখার কার্যকর উপায়। মধ্যযুগীয় সাহিত্যেও এর উপস্থিতি দেখা যায়। মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর চণ্ডীমঙ্গল কাব্যে ‘আমানি’ শব্দটি দিয়ে পান্তার জলীয় অংশের উল্লেখ পাওয়া যায়। এই ‘আমানি’ ঘিরেই ছিল এক ধরনের আঞ্চলিক কৃষিভিত্তিক উৎসব, যেখানে ভেজানো ভাত খাওয়ার রেওয়াজ ছিল। গ্রামের মানুষ পান্তা খেতেন নুন, কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ কিংবা ভর্তার সঙ্গে। কখনো ছোট মাছ থাকত, কিন্তু ইলিশ ছিল বিলাসী খাবার-সব সময়ের নাগালে নয়। ফলে পান্তা আর ইলিশের যুগলবন্দি ছিল না গ্রামীণ ঐতিহ্যের অংশ।
১৪ এপ্রিল, ২০২৬

পয়লা বৈশাখ উদযাপনে রাজধানীর প্রাণকেন্দ্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ পরিণত হয়েছে এক প্রাণবন্ত উৎসবস্থলে। বৈশাখকে বরণ করতে ভোর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি, চারুকলা অনুষদ, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকা ও আশপাশের সড়কগুলোতে মানুষের ঢল নামে। সব বয়সী মানুষ, পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্ধব এবং নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা মুখর হয়ে ওঠে উৎসবের আমেজে। সকালবেলায় সূর্য ওঠার আগেই অনেকেই চলে আসেন প্রিয় এই প্রাঙ্গণে। লাল-সাদা পোশাকে সজ্জিত তরুণ-তরুণী, নারীদের খোঁপায় গাঁথা ফুল, পুরুষদের পাঞ্জাবিতে বৈশাখের ছোঁয়া—সব মিলিয়ে চারদিকে সৃষ্টি হয় এক বর্ণিল আবহ। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের আয়োজনে গান, নৃত্য ও আবৃত্তির মধ্য দিয়ে বরণ করা হয় নতুন বছর।
১৪ এপ্রিল, ২০২৬

রাজধানীর রমনা বটমূলে সূর্যোদয়ের পর শুরু হয়েছে ছায়ানট-এর ঐতিহ্যবাহী বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। সকাল ৬টা ১৫ মিনিটে সম্মেলক কণ্ঠে ‘জাগো আলোক-লগনে’ গানের মধ্য দিয়ে আয়োজনের সূচনা হয়। শুরুর পরপরই পরিবেশিত হয় ‘এ কী সুগন্ধহিল্লোল বহিল’ এবং ‘তোমার হাতের রাখীখানি বাঁধো আমার দখিন-হাতে’। বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-কে স্বাগত জানিয়ে এবারের আয়োজনের মূল প্রতিপাদ্য রাখা হয়েছে—“চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির”।
১৪ এপ্রিল, ২০২৬

আজ চৈত্র মাসের ৩০ তারিখ, চৈত্রসংক্রান্তি। বাংলা বছরের শেষ দিনে দেশজুড়ে আবহমান বাংলার ঐতিহ্যকে ধারণ করে পুরোনো বছরের জরা-জীর্ণতা ভুলে নতুন বছরকে বরণ করার প্রস্তুতি চলছে। এই দিনে মানুষ পুরোনো বছরের দুঃখ, ক্লেশ ও হতাশাকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরের সুখ-সমৃদ্ধি ও আলোর প্রত্যাশা করে। নানা আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বাঙালিরা এই দিনটি উদযাপন করেন। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, সংক্রান্তি বলতে এক রাশি থেকে আরেক রাশিতে সূর্যের গমনকে বোঝায়। নতুন বাংলা বছরে প্রবেশের আগে সূর্য মেষ রাশিতে প্রবেশ করে, যা শুভ সময় হিসেবে বিবেচিত হয়। এ সময় নানা ধর্মীয় বিশ্বাসে শনি, রাহু ও মঙ্গল গ্রহকে তুষ্ট করার জন্য স্নান, দান, ব্রত ও উপবাস পালনের প্রচলন রয়েছে।
১৩ এপ্রিল, ২০২৬

বাংলা ভাষায় "প্রথম গালাগাল" নির্ধারণ করা ঐতিহাসিকভাবে কঠিন। কারণ প্রাচীনকালে গালি মূলত কথ্য রূপেই সীমাবদ্ধ ছিল, আর সাহিত্যিক রচনায় এগুলো খুব কমই প্রতিফলিত হয়েছে। তবু ভাষাবিদদের গবেষণায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে, যা বাংলার গালির বিবর্তন ও প্রাচীনতম রূপগুলোকে উদ্ভাসিত করে।
৩১ মার্চ, ২০২৬

অবতরণ অনিবার্য ছিল তাই আশুতোষ, আমি তোমার চাহুনি চাই। শুভঙ্কর, তব পদব্রোজ অলংকার পূর্ণ কর আমায়।
৩১ মার্চ, ২০২৬

বছর ঘুরে এসেছে আবার পবিত্র মাহে রমজান , এ মাসে নাজিল হয়েছে মহাগ্ৰন্থ আল-কোরআন।
২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

আবার টিপ টিপ ফোঁটা জল, নিবারণে ফুটে ওঠার স্পৃহা। বিভাবসু দহনে পরবর্তী পর্ণপতন। অশ্রু নেই।
২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

সত্য। অসত্যের বিপরীত শব্দ নয় শুধু, স্বীকৃত-অস্বীকৃত বাস্তবতার সমার্থক।
২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
