অভ্যন্তরীণ, অস্থিরতা, অর্থনৈতিক, নিরাপত্তা, ইরান, যুক্তরাষ্ট্র, পরমাণু, পারমাণবিক,
ইরানের ভূমিতে বিধ্বস্ত মার্কিন এমকিউ-১ ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ। সংগৃহীত

ইরানে অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাগত চাপ এবং নতুন করে সামরিক হুমকি তৈরির মাধ্যমে দেশটির ওপর চাপ বাড়ানোর কৌশল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ভাবছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

ইরানের বার্তা সংস্থা ওয়ানা সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) জানায়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ইরানে ফের হামলার সম্ভাবনা নাকচ করেননি। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে এমন হামলা হতে পারে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে তিনি আলোচনা করতে চান না।

ওয়ানার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল মনে করছে ইরানে নতুন করে অস্থিরতা সৃষ্টি করা প্রয়োজন। তাদের ধারণা, অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার নতুন ঢেউ তৈরি হলে ইরানে আরেক দফা সামরিক হামলার সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, ইরানের রাজনৈতিক বিভাজন ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকে নতুন অস্থিরতা সৃষ্টির প্রধান কারণ হিসেবে দেখছে দেশটির প্রতিপক্ষরা। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের সীমান্ত ও দেশের ভেতরে সশস্ত্র তৎপরতা উৎসাহিত করার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এরপর ৮ জানুয়ারির মতো দেশজুড়ে অস্থিরতা ছড়িয়ে দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

ইরানি কর্মকর্তাদের ঐক্য এবং জনগণের রাস্তায় উপস্থিতিকে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ার প্রধান বাধা হিসেবে দেখছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইসরাইলি এজেন্টদের বিভেদ সৃষ্টি এবং মানুষকে রাজপথ থেকে দূরে রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

এদিকে ইরানের আকাশসীমায় নিষেধাজ্ঞা জোরদারের প্রভাব সরাসরি ক্ষতির বাইরে ইরানি সমাজের একটি অংশের ওপর মানসিক চাপ তৈরি করেছে বলে মনে করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। ইরানের বিচার বিভাগও সামাজিক সংহতি নষ্টের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া শুরু করেছে।

 নতুন সামরিক হুমকির আশঙ্কা

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সাত দিনের হরমুজ প্রণালী পুনরায় খোলার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। ওই প্রস্তাবে ইসলামাবাদ সমঝোতায় ফিরে যাওয়া এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছিল ইরান। আলোচনায় পরমাণু ইস্যু রাখা হয়নি।

প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের ফলে নতুন হুমকি বা সামরিক পদক্ষেপের আশঙ্কা বেড়েছে। ইরানের প্রতিপক্ষরা কর্মকর্তাদের হত্যা এবং পরমাণু, সামরিক ও নিরাপত্তা স্থাপনায় হামলার মতো পদক্ষেপ বিবেচনা করতে পারে বলেও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এর মধ্যে ইরানে ফের হামলার সম্ভাবনা নিয়ে ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্য নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। তিনি বলেছেন, সামরিক দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে জয়ী হচ্ছে। তবে এর অর্থ এই নয় যে ওয়াশিংটন পদক্ষেপ নেয়া বন্ধ করেছে।

ট্রাম্প আরো বলেছেন, অর্থনৈতিক যুদ্ধ ও সামরিক পদক্ষেপ—দুই পথেই যুক্তরাষ্ট্র তার লক্ষ্য অর্জন করতে পারে। এদিকে ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ ও নিষেধাজ্ঞা অব্যাহত রয়েছে।

আবুধাবিতে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টের প্রায় ছয় ঘণ্টার বৈঠকের খবরও এসেছে। ইসরাইলি একটি টেলিভিশন চ্যানেলের দাবি, বৈঠকে সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ ইরান যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে এ দাবি স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।

ট্রাম্প জাতিসঙ্ঘে দেয়া সাম্প্রতিক ভাষণেও ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, সামরিক সক্ষমতা ও আঞ্চলিক ভূমিকা নিয়ে ওয়াশিংটনের আগের অভিযোগগুলো পুনর্ব্যক্ত করেন। সব মিলিয়ে ইরানের ওপর অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, নিরাপত্তা ও সামরিক—বিভিন্ন দিক থেকে চাপ অব্যাহত রয়েছে। তবে ইরানে অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের নির্দিষ্ট সমন্বিত পরিকল্পনার দাবি স্বতন্ত্রভাবে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

ইরানে অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাগত চাপ এবং নতুন করে সামরিক হুমকি তৈরির মাধ্যমে দেশটির ওপর চাপ বাড়ানোর কৌশল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ভাবছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

ইরানের বার্তা সংস্থা ওয়ানা সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) জানায়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ইরানে ফের হামলার সম্ভাবনা নাকচ করেননি। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে এমন হামলা হতে পারে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে তিনি আলোচনা করতে চান না।

ওয়ানার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল মনে করছে ইরানে নতুন করে অস্থিরতা সৃষ্টি করা প্রয়োজন। তাদের ধারণা, অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার নতুন ঢেউ তৈরি হলে ইরানে আরেক দফা সামরিক হামলার সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, ইরানের রাজনৈতিক বিভাজন ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকে নতুন অস্থিরতা সৃষ্টির প্রধান কারণ হিসেবে দেখছে দেশটির প্রতিপক্ষরা। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের সীমান্ত ও দেশের ভেতরে সশস্ত্র তৎপরতা উৎসাহিত করার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এরপর ৮ জানুয়ারির মতো দেশজুড়ে অস্থিরতা ছড়িয়ে দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

ইরানি কর্মকর্তাদের ঐক্য এবং জনগণের রাস্তায় উপস্থিতিকে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ার প্রধান বাধা হিসেবে দেখছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইসরাইলি এজেন্টদের বিভেদ সৃষ্টি এবং মানুষকে রাজপথ থেকে দূরে রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

এদিকে ইরানের আকাশসীমায় নিষেধাজ্ঞা জোরদারের প্রভাব সরাসরি ক্ষতির বাইরে ইরানি সমাজের একটি অংশের ওপর মানসিক চাপ তৈরি করেছে বলে মনে করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। ইরানের বিচার বিভাগও সামাজিক সংহতি নষ্টের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া শুরু করেছে।

 নতুন সামরিক হুমকির আশঙ্কা

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সাত দিনের হরমুজ প্রণালী পুনরায় খোলার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। ওই প্রস্তাবে ইসলামাবাদ সমঝোতায় ফিরে যাওয়া এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছিল ইরান। আলোচনায় পরমাণু ইস্যু রাখা হয়নি।

প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের ফলে নতুন হুমকি বা সামরিক পদক্ষেপের আশঙ্কা বেড়েছে। ইরানের প্রতিপক্ষরা কর্মকর্তাদের হত্যা এবং পরমাণু, সামরিক ও নিরাপত্তা স্থাপনায় হামলার মতো পদক্ষেপ বিবেচনা করতে পারে বলেও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এর মধ্যে ইরানে ফের হামলার সম্ভাবনা নিয়ে ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্য নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। তিনি বলেছেন, সামরিক দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে জয়ী হচ্ছে। তবে এর অর্থ এই নয় যে ওয়াশিংটন পদক্ষেপ নেয়া বন্ধ করেছে।

ট্রাম্প আরো বলেছেন, অর্থনৈতিক যুদ্ধ ও সামরিক পদক্ষেপ—দুই পথেই যুক্তরাষ্ট্র তার লক্ষ্য অর্জন করতে পারে। এদিকে ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ ও নিষেধাজ্ঞা অব্যাহত রয়েছে।

আবুধাবিতে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টের প্রায় ছয় ঘণ্টার বৈঠকের খবরও এসেছে। ইসরাইলি একটি টেলিভিশন চ্যানেলের দাবি, বৈঠকে সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ ইরান যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে এ দাবি স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।

ট্রাম্প জাতিসঙ্ঘে দেয়া সাম্প্রতিক ভাষণেও ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, সামরিক সক্ষমতা ও আঞ্চলিক ভূমিকা নিয়ে ওয়াশিংটনের আগের অভিযোগগুলো পুনর্ব্যক্ত করেন। সব মিলিয়ে ইরানের ওপর অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, নিরাপত্তা ও সামরিক—বিভিন্ন দিক থেকে চাপ অব্যাহত রয়েছে। তবে ইরানে অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের নির্দিষ্ট সমন্বিত পরিকল্পনার দাবি স্বতন্ত্রভাবে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।