লোড হচ্ছে...

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে সংস্কারের সুপারিশ ছাড়াও বাস্তব করণীয় সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কিছু পরামর্শ দেয়া হয়েছে। বলা হয়েছে— সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতাধীন একাধিক খাদ্যভিত্তিক ভর্তুকি কর্মসূচি একীভূত করা এবং ফ্যামিলি কার্ডের সাথে বিদ্যমান নগদ সহায়তা কর্মসূচি যথাযথভাবে সমন্বয় করা হলে অতিরিক্ত সাড়ে ২৮ লাখ মানুষকে দারিদ্র্য থেকে বের করে আনা সম্ভব। মূলত ২০১৯-২০ সালের বিপর্যয়কর কোভিড মহামারীর সময় থেকেই বাংলাদেশে গরিবির হার বৃদ্ধির প্রবণতা শুরু হয়। আর্থিক খাতে সংস্কার ও শত ভাগ সুশাসন প্রতিষ্ঠা ছাড়া উত্তরণের কোনো উপায় নেই। এই বাস্তবতা সরকার যত দ্রুত অনুধাবন করবে দেশ ও জাতির জন্য ততই মঙ্গল।

ডিগ্রি (পাস) কোর্স তিন বছরের পরিবর্তে দুই বছর মেয়াদে চালু করে শিক্ষার্থীদের আইসিটি দক্ষতা ও আন্তর্জাতিক ভাষা দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে তাকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরিত করা সম্ভব। এর মাধ্যমে ডিগ্রি (পাস) কোর্স অর্জনকারীরা অল্প সময়ে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে কর্মসংস্থান অর্জন করতে সক্ষম হবে। এতে ডিগ্রি (পাস) কোর্স অর্থবহ হয়ে উঠবে, শিক্ষার্থীর সংখ্যাও ক্রমেই বাড়বে এবং এনটিআরসিএর মাধ্যমে অনেক শিক্ষকও নিয়োগপ্রাপ্ত হবেন।
১৪ ঘণ্টা ১৯ মিনিট আগে

বাংলাদেশের পোশাক খাতের প্রধান শক্তির জায়গা ছিল আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছে ‘নির্ভরযোগ্য সরবরাহকারী’ হিসেবে চার দশকের সুনাম। এই অর্জন হাতছাড়া হতে দেয়া যাবে না। জ্বালানি সঙ্কটের দ্রুত সমাধান, আধুনিক লজিস্টিক ব্যবস্থা এবং উদ্ভাবনী পণ্যের সুপরিকল্পিত রূপান্তরই পারে ঝড়ের মুখে পোশাক শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে।
১ দিন আগে

প্রশিক্ষণ কোনো লক্ষ্য নয়, কর্মসংস্থানে পৌঁছানোর মাধ্যম মাত্র। সরকারি বিপুল অর্থের সাফল্য সনদ বিতরণে নিহিত নয়; বরং কতজন বেকারের স্থায়ী কর্মসংস্থান হলো। কতজন নারী নিজস্ব ব্যবসা দাঁড় করাতে পারলেন। কতজন বিদেশী শ্রমবাজারে শক্ত অবস্থান পেলেন তার ওপর নির্ভর করছে সাফল্য। সঙ্গতকারণে আমরা বলতে চাই, প্রকল্পটি যেন আমলাতান্ত্রিক ও প্রথাগত বৃত্তে আটকে না যায়। মূল অর্থ যেন আনুষঙ্গিক খাতে ব্যয় না হয়ে দক্ষতা অর্জনে ব্যবহৃত হয়।
১ দিন আগে

আজকের বাস্তবতায় বাংলাদেশকে তার নিরাপত্তা মানচিত্র নতুন করে আঁকতে হবে। হরমুজ প্রণালী, পারস্য উপসাগর, পাকিস্তান, ভারত মহাসাগর, বঙ্গোপসাগর এবং রাখাইন— এই পুরো অঞ্চলকে একটি সমন্বিত ‘নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক শৃঙ্খল’ হিসেবে বিবেচনা করে জাতীয় কৌশল প্রণয়ন এখন সময়ের দাবি। জ্বালানি মজুদ বৃদ্ধি, খাদ্য শস্যের বিকল্প সরবরাহ নিশ্চিতকরণ, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রক্ষা এবং সক্রিয় ও ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতিই বাংলাদেশকে ভবিষ্যতের যেকোনো ভূরাজনৈতিক ঝড় থেকে রক্ষা করতে পারে
১ দিন আগে

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত এমন এক যুগে প্রবেশ করেছে যার কোনো সুস্পষ্ট পূর্বদৃষ্টান্ত নেই। বাংলাদেশ যে রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিক প্রতিবেশী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়, সে রাষ্ট্র আর সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ করে না; আর যে সংগঠন সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ করে, সেটি একই সাথে সম্ভাব্য সহযোগী, নিরাপত্তা-ঝুঁকি, জাতিগত-জাতীয়তাবাদী শক্তি এবং স্বীকৃতিপ্রত্যাশী একটি প্রকৃত কর্তৃপক্ষ। কিন্তু স্থায়ী স্থিতিশীলতার জন্য প্রয়োজন নিরবচ্ছিন্ন সংলাপ, শক্তিশালী সীমান্ত প্রতিরক্ষা, সুস্পষ্ট রেডলাইন এবং বেসামরিক মানুষের সুরক্ষার প্রতি দৃঢ়অঙ্গীকার। সীমান্ত বদলে গেছে; এখন বাংলাদেশের প্রতিক্রিয়াই আগামী এক প্রজন্মের নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক অবস্থান নির্ধারণ করবে।
১ দিন আগে

রিপাবলিকানদের হাতে ৭৩ বিলিয়ন ডলার আটকে দেয়ার জন্য শুধু এই অন্তর্বর্তীকালীন সময়টুকুই থাকবে, যা তাদের বিপক্ষে কাজ করতে পারে। পেন্টাগনের প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা জুলস হার্স্ট বলেছেন, ইরান যুদ্ধ ও অস্ত্রের জন্য অর্থায়নের সিদ্ধান্ত ডিসেম্বরের আগে প্রত্যাশিত নয় এবং ২০২৭ অর্থবছরের চূড়ান্ত বাজেট সিদ্ধান্ত এক বছর পিছিয়ে যেতে পারে। এর তাৎপর্য সহজবোধ্য। হার্স্টের সময়সূচি থেকে বোঝা যায়, অর্থায়নের লড়াই ডিসেম্বরের আগে শুরু নাও হতে পারে এবং তা ৩ জানুয়ারির পরও যেতে পারে। সুতরাং ক্ষমতা হস্তান্তরের আগে এই কংগ্রেসকে সুরক্ষিত করার জন্য রিপাবলিকানদের হাতে হয়তো মাত্র চার সপ্তাহ সময় থাকবে
১ দিন আগে

একটি জাতি কতটা সভ্য ও প্রগতিশীল, তা নিরূপিত হয় তার শিশু ও প্রবীণ জনগোষ্ঠীর সুরক্ষার স্তরের ওপর ভিত্তি করে। কেবল আইন প্রণয়ন করে কিংবা সন্তানের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের ব্যবস্থা করলেই প্রশাসনের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। প্রতিটি সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও জেলা পর্যায়ে সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগে প্রবীণবান্ধব পার্ক, কল্যাণকেন্দ্র এবং কমিউনিটিভিত্তিক বিনোদনকেন্দ্রের পরিধি বাড়ানো সময়ের দাবি। পাশাপাশি বার্ধক্যজনিত রোগ নিরাময়ে বিশেষায়িত জেরিয়াট্রিক কেয়ার বা চিকিৎসাকেন্দ্র গড়ে তোলা জরুরি।
১ দিন আগে

নিবন্ধন থাকবে, চালকের প্রশিক্ষণ থাকবে, নিরাপত্তা মান থাকবে, নির্দিষ্ট রুট থাকবে, অনুমোদিত চার্জিং ব্যবস্থা থাকবে এবং আইন ভাঙলে শাস্তিও থাকবে। একই সাথে থাকবে চালকের জীবিকা ও সাধারণ যাত্রীর সাশ্রয়ী যাতায়াতের নিশ্চয়তা। আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত এমন একটি পরিবহন ব্যবস্থা, যেখানে ব্যাটারি রিকশা রাস্তার বিশৃঙ্খলার প্রতীক নয়; বরং পরিকল্পিত নগর পরিবহনের একটি নিরাপদ ও কার্যকর অংশ হয়ে উঠবে। এ জন্য প্রয়োজন সুস্পষ্ট নীতি, সমন্বিত পরিকল্পনা এবং তার ধারাবাহিক বাস্তবায়ন
২ দিন আগে

শিল্প-বাণিজ্যিপ্রতিষ্ঠান, রেস্তোরাঁ এবং পরিবহন খাতেও এলপিজির ব্যবহার আছে। বছরে সবমিলিয়ে চাহিদা ১৭-১৮ লাখ টন। আমদানি ও দেশীয় উৎপাদন মিলে এর পুরোটা জোগান দেয়া যায় না। কাগজ-কলমে কিছুটা ঘাটতি দেখা যায়। কিন্তু বাজারে যেভাবে এর দুষ্প্রাপ্যতা লক্ষ করা যায়, সেটি অস্বাভাবিক। দেশের ৩২টি প্রতিষ্ঠানের এলপিজি আমদানির অনুমোদন আছে। এর মধ্যে ১৫টি আমদানি করে। বাজারে এদের মধ্যে দাম নিয়ে প্রতিযোগিতা দেখা যায় না। একধরনের অশুভ চক্রের ছায়া দেখা যায়। বাজার থেকে সিলিন্ডার একসাথে উধাও হয়ে যেতে দেখা যায়। খুচরা বিক্রেতাদের কাছে এর সরবরাহ না পাওয়ায় ভোক্তাদের মধ্যে হাহাকার পড়ে যায়। এরপরে দেখা যায়, নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি দামে এর সরবরাহ মিলছে।
২ দিন আগে

নতুন সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর আগের সরকারের আমলে নেয়া প্রকল্পগুলোর প্রয়োজনীয়তা নতুন করে যাচাই করা হচ্ছে। কিন্তু সেটি করতে গিয়ে পুরো উন্নয়ন কাজ ঝুলিয়ে রাখা উচিত নয়। সিদ্ধান্তহীনতায় শেষ তিন মাসে বাজেট খরচ করার তাড়াহুড়ো লেগে যাওয়ার শঙ্কা থেকে যায়। পুরনো এ অপচর্চা নতুন করে ফিরে আসুক, সেটি কাম্য নয়। এতে কাজের মান ঠিক রাখা যায় না। সেই সাথে অপচয় হয় সরকারি অর্থের।
২ দিন আগে

একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় নাগরিকের ক্ষোভ প্রকাশের অধিকার এবং সরকারের অব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তোলার স্বাধীনতা স্বাভাবিক বিষয়। এ ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রতিবাদের আইনি ও শিষ্টাচারের সীমা রক্ষা করা নাগরিকের দায়িত্ব; কিন্তু সরকারের ব্যবস্থার নামে প্রতিবাদের জবাব যদি হয় সন্ত্রাসবিরোধী মামলা, বিএফআইইউ তলব কিংবা পুলিশি হেফাজত; তবে সেটি আইনের শাসনের বদলে রাষ্ট্রের কর্তৃত্ববাদী ক্ষমতার মনোভাবকে ফুটিয়ে তোলে। সমালোচনা সহ্য করা এবং ভুল সংশোধন করা হলো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শক্তি
২ দিন আগে

ব্যাংকিং খাতের ওপর নজরদারি বা সুপারভিশনকে আরো অধিকতর কার্যকর করার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংককে পুরোপুরি রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ও শক্তিশালী করতে হবে। একই সাথে ব্যাংকিং খাতের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বেতন কাঠামো ও সুযোগ-সুবিধা বিশ্বের অন্যান্য উন্নত দেশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা দরকার, যাতে তারা কোনো ধরনের লোভ বা দুর্নীতির শিকার না হন। ব্যাংকিং খাতের মতো একটি সংবেদনশীল জায়গায় দ্বৈত ব্যবস্থাপনা বা দ্বৈত নিয়ন্ত্রণের চর্চা কখনো কোনো সুফল বয়ে আনে না। বর্তমান ধ্বংস্তূপ থেকে এ খাতকে বাঁচাতে সামগ্রিক বিষয়টি গভীরভাবে পর্যালোচনা করে অবিলম্বে আমূল সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি
২ দিন আগে

বুশরা ভিডিওতে সৌদি আরব থেকে ভারতে এসে এক সম্মানিত সরকারি পদে পৌঁছানোর পথপরিক্রমা বর্ণনা করেন। তিনি ভিডিওটিতে আরো বলেন, বিয়ে ও পারিবারিক দায়িত্ব থাকা সত্ত্বেও তার সংকল্পে কোনো ঘাটতি আসেনি। তার এ আলোচনার উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষার্থীদের, বিশেষ করে ছাত্রীদের এটা আশ্বাস দেয়া যে, যদি তাদের ভেতর উৎসাহ ও একাগ্রতা থাকে, তাহলে তারাও জীবনের লড়াইয়ে অনেক কিছু অর্জন করতে পারবেন। বুশরার পক্ষ থেকে ‘ভুল’ শুধু এটুকু হয়েছিল, তিনি আলিগড়ের ঐতিহ্য অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে কথা বলতে গিয়ে ‘আসসালামু আলাইকুম’, ‘ইনশা আল্লাহ’ এবং ‘জাজাকাল্লাহ’র মতো দোয়াবাচক বাক্য ব্যবহার করেছিলেন, যা প্রতিটি মুসলমান নিজেদের সাধারণ কথোপকথনে ব্যবহার করে থাকেন। ব্যস এ বাক্যগুলো বলায় তার বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অপরাধের অভিযোগ আনা হয়। একটি উগ্রপন্থী টিভি চ্যানেল সরাসরি তার সাথে ‘ইউপিএসজি জিহাদ’জুড়ে দেয়। বলা হয়, তিনি ‘বন্দে মাতরম’ এবং ‘জয় হিন্দ’-এর মতো শব্দ কেন ব্যবহার করলেন না?
২ দিন আগে

কর্মসংস্থানকেন্দ্রিক ঢাকার যে একক আধিপত্য এর অবসান হওয়া দরকার। এটিকে জেলায় জেলায় ছড়িয়ে দিতে হবে। সব জেলায় তৈরী পোশাকশিল্প গড়ে তুলতে হবে বিষয়টি তেমন নয়; বরং প্রতিটি জেলার বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী সেই জেলাগুলোতে শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে। এই উদ্যোগ সরকারকেই নিতে হবে। কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী দেশের বড় বড় শিল্পগোষ্ঠীগুলোকে এ কাজে সরকারকে আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করতে হবে। জেলাকেন্দ্রিক পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারলে ঢাকায় জনস্রোত অনেকটাই কমানো সম্ভব।
৩ দিন আগে

সংখ্যালঘুদের ওপর পীড়নকারীদের দৃষ্টান্তমূলত শাস্তি হয় না। অনেক ক্ষেত্রে এরা ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক গোষ্ঠীর আশকারা পায়। ভারতে এ ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিপীড়ন ও বঞ্চনা ক্রমেই বাড়ছে। সেখানে তাদের কোণঠাসা করে ফেলা হচ্ছে। ভারতীয় শাসকরা এর ভয়াবহ নেতিবাচক দিক অনুধাবনে ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছেন। এর প্রতিক্রিয়ায় একসময় পুরো অঞ্চলে সাম্প্রদায়িক অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়তে পারে।
৩ দিন আগে
