লোড হচ্ছে...
জরুরি সার আমদানিতে বিসিআইসি পোস্ট ল্যান্ডিং ইন্সপেকশন এবং প্রাক-জাহাজীকরণ পরিদর্শনের মতো কিছু কাগজে-কলমে সুরক্ষামূলক শর্ত রাখলেও সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে বা নিম্নমানের সার এলে শুধু শর্ত দিয়ে সঙ্কট মোকাবেলা করা সম্ভব হবে না। এ ক্ষেত্রে ভরা মৌসুমে মাঠে সারের ঘাটতি দেখা দিলে এর সরাসরি প্রভাব পড়বে দেশের খাদ্য উৎপাদনে। কৃষকের হাতে যথাসময়ে সার পৌঁছানো যেমন জরুরি; তেমনি রাষ্ট্রীয় অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
১ অক্টোবর, ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংকের দায়িত্ব হবে সব ব্যাংকের ক্ষেত্রে একই আইনি মানদণ্ড প্রয়োগ করা। কোনো ব্যাংক পর্ষদ অনিয়মে জড়িত থাকলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে হবে; কিন্তু সেখানে আরেকটি রাজনৈতিক বা ব্যবসায়ী গোষ্ঠীকে বসানো সংস্কার নয়। ব্যাংক পুনর্গঠনের প্রতিটি পর্যায়ে আমানতকারী, শেয়ারহোল্ডার ও সাধারণ জনগণকে স্বচ্ছ তথ্য জানাতে হবে। বাংলাদেশের প্রয়োজন একটি পূর্ণাঙ্গ, নিরপেক্ষ ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যাংকিং তদন্ত। জানাতে হবে কে কিভাবে ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নিলো, কারা শেয়ার কিনল, অর্থের উৎস কী ছিল, কার অনুমোদনে ঋণ দেয়া হলো, কোথায় অর্থ গেল এবং কারা সুবিধা পেল। তদন্তে ইসলামী ও প্রচলিত উভয় ধরনের ব্যাংককেই অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। কারণ কোনো ব্যাংক রাজনৈতিক দলের সম্পদ নয়, কোনো ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর ব্যক্তিগত ভাণ্ডারও নয়।
১ অক্টোবর, ২০২৬

জনগণের ভাগ্য নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলে তাদের চরম পরিণতি হয়। বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে হাসিনা একা ছিনিমিনি খেলেননি, ভারতও সাথী ছিল। হাসিনার বিরুদ্ধে এখন ফ্যাসিস্টের তকমা লেগেছে, তিনি এখন পলাতক, তার কোনো সম্মান-মর্যাদা অবশিষ্ট নেই। ভারতের যারা হাসিনার সহযোগী হয়ে বাংলাদেশের মানুষের অধিকার কেড়ে নিয়েছেন, তাদেরও একটি পরিণতি অপেক্ষা করছে। পুরো ভারত এখন অগ্নিগর্ভ হয়ে আছে। সেখানে যেকোনো সময় জনবিস্ফোরণ ঘটতে পারে। দেশটির পাপেট নির্বাচন কমিশন ও তাদের প্রভুদের পরিণতি হাসিনা ও তার পাণ্ডা নির্বাচন কমিশনারদের মতো কিছু একটা হওয়া অসম্ভব নয়।
১ অক্টোবর, ২০২৬

মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি নিছক কোনো সামরিক দলিল নয়, এটি মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ছাতার সম্ভাব্য এক কাঠামোগত পরিবর্তনের সূচনা, যার ঢেউ ইতোমধ্যে দক্ষিণ এশিয়ায় পৌঁছেছে। বাংলাদেশের জন্য এটি একই সাথে সুযোগ ও ঝুঁকির সমীকরণ। বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বিচক্ষণ নীতি হবে এই চুক্তিকে প্রত্যাখ্যান নয়, আবার তাড়াহুড়ো করে পূর্ণ সদস্যপদও নয়; বরং ধাপে ধাপে সহযোগিতা, সতর্ক পর্যবেক্ষণ, জাতীয় স্বার্থের নিরন্তর মূল্যায়ন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত অর্থাৎ পূর্ণ সদস্য পদের সিদ্ধান্ত। ভারত, ইরান, যুক্তরাষ্ট্র বা চীন— কাউকে শত্রু না বানিয়ে, আবার কোনো একক শক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল না হয়ে, জাতীয় স্বার্থকেন্দ্রিক বহুমুখী কূটনীতি ও কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন রক্ষাই হওয়া উচিত বাংলাদেশের পথ।
১ অক্টোবর, ২০২৬

শিক্ষার নামে বেকার সৃষ্টির এই কারখানাগুলোকে জাতির সাথে প্রতারণা করতে দেয়া যায় না। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষাজীবন শেষ করে তরুণরা কর্মসংস্থান প্রতিযোগিতায় হেরে গিয়ে নিরাশায় ভুগছেন। বিদেশ গিয়ে রাস্তা ঝাড়ু দিচ্ছেন, গাড়ি মোছার কাজ করে নিজেকে তিলে তিলে ক্ষয়ে দিচ্ছেন। দেশ গড়ার শক্তি তারুণ্যকে এভাবে ব্যবহারের নজির খুব কম দেশেই আছে
১ অক্টোবর, ২০২৬

সংসদে বিরোধী দলকে আস্থায় নেয়া সরকারি দলের জন্যই জরুরি। সংবিধান সংশোধন কমিটিতে বিরোধী দলের যোগ দেয়ার বিষয়টিকেও সরকারি দল ভিন্ন ইস্যুতে শর্ত হিসেবে দাঁড় করিয়েছে, যা দৃষ্টিকটু। তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফিরেছে। এর রূপরেখা নির্ধারণ করতে হবে রাজনৈতিক ঐকমত্যের মাধ্যমেই। ভিন্নপথ অবলম্বন বা ধোঁয়াশা সৃষ্টি হতে পারে এমন কোনো পদক্ষেপ কারোরই কাম্য হতে পারে না।
১ অক্টোবর, ২০২৬

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি নিয়োগের জন্য এখন দরকার এমন একটি পদ্ধতি, যার মধ্য দিয়ে সৎ, যোগ্য ও দক্ষ শিক্ষকরা এ পদে নিয়োগ পাবেন। এ জন্য একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি গঠন করতে হবে। অতীতের মতো রাজনৈতিক বিবেচনায় যে কাউকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হিসেবে নিয়োগ দেয়া বন্ধ করতে হবে। আমরা চাই ভিসি নিয়োগে সবধরনের স্বেচ্ছাচারের অবসান হোক।
১ অক্টোবর, ২০২৬

উজবেকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান এবং কাজাখস্তানের সাথে আফগানিস্তানের রেল, বিদ্যুৎ এবং খনিজ বাণিজ্য নিয়ে নিবিড় কূটনৈতিক সম্পর্ক সচল রয়েছে। রাশিয়া ও ইরানের সাথে আফগানিস্তানের গভীর রাজনৈতিক ও নিরাপত্তাবিষয়ক কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। পাকিস্তান, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাথে আফগানিস্তানের নিয়মিত কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক যাতায়াত রয়েছে। কাতার মূলত আফগানিস্তান ও পশ্চিমা বিশ্বের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে। চীন বিশ্বের একমাত্র দেশ, যারা আফগানিস্তানের বর্তমান সরকারকে পূর্ণ কূটনৈতিক মর্যাদা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে আফগানিস্তান অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে চলেছে। অভ্যন্তরীণ সম্পদের ব্যবহার, কৃষি সম্প্রসারণ, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন, বাঁধ নির্মাণ করে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন, জুস প্ল্যান্ট স্থাপন, খনিজসম্পদ উত্তোলন আফগানিস্তানের চেহারা বদলে দিতে পারে। আফগান জাতি স্বনির্ভরতার ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে।
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নেপালের জনসংখ্যার দু’টি বড় অংশ হিন্দু ও বৌদ্ধ। উভয় সম্প্রদায়ের মানুষকে, নেপালের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে তিনি একটি শ্লোকে তুষ্ট করলেন। বিশ্বের সবচেয়ে বড় মঞ্চে দাঁড়িয়ে এক দিকে আন্তর্জাতিক ও বৈশ্বিক সমস্যা-সঙ্কটের উপস্থাপন, সমাধানের দাবি তুলে ধরার পাশাপাশি বিশ্বমোড়লদের সীমাবদ্ধতা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়ার এই যে দুরন্ত সাহস, এর চেয়ে একজন প্রধানমন্ত্রীর কাছে আর কী চাইতে পারে তার দেশ! আমরা বালেন্দ্রর মধ্যে এক স্বাধীনচেতা বিশ্বনেতার ছায়া দেখছি। যদি কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে।
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মূল অঙ্গীকার ছিল নাগরিকের মৌলিক অধিকার ও বাকস্বাধীনতার সুরক্ষা। প্রস্তাবিত খসড়া আইনটি যদি কোনো মৌলিক পরিবর্তন ছাড়া পাস হয়, তবে সাংবাদিক মতিউর রহমান চৌধুরীর ভাষায়— দেশ একটি ‘বৃহৎ কারাগারে’ পরিণত হতে পারে। আমাদের প্রত্যাশা, গঠিত পর্যালোচনা কমিটি সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও জনস্বার্থে সংবাদ প্রকাশের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করবে।
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, ঋণ-স্থবিরতা কেবল ব্যাংকিং খাতের কোনো বিচ্ছিন্ন সমস্যা নয়; এটি পুরো বাস্তব অর্থনীতির দুর্বলতার প্রতিচ্ছবি। সুদের হার কমিয়ে ঋণ সহজ করার চেষ্টা প্রশংসনীয়। কিন্তু উদ্যোক্তার কাছে গ্যাস-বিদ্যুতের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ, স্থিতিশীল নীতিমালার নিশ্চয়তা এবং উৎপাদিত পণ্য বিক্রির বাজার না থাকলে সস্তা ও সহজ ঋণও বোঝা মনে হতে পারে।
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

কূটনীতিতে কখনো কখনো প্রকাশ্য বৈঠকের চেয়ে নীরব সফর বেশি তাৎপর্য বহন করে। কারণ, প্রকাশ্য সফরের বার্তা সাধারণত রাজনৈতিকভাবে প্রস্তুত ও পরিমার্জিত থাকে; কিন্তু জাতীয় নিরাপত্তা...
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সশস্ত্রবাহিনীর প্রতি ভালোবাসা ও সম্মান প্রদর্শনের অর্থ তাদের প্রতিটি কাজ প্রশ্নহীনভাবে সমর্থন করা নয়; বরং এর অর্থ হলো ন্যায়সঙ্গত, দায়িত্বশীল ও তথ্যভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করা এবং জাতীয় জীবনে তাদের অপরিহার্য ভূমিকা উপলব্ধি করা। বাংলাদেশের প্রতিপক্ষরা এমন একটি সেনাবাহিনী দেখতে চাইবে, যা তার জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন এবং এমন একটি জনগোষ্ঠী চাইবে, যারা দেশের প্রতিরক্ষাকারীদের বিশ্বাস করে না। রাজনৈতিক অপব্যবহার কিংবা দায়িত্বহীন অনলাইন তৎপরতার মাধ্যমে সেই দূরত্ব সৃষ্টি করা অনুচিত। জনগণ ও সশস্ত্রবাহিনীর মধ্যকার আস্থা ও সংহতি আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার এক অমূল্য সম্পদ। এই সম্পর্ক রক্ষার দায়িত্ব শুধু সেনাবাহিনীর নয়; সরকার, রাজনৈতিক নেতৃত্ব, গণমাধ্যম, নাগরিক সমাজ এবং প্রতিটি সচেতন ও দেশপ্রেমিক নাগরিকেরও।
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

একটি কল্যাণমুখী ও দক্ষ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য জ্যেষ্ঠতা এবং অভিজ্ঞতার যথাযথ মূল্যায়ন অপরিহার্য। বেতন স্কেলের মূল উদ্দেশ্যই হওয়া উচিত জীবনযাত্রার ব্যয়ের সাথে সামঞ্জস্য রেখে সবার জন্য সমতার নীতি নিশ্চিত করা। কিন্তু বর্তমান গাণিতিক মডেলটি জুনিয়র ও সিনিয়রের মধ্যকার আনুপাতিক ব্যবধানকে সঙ্কুুচিত ও ম্লান করে দিচ্ছে, যা দীর্ঘ মেয়াদে প্রবীণ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে চরম হতাশা ও বঞ্চনা বোধের জন্ম দিতে পারে।
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সরকারের পক্ষে সব সমস্যার এখনই সমাধান করা সম্ভব নয়। কিন্তু দেশ কোন দিকে যাচ্ছে, সেই বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা দেয়া সম্ভব। বাংলাদেশের মানুষ বোঝে, দেশের অনেক সমস্যা দীর্ঘদিনের। তারা বোঝে বড় অবকাঠামো ও জ্বালানি সংস্কারে সময় লাগে। তারা এটিও বোঝে, আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির সবকিছু কোনো একটি সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকে না। কিন্তু তারা দেখতে চায়, দেশটি একটি সুস্পষ্ট দিকে এগোচ্ছে। এ কারণে সরকার নিয়মিত একটি নীতি ও বাস্তবায়ন প্রতিবেদন প্রকাশ করতে পারে। সেখানে বিদ্যুৎ সরবরাহ, লোডশেডিং, গ্যাস সরবরাহ, বিদ্যুতের দাম, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য, বড় অবকাঠামো প্রকল্প এবং সরকারের ঘোষিত অগ্রাধিকারের অগ্রগতি তুলে ধরা যেতে পারে।
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

প্রাথমিকের চাকরিপ্রার্থীর বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ফৌজদারি মামলা থাকলে সে ক্ষেত্রে সরকারের সিদ্ধান্ত নেয়ার সুযোগ আছে। কিন্তু দুই হাজারের উপরে চাকরিপ্রার্থীর সবার বিরুদ্ধেই কি ফৌজদারি মামলা আছে? প্রাথমিকের চাকরি থেকে বাদ পড়াদের বিষয়ে সরকারকে দ্রুত স্পষ্ট সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এ বিষয়ে কোনো ধরনের ছলচাতুরী চলবে না। রাজনৈতিক কারণে কেউ যাতে বাদ না পড়ে, সেটি নিশ্চিত করতে হবে।
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

উদ্বেগের বিষয় হলো— নির্বাচনের মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় আসার পর আইনশৃঙ্খলার উন্নতি হওয়ার কথা থাকলেও কেন আগের মতো নদীতে লাশ মিলছে? জমিজমা নিয়ে বিরোধ, স্বার্থের দ্বন্দ্ব, রাজনৈতিক বিরোধ, আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি— এসব কারণে এখনো একটা শ্রেণী কি বেপরোয়াভাবে গুম-খুনে লিপ্ত?
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

চিকিৎসাবিদ্যার প্রধান লক্ষ্যই যেখানে হওয়ার কথা দুস্থ-পীড়িতজনকে রোগমুক্তির সন্ধান দেয়া, সেখানে স্রেফ ব্যবসায়িক দৃষ্টিভঙ্গি কেন মুখ্য হয়ে দাঁড়াবে এ মহৎ পেশায়। অসুস্থ ব্যক্তির উপযুক্ত চিকিৎসা পাওয়া যেখানে মৌলিক অধিকার, সেখানে রাষ্ট্রীয় চিকিৎসাব্যবস্থা এতই নাজুক ও অবহেলায় ন্যুব্জ যে, ক্লিনিকের কসাইয়ের সামনে দাঁড় করিয়ে দিচ্ছে অগণিত অসহায় অসুস্থ মানুষকে। এনজিও দ্বারা কমিউনিটি চিকিৎসাব্যবস্থা চালু করা হয়েছে— সেখানে হাসিমুখে চিকিৎসাসেবা দিচ্ছে নবীন-প্রবীণ স্বাস্থ্যকর্মী। কিন্তু সরকার পরিচালিত চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে কেন সেবার মান আদৌ উন্নত হবে না; যদিও সেখানে বাজেটের বিপুল বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয় দেখানো হয়ে থাকে। জনগণের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের মতো মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য বাজেটে বিপুল ব্যয় বরাদ্দ দেখানো হবে, আর সেই সেবা পাওয়ার জন্য আবার বাড়তি ব্যয়ের বোঝা কেন বহন করতে হবে রাষ্ট্রের নাগরিককে।
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

অবহেলা, অনাদরের পরও কৃষকরা এক দিনের জন্যও বসে থাকেন না। তারা কাজ করে যাচ্ছেন। কিন্তু দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে ঠিকমতো সাড়া পাচ্ছেন না। সাড়া পাওয়া তো দূরের কথা, মানসম্পন্ন বীজের সরবরাহও পাচ্ছেন না কৃষক। বিএডিসির বীজের মান নিয়ে কৃষকের অভিযোগের শেষ নেই; প্রাইভেট কোম্পানির নিম্নমানের বীজ চড়া দামে কিনে প্রতারিত হচ্ছেন। সারের মৌসুমে হাহাকার করতে হয় তাদের। ঝড়-বাদল, অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি— সব দুর্যোগ মোকাবেলা করতে হয় কৃষকদের। ফসলের ঠিকঠাক দাম না পেয়ে রাস্তায় ধান ঢেলে প্রতিবাদও জানাতে হয়। তাদের চাহিদা খুব বেশি নয়— সময়মতো ভালো বীজ, ন্যায্যমূল্যে সার আর উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য মূল্য। এ সামান্য সুবিধা পেলে পুরো জাতির খাবারের ভার তুলে নিতে প্রস্তুত তারা।
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বাংলাদেশ প্রতি বছর চীন থেকে প্রচুর ওভেন ও নিট ফেব্রিকস, তুলা, সুতা, ইলেকট্রনিক্স এবং শিল্পকারখানার ভারী যন্ত্রপাতি আমদানি করে। চীনের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের (যেমন সিচুয়ান বা চংকিং) শিল্পাঞ্চল থেকে এই পণ্যগুলো প্রথমে হাজার কিলোমিটার পথ ঘুরে পূর্ব উপকূলের সাংহাই বা গুয়াংজু বন্দরে নেয়া হতো, তারপর জাহাজে করে বাংলাদেশে আসত। এখন পিংলু খালের কারণে পণ্যগুলো সরাসরি দক্ষিণের বেইবু উপসাগর হয়ে খুব দ্রুত ও কম খরচে চট্টগ্রাম কিংবা মংলা বন্দরে পৌঁছাতে পারবে। এতে পণ্যের লজিস্টিকস খরচ কমবে, যার সুফল বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরা পাবেন।
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬


