লোড হচ্ছে...
বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন থেকে বোঝা যায়, সরকার যদি ভর্তুকি পাওয়ার যোগ্যদের সঠিক বাছাই করতে পারত দারিদ্র্যবিমোচন হতে পারত অনেক কম খরচে। উদ্বৃত্ত অর্থ সরকার অনায়াসে অন্য খাতে ব্যয় করে দেশের উন্নয়ন ঘটাতে পারত। এ অদক্ষতা দূর করতে হলে ঢালাও ভর্তুকি নীতি পরিহার করে ব্যয়ের ক্ষেত্রে পিনপয়েন্ট হতে হবে। যার প্রয়োজন শুধু তাকেই সরকারি সহায়তার আওতায় আনতে হবে।
১৫ দিন আগে

দেশের তরুণ ও যুুবকরা অনেক স্বপ্ন নিয়ে চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান ঘটিয়েছে। সেই স্বপ্ন ছিল ন্যায় ও ইনসাফের বাংলাদেশ গড়া। রাষ্ট্রের রন্ধ্র্রে রন্ধ্রে দুঃশাসন ও দুর্নীতি নির্মূল করা। তরুণ ও যুবকদের চাকরির ক্ষেত্রে অতীতের স্বৈরাচারী নিয়োগ প্রক্রিয়া বহাল থাকলে তাদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা কেবল বাড়বে, যা কারো জন্যই কাম্য নয়।
১৫ দিন আগে

একজন সফল ব্যবসায়ী হওয়া সত্ত্বেও সেখ আকিজউদ্দীনের প্রাতিষ্ঠানিক কোনো শিক্ষা ছিল না। অক্লান্ত পরিশ্রম, কঠোর অধ্যবসায়, আপসহীন সততা, সর্বোপরি মহান আল্লাহর ওপর পরিপূর্ণ আস্থা তাকে সফলতার চূড়ান্ত শিখরে পৌঁছে দিয়েছে। বাস্তব অভিজ্ঞতা তার পুরো জীবনের নিয়ন্ত্রক। অভিজ্ঞতা থেকে পাওয়া জ্ঞান সহজে নিজের জীবনে ব্যবহার করতে পেরেছিলেন। বিশাল শিল্প পরিবার গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তার নিজের জীবনে স্কুল-কলেজের শিক্ষার প্রয়োজন হয়নি; বরং প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার প্রতি এক ধরনের অনাগ্রহ সৃষ্টি হয়েছিল। তবে দূরদৃষ্টিসম্পন্ন হওয়ায় সন্তানদের নিজ নিজ ক্ষেত্রে উচ্চশিক্ষা লাভের প্রতি ছিলেন অয়োময় নির্দেশক ও যত্নবান, যার ডিভিডেন্ড আকিজ শিল্প পরিবার পাচ্ছে এখন। তাদের মেধা ও প্রতিভার সমন্বয়ে গড়ে তোলা তার প্রতিষ্ঠানে এখন হাজার হাজার শ্রমজীবী মেহনতি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। প্রকারান্তরে রাষ্ট্রীয় কোষাগার পাচ্ছে বেসরকারি খাতে পুনঃবিনিয়োগযোগ্য পুঁজি।
১৫ দিন আগে

কিশোরবেলা হলো— দুঃসাহসিক অভিযানের ব্যাকড্রপ। এ কারণেই কিশোর উপন্যাসের এত কদর। কিশোর উপন্যাস মানে— ম্যারম্যারা উপন্যাস নয়। এতে থাকে গোয়েন্দাগিরি, থাকে রোমাঞ্চ আর অ্যাডভেঞ্চার। মার্ক টোয়েনের ক্লাসিক কিশোর অ্যাডভেঞ্চার ‘টম সয়্যার’ এর ডানপিটে কিশোর টম। টোয়েনের আরেক সৃষ্টি ‘হাকলবেরি ফিন’। এতে মিসিসিপি নদীতে ভেলা ভাসিয়ে পালিয়ে যায় ঘরহারা কিশোর হাক। সত্যজিৎ রায়ের ফেলুদা চরিত্রের ছায়াসঙ্গী তোপসে (তপেশরঞ্জন মিত্র)। কিশোরবেলায় এই চরিত্রগুলোর মধ্য দিয়েই নিজেকে দেখেছি। এখনো ফিরে ফিরে সেই বেলায় যেতে হয়। কেন যেতে হয়?
১৫ দিন আগে

বিইআরসির শুধু গ্যাসের দাম নির্ধারণ করে দিয়ে দায়িত্ব শেষ করছে। বাজারে এটি বাস্তবায়িত হলো কি না তার কোনো খবর নেই সংস্থাটির। অন্যদিকে ভোক্তা অধিকার অধিদফতরও ক্রেতার স্বার্থ সংরক্ষণে চরমভাবে উদাসীন। নির্ধারিত মূল্যের চেয়েও এত টাকা বেশিতে বিক্রি হওয়া সত্ত্বেও কার্যকর তদারকি ও কঠোর শাস্তির অভাব প্রমাণ করে, নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো দায়িত্ব পালনে চরমভাবে ব্যর্থ হচ্ছে।
১৭ দিন আগে

প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে নেয়া উদ্যোগ যেন মানুষের জায়গা জমি দখল কিংবা অন্য কোনো মন্দ উদ্দেশ্যে ব্যবহার না হয়, সেদিকেও নজর রাখতে হবে। অনেক সময় অসৎ রাজনৈতিক নেতাকর্মী একে নিজেদের আখের গোছাতে ব্যবহার করতে পারেন। অন্যের জায়গা সম্পদ দখলে কাজে লাগাতে পারেন। সরকারকে এটিও খেয়াল রাখতে হবে।
১৭ দিন আগে

ভারতের দৃষ্টিতে পাকিস্তান, সৌদি আরব এবং তুরস্কের সাথে বাংলাদেশের একই কাঠামোয় যোগদান, দক্ষিণ এশিয়ায় একটি নতুন নিরাপত্তা সমীকরণ তৈরি করবে। অনেকে এটিকে ভারতের সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রে জটিলতা সৃষ্টিকারী বিষয় হিসেবে উল্লেখ করে থাকেন। চুক্তির বাস্তব প্রয়োগের নিয়ম, যতক্ষণ পুরোপুরি পরিষ্কার হচ্ছে না, ততদিন বাংলাদেশকে না জেনে চুক্তিতে যোগদান করা যুক্তিসঙ্গত হবে না। চীন, বাংলাদেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অংশীদার। একই সাথে পাকিস্তানও চীনের ঘনিষ্ঠ নেতিবাচক হিসেবে দেখবে না। বাংলাদেশ এর পূর্ণ সদস্য হওয়ার বিষয়ে ধীরস্থির ভাবে, আবেগ বর্জিতাবস্থায় সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
১৭ দিন আগে

জুলাই বিপ্লবের পর মানুষ শুধু সরকার পরিবর্তন চায়নি; মানুষ রাষ্ট্রের চরিত্র পরিবর্তন চেয়েছিল। সেই আকাঙ্ক্ষা যদি আবার দলীয়করণ, দখল, চাঁদাবাজি, হামলা, ভয় এবং মতপ্রকাশ নিয়ন্ত্রণের মধ্যে আটকে যায়, তাহলে হতাশা তৈরি হবেই। সাত মাসে একটি সরকারকে চূড়ান্ত ব্যর্থ বলা যায় না; কিন্তু সাত মাসে সতর্কসঙ্কেত দেখা দিলে তা উপেক্ষা করাও যায় না। বিএনপির জন্য সবচেয়ে বড় বিপদ বিরোধী দল নয়; সবচেয়ে বড় বিপদ হলো— নিজেদের দলের এমন একটি অংশ, যারা দলীয় ক্ষমতাকে ব্যক্তিগত ক্ষমতা মনে করতে শুরু করে। সরকার যদি তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে। আর যদি না পারে, তাহলে প্রশ্ন উঠবেই— বিএনপি কি দেশ চালাচ্ছে, নাকি বিএনপির একটি অংশ সরকার চালাচ্ছে? এই প্রশ্নের উত্তরই আগামী দিনের রাজনীতির গতিপথ নির্ধারণ করবে।
১৭ দিন আগে

শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত— কিন্তু এই উদযাপন তখনই অর্থবহ হবে যখন প্রতিটি শিশুর জন্য সৃজনশীলতা বিকাশের সুযোগ নিশ্চিত হবে। জিয়াউর রহমান যে দূরদৃষ্টি নিয়ে শিশু একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, সেই দূরদৃষ্টির পূর্ণ বাস্তবায়ন আজও সুদূরপরাহত। দেশের ৬৪ জেলায় শিশু একাডেমির শাখা থাকলেও অধিকাংশই অবকাঠামোগত দুর্বলতা, জনবল সঙ্কট ও বাজেট স্বল্পতায় কার্যত নিষ্ক্রিয়। প্রতিটি শিশুর অন্তরে যে পিতা ঘুমিয়ে আছে— সেই পিতাকে জাগাতে হলে রাষ্ট্রকে ঘুম ভাঙাতে হবে। শিশুর প্রতি বিনিয়োগ কেবল মানবিক দায়িত্ব নয়, এটি রাষ্ট্রের সবচেয়ে বুদ্ধিমান অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তও— কারণ আজকের অবহেলিত শিশু আগামীর অসক্ষম নাগরিক, আর আজকের সুরক্ষিত শিশু আগামীর সমৃদ্ধ জাতির স্থপতি। যে জাতি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছে, সেই স্বপ্নের সার্থক রূপায়ণ নির্ভর করে প্রতিটি শিশুর অন্তরে ঘুমিয়ে থাকা পিতাকে জাগিয়ে তোলার ওপর এবং সেই দায়িত্ব রাষ্ট্রের, সমাজের, আমাদের সবার
১৮ দিন আগে

কয়েক দিন আগে হাসিনা আসার ব্যাপারে সরকারের একজন মন্ত্রী ঘোষণা দেন, কেউ পানি ঘোলা করার চেষ্টা করলে যথাযোগ্য ব্যবস্থা নেয়া হবে। এর দু’দিন পর প্রতিবেশী দেশের মাননীয় রাষ্ট্রদূত শেখ হাসিনার ব্যাপারে প্রকাশ্যে যেসব মন্তব্য করেছেন সে বিষয়ে সরকারের নীরবতা ধোঁয়াশা তৈরি করছে। বাজারে জোর গুজব, ইতোমধ্যে ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল ও ‘র’ প্রধান গোপনে ঘুরে গেছেন এদেশ।
১৮ দিন আগে

সমাধানের শুরু হতে হবে প্রকৃত মালিকানা স্বচ্ছ করার মাধ্যমে। কোন ব্যাংকের প্রকৃত মালিক কে, কোন কোম্পানি কার সাথে সম্পর্কিত এবং একই গোষ্ঠীর মোট ঋণ ও সম্মিলিত ঝুঁকি কত, এসব তথ্য নিয়ন্ত্রকের কাছে হালনাগাদ থাকতে হবে। কাগজপত্রে কোম্পানি আলাদা হলেও প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ একই হাতে থাকলে ঝুঁকির হিসাবও একসাথে করতে হবে। একই সাথে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে ঋণের সীমা, একই জামানতের বিপরীতে একাধিক ঋণ, অস্বাভাবিক আন্তঃকোম্পানি অর্থ স্থানান্তর, দ্রুত ঋণ বৃদ্ধি, বারবার পুনঃতফসিল এবং বড় বিদেশী লেনদেনকে আগাম সতর্কতার সঙ্কেত হিসেবে বিবেচনা করতে হবে
১৮ দিন আগে

আমাদের তরুণরা শিক্ষা কিংবা চাকরির প্রয়োজনে, ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণে কোনো প্রকার হয়রানি ছাড়াই পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে যাবে। জীবিকার তাগিদে মেক্সিকোর জঙ্গল, ভূমধ্যসাগর কিংবা ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিতে গিয়ে আর লাশ হয়ে ফিরবে না। অন্য দিকে সরকারের নিষ্ক্রিয়তা, ঘুমিয়ে থাকা পাসপোর্টের মান অদূর ভবিষ্যতে নর্থ কোরিয়া কিংবা আফগানিস্তানের সারিতে নামিয়ে আনলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।
১৮ দিন আগে

সরকারের উচিত নীতি ও বাস্তবায়নের দ্বৈত অবস্থান থেকে সরে আসা। সেই সাথে চারা রোপণের বিশাল পরিসংখ্যান দেখানোর পাশাপাশি বিদ্যমান সবুজ ও পূর্ণাঙ্গ বৃক্ষরাজি রক্ষায় কঠোর আইন প্রণয়ন করা। এটি প্রয়োগ এখন খুব প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। মনে রাখা দরকার, প্রকৃতি ধ্বংস করে যে উন্নয়ন; তা কখনো দীর্ঘমেয়াদে প্রাণবৈচিত্র্যের কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না। প্রাণবৈচিত্র্য অক্ষুণ্ন রেখে উন্নয়ন নকশায় সবুজ রক্ষা করে দেশের অগ্রযাত্রার পথ সুগম করা হোক এখনকার নীতি।
১৯ দিন আগে

আমরা মনে করি, বহর যোগ হওয়ার আগেই নতুন পাইলট, অভিজ্ঞ প্রকৌশলী ও দক্ষ ক্রু তৈরিতে বিনিয়োগ করতে হবে। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ সিলেট ও কক্সবাজারের মতো বন্দরগুলোতে আন্তর্জাতিক মানের হ্যাঙ্গার সুবিধা বাড়াতে হবে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে আমলাতান্ত্রিক অচলাবস্থা থেকে বের করে আন্তর্জাতিক পেশাদারিত্ব, প্রযুক্তিগত ঔৎকর্ষ ও বাণিজ্যিক দক্ষতার কেন্দ্রে পরিণত করতে হবে।
১৯ দিন আগে

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে সংস্কারের সুপারিশ ছাড়াও বাস্তব করণীয় সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কিছু পরামর্শ দেয়া হয়েছে। বলা হয়েছে— সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতাধীন একাধিক খাদ্যভিত্তিক ভর্তুকি কর্মসূচি একীভূত করা এবং ফ্যামিলি কার্ডের সাথে বিদ্যমান নগদ সহায়তা কর্মসূচি যথাযথভাবে সমন্বয় করা হলে অতিরিক্ত সাড়ে ২৮ লাখ মানুষকে দারিদ্র্য থেকে বের করে আনা সম্ভব। মূলত ২০১৯-২০ সালের বিপর্যয়কর কোভিড মহামারীর সময় থেকেই বাংলাদেশে গরিবির হার বৃদ্ধির প্রবণতা শুরু হয়। আর্থিক খাতে সংস্কার ও শত ভাগ সুশাসন প্রতিষ্ঠা ছাড়া উত্তরণের কোনো উপায় নেই। এই বাস্তবতা সরকার যত দ্রুত অনুধাবন করবে দেশ ও জাতির জন্য ততই মঙ্গল।
১৯ দিন আগে

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক প্রবেশদ্বার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সুনাম রক্ষা করতে হলে কোনো তালি দেয়া সাময়িক পদক্ষেপ নয়; বরং প্রয়োজন আমূল প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ও আধুনিক ব্যবস্থাপনা। আন্তর্জাতিক ফ্লাইট আসার সঠিক সময়ের সাথে ট্রলি মেলানো, লাগেজ কাটা ও চুরির জন্য দায়ী অসাধু সিন্ডিকেট নির্মূল করা, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ট্রানজিট যাত্রীদের জন্য যুক্তিসঙ্গত বিকল্প পথ উন্মুক্ত রাখা এবং সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করা হতে পারে এ অচলাবস্থা দূরের একমাত্র পথ। দেশের প্রবাসী আয় এবং বিদেশী পর্যটকদের কাছে প্রথম ইম্প্রেশন হিসেবে এই বিমানবন্দরকে একটি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর এবং যাত্রীবান্ধব সেন্টারের উপযোগী করতে প্রশাসনিক জবাবদিহি ও সদিচ্ছার কোনো বিকল্প নেই।
১৯ দিন আগে

দরকার বড় বড় ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর একচেটিয়া আধিপত্য খর্ব করা। মুষ্টিমেয় করপোরেট গ্রুপের হাতে ভোজ্যতেল, চিনি বা ছোলার মতো জরুরি পণ্যের এলসি (LC) ও আমদানি সুবিধা সীমিত না রেখে, মাঝারি ও নতুন ব্যবসায়ীদের জন্য ঋণ ও লাইসেন্স প্রাপ্তি সহজ করা। দরকার প্রতিযোগিতা কমিশনকে (Competition Commission) শক্তিশালী করা : দেশে একটি প্রতিযোগিতা কমিশন আইন আছে। কিন্তু কার্যকারিতা নেই। এই কমিশনকে স্বাধীন ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থায় পরিণত করা হলে তা একচেটিয়া ব্যবসা বা বাজারে জোটবদ্ধ হয়ে দাম নির্ধারণের বিরুদ্ধে সরাসরি ফৌজদারি ব্যবস্থা নিতে পারবে। টিসিবির সংস্কার, বিকল্প বাজার শক্তি (Countervailing Force) গড়ে তোলা, যাতে সরকারি গুদামে পর্যাপ্ত মজুদ রাখা হবে। সিন্ডিকেট কৃত্রিম সঙ্কট তৈরির চেষ্টা করলে, সরকার বাজারে কম দামে পণ্য ছেড়ে তাদের কারসাজি ব্যর্থ করে দিতে পারবে। একই সাথে বিশেষ ব্যবস্থা যেমন— সরকারি কোল্ড স্টোরেজ বা হিমাগার স্থাপন, আমদানিকৃত পণ্য বন্দর থেকে খালাস হওয়ার পর কোন আড়তে যাচ্ছে, তা ডিজিটাল ট্র্যাকিংয়ের আওতায় আনা, কৃষকরা যাতে সরাসরি পণ্য বাজারজাত করতে পারে সে জন্য কৃষি বাজারের মতো বাজার প্রতিষ্ঠা করে মধ্যস্বত্বভোগীর দৌরাত্ম্য দূর করার মতো পদক্ষেপ অবিলম্বে বাস্তবায়ন করা।
১৯ দিন আগে

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে সাংবাদিকদের পেশাগত ঐক্য, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন এবং গণমাধ্যমের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখার প্রত্যয়ে কটিয়াদী প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
২০ দিন আগে

বাংলাদেশের পোশাক খাতের প্রধান শক্তির জায়গা ছিল আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছে ‘নির্ভরযোগ্য সরবরাহকারী’ হিসেবে চার দশকের সুনাম। এই অর্জন হাতছাড়া হতে দেয়া যাবে না। জ্বালানি সঙ্কটের দ্রুত সমাধান, আধুনিক লজিস্টিক ব্যবস্থা এবং উদ্ভাবনী পণ্যের সুপরিকল্পিত রূপান্তরই পারে ঝড়ের মুখে পোশাক শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে।
২০ দিন আগে

প্রশিক্ষণ কোনো লক্ষ্য নয়, কর্মসংস্থানে পৌঁছানোর মাধ্যম মাত্র। সরকারি বিপুল অর্থের সাফল্য সনদ বিতরণে নিহিত নয়; বরং কতজন বেকারের স্থায়ী কর্মসংস্থান হলো। কতজন নারী নিজস্ব ব্যবসা দাঁড় করাতে পারলেন। কতজন বিদেশী শ্রমবাজারে শক্ত অবস্থান পেলেন তার ওপর নির্ভর করছে সাফল্য। সঙ্গতকারণে আমরা বলতে চাই, প্রকল্পটি যেন আমলাতান্ত্রিক ও প্রথাগত বৃত্তে আটকে না যায়। মূল অর্থ যেন আনুষঙ্গিক খাতে ব্যয় না হয়ে দক্ষতা অর্জনে ব্যবহৃত হয়।
২০ দিন আগে


