লোড হচ্ছে...
ইলিশ আমাদের জাতীয় সম্পদ। অভিযানকে কেবল কাগজে-কলমে বা লোক দেখানো প্রক্রিয়ায় সীমাবদ্ধ না রেখে কঠোর ও সমন্বিত পদক্ষেপ নিতে হবে। প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং সর্বস্তরের জনগণকে এক হয়ে মা-ইলিশ রক্ষায় শূন্য সহনশীলতার নীতি গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় দেশের ইলিশ সম্পদ রক্ষা করা খুব কষ্টসাধ্য হবে, এ কথা নিশ্চিত করে বলা যায়।
১০ দিন আগে

ফ্যাসিস্টদের অবশিষ্টাংশ দেশে সমাজের সাথে মিশে রয়েছে। তাদের হাতে প্রচুর অর্থপ্রবাহ আছে। প্রতিবেশী দেশের ভূরাজনৈতিক স্বার্থও এই ফ্যাসিস্টদের সাথে মিলে একাকার! কাজেই সাবোটাজমূলক কিছুুই ঘটানোর চেষ্টা যে হবে না সেটি বলা যায় না। এ জন্য পুলিশ, সরকারি দল, বিরোধী দল এবং সাধারণ নাগরিক সবাই সজাগ থাকলে এবারের পূজাও নির্বিঘ্নে, বিনা হুমকিতে হিন্দু সম্প্রদায় পালন করতে সক্ষম হবে। এ জন্য পুলিশি নিরাপত্তার পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তা, মণ্ডপে মণ্ডপে সিসিটিভি ব্যবহার, গোয়েন্দা নজরদারি, আনসার মোতায়েন এবং ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এলাকাবাসী মনিটরিং সেল গঠন করে সক্রিয় থাকলে কোনো দুষ্কৃতকারীই নিরাপত্তার ব্যাঘাত ঘটাতে দুঃসাহস করবে না।
১০ দিন আগে

গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের মনোবলে যে ঘাটতি তৈরি হয়েছিল, তা কাটিয়ে উঠে তাদের সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে কাজ করার পরিবেশ তৈরি করে দেয়া সরকারের দায়িত্ব। একইভাবে ইসিকেও কেবল বিধিমালা সংশোধনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে মাঠপর্যায়ে তার নিরপেক্ষ ও সাহসী প্রয়োগ ঘটিয়ে নিজেদের সক্ষমতার প্রমাণ দিতে হবে। কোনো বিশেষ পক্ষকে সুবিধা দেয়া বা কাউকে প্রতিপক্ষ বানিয়ে ঘায়েল করার পুরনো কৌশল বর্জন করে জনপ্রতিনিধি বেছে নেয়ার চূড়ান্ত ক্ষমতা সাধারণ ভোটারদের হাতে ছেড়ে দেয়া উচিত। রক্তপাত, হানাহানি আর কেন্দ্র দখলের কালো অধ্যায় পেরিয়ে গ্রামবাংলায় আবারো ভোটের সেই চিরচেনা আনন্দমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরে আসুক— একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে এটিই আমাদের একান্ত চাওয়া।
১০ দিন আগে

চব্বিশের জুলাই বিপ্লবের পর এসব পরিবর্তনের বৈধতা নিয়ে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়। ওই বছরের শেষ দিকে সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচ নাগরিক হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন। পরে একই বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ আরো কয়েকজন পৃথক রিট দায়ের করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে হাইকোর্ট ২০২৪ সালের ১৭ ডিসেম্বর এক ঐতিহাসিক রায় দেন। আদালত পঞ্চদশ সংশোধনীর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদকে সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করেন। বিশেষ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল এবং সংবিধানের ৭(ক) ও ৭(খ) অনুচ্ছেদকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হয়। হাইকোর্টের এসব রায়ের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হলে কয়েকটি পক্ষ আপিল বিভাগে ‘লিভ টু আপিল’ দায়ের করে। তার পরিপ্রেক্ষিতে টানা কয়েক দিনের শুনানি শেষে ৯ জুলাই, ২০২৬ আপিল বিভাগ সব আপিল খারিজ করে হাইকোর্টের রায় বহাল রাখেন। এর মধ্য দিয়ে সাংবিধানিক বিতর্কের কয়েকটি বিষয়ের আইনি ফয়সালা হয়ে গেল।
১০ দিন আগে

বাংলাদেশের সামগ্রিক মানবপাচার পরিস্থিতির দিকে তাকালে দেখা যায়, পাচারকারীরা প্রতিনিয়ত তাদের কৌশলে পরিবর্তন আনছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের আন্তর্জাতিক ‘ট্রাফিকিং ইন পারসনস’ (টিআইপি) প্রতিবেদনে বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে দ্বিতীয় ধাপে আছে। নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাচার প্রতিরোধে সরকারি উদ্যোগ থাকলেও ঘাটতি ও চ্যালেঞ্জ অনেক বেশি। আমরা আশা করি, এই ঘাটতিগুলো কাটিয়ে উঠতে উদ্যোগী হবে সরকার। দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে থাকা পাচারকারীদের নেটওয়ার্ক ধ্বংস করতে হবে। রাশিয়ায় আটকে থাকা অন্যান্য বাংলাদেশীদের উদ্ধারে পররাষ্ট্র ও প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়কে উদ্যোগ নিতে হবে। তাদের চিকিৎসায় পদক্ষেপ নিতে হবে। কূটনৈতিক চ্যানেলে এ ধরনের অমানবিক আচরণের প্রতিবাদ জানাতে হবে। নিহতদের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
১১ দিন আগে

বর্তমানে শহরগুলোতে যেভাবে গণহারে সব বর্জ্য একত্রিত করে বর্জ্য সংগ্রহ কর্মীরা নিয়ে যান, তাতে প্লাস্টিক বর্জ্য আলাদা করার সুযোগ থাকে না। এখানে নগর কর্তৃপক্ষের ওপর দায় আছে। প্রতিটি নগরের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সুনির্দিষ্ট পদ্ধতির মাধ্যমে প্লাস্টিক বর্জ্য আলাদা করে সংগ্রহ করতে হবে। সে ক্ষেত্রে বর্জ্য সংগ্রহকারীদের যথাযথ দিকনির্দেশনা প্রদান করতে হবে। এ ছাড়াও নগরের প্লাস্টিক ব্যবহারকারী দোকান কিংবা বাড়িওয়ালা যদি ব্যবহার করা প্লাস্টিকগুলো শুরুতেই পৃথক করে সেক্ষেত্রে বর্জ্য সংগ্রহকারীদের জন্য আরো সুবিধা হবে। প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য যেমন সরকারের সুন্দর পরিকল্পনা দরকার তেমনি প্লাস্টিক উৎপাদনকারীদেরও আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন। সেই সাথে জনগণের সচেতনতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্লাস্টিক বর্জ্যরে ক্ষতিকর দিক থেকে রেহাই পাওয়ার চেষ্টা আমরা করতে পারি।
১১ দিন আগে

গণমাধ্যম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সুশীলসমাজকে সচেতনতার আলো ছড়িয়ে দিতে হবে, যেন নাগরিকেরা আবেগের বদলে বিবেক দিয়ে বিচার করতে শেখে। সর্বোপরি প্রয়োজন এমন এক ‘জনসংস্কৃতি’ ও মূল্যবোধের পুনর্জাগরণ, যেখানে প্রতিটি নাগরিক পরস্পরের মর্যাদাকে সম্মান করতে শিখবে। উন্মত্ত জনতার হাতে ন্যায়বিচারের ভার তুলে দিলে সভ্যতা কখনো টেকে না; বরং তা সমাজকে বর্বরতার এক অন্তহীন চক্রে আবদ্ধ করে ফেলে। প্রফেসর ইউনূসের প্রতি এই হেনস্তা তাই কেবল একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়— এটি গোটা জাতির বিবেকের কাছে এক তীব্র প্রশ্ন। সভ্য জাতি হিসেবে মাথা উঁচু করে টিকে থাকতে হলে আমাদের মবের সংস্কৃতি নয়, আইন ও মর্যাদার সংস্কৃতিকেই আঁকড়ে ধরতে হবে
১১ দিন আগে

বাংলাদেশের জন্য তাই প্রয়োজন একটি সামগ্রিক রাষ্ট্রীয় সংস্কারনীতি। জুলাইয়ের পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষাকে যদি প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারে রূপ দেয়া যায়, তাহলে বাংলাদেশের মানবসম্পদ, কৃষি, শিল্প, সমুদ্র, বাজার ও ভৌগোলিক অবস্থান, সবই শক্তিশালী অর্থনীতির ভিত্তিতে পরিণত হতে পারে। তখন উন্নয়ন শুধু জিডিপির পরিসংখ্যান হবে না; তা হবে একটি সৎ, দক্ষ, জবাবদিহিমূলক ও আত্মমর্যাদাশীল রাষ্ট্রের বাস্তব রূপ
১১ দিন আগে

শিশুু আইন ২০২৩ অনুসারে ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত শিশু। প্রাণঘাতী কোনো অপরাধের জন্য তাকে কঠোর শাস্তি দেয়া যায় না। আইনের এই দুর্বলতার ফাঁকে কিশোর গ্যাংয়ের দাপট আরো অপ্রতিহত হয়ে ওঠে। ভারত, সিঙ্গাপুর, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র এই আইনের পরিবর্তন করেছে। এ আইনে ১৬ থেকে ১৮ বছর বয়সী কোনো কিশোর যদি খুন, ধর্ষণ বা মারাত্মক কোনো অপরাধ করে বসে, তবে তার শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা যাচাই করে নিয়মিত আদালতে বিচার করার বিধান তৈরি করা হয়েছে। এসব দেশে অপরাধের গভীরতা ও প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে কিশোরদের ফৌজদারি আদালতে বিচারের বিধান রয়েছে। এর বিপরীতে ১৮ বছর বয়সী একজন কিশোরকে দেয়া হয়েছে ভোটাধিকার, একজন প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকের মতোই ভালো মন্দ ভাবনার সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকার। পরস্পর সাংঘর্ষিক এই আইনের সংশোধন প্রয়োজন। কিশোর গ্যাং রুখতে হলে প্রয়োজন সামাজিক অভিভাবকত্ব। প্রয়োজন তাদের অবসর সময়কে সৃজনশীলতার রূপান্তরের আয়োজন, সৃজনশীল সুস্থ শিক্ষার ব্যবস্থা।
১১ দিন আগে

চব্বিশের গণহত্যার বিচার আগে সম্পন্ন করতে হবে। ক্ষমতার সাড়ে ১৫ বছরে যত অপরাধ তারা করেছে সব বিচার শেষ করতে হবে। দুর্ভাগ্য হচ্ছে— বিচারে যথেষ্ট গতি নেই। অপরাধীদের বেশির ভাগ রয়ে গেছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। এর মধ্যে রিকনসিলিয়েশনের কথা তোলা হয়েছে, যা দুর্ভাগ্যজনক। জুলাইযোদ্ধাদের ওপর এ পর্যন্ত যত হামলা হয়েছে সবগুলোর বিচার হতে হবে। অন্যথায় বিদেশের মাটিতে তাদের সন্ত্রাস ঠেকানো যাবে না। যে কেউ তাদের দ্বারা আক্রান্ত হতে পারেন।
১২ দিন আগে

বাংলাদেশের গার্মেন্ট মালিকদের সামনে এখন চ্যালেঞ্জ এটিই। সাধারণ পোশাক তৈরি থেকে বেরিয়ে এসে কারিগরি পোশাক, বিশেষায়িত নিট পণ্য, উন্নত মানের ডেনিম ও পরিবেশবান্ধব উপকরণনির্ভর পণ্য উৎপাদনে সক্ষমতা বাড়াতে হবে। তবে এ জন্য শুধু উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগ যথেষ্ট নয়; দক্ষ জনবল, প্রযুক্তিগত সহায়তা, সহজ অর্থায়ন, নির্ভরযোগ্য জ্বালানি এবং কার্যকর লজিস্টিকস ব্যবস্থাও থাকতে হবে। সেটি সরকারের বিশেষ মনোযোগ দাবি করে।
১২ দিন আগে

কটুবাক্য নয়, কাদা ছোড়াছুড়ি নয়, বিষোদ্গারও নয়। মতপার্থক্য থাকবে; কিন্তু তা যেন বিভেদ ও বিদ্বেষের কারণ না হয়। আসুন, আল-ইত্তিফাক মাআল-ইখতিলাফ, ভিন্নতা সত্ত্বেও ঐক্যের পথ অনুসরণ করি। প্রত্যেক ব্যক্তি ও দলের স্বাতন্ত্র্য ও মতভিন্নতাকে সম্মান জানিয়ে অভিন্ন লক্ষ্য ও বৃহত্তর কল্যাণে ঐক্যবদ্ধ হই। আমাদের এই সংগ্রাম প্রতিহিংসার নয়, আদর্শ ও জনকল্যাণের। লাখ লাখ মানুষের সমর্থন আমাদের শক্তি, তাদের প্রত্যাশা আমাদের দায়িত্ব। বিভেদের নয়, ঐক্যের; বিদ্বেষের নয়, সম্প্রীতির পথেই আমাদের অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।
১২ দিন আগে

আমাদের দেশে স্থানীয় সরকার বিশেষ করে ইউনিয়ন পরিষদ গণতন্ত্রের প্রাথমিক ভিত্তি। এতে হানাহানি-জালিয়াতি হলে গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই আসন্ন ইউপি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ যেন কোনো রক্তপাতের কারণ না হয়। ইসি ও সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও আনন্দময় নির্বাচনের দৃষ্টান্ত স্থাপিত হোক।
১৩ দিন আগে

এলজিইডিসহ সরকারি তদারকি কর্মকর্তাদের ব্যর্থতা ও পরোক্ষ যোগসাজশের বিষয়টিও তদন্তের আওতায় আনা জরুরি। আট বছর ধরে কাজ বন্ধ থাকার পরও মাঠপর্যায়ের প্রকৌশলী ও প্রশাসনিক কর্তারা কেন চুপ ছিলেন, সঠিক সময়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেননি কেন, সে হিসাবও বের করতে হবে। মনিটরিং ব্যবস্থা আরো গতিশীল করা জরুরি, যাতে প্রকল্প শুরুর পর কোনো ঠিকাদার কালক্ষেপণ করলে শুরুতেই ব্যবস্থা নেয়া যায়। এখন স্থানীয় পর্যায়ে সমন্বিত নাগরিক কমিটি গঠন এবং ডিজিটাল নজরদারির মাধ্যমে প্রতিটি কাজের অগ্রগতি প্রকাশ্যে আনার সময় এসেছে।
১৩ দিন আগে

সামরিক জোটের সাফল্য কেবল কত সৈন্য, যুদ্ধবিমান বা ক্ষেপণাস্ত্র একত্র করা গেল, তার ওপর নির্ভর করে না। নির্ভর করে হুমকি সঠিকভাবে শনাক্ত করা, বেসামরিক মানুষকে রক্ষা করা এবং প্রতিপক্ষের সাথে যোগাযোগের পথ খোলা রাখার ওপর। ইরানকে ঘিরে সঙ্ঘাতের সমাধান, ইয়েমেনে অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক বন্দোবস্ত এবং সুদানে যুদ্ধ বন্ধের কার্যকর উদ্যোগ ছাড়া লোহিত সাগরে স্থায়ী নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করা কঠিন। মক্কা জোট যদি কেবল সামরিক প্রতিক্রিয়ার কাঠামো না হয়ে সঙ্ঘাত প্রতিরোধ ও কূটনৈতিক সমাধানের ব্যবস্থাও গড়ে তুলতে পারে, তাহলে তা ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। অন্যথায়, যে সমুদ্রপথ বিশ্বকে যুক্ত করে, সেটিই বিভক্তির রেখায় পরিণত হবে। আর সেই বিভাজনের মূল্য শুধু মধ্যপ্রাচ্য বা আফ্রিকার মানুষকে নয়, বাংলাদেশসহ গোটা বিশ্বের অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষকেও দিতে হবে
১৩ দিন আগে

সশস্ত্র বাহিনীকেও বুঝতে হবে, আদেশ দিয়ে জনআস্থা সৃষ্টি করা যায় না। শৃঙ্খলাবদ্ধ সদস্যরা যখন মানুষের জীবন রক্ষা করেন, অধিকারকে সম্মান করেন, নিজেদের কাজের ব্যাখ্যা দেন এবং জবাবদিহি মেনে নেন, তখনই আস্থা গড়ে ওঠে। তাই প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা রক্ষার জন্য রাজনৈতিক অপব্যবহারের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থানের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতা সংশোধনের সংকল্পও প্রয়োজন। প্রত্যেক কর্মরত কর্মকর্তা, বিশেষ করে বেসামরিক দফতরে দায়িত্ব পালনকারীদের প্রতি আহ্বান দৃঢ় : পদমর্যাদা ধারণ করুন বিনয়ের সাথে, দায়িত্ব পালন করুন সাহসের সাথে। নিজের এখতিয়ার অতিক্রম করবেন না। তোষামোদের বিনিময়ে উন্নতি কেনার চেষ্টা করবেন না। কারো রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য নিজের পোশাক ও পরিচয় ব্যবহার করতে দেবেন না
১৩ দিন আগে

সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলার জন্য শাহবাজ শরিফের সরকারকে সব রাজনৈতিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। এমন বার্তা দেয়া উচিত নয় যে, সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধের নামে খায়বার পাখতুনখাওয়ায় নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হচ্ছে। এই নীতির মাধ্যমে প্রদেশে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে না। শাহবাজ শরিফের সরকার ইমরান খান ফোবিয়ায় বন্দী হয়ে গেছে। এ বন্দী সরকার পাকিস্তানকে বেসামরিক স্বৈরশাসনের দিকে ঠেলে দিয়েছে। সরকারকে ইমরান খান ফোবিয়া থেকে মুক্ত হতে হবে এবং বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হাসিনা ওয়াজেদের পরিণতি থেকে শিক্ষা নিতে হবে।
১৩ দিন আগে

ঘটনাটি উদ্বেগজনক। রান্নার অন্যতম প্রধান উপকরণে বিষাক্ত উপাদান থাকার অর্থ— গোটা জাতিই প্রতিদিন বিষক্রিয়ার শিকার হচ্ছে। এর ফলে শুধু রোগব্যাধির প্রকোপ বাড়ছে এমন নয়, শিশুদের স্বাভাবিক বিকাশ ব্যাহত হচ্ছে। এটি ভবিষ্যতে গুরুতর পরিণতি নিয়ে আসতে পারে।
১৪ দিন আগে

এ যুদ্ধ আমাদের জন্য দুই কারণে উদ্বেগের। মুসলমানদের পবিত্র মক্কা নগরী ও নবী মুহাম্মদ সা:-এর স্মৃতিবিজড়িত মদিনা সৌদি আরবে অবস্থিত। এই দু’টির সাথে এ দেশের মুসলমানদের ধর্মীয় আবেগ-অনুভূতি জড়িত। যুদ্ধের ভয়াবহ বিস্তারে ধর্মীয় এই দুই অবস্থানের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা তৈরি করেছে। যদিও হুথিরা বলেছে, কোনোভাবে মক্কা-মদিনায় আক্রমণ হবে না।
১৪ দিন আগে

জেলা শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাং আলমগীর চৌধুরী জানান, সভাপতি পদে রুহুল আমিন মজুমদার ৪০৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী শাহ আলম পেয়েছেন ৪০১ ভোট। অন্যদিকে, সাধারণ সম্পাদক পদে আরিফুর রহমান পেয়েছেন ৪৮৩ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী মোহাম্মদ জহির উদ্দিন ইমতিয়াজ পেয়েছেন ৩১৯ ভোট।
১৫ দিন আগে


