
২০২৬ সালের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একশ্রেণীর আলেম-ওলামা, ইমাম-খতিব, কতিপয় ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীর মধ্যে পারস্পরিক বাগ্যুদ্ধ, কটূক্তি, অশোভন মন্তব্যের জোয়ার বইতে শুরু করে। নির্বাচনের পর এর তীব্রতা বৃদ্ধি পেতে থাকে। যার যেটি বলা উচিত নয় অথবা সমীচীন নয়, তিনি সেটা বলছেন। এতে করে সাধারণ মানুষ বিভ্রান্তির শিকার হচ্ছেন, নেতারা ভোটারদের আস্থা হারাচ্ছেন, পরিবেশ দূষিত হচ্ছে।
ইখতিলাফ ও ভিন্নমত ছিল আছে, আগামী দিনেও থাকবে। ইখতিলাফ বা বিরোধ নিরসন অনেকটা অসম্ভব। তবে ভিন্নতা বজায় রেখে একসাথে পথ চলতে হবে। ভিন্নতা না মুছেই ঐক্যের বাতাবরণ তৈরি করার প্রয়াস চালাতে হবে। ভিন্নমত সত্ত্বেও বিবদমান গ্রুপ বা দলের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সৌজন্য রক্ষা করা কঠিন নয়। পরমত সহিষ্ণুতার মতো অনেক বড় গুণ সুষ্ঠু সমাজ প্রতিষ্ঠার নিয়ামক শক্তি। ভিন্নতাকে শক্তিতে রূপান্তর এবং মতানৈক্যসহ ঐক্যনীতিই অগ্রগতির হাতিয়ার।
আজ থেকে ৫০ বছর আগে এ ব্যাপারে মেহনত করে গেছেন দেশের অন্যতম বুজুর্গ ব্যক্তি হজরত কায়েদ সাহেব হুজুুর মাওলানা আযীযুর রহমান নেছারাবাদী রহ:। তিনি বলেন, ‘আমার মতে, যাহারা এখতেলাফের (মতপার্থক্যের) মূলোৎপাটন করিয়া সমগ্র জাতিকে একই খাতে প্রবাহিত করিতে চেষ্টা করিতেছে, তাহাদের এই প্রচেষ্টা অসম্ভব বলিলেও অত্যুক্তি হইবে না।’ তার ঐতিহাসিক দর্শন ছিল ‘মতভিন্নতার মাঝেও ঐকমত্য’।
কিছু কিছু বিষয়ে মত ও পথের অমিল থাকা সত্ত্বেও মানুষ সাধারণ চিন্তায় একে অন্যের সহযোগিতা করতে পারে। ন্যায়, ইনসাফ, আদর্শ, সমাজকল্যাণ— এসব সাধারণ দাবিতে মানুষ এক হয়ে কাজ করতে পারে। এটি দুই প্রান্তিকতার মধ্যে ঐক্যের ভারসাম্যপূর্ণ পন্থা। এখানে বৈচিত্র্যের অবকাশ থাকলেও আছে ঐক্যের সুরক্ষা। এই ভারসাম্যকে ধারণ করে উম্মাহ শক্তিশালী ও সহমর্মিতাপরায়ণ হতে পারে। (ফরহাদ খান নঈম, ইত্তেফাক মাআল ইখতিলাফ, পৃষ্ঠা : ২৬-২৭)
অতীত ইতিহাস প্রমাণ করে— ইখতিলাফ, মতভিন্নতা ও সহিংসতার কারণে বহু মুসলমানের রক্ত ঝরেছে। মর্মান্তিক ও করুণ আখ্যান তৈরি হয়েছে। ১২৫৮ সালে ইখতিলাফের সুযোগ নিয়ে মোঙ্গল নেতা হালাকু খান মুসলমানদের পাঁচ শ’ বছরের ঐতিহ্যসমৃদ্ধ বাগদাদ ধ্বংস করে দিয়েছে। ভস্ম হয়ে গেছে লাখ লাখ ইসলামী গ্রন্থের পাণ্ডুুলিপি। ১০ লাখ মুসলমান হালাকু খানের সৈন্যের হাতে প্রাণ হারায়। ইখতিলাফ ও কাদা ছোড়াছুড়ির কারণে আট শ’ বছরের স্পেন মুসলমানদের হাতছাড়া হয়ে যায়। স্পেন থেকে মুসলমানদের অস্তিত্ব চিরতরে মুছে ফেলা হয়। লাখ লাখ মুসলমানকে জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত করা হয়, হত্যা করা হয় অথবা দেশত্যাগে বাধ্য করা হয়। মসজিদগুলো পরিণত হয় গির্জায়।
১০৯৯ সালে খ্রিষ্টান ক্রুসেডাররা যখন মুসলমানদের প্রথম কিবলা বায়তুল মাকদিস আক্রমণ করে, তখন ফাতেমি খিলাফত, সেলজুক শাসক ও স্থানীয় মুসলিম আমিরদের মধ্যে তীব্র অনৈক্য, অভ্যন্তরীণ গৃহবিবাদ ও যুদ্ধ চলছিল। এক মুসলিম শাসক অন্য মুসলিম শাসকের বিরুদ্ধে ক্রুসেডারদের সাথে হাত মেলাতেও দ্বিধা করেনি। এ সুযোগে ক্রুসেডাররা জেরুসালেম দখল করে মসজিদুল আকসায় আশ্রয় নেয়া ৯১ হাজার মানুষকে নৃশংসভাবে হত্যা করে।
মুহাদ্দিস শায়খুল ইসলাম আল্লামা হোসাইন আহমদ মাদানি রহ: বলেন, ‘মাসলাকি ও ফিকহি মতপার্থক্য সম্পূর্ণ ইলমি ও ইজতিহাদি বিষয়। এটিকে কেন্দ্র করে উম্মাহর সার্বিক ঐক্য বিনাশ করা এবং দ্বীনের বড় বড় লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ধ্বংস করা কোনো বুদ্ধিমানের কাজ হতে পারে না।’ দেওবন্দি ধারার অন্যতম শীর্ষ ফকিহ মুফতি তাকি উসমানী হাফি: বলেন, ‘সাহাবায়ে কেরাম ও আইম্মায়ে মুজতাহিদিনদের যুগেও শাখা-প্রশাখাগত ইখতিলাফ বা মতপার্থক্য ছিল; কিন্তু সেই ইখতিলাফ কখনো তাদের অন্তরে হিংসা-বিদ্বেষ বা বিভেদ সৃষ্টি করেনি। আমাদেরও উচিত ইখতিলাফি মাসয়ালায় নিজ নিজ মতামত বজায় রেখেও অপর ভাইয়ের প্রতি সম্মান ও ভ্রাতৃত্ব বজায় রাখা।’ (ইনআমুল বারি এবং ইসলাম আওর হামারে জিন্দেগি, তৃতীয় খণ্ড)
মুসলমানদের ঐক্যের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করে বাংলাদেশের সর্বজনশ্রদ্ধেয় বুজুর্গ মাওলানা শামছুল হক ফরিদপুরী রহ: বলেন, ‘মুমিনদের মধ্যে জোড় মিল মহাব্বত রক্ষাকরণকে এত বড় মনে করিয়াছি, যে মাশায়েখদের মাসালেক, ইমামদের মাজহাবকেও আমি এর চেয়ে অনেক নিচে মনে করি। কিন্তু কুরআন-হাদিসের খেলাফকে কিছুতেই কোনো মূল্যেই বরদাশত করিতে পারি না। দু’টি মাজহাব বা দু’জন ইমাম হইলে তাহাদের পরস্পর বিরোধিতা করিতেই হইবে, ইহার কায়েল (কথক) আমি নই; এইরূপে দুইজন আলেম বা দুইজন পীর হইলে তাহাদের পরস্পর বিরুদ্ধবাদী দুইটি দল করিতে হইবে— ইহার পক্ষপাতী আমি নই। ইমামগণ, আল্লাহ ও রাসূলের বাণী উদ্ধার করিবার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করিয়াছেন তাহাতে হয়তো কেহ কতদূর পৌঁছিয়াছেন— সকলেরই মকসুদ একই; কিন্তু কেহ ইচ্ছা করিয়া কাহারও বিরোধিতা বা উম্মতের ফেরকাবন্দি তাহারা করিয়া যান নাই বা তাহারা প্রেরণা বা অনুমতি দিয়া যান নাই। সুতরাং মানুষের মধ্যে যে যুদ্ধংদেহী বা বিরোধিতার জজবা আছে, তাহা ইসলামবিরোধীদের মোকাবেলায় খরচ হইবে, ইসলামভক্তদের মোকাবেলায় নয়।’ (অসিয়তনামা, পৃষ্ঠা :২৩-২৪)
ইসলামপন্থী রাজনীতির মূল্যায়ন
২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচন ইসলামপন্থী দলগুলোর জন্য এক বড় শিক্ষা ও অভিজ্ঞতার বার্তা নিয়ে এসেছে। আগামী দিনে পরিকল্পিতভাবে সাংগঠনিক তৎপরতা জোরদার করতে পারলে অদূর ভবিষ্যতে ভালো ফল আসতে পারে। ২০২৬ সালের নির্বাচনে বিএনপির তুলনায় ইসলামপন্থীরা কম ভোট পেয়েছেন— এই বাস্তবতাকে বস্তুনিষ্ঠভাবে পর্যালোচনা করা জরুরি। নির্বাচন কমিশন ঘোষিত ভোটের ফলাফল এক ধরনের ‘আমলনামা’। ফলাফলে অসন্তুষ্ট বা ক্ষুব্ধ না হয়ে নিজেদের ভুলত্রুটি চিহ্নিত করাই বুদ্ধিমানের কাজ। পরীক্ষায় আশানুরূপ ফলাফল না পেলে যেমন শিক্ষকের ওপর দায় চাপানো অনুচিত, তেমনি ব্যর্থতাকে অস্বীকার না করে তা থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।
নির্বাচনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল—
ক. দলের নির্বাচনী ইশতেহার; খ. দারিদ্র্যবিমোচন ও সামাজিক মানবিক কার্যক্রম; গ. শিক্ষাব্যবস্থা সংস্কার ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি; ঘ. বৈদেশিক সাহায্য ও বিনিয়োগ আকর্ষণ; ঙ. ইসলামী শরিয়াহ আইনের স্বরূপ, বাস্তবায়ন কৌশল ও প্রচলিত আইনের সাথে এর সামাজিক সমন্বয়;
চ. দেশী-বিদেশী স্কলার, আইনজীবী, সাংবাদিক ও চিন্তাবিদদের সাথে মতবিনিময়।
দুর্ভাগ্যজনকভাবে, এসব নীতিগত ও মৌলিক ইস্যুতে মনোযোগ দেয়ার পরিবর্তে অনেক নেতাকর্মী ফেসবুকে দীর্ঘ স্ট্যাটাস লিখে নিজেদের শক্তি ও সময় অপচয় করছেন। গালাগাল, কটু মন্তব্য ও বিরূপ সমালোচনা অনেকের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদে দলের জন্য ক্ষতিকর। মাঠপর্যায়ের বাস্তব চিত্র ও তৃণমূলের শূন্যতা হতাশাব্যঞ্জক। বিগত আট মাসে কক্সবাজার, ফেনী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, ঢাকা, সিলেট, সুনামগঞ্জ ও রংপুর সফর করে ইসলামপন্থী দলগুলোর কর্মীদের সাথে সরাসরি আলোচনার সুযোগ হয়েছে। মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা বলছে— বহু কেন্দ্রে এজেন্টের দায়িত্ব দেয়ার মতো পর্যাপ্ত লোক ছিল না, এমনকি ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে নিয়ে আসার মতো সক্রিয় কর্মীও ছিল না। তৃণমূল পর্যায়ে শক্ত সংগঠন না থাকায় এই কাঠামোগত শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে। আগামী নির্বাচনের বাকি আর মাত্র চার বছর আট মাস। আবেগসর্বস্ব গরম বক্তৃতা, অন্যের অযথা সমালোচনা এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় শক্তিক্ষয় বন্ধ করতে হবে। তার পরিবর্তে গঠনমূলক চিন্তাভাবনা ও সুদৃঢ় সাংগঠনিক ভিত্তি গড়ায় মনোযোগ দিতে হবে।
নির্বাচনী জোট করতে পারলে সম্ভাবনা তৈরি হবে, এতে সন্দেহ নেই। কোনো ইসলামী দল যদি মনে করে, ২০৩১ সালে নির্বাচনে আমরা একাই ৩০০ আসনে লড়ব; নিশ্চয় লড়তে পারে। সেই সাংগঠনিক শক্তি যদি দলের থাকে খুব ভালো। উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আসন নিয়ে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করতে পারবে। জোট করার জন্য কেউ কাউকে বাধ্য করছে না। তাহলে একে অপরের প্রতি কেন এই বিষোদগার। ২০২৬ সালের নির্বাচনে ইসলামী দলগুলো যদি জোটবদ্ধ হতো তাহলে আরো ১৫-২০টি আসন বাড়ত; কিন্তু সরকার গঠন করা যেত না। অনেক নতুন আলেম সংসদ সদস্য হয়ে জাতির সেবা করার সুযোগ পেতেন। নেতৃত্বের বিকাশ ঘটত। দলের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পেত।
ঐক্যের পক্ষে কাজ করলে ‘গুপ্তচর’ বলা হীন ও জঘন্যতম মানসিকতার পরিচায়ক। কথায় কথায় জনপ্রিয় ইসলামী ব্যক্তিদেরকে কাফির বলা কত বড় বিপদ ডেকে নিয়ে আসবে, কল্পনা করা যাবে না। এ সম্পর্কে প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও ফকিহ শায়খ ড. ইউসুফ আল-কারযাভী রহ:-এর বক্তব্য সুস্পষ্ট। তিনি বলেন, মতপার্থক্য, গুনাহ কিংবা কোনো ধর্মীয় বিষয়ে ভুলের কারণে একজন মুসলমানকে ইসলাম থেকে খারিজ করে দেয়া যাবে না। তাকফিরের ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন জরুরি। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শরয়ি বিষয়। তাকফির কোনো সাধারণ মানুষের আবেগনির্ভর সিদ্ধান্তের বিষয় নয়; এর জন্য অকাট্য প্রমাণ, যথাযথ ইলম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য ও পরিস্থিতি সতর্কতার সাথে যাচাই করা প্রয়োজন। (যাহিরাতুল গুলো ফিত তাকফির, আল ইহতিয়াত ফিত তাকফির, পৃষ্ঠা : ৩৭-৩৯)
শায়খ হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা বর্তমানে তালেবান সরকারের সর্বোচ্চ নেতা। যিনি আফগানিস্তানে আমিরুল মুমিনিন নামে পরিচিত। কান্দাহার থেকে জারি করা ফরমান দিয়ে সরকারের নীতি নির্ধারণ করেন। তিনি কিন্তু রাষ্ট্রের কোনো পদে নেই। প্রকাশ্যে চলাফেরাও করেন না। তিনি পশতুন জাতিগোষ্ঠীর অধীন নুরজাই গোত্রের লোক। আফগানিস্তান বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীতে বিভক্ত। অন্যদিকে প্রতিটি জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে রয়েছে বহু গোত্র, উপগোত্র ও বংশধারা। বিশেষ করে পশতুনদের মধ্যে গোত্রভিত্তিক পরিচয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আফগানিস্তানের প্রধান জাতিগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে রয়েছে— পশতুন, তাজিক, হাজারা, উজবেক, তুর্কমেন, আইমাক, বালুচ ও নুরিস্তানি। আফগানিস্তানে গোত্রীয় সঙ্ঘাত ও বিভাজন রয়েছে। এক গোত্রের সাথে অপর গোত্রের বিয়ে-শাদি পর্যন্ত হয় না। শায়খ হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা বিবদমান গোত্রপ্রধানদের বোঝাতে সক্ষম হন, ‘আমরা সবাই ইসলামী খিলাফত চাই এবং বৈদেশিক আগ্রাসন রুখতে চাই। এই দু’টি ব্যাপারে কারো দ্বিমত নেই। সুতরাং এই দুই বিষয়ে আমরা একতাবদ্ধ থেকে লড়াই করি।’ ফলে আফগানিস্তান এখন তালেবানদের। এটি ঐক্যের শক্তি। এটিই ভিন্নতা সত্ত্বেও ঐক্যের পথ।
কটুবাক্য নয়, কাদা ছোড়াছুড়ি নয়, বিষোদ্গারও নয়। মতপার্থক্য থাকবে; কিন্তু তা যেন বিভেদ ও বিদ্বেষের কারণ না হয়। আসুন, আল-ইত্তিফাক মাআল-ইখতিলাফ, ভিন্নতা সত্ত্বেও ঐক্যের পথ অনুসরণ করি। প্রত্যেক ব্যক্তি ও দলের স্বাতন্ত্র্য ও মতভিন্নতাকে সম্মান জানিয়ে অভিন্ন লক্ষ্য ও বৃহত্তর কল্যাণে ঐক্যবদ্ধ হই। আমাদের এই সংগ্রাম প্রতিহিংসার নয়, আদর্শ ও জনকল্যাণের। লাখ লাখ মানুষের সমর্থন আমাদের শক্তি, তাদের প্রত্যাশা আমাদের দায়িত্ব। বিভেদের নয়, ঐক্যের; বিদ্বেষের নয়, সম্প্রীতির পথেই আমাদের অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।
লেখক : সাবেক উপদেষ্টা, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
drkhalid09@gmail.com
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








