
প্রায় প্রতিদিন বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়, মানুষের জন্য নতুন সুযোগ ও স্বাচ্ছন্দ্য তৈরির হরেক রকমের খবর। বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম, কোনোটি শুরু হয়েছে বা আরম্ভ হবে এমন সব কথা। দেশের মানুষের জন্যই তো এত উদ্যোগ। এত আয়োজন; কিন্তু তারাই এখন শত রোগে রোগাক্রান্ত। তাদের সুখ, নানা অসুখে গ্রাস করছে। এমন যদি হয়, তাহলে নতুন সুযোগ-সুবিধা উপভোগ করবে কে! সে কারণে প্রশ্ন হতে পারে, জীবনের সুরক্ষা প্রথম, নাকি স্বাচ্ছন্দ্যকে প্রাধান্য দেয়া? এ ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার বিবেচনায় আগে মানুষকে রোগবালাই থেকে মুক্ত রাখা; কিন্তু কাজটি দৃশ্যমান নয়! যেন ওমর খৈয়ামের পঙ্ক্তির মতো, ‘দূরের বাদ্য লাভ কী শুনে, মাঝখানে যে বেজায় ফাঁক’। ঘোড়া জোড়ার আগে গাড়ি জুড়ে দেয়া কখনো বুদ্ধিমানের কাজ হতে পারে না। তাই শুরুর কাজটা প্রথমে বেছে নিতে হবে।
এবার দেখা যেতে পারে অসুখের উৎপত্তিটা কোথায়! তা মূলত খাদ্যে। খাবার যে কত গুরুত্বপূর্ণ, সে সম্পর্কে প্রাচীন গ্রিক চিকিৎসাবিজ্ঞানী ও দার্শনিক হিপোক্রেটিসের একটি মূল্যবান উক্তি উল্লেখ করা অপ্রাসঙ্গিক হবে না। তার ভাষ্য ছিল— ‘লেট ফুড বি দাই মেডিসিনি অ্যান্ড মেডিসিন বি দাই ফুড’। বাংলা অর্থ— ‘খাদ্য হোক তোমার ওষুধ আর ওষুধ হোক তোমার খাদ্য’। হিপোক্রেটিসের উক্তিটি বলে দেয়, প্রকৃতপক্ষে খাদ্য কত গুরুত্বপূর্ণ ও মূল্যবান। এর ব্যাখ্যা হতে পারে, খাদ্য আমাদের বেঁচে থাকায় পুষ্টি জোগায় ও রোগবালাই দূর করার উপাত্ত। অথচ আমরা কী খাচ্ছি, সে বিষয়ে আমাদের অজ্ঞতার শেষ নেই। অখাদ্য-কুখাদ্য গ্রহণ করে অসুখকে দেহ অভ্যন্তরে প্রবেশের সুযোগ করে দিচ্ছি। তা স্বেচ্ছায় না বাধ্য হয়ে করছি! যে খাবার খাচ্ছি— সেই খাদ্যের বিচার-বিশ্লেষণ করলে বোঝা যাবে— খাদ্য নিয়ে আমাদের সমস্যা কোথায়! খাদ্যে কী আছে, সে দিকে আমরা কি ফিরে তাকিয়েছি? হয়তো না। এমন অবহেলা সবার জন্য সর্বনাশ ঢেকে আনছে, তা জানার চেষ্টা করি না।
আসুন না একবার সমস্যার মূলে প্রবেশের চেষ্টা করি। মানুষকে বেঁচে থাকতে হলে খাদ্য অপরিহার্য; কিন্তু খাবার যখন অনিয়ন্ত্রিত রাসায়নিকের সংস্পর্শে আসে, তখন জীবন রক্ষার উপকরণ হয়ে উঠতে পারে স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি। বাংলাদেশের মতো জনবহুল দেশে ক্রমবর্ধমান খাদ্যচাহিদা পূরণ, কৃষিপণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি, দ্রুত পচন রোধ, দীর্ঘ সময় সতেজ রাখা। সেই সাথে অধিক মুনাফার প্রতিযোগিতার মধ্যে নিরাপদ খাদ্যের প্রশ্নটি ক্রমে গুরুত্বহীন হয়ে পড়ছে। রাসায়নিক সার, কীটনাশক, খাদ্য সংরক্ষণে অননুমোদিত রসায়ন, পশুপাখির খাদ্যে ওষুধের অপব্যবহার এবং অপরিপক্ব ফল পাকানোতে ক্ষতিকর সব রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহার। এসবের বল্গাহীন ব্যবহার মানুষের জীবনমরণ সমস্যায় ঠেলে দিচ্ছে। তবে সমস্যাটি শুধু রাসায়নিকের উপস্থিতি দিয়ে বিচার্য নয়। নির্ধারিত মাত্রায় অনুমোদিত সার, কীটনাশক ও খাদ্য সংযোজক আধুনিক খাদ্যব্যবস্থার অংশ। বিপদ তৈরি হয় তখন, যখন নিষিদ্ধ রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়। অনুমোদিত উপাদান মাত্রাতিরিক্ত প্রয়োগ করা হয়। নির্ধারিত অপেক্ষাকাল না মেনে ফসল বাজারজাত করা হয়; কিংবা খাদ্য নিরাপদ রাখার নিয়ম প্রতিনিয়ত লঙ্ঘন করা হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অভিমত, কীটনাশকের স্বাস্থ্যঝুঁকি নির্ভর করে রাসায়নিক দ্রব্য ও এর মাত্রার ওপর। মাত্রা রক্ষিত হচ্ছে কি না। আমাদের এখানেই সমস্যা। সঠিক মাত্রায় ব্যবহার হচ্ছে কি না তা দেখার কেউ কি আছে?
কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে রাসায়নিক সারের ভূমিকা অনস্বীকার্য। নাইট্রোজেন, ফসফরাস ও পটাশিয়ামসহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করে। কিন্তু মাটির অবস্থা, ফসলের চাহিদা ও কৃষিবিশেষজ্ঞের পরামর্শ উপেক্ষা করে অতিরিক্ত সার প্রয়োগে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যে বড় ধরনের সমস্যা তৈরি হয়। বিশেষ করে নাইট্রোজেনজাত সারের অপব্যবহার এবং কৃষিজমি থেকে দূষিত পানি ভূগর্ভে বা জলাশয়ে প্রবেশ করলে দূষণের ঝুঁকি বাড়ে। জনস্বাস্থ্যের জন্য সেটি শুধু ক্ষতিকর নয়, জীবনাবসানের কারণ হয়ে ওঠে। পাশাপাশি ফসলের পোকামাকড় ও রোগবালাই নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত কীটনাশকের অতিরিক্ত বা অনুপযুক্ত প্রয়োগে খাদ্যে রাসায়নিক অবশিষ্টাংশ থেকে যায়। কীটনাশক প্রয়োগের পর প্রয়োজনীয় অপেক্ষাকাল অতিক্রম না করে শাকসবজি ও ফলমূল সংগ্রহ করলে তাও মানুষের জন্য ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে। এসব মানুষের স্নায়ুতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। অথচ এসব অখাদ্য-কুখাদ্য মানুষ না জেনে নিয়মিত খাচ্ছে। এমন গুরুতর বিষয় নিয়ে কর্তৃপক্ষের বিন্দুমাত্র ভূমিকা আছে কি? আমাদের মতো বিশ্বের অন্য কোনো দেশে এমন অব্যবস্থার নজির আছে কি?
মাছ, গোশত ও অন্যান্য পচনশীল খাদ্য দীর্ঘ সময় সংরক্ষণে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ফরমালিন ব্যবহারের অভিযোগ বিভিন্ন সময় আলোচনায় এসেছে। ফরমালিন হলো ফরমালডিহাইডের জলীয় দ্রবণ। এটি শিল্প ও পরীক্ষাগারসহ নির্দিষ্ট কাজে ব্যবহৃত হয়; খাদ্য সংরক্ষণে অননুমোদিতভাবে ব্যবহার জনস্বাস্থ্যের জন্য বিপজ্জনক। অথচ এসব দেখার কেউ কি আছে?
মুরগির খাদ্যে রাসায়নিক ও অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার হরদম চলছে। দেশে প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণে পোলট্রি শিল্পের ভূমিকা অনস্বীকার্য। কিন্তু মুরগির দ্রুত বৃদ্ধি ও রোগ নিয়ন্ত্রণের নামে অনিয়ন্ত্রিত ওষুধ প্রয়োগ, অননুমোদিত উপাদান ব্যবহার কিংবা পশুচিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক দেয়া খাদ্যনিরাপত্তায় উদ্বেগের কারণ হতে পারে।
ফলমূল ও শাকসবজি মানুষের দৈনন্দিন পুষ্টির অন্যতম উৎস। ভিটামিন, খনিজ, আঁশ ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট-সমৃদ্ধ এসব খাবার শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। কিন্তু অনিরাপদ রাসায়নিক প্রয়োগ, নিষিদ্ধ উপায়ে ফল পাকানো, কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ এবং অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে উৎপাদন ও সংরক্ষণ তথাকথিত এসব পুষ্টিকর খাবারের মাধ্যমে যে মানুষকে নিঃশেষ করার যাবতীয় ব্যবস্থা প্রকাশ্যে ঘটছে, তা কি কেউ খেয়াল রাখছেন?
বেঁচে থাকার জন্য খাদ্য হিসাবে যা এখন এ দেশের মানুষ খাচ্ছে, দ্রুত এসব জীবনকে মরণব্যাধির কবলে তুলে দিচ্ছে। যেমন : পাকস্থলী ও অন্ত্রের সমস্যা, যকৃৎ ও কিডনির ক্ষতি, স্নায়ুতন্ত্রের সমস্যা, হরমোন ও প্রজননস্বাস্থ্যের ঝুঁকি, ক্যান্সারের ঝুঁকি আরো কত কী।
খাদ্যে রাসায়নিকের অপব্যবহারের সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক হলো— শিশু, গর্ভবতী নারী এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপর নেতিবাচক প্রভাব। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতের দায়িত্ব সরকার, উৎপাদক, ব্যবসায়ী এবং ভোক্তা— সবার। সবচেয়ে বড় দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও খাদ্য সরবরাহব্যবস্থার সাথে যুক্ত প্রতিষ্ঠানের। অথচ এসব সংস্থার জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় কোনো অঙ্গীকার আছে বলে মনে হয় না। নিরাপদ খাদ্য কোনো বিলাসিতা নয়, নাগরিকের মৌলিক অধিকার। মুনাফার চেয়ে জীবন, বাহ্যিক সতেজতার চেয়ে প্রকৃত খাদ্যগুণ এবং উৎপাদনের পরিমাণের চেয়ে নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিতে পারলে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সুস্থ, নিরাপদ ও টেকসই খাদ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব।
প্রশ্ন হতে পারে, এর কোনো নিরাপদ বিকল্প আছে কি? উত্তর— অবশ্যই আছে। বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। এ দেশের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, মাটির উর্বরতা রক্ষা, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে দেশীয় বিজ্ঞানী ও কৃষি গবেষকরা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান জৈবসার, জীবাণুভিত্তিক বালাই ব্যবস্থাপনা, উন্নত ফসলের জাত ও পরিবেশবান্ধব কৃষিপ্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে। এসব উদ্ভাবনের মূল লক্ষ্য— রাসায়নিক সারের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমানো, ক্ষতিকর কীটনাশকের ব্যবহার যৌক্তিক পর্যায়ে রাখা, উৎপাদন খরচ হ্রাস এবং জনস্বাস্থ্য ও প্রাণবৈচিত্র্য সুরক্ষিত রেখে কৃষিকে আরো টেকসই করা।
বাংলাদেশের কৃষি গবেষণায় উল্লেখযোগ্য সাফল্য হলো জীবাণু সারের উদ্ভাবন ও ব্যবহার। বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ডাল ও শিমজাতীয় ফসলের জন্য ১০ ধরনের জীবাণু সার উদ্ভাবনের কথা জানিয়েছে। জীবাণু সারে থাকা উপকারী অণুজীব উদ্ভিদকে মাটির পুষ্টি গ্রহণে সহায়তা করে। বিশেষ করে রাইজোবিয়াম-জাতীয় ব্যাকটেরিয়া ডালজাতীয় উদ্ভিদের শিকড়ে গুটি তৈরি করে বায়ুমণ্ডল থেকে নাইট্রোজেন আবদ্ধ করতে পারে। ফলে এসব ফসলে ইউরিয়া সারের প্রয়োজন কমতে পারে। বিনার প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, জীবাণু সার ব্যবহারে সয়াবিনের ফলন ৭৫-১৫০ শতাংশ এবং ডাল-শিমজাতীয় ফসলের ফলন ২০-৪৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। ফসলের অবশিষ্টাংশ, পচনশীল রান্নাঘরের বর্জ্য, গোবর এবং অন্যান্য জৈব উপাদান থেকে কম্পোস্ট তৈরি করা যায়। বাংলাদেশের কৃষি গবেষকরা এসব উপাদান কাজে লাগিয়ে মাটির স্বাস্থ্য উন্নয়ন এবং রাসায়নিক সারের ওপর নির্ভরতা কমানোর প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছেন।
কৃষিতে রাসায়নিক ছত্রাকনাশকের ব্যবহার কমানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়, উপকারী অণুজীব দিয়ে উদ্ভিদের রোগ নিয়ন্ত্রণ। এ ক্ষেত্রে ট্রাইকোডার্মা নামের উপকারী ছত্রাক বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের গবেষকরা ট্রাইকোডার্মা-ভিত্তিক জৈব ছত্রাকনাশক তৈরির উপযোগী উপাদান ও প্রয়োগপদ্ধতি নিয়ে গবেষণা করেছেন। এসব গবেষণায় বিভিন্ন সবজি সুরক্ষা দিতে সক্ষম।
বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের গবেষণা ও প্রযুক্তির সম্ভাব্য সুফল কয়েকটি ক্ষেত্রে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। মৃত্তিকার স্বাস্থ্য সুরক্ষায় মাটিবান্ধব চিন্তা— উৎপাদন খরচ কমানো : স্থানীয়ভাবে তৈরি কম্পোস্ট ও উপযুক্ত জীবাণু সার ব্যবহার করলে ক্ষেত্রবিশেষে রাসায়নিক সারের ব্যয় কমবে।
বাংলাদেশের কৃষি গবেষণায় জৈবসার, জীবাণু সার, ট্রাইকোডার্মা-ভিত্তিক জৈব ছত্রাকনাশক, সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা এবং উন্নত ফসলের জাত উদ্ভাবন উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি। এগুলো মাঠপর্যায়ে আরো কার্যকরভাবে ছড়িয়ে দেয়া, কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেয়া এবং মানসম্মত পণ্য সহজলভ্য করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সাথে কৃষিপণ্য উৎপাদন থেকে বাজারজাতকরণ পর্যন্ত রাসায়নিকের নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গবেষণালব্ধ প্রযুক্তির যথাযথ প্রয়োগ ও সরকারি তদারকি বাড়ানো গেলে কৃষকের আয়, মাটির স্বাস্থ্য, পরিবেশ এবং জনস্বাস্থ্য— সব ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। দুর্ভাগ্য হলো, এসব নিয়ে শুধু আলোচনা হয়, কাজের কাজ হয় না। অথচ এসব ইতিবাচক বিষয় গ্রহণ ও মানবজীবন রক্ষায় কারো যেন ভাবান্তর নেই; বরং এই ইতিবাচকতাকে উপেক্ষার শেষসীমা অতিক্রম করেছে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের। এসব সঙ্কট উত্তরণে আইনের কোনো শেষ নেই। তবে গুরুত্ব আছে শুধু কাজির খাতায়। আমাদের একটি সংসদ আছে, সেখানে শুধু রাজনীতি নিয়ে কথা হয়। এসব বিষয় নিয়ে কালেভদ্রে কথা হলেও মাঠে কোনো প্রতিফলন নেই।
লেখক : সম্পাদক, নয়া দিগন্ত
ndigantababar@gmail.com
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








