লোড হচ্ছে...
কূটনৈতিক সম্পর্কের বদলে সীমিত যোগাযোগ, সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি না দিয়ে বাস্তবসম্মত সম্পৃক্ততা এবং অধিকার রক্ষা করে টেকসই প্রত্যাবাসন, এই হতে হবে বাংলাদেশের মূল পররাষ্ট্রনীতি। বাংলাদেশ কোনোভাবে রোহিঙ্গাদের আত্তীকরণ মেনে নেবে না; বরং আন্তর্জাতিক মহলকে সাথে নিয়ে রোহিঙ্গাদের স্বদেশে নিরাপদ ফেরা নিশ্চিত করতে সব ধরনের কৌশল সাজাতে হবে।
১৩ দিন আগে

বাংলাদেশ গত দুই দশকে মা ও শিশু মৃত্যুহার হ্রাস এবং গড় আয়ু বৃদ্ধির সাফল্য দেখিয়েছে। তবে বৈশ্বিক কাঠামোর সাথে তুলনা করলে কিছু মৌলিক জায়গায় এখনো বড় ব্যবধান রয়ে গেছে। দেশের বড় শহরগুলোতে বিশেষায়িত নিরাময় কেন্দ্র গড়ে উঠলেও প্রান্তিক বা তৃণমূল পর্যায়ে মানসম্মত ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাব এখনো স্পষ্ট। এর বাইরে সবচেয়ে বড় সঙ্কট হলো চিকিৎসায় রোগীর নিজস্ব পকেট থেকে খরচের উচ্চ হার, যা বর্তমানে প্রায় ৭০ শতাংশ। আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যনীতি অনুযায়ী, চিকিৎসায় সরকারি অনুদান বা বীমা ব্যবস্থার সুদৃঢ় কাঠামো থাকা জরুরি, যেন সাধারণ মানুষকে হাসপাতালের বিল মেটাতে গিয়ে সর্বস্বান্ত হতে না হয়।
১৩ দিন আগে

ন্যায্য পাওনা চাইলে কাজ থেকে বাদ দেয়া বা সাময়িক বরখাস্তের হুমকি এবং শ্রমিক সর্দারের যোগসাজশ প্রমাণ করে, এখানে একটি সঙ্ঘবদ্ধ দুষ্টচক্র গড়ে উঠেছে। উদ্বেগজনক বিষয় হলো— জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের দায়িত্বজ্ঞানহীন নীরবতা ও অনুপস্থিতি, যা এই অনিয়ম পরোক্ষভাবে প্রশ্রয় দেয়ার শামিল। শ্রমিকদের বঞ্চিত করে ভালো কিছু অর্জন সম্ভব নয়। সরকারি ব্যবস্থায় সুশাসন ও শৃঙ্খলা নিয়েও প্রশ্ন আসে।
১৪ দিন আগে

তিস্তা নদীর পানি বণ্টন চুক্তি— যা ২০১১ সালে প্রায় সম্পন্ন হয়ে গিয়েছিল, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপত্তিতে আটকে গিয়েছিল। আওয়ামী লীগ সরকার ১৫ বছর ক্ষমতায় থেকেও এই চুক্তি আদায় করতে পারেনি— কেননা, ভারতের সাথে তাদের সম্পর্ক ছিল আনুগত্যের, সমতার নয়। ৫৪টি অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনের প্রশ্নে বাংলাদেশ ধারাবাহিকভাবে বঞ্চিত হয়েছে। ফারাক্কা বাঁধের কারণে পদ্মার পানি প্রবাহ হ্রাস, উত্তরবঙ্গে মরুকরণ প্রক্রিয়া, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে লবণাক্ততা বৃদ্ধি— এগুলো জাতীয় নিরাপত্তা ও পরিবেশগত অস্তিত্বের প্রশ্ন যা আওয়ামী লীগের ভারতনির্ভর পররাষ্ট্রনীতির কারণে কখনো জোরালোভাবে উত্থাপিত হয়নি। আওয়ামী লীগ ভারতকে খুশি রাখতে গিয়ে বাংলাদেশের পানি অধিকার জলাঞ্জলি দিয়েছে, এটি জাতির বিরুদ্ধে একটি ঐতিহাসিক বিশ্বাসঘাতকতা
১৪ দিন আগে

বাংলাদেশের সামনে এখন দু’টি পথ, রেটিংয়ের সাময়িক স্বস্তিতে সন্তুষ্ট থাকা অথবা এই স্বস্তিকে কাঠামোগত সংস্কারের কাজে ব্যবহার করা। মুডিসের বার্তা মূলত দ্বিতীয় পথটির প্রয়োজনীয়তাই স্মরণ করিয়ে দেয়। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও রেমিট্যান্সের উন্নতি অর্থনীতিকে কিছুটা সময় দিয়েছে; কিন্তু সেই সময় উৎপাদনশীল বিনিয়োগ, ব্যাংক সংস্কার ও রাজস্ব সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজে লাগাতে না পারলে বর্তমান স্থিতিশীল ‘আউটলুক’ দীর্ঘস্থায়ী নাও হতে পারে। সুতরাং মুডিসের সর্বশেষ মূল্যায়নের প্রকৃত তাৎপর্য হলো, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে আস্থা ফেরার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে; কিন্তু মৌলিক দুর্বলতাগুলো এখনো রয়ে গেছে। সামনে সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হবে এই আস্থাকে টেকসই অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে রূপান্তর করা।
১৪ দিন আগে

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনকে শুধু অতীতের অনিয়মের হিসাব-নিকাশ হিসেবে দেখা উচিত নয়; এটি ইসলামী ব্যাংকের পুনর্গঠনের একটি সুযোগ। এখন প্রয়োজন অস্থিরতা দীর্ঘায়িত না করে আইনসম্মতভাবে বিরোধের নিষ্পত্তি, সুশাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘদিনের সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়া। চাকরিচ্যুতির বিষয়ে কোনো আইনগত বা ন্যায়সঙ্গত প্রশ্ন থাকলে তার সমাধানও প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনসম্মত পথেই হওয়া উচিত। একই সাথে আমানতকারী ও গ্রাহকের স্বার্থ, ব্যাংকের আর্থিক স্থিতিশীলতা এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থাও রক্ষা করতে হবে
১৪ দিন আগে

শুধু জাটকা নিধনে নিষেধাজ্ঞা বা নির্দিষ্ট কিছু দিনের জন্য মাছ ধরা নিষিদ্ধ নয়, কমাতে হবে নদীদূষণ, করতে হবে ইলিশ প্রজনন ক্ষেত্রগুলোর উন্নয়ন ও সংরক্ষণ। জেলেদের দাদন প্রথা থেকে রক্ষার বিকল্প নেই। বিদেশী ইলিশ আমদানি রোধ করতে হবে যেকোনো মূল্যে। ইলিশের সিন্ডকেট-ভাঙার কার্যকর উদ্যোগের পাশাপাশি মূল্য নিয়ন্ত্রণের পদক্ষেপ না নিলে হারিয়ে যাবে জাতীয় মাছ ইলিশ। বাজারে এবং রান্নাঘরে রাজত্ব করবে বিদেশী বিজাতীয় ইলিশ। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে জাতীয় মাছের সাথে পরিচিতির জন্য নিয়ে যেতে হবে ফিশ মিউজিয়ামে।
১৪ দিন আগে

ইসলামী ব্যাংকের জন্য এখন প্রয়োজন অতীতের হারানো ইতিবাচক ইমেজ ফিরিয়ে আনা। এ জন্য ব্যাংকটির উদ্যোক্তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাবেন। নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ ব্যাংকের উচিত, এ যাত্রায় তাদের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়া।
১৫ দিন আগে

প্রতিটি শিশু যেন নিশ্চিন্তে ঘর থেকে বের হতে পারে, বিদ্যালয় বা খেলাধুলা শেষে নিরাপদে ঘরে ফিরতে পারে এবং মা-বাবা যেন প্রতিদিন সন্তানের অপেক্ষায় আতঙ্কিত না থাকেন— এই নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই রাষ্ট্র, পরিবার ও সমাজের সম্মিলিত দায়িত্ব। অপ্রতিমের মায়ের মতো আর কোনো মা-বাবাকে যেন সন্তানের রক্তাক্ত মরদেহ শনাক্ত করতে না হয়— এটাই হওয়া উচিত আমাদের সবচেয়ে বড় অঙ্গীকার।
১৫ দিন আগে

সংস্কৃতি একদম স্থির নয়। একরৈখিক কিংবা জড়ো নয় সে। মানুষ সবসময় গ্রহণ করে, প্রত্যাখ্যান করে, রূপান্তরিত করে এবং নতুন অর্থ সৃষ্টি করে। একটি সংস্কৃতির শক্তি তার পরিবর্তনশীলতার মধ্যেও নিহিত। এই পরিবর্তনের মধ্যেই সাংস্কৃতিক মানচিত্রের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায়। এ মানচিত্র একই সাথে প্রাচীন উত্তরাধিকার ও নতুন নির্মাণ। মানুষ পূর্বপুরুষের কাছ থেকে ভাষা, স্মৃতি, প্রতীক, বিশ্বাস ও জ্ঞান গ্রহণ করে। আবার নিজের সময়ের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে সেগুলোর অর্থ পুনর্নির্মাণ করে। ফলে সাংস্কৃতিক মানচিত্রে থাকে চলমান জীবনপ্রক্রিয়ার প্রচ্ছদও।
১৫ দিন আগে

বিশেষজ্ঞদের মতে, মানসিক অবসাদ ও বিষণ্নতায় আক্রান্ত বিশাল এক জনগোষ্ঠী কোনো উপযুক্ত মানসিক স্বাস্থ্যসেবা না পেয়ে নিজেদের ভেতরে ক্রমাগত ক্ষোভ পুষে রাখছে, তুচ্ছ ঘটনায় যার বহির্প্রকাশ ঘটছে চরম হিংস্রতা ও হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে। এই অস্থির অবস্থার পরিবর্তনে আমাদের প্রয়োজন সামাজিক ও মানসিক কাঠামোর রূপান্তর। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে পরিবারের প্রতিটি স্তরে নৈতিক মূল্যবোধ, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের চর্চা পুনরায় শুরু করতে হবে। তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও ক্ষতিকর প্রযুক্তি আসক্তি থেকে সরিয়ে আনতে খেলাধুলার সুযোগ বাড়াতে হবে। একটি নিরাপদ ও মানবিক সমাজ গড়তে রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক কাঠামোর জরুরি সংস্কার সময়ের দাবি।
১৬ দিন আগে

২০২৪ সালের ঐতিহাসিক ‘জুলাই বিপ্লব’ বাংলাদেশের রাজনৈতিক, সামাজিক এবং মনস্তাত্ত্বিক বাস্তবতাকে পুরোপুরি নাড়িয়ে দিয়েছে। এই বিপ্লব আমাদের শিখিয়েছে যে, দেশের তরুণসমাজ যখন ঐক্যবদ্ধ এবং সঙ্কল্পবদ্ধ হয়, তখন তারা যেকোনো অসম্ভবকে সম্ভব করতে পারে। এই জাগ্রত তরুণসমাজকে এখন সঠিক দিশা ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোর মধ্যে আনা প্রয়োজন। তরুণসমাজকে যদি সামরিক বিদ্যায় দীক্ষিত, সুশৃঙ্খল এবং দেশপ্রেমে উজ্জীবিত নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা যায়, তবে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক যেকোনো ধরনের সঙ্কটে ইস্পাতকঠিন প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারবে।
১৬ দিন আগে

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ধারা শুরু হয়েছে। দেশের গুরুত্বপূর্ণ সব সিদ্ধান্ত এখন জনগণের ইচ্ছা ও আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে গ্রহণ করতে হবে। এ জন্য হাসিনার সব চুক্তি জনসমক্ষে উন্মুক্ত করতে হবে। এগুলো নিয়ে সংসদে বিস্তারিত আলোচনা করতে হবে। এরপর দেশের জন্য ক্ষতিকর চুক্তি চিহ্নিত করতে হবে। এ ছাড়া চুক্তি-সমঝোতার যেসব শর্ত ও ধারা দেশের স্বার্থবিরোধী এবং জাতীয় মর্যাদা ও সম্মানের সাথে সাংঘর্ষিক, সেগুলো সংশোধনের উদ্যোগ নিতে হবে।
১৮ দিন আগে

কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলটির নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড বন্ধে যে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর কাজ করার কথা, তাদেরই একটি অংশ গোপনে তাদের সহযোগিতা করছে। এই অংশ বিগত ফ্যাসিবাদের সময়ে পুলিশের ভেতরে বৈষম্যের শিকার দাবি করে বর্তমান সরকারে ভালো পদ বাগিয়ে নিয়েছেন। এরাই এখন ভেতরে থেকে আইনশৃঙ্খল বাহিনীকে নিষ্ক্রিয় রাখার চেষ্টা করছেন এবং গোপনে আওয়ামী লীগকে অপারেশনের তথ্য সরবরাহ করছেন।
১৮ দিন আগে

অর্থ ব্যয়ের প্রতিটি ধাপ, গ্রাহক নির্বাচন এবং প্রযুক্তি স্থাপনের গুণগত মান কঠোর নজরদারির আওতায় আনতে হবে। একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক কাঠামোর মাধ্যমে এই অর্থ প্রকৃত উদ্যোক্তা ও সেবাগ্রহীতাদের হাতে পৌঁছানো নিশ্চিত করতে হবে। আমরা আশা করি, জ্বালানি বিদ্যুতের টেকসই ভবিষ্যৎ গড়তে এই ঋণের সুষম ও দুর্নীতিমুক্ত ব্যবহার করা হবে।
২১ দিন আগে

গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় বিপদ আসে বাইরে থেকে নয়, ভেতর থেকে— যখন নাগরিকরা রাজনৈতিক অংশগ্রহণ থেকে বিরত হয়, যখন ক্ষমতাসীনরা জনগণকে কেবল ভোটদাতা হিসেবে দেখেন, অংশীদার হিসেবে নয়। বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ইতিহাসে এই বিপদ বারবার ফিরে এসেছে। বাকশাল থেকে একাদশ সংসদ পর্যন্ত প্রতিটি গণতান্ত্রিক পশ্চাৎপসরণের মূলে ছিল ক্ষমতার কেন্দ্রীভবন এবং জনগণের প্রান্তিকীকরণ। বর্তমান সরকারের সামনে সুযোগ আছে সেই চক্র ভাঙার— জুলাই অভ্যুত্থানের রক্তমূল্যে অর্জিত এই সুযোগ হাতছাড়া হলে ইতিহাস কাউকেই ক্ষমা করবে না। গণতন্ত্র কেবল একটি শাসনপদ্ধতি নয়, এটি একটি জীবনদর্শন, একটি সভ্যতার মানদণ্ড, একটি জাতির আত্মমর্যাদার প্রকাশ। সেই মর্যাদা রক্ষার দায়িত্ব সরকারের, বিরোধী দলের, নাগরিক সমাজের এবং প্রতিটি সচেতন নাগরিকের
২১ দিন আগে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-ডাকসু শুধু ছাত্র প্রতিনিধি প্রতিষ্ঠান নয়; এটি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাগার। ক্ষমতা, প্রতিনিধিত্ব, জবাবদিহি ও প্রাতিষ্ঠানিক ধারাবাহিকতা যেমন জাতীয়...
২১ দিন আগে

মেধার ভিত্তিতে সব নিয়োগ হবে— এ কথা সরকারপ্রধান কতবার উচ্চারণ করেছেন, হিসাব নেই। অথচ গত ছয় মাসে যত নিয়োগ হয়েছে, সবই দলীয় পরিচয়ে দলীয় আনুগত্যের ভিত্তিতে। যেন দেশের সব মেধাবীই সরকারি দলে একত্রিত হয়েছেন। সবচেয়ে দুর্ভাগ্যজনক হচ্ছে— সুকৌশলে আবারো কোটা প্রথা ফিরিয়ে আনার আয়োজন। সরকারি চাকরিতে ভাইভা পরীক্ষায় ৪০০ নম্বর নিয়ে সমস্ত প্রশাসনে নিজদলীয় লোকদের নিয়োগের নীলনকশা তৈরি করে মেধাকে পেছনে ঠেলে দেয়া হয়েছে
২১ দিন আগে

ইরান-ইসরাইল যুদ্ধ এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে পরবর্তী যুদ্ধের কেন্দ্র কোথায় হবে, সেটিই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। সৌদি আরব ইতোমধ্যে যুদ্ধের অভিঘাত নিজের ভূখণ্ডে অনুভব করছে। তবে ইরান ও সৌদি আরব উভয়েই জানে, সরাসরি যুদ্ধের মূল্য ভয়াবহ। তাই সবচেয়ে সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ হলো— পূর্ণাঙ্গ ইরান-সৌদি যুদ্ধ নয়; বরং একটি দীর্ঘস্থায়ী প্রক্সি ও অবকাঠামোগত যুদ্ধ। কিন্তু প্রক্সি যুদ্ধের সবচেয়ে বড় বিপদ হলো— কোনো একটি হামলা হঠাৎ করে রাষ্ট্রীয় যুদ্ধের দরজা খুলে দিতে পারে। তখন প্রশ্ন হবে— মধ্যপ্রাচ্যের নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থা কে নির্মাণ করবে? যুক্তরাষ্ট্র? চীন? ইরান? সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তান? নাকি শক্তিগুলোর প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মধ্যপ্রাচ্য এমন এক বহুমেরু সঙ্ঘাত অঞ্চলে পরিণত হবে, যেখানে কোনো একক শক্তিই আর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পারবে না? সম্ভবত দ্বিতীয়টিই বেশি বাস্তবসম্মত।
২২ দিন আগে

তারেক রহমানের গত ছয় মাসের পদক্ষেপগুলো অন্তত একটি সম্ভাবনার দিকে ইঙ্গিত করছে, বাংলাদেশের রাজনীতি হয়তো ধীরে ধীরে ক্ষমতার জৌলুশ থেকে মানুষের আস্থার দিকে, ব্যক্তিকেন্দ্রিকতা থেকে প্রতিষ্ঠানমুখিতার দিকে এবং কথার রাজনীতি থেকে কাজের রাজনীতির দিকে এগিয়ে যেতে পারে। কারণ ক্ষমতার সবচেয়ে বড় অলঙ্কার কোনো বিশেষণ নয়, সবচেয়ে বড় অলঙ্কার হলো মানুষের আস্থা।
২২ দিন আগে


