লোড হচ্ছে...
একটি জাতি কতটা সভ্য ও প্রগতিশীল, তা নিরূপিত হয় তার শিশু ও প্রবীণ জনগোষ্ঠীর সুরক্ষার স্তরের ওপর ভিত্তি করে। কেবল আইন প্রণয়ন করে কিংবা সন্তানের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের ব্যবস্থা করলেই প্রশাসনের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। প্রতিটি সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও জেলা পর্যায়ে সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগে প্রবীণবান্ধব পার্ক, কল্যাণকেন্দ্র এবং কমিউনিটিভিত্তিক বিনোদনকেন্দ্রের পরিধি বাড়ানো সময়ের দাবি। পাশাপাশি বার্ধক্যজনিত রোগ নিরাময়ে বিশেষায়িত জেরিয়াট্রিক কেয়ার বা চিকিৎসাকেন্দ্র গড়ে তোলা জরুরি।
২৬ দিন আগে

শিল্প-বাণিজ্যিপ্রতিষ্ঠান, রেস্তোরাঁ এবং পরিবহন খাতেও এলপিজির ব্যবহার আছে। বছরে সবমিলিয়ে চাহিদা ১৭-১৮ লাখ টন। আমদানি ও দেশীয় উৎপাদন মিলে এর পুরোটা জোগান দেয়া যায় না। কাগজ-কলমে কিছুটা ঘাটতি দেখা যায়। কিন্তু বাজারে যেভাবে এর দুষ্প্রাপ্যতা লক্ষ করা যায়, সেটি অস্বাভাবিক। দেশের ৩২টি প্রতিষ্ঠানের এলপিজি আমদানির অনুমোদন আছে। এর মধ্যে ১৫টি আমদানি করে। বাজারে এদের মধ্যে দাম নিয়ে প্রতিযোগিতা দেখা যায় না। একধরনের অশুভ চক্রের ছায়া দেখা যায়। বাজার থেকে সিলিন্ডার একসাথে উধাও হয়ে যেতে দেখা যায়। খুচরা বিক্রেতাদের কাছে এর সরবরাহ না পাওয়ায় ভোক্তাদের মধ্যে হাহাকার পড়ে যায়। এরপরে দেখা যায়, নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি দামে এর সরবরাহ মিলছে।
২৭ দিন আগে

নতুন সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর আগের সরকারের আমলে নেয়া প্রকল্পগুলোর প্রয়োজনীয়তা নতুন করে যাচাই করা হচ্ছে। কিন্তু সেটি করতে গিয়ে পুরো উন্নয়ন কাজ ঝুলিয়ে রাখা উচিত নয়। সিদ্ধান্তহীনতায় শেষ তিন মাসে বাজেট খরচ করার তাড়াহুড়ো লেগে যাওয়ার শঙ্কা থেকে যায়। পুরনো এ অপচর্চা নতুন করে ফিরে আসুক, সেটি কাম্য নয়। এতে কাজের মান ঠিক রাখা যায় না। সেই সাথে অপচয় হয় সরকারি অর্থের।
২৭ দিন আগে

কর্মসংস্থানকেন্দ্রিক ঢাকার যে একক আধিপত্য এর অবসান হওয়া দরকার। এটিকে জেলায় জেলায় ছড়িয়ে দিতে হবে। সব জেলায় তৈরী পোশাকশিল্প গড়ে তুলতে হবে বিষয়টি তেমন নয়; বরং প্রতিটি জেলার বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী সেই জেলাগুলোতে শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে। এই উদ্যোগ সরকারকেই নিতে হবে। কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী দেশের বড় বড় শিল্পগোষ্ঠীগুলোকে এ কাজে সরকারকে আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করতে হবে। জেলাকেন্দ্রিক পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারলে ঢাকায় জনস্রোত অনেকটাই কমানো সম্ভব।
২৮ দিন আগে

সংখ্যালঘুদের ওপর পীড়নকারীদের দৃষ্টান্তমূলত শাস্তি হয় না। অনেক ক্ষেত্রে এরা ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক গোষ্ঠীর আশকারা পায়। ভারতে এ ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিপীড়ন ও বঞ্চনা ক্রমেই বাড়ছে। সেখানে তাদের কোণঠাসা করে ফেলা হচ্ছে। ভারতীয় শাসকরা এর ভয়াবহ নেতিবাচক দিক অনুধাবনে ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছেন। এর প্রতিক্রিয়ায় একসময় পুরো অঞ্চলে সাম্প্রদায়িক অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়তে পারে।
২৮ দিন আগে

আইনশৃঙ্খলার সাথে ব্যক্তিনিরাপত্তার, ব্যক্তিনিরাপত্তার সাথে সামাজিক নিরাপত্তার, সামাজিক নিরাপত্তার সাথে আয় উপার্জনের সব কার্যক্রমের কার্যকারণগত সম্পর্ক রয়েছে। দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে সংগ্রামে চাই আয় উপার্জনের সুস্থ স্বাভাবিক পরিবেশ। শিক্ষা কর্মদক্ষতাকে, স্বাস্থ্যসেবা কর্মক্ষমতাকে, কর্মদক্ষতা ও কর্মক্ষমতা উৎপাদন ও ব্যবসাবাণিজ্যে প্রসার ঘটবে— এটিই প্রত্যাশা। সর্বত্র সেই পরিবেশের সহায়তা একান্ত অপরিহার্য যেখানে সীমিত সম্পদের ও সুযোগের সর্বোত্তম ব্যবহার সম্ভব। একটিকে উপেক্ষা মানে যুগপৎভাবে অন্যান্য অনেক সমস্যাকে ছাড় দেয়া
২৮ দিন আগে

চব্বিশের পর আমাদের তো ‘ফাউল প্লে’ হওয়ার কথা না। এর আগে দেখেছি সংসদীয় গণতন্ত্রের নাম করে স্বৈরতন্ত্রের বীভৎস বিস্তার। মানুষের আশা ছিল, নতুন দিনে এই লেবাস খুলে ফেলা হবে; কিন্তু সেটি হয়নি। আবার শুরু হয়েছে দখলবাজি, পেশিশক্তির দাপট, ভাঙচুর। ধসে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষের ওপর আস্থা। আর রাজনীতি ধীরে ধীরে জাতীয় সংসদ থেকে চলে যাচ্ছে রাজপথের দিকে। তাহলে কি ‘রোমে’ আগুন লেগে গেছে? না, সঙ্কট এতটা পরিণত হয়নি। তবে ‘রোম’ উষ্ণ হয়ে উঠছে। এই উষ্ণতাকে স্বাভাবিক তাপে ফিরিয়ে আনার পথ এখনো বন্ধ হয়ে যায়নি। পরিস্থিতি নিয়ে তেমন হতাশ হওয়ারও কিছু নেই। এসব অনিয়ম শক্ত হাতে দমন করতে পারলে সব ঠিক হয়ে যাবে, এটাই স্বাভাবিক। এর জন্য চাই সদিচ্ছা ও দূরদর্শিতা।
২৮ দিন আগে

যেসব এলাকায় চীনের খনি বা পাইপলাইন রয়েছে (যেমন— শান বা রাখাইন রাজ্য), সেখানকার শক্তিশালী বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোকে (যেমন— আরাকান আর্মি ও অন্যান্য জাতিগত গোষ্ঠী) চীন অস্ত্র সরবরাহ ও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নিয়ন্ত্রণে রাখে। বেইজিং বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোকে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে, তাদের ভূখণ্ডে থাকা চীনা প্রকল্পে যেন কোনো হামলা না হয়। এভাবে চীন ‘চেকস অ্যান্ড ব্যালান্স’-এর মাধ্যম মিয়ানমারকে সামাল দিচ্ছে। সার্বক্ষণিক গৃহযুদ্ধ ও নিরাপত্তা শঙ্কার মধ্যে বাংলাদেশ বা চীন কেউই সড়ক করিডোর খাতে বড় অঙ্কের দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের ঝুঁকি নিতে পারছে না। বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সবচেয়ে বড় সঙ্কট হলো রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন। রাজনৈতিকভাবে এই সঙ্কটের সম্মানজনক সমাধান না হওয়া পর্যন্ত মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের কোনো যৌথ অর্থনৈতিক বা কানেক্টিভিটি প্রকল্প এগিয়ে নেয়া রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল। চীন এই করিডোর নিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা চালালেও, মিয়ানমারে যতক্ষণ না একটি স্থিতিশীল সরকার প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে এবং দেশটির অভ্যন্তরীণ যুদ্ধ পরিস্থিতি শান্ত হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে চীন সড়ক যোগাযাগ বাস্তব রূপ নেয়া সম্ভব নয়।
২৮ দিন আগে

সামাজিক সুরক্ষা ও নীতি-নির্ধারণে অংশগ্রহণ : রাষ্ট্রীয় সামাজিক পদমর্যাদায় শিক্ষাবিদদের অগ্রাধিকার প্রদান এবং জাতীয় শিক্ষানীতি নির্ধারণে শিক্ষকদের সক্রিয় প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা। বিগত ছয় দশক ধরে যে আন্তর্জাতিক সনদের মূল বক্তব্য ছিল শিক্ষকদের ক্ষমতায়ন ও সুরক্ষা, তা বাংলাদেশে কার্যকর করার এখনই উপযুক্ত সময়। শিক্ষকরা যদি দৈনন্দিন আর্থিক অনিশ্চয়তা, সামাজিক অবহেলা ও প্রশাসনিক বৈষম্যের শিকার হন, তবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার স্বপ্ন অধরাই থেকে যাবে। আসুন, পেশাগত মর্যাদা ও ন্যায্য অধিকার ফিরিয়ে দিয়ে শিক্ষকদের পাশে দাঁড়াই এবং উন্নত ও আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথ প্রশস্ত করি।
২৮ দিন আগে

মীক্ষার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সমস্যা হলো— এ দেশে কোনোরকম সমীক্ষা ছাড়া প্রকল্প বাস্তবায়নের রেকর্ড যেমন আছে, তেমনি সমীক্ষার নামে দীর্ঘসূত্রতার ঘটনাও কম নয়। এ কারণে নতুন সমীক্ষার সিদ্ধান্ত জনমনে সংশয় সৃষ্টির কারণ হতে পারে।
২৯ দিন আগে

বিমানবন্দরের সীমাহীন অব্যবস্থাপনার শিকার হয়ে একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে এর প্রতিবাদ করেছেন মেজর (অব:) আখতারুজ্জামান। তার প্রতিবাদের ভাষা অগ্রহণযোগ্য স্বীকার করেও একথা বলা যায়, একজন ভুক্তভোগী অনিয়মের বিরুদ্ধে সোচ্চার হলে তা অপরাধ হিসেবে আমলে নিতে হবে? এটি করে সরকার কী বার্তা দিতে চায়? সরকার কি ভেবে নিয়েছে, এতে তাদের ভাবমর্যদা বাড়বে?
২৯ দিন আগে

উন্নয়ন বাজেটের সাথে দুর্নীতি ও অপচয়ের প্রশ্নও গুরুত্বপূর্ণ। কোনো প্রকল্পের প্রকৃত ব্যয় কত হওয়া উচিত এবং বাস্তবে কত টাকা ব্যয় হচ্ছে— সে বিষয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি। প্রকল্পের ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেলে তার কারণ জনসমক্ষে পরিষ্কার করা দরকার। একই সাথে নিম্নমানের কাজ, অতিরিক্ত ব্যয়, ঠিকাদারি অনিয়ম কিংবা প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বার্থের সঙ্ঘাত থাকলে তা কঠোরভাবে তদন্ত ও প্রতিরোধ করতে হয়। আরো গুরুত্বপূর্ণ একটি জাতীয় চিত্র হলো, ২০২৬ সালের একটি সরকারি গ্রামীণ সড়ক পুনর্বাসন প্রকল্পে দেশে গ্রামীণ সড়কে বিদ্যমান সেতু-কালভার্টের মোট দৈর্ঘ্য দুই লাখ ১৯ হাজার ৯৭১ মিটার উল্লেখ করা যায়। অথচ এর অধিকাংশ এখন সচল নয়। অচল কয়েকটি সেতু-কালভার্টে ব্যয় করা হয়েছে ১৩ কোটি কয়েক লাখ টাকা।
২৯ দিন আগে

চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে সরকারের নতুন করে কঠোর অভিযান পরিচালনার কথা শোনা গেলেও তার দ্রুত ও দৃশ্যমান বাস্তবায়ন দেখতে চায় নগরবাসী। অপরাধীদের মনে আইনের এমন এক কঠোর ভীতি তৈরি করতে হবে, যাতে কেউ আর ঢাকাকে অপরাধের অভয়াশ্রম ভাবার দুঃসাহস না পায়। ঢাকা বাঁচলে তবেই বাঁচবে আমাদের জাতীয় আশা-আকাঙ্ক্ষা।
২৯ দিন আগে

তিউনিসিয়া, তুরস্ক ও মরক্কোর মতো দেশগুলোর ইসলামী আন্দোলনের গতিপ্রকৃতি আলোচনার মাধ্যমে আমার বাবা মূলত এটি খতিয়ে দেখেছেন, জনপরিসরে ইসলামী মূল্যবোধের প্রতিফলন ঘটানোয় জামায়াতের অনুসৃত পন্থা সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি কি না। তিনি ধর্মীয় দাওয়াত ও রাজনৈতিক আন্দোলনকে পরস্পর থেকে পৃথক রাখার জোর সুপারিশ করেছিলেন। তার যুক্তি ছিল, ইসলামের প্রতি অনুগত থাকার অর্থ এই নয় যে, একটি নির্দিষ্ট দলীয় কাঠামো বা রাজনৈতিক কৌশলের সাথে স্থায়ীভাবে আবদ্ধ থাকতে হবে। তিনি মূলত সমাজ কাঠামোর নিচ থেকে উপরের দিকে রূপান্তরের প্রস্তাব দিয়েছিলেন; যেখানে শিক্ষা, গবেষণা, সমাজসেবা ও বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনার মাধ্যমে সামাজিক পর্যায়ে পরিবর্তন নিয়ে আসা সম্ভব।
২৯ দিন আগে

প্রধানমন্ত্রীর ফেনীর বক্তব্য ধরে দেশ আবার সঙ্ঘাতের রাজনীতির দিকে যাবে কি না এমন প্রশ্ন তোলা হয়তো সমীচীন নয়, তবে একটি সতর্ক সঙ্কেত হিসেবে দেখাই যায়। সরকার ও বিরোধী দল পরস্পরকে শত্রু ভাবতে শুরু করলে, সঙ্ঘাতের ঝুঁকি বাড়তে পারে। ‘আমাদের নসিহত করার আগে নিজের ঘর সামলান’— এই বক্তব্য শুধু জামায়াতের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক জবাব হিসেবে দেখার বিষয় নয়। এটি বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সংস্কৃতির সামনে একটি বড় প্রশ্নও রেখে গেছে যে, আমরা কি আবার সঙ্ঘাতের পুরনো পথে হাঁটব, নাকি একটি সহনশীল, জবাবদিহিমূলক ও নীতিনির্ভর রাজনৈতিক সংস্কৃতির দিকে এগোব?
২৯ দিন আগে

বিদেশ থেকে পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে আনা এবং অপরাধীদের শাস্তি দেয়া শুধু অর্থনৈতিক সুবিধার বিষয় নয়; এতে নিহিত আছে আমাদের অর্থনীতি ভবিষ্যতে কতটা সুস্থ ধারায় ফিরবে তার বার্তা। এ কাজে ব্যর্থ হলে সরকার উন্নত নৈতিক ভিত্তি পাবে না। মুদ্রা পাচারকারীরা আখেরে মাফ পেয়ে যায়— এমন ধারণা থেকে যাবে। সে কারণে শুধু পুরনো নয়, নতুন চোররাও উৎসাহী হবে। সুতরাং এআরটিএফকে করিৎকর্মা হতে হবে। প্রয়োজনে কারো সহযোগিতার দরকার হলে তাদেরও কাজে লাগাতে হবে। যে করেই হোক, যারা দেশকে দেউলিয়া করেছে; তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।
২ অক্টোবর, ২০২৬

এনসিটিবির মতো দায়িত্বশীল একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষা বছরের সূচনালগ্নে এমন গাফিলতি কোনোভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। প্রশ্ন হলো— কর্মকর্তাদের অবহেলা ও নজরদারির অভাবে শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ সময় নষ্টের দায় কে নেবে? সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উচিত অনতিবিলম্বে এনসিটিবির কার্যক্রমে কঠোর তদারকি নিশ্চিত করা; কয়েক দিনের মধ্যে সিলেবাস ও নম্বর বণ্টন প্রকাশ করা।
২ অক্টোবর, ২০২৬

জনপ্রশাসন এখন ঠিকমতো কাজ করছে না বলে সরকারের নীতিনির্ধারকরা আফসোস করছেন; কিন্তু জনপ্রশাসনকে মেরিটোক্র্যাসি এবং পেশাদারত্বের নীতির ওপর দাঁড় করাতে কার্যকর কোনো উদ্যোগ না নিয়ে; বরং পতিত সরকারের রেখে যাওয়া প্রশাসনিক মেশিনারি দিয়ে কাজ চালানোর ফল যা হওয়ার তা-ই হচ্ছে। সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. আকবর আলি খানের একটি উদ্ধৃতি দিয়ে আজকের কলাম শেষ করছি— ‘রাজনৈতিক বিবেচনাই যদি পদোন্নতির মাপকাঠি হয়, তাহলে কর্মকর্তাদের মধ্যে রাজনীতিকীকরণ বাড়বে। প্রশাসন তার নিজস্ব গতি হারাবে। নতুন ও অনভিজ্ঞ রাজনীতিকদের নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ গঠন করা গেলেও মেধাহীন ও অদক্ষ কর্মকর্তাদের দিয়ে কাঙ্ক্ষিত মানের প্রশাসন কায়েম করা যায় না’।
২ অক্টোবর, ২০২৬

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ক্ষমতার পালাবদল বরাবর সাধারণ মানুষের মনে নতুন আশার সঞ্চার করে। গণ-অভ্যুত্থান বা বড় ধরনের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের মানুষ স্বপ্ন দেখে একটি...
২ অক্টোবর, ২০২৬

দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বড় দাগে ভারতের অনুকূলে। হাতে গোনা কয়েকটি মাত্র পণ্য দেশটিতে রফতানি হয়। বাংলাদেশ যখন প্রিমিয়াম পণ্য নিয়ে ভারতীয় বাজারে প্রবেশ করতে চায়, তখনই একের পর এক বেআইনি শুল্ক ও কঠিন পোর্ট-বিধি চাপিয়ে পথ বন্ধ করে দেয়া হয়। শুধু কূটনৈতিক অনুরোধ বা আনুষ্ঠানিক চিঠিপত্র পাঠিয়েই এই অন্যায্য বাণিজ্য বাধা উত্তরণ সম্ভব নয়। দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে সরকারকে দৃঢ় ও শক্ত অবস্থান নিতে হবে।
১ অক্টোবর, ২০২৬


