মতামত
মতামত। নয়া দিগন্ত গ্রাফিক্স

‘আমাদের নসিহত করার আগে নিজের ঘর সামলান’- জামায়াতকে উদ্দেশ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এমন বক্তব্য কিসের ইঙ্গিত দেয়?
বাংলাদেশের রাজনীতিতে ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলের পারস্পরিক দোষারোপ নতুন নয়। প্রতিপক্ষকে আক্রমণ, অতীতের দায় সামনে আনা এবং একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, রাজনৈতিক পালাবদলের পরও যদি সেই একই ‘আমরা বনাম তারা’ বিভাজন অব্যাহত থাকে, তাহলে রাজনীতির গুণগত পরিবর্তন কোথায়? গত ১ অক্টোবর ফেনীর পরশুরামে এক সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘দয়া করে নিজের ঘরের দিকে আগে তাকান। নিজেদের ঘরের লোকেরা কিভাবে নারী নির্যাতন করছে— সেটি আগে সামাল দিন, তারপর অন্যকে কিছু বলতে আইসেন।’ তিনি আরো বলেন, একটি ‘গুপ্ত রাজনৈতিক দলের’ নেতারা বিএনপিকে নসিহত করছে। নয়া দিগন্তসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে এ বক্তব্য প্রকাশ পেয়েছে। 
একজন রাজনৈতিক নেতা  প্রতিপক্ষের সমালোচনা করবেন এটি স্বাভাবিক। গণতন্ত্রে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে তর্ক থাকবে, মতবিরোধ থাকবে, এমনকি তীব্র সমালোচনাও থাকবে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী যখন কথা বলেন, তখন তার পরিচয় শুধু দলীয় প্রধান বা রাজনৈতিক নেতা নয়; তিনি সরকারপ্রধানও। তার বক্তব্যের ওজন অনেক বেশি। এ কারণেই প্রধানমন্ত্রীর প্রতিটি রাজনৈতিক শব্দের তাৎপর্যও আলাদাভাবে বিবেচিত হয়।
বিরোধী রাজনৈতিক দলকে উদ্দেশ করে প্রধানমন্ত্রীর ওই বক্তব্য কি নিছক রাজনৈতিক সমালোচনা, নাকি সরকার ও বিরোধী দলের সম্পর্ক আরো প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হয়ে ওঠার পূর্বাভাস? প্রধানমন্ত্রী ফেনীতে ‘স্বৈরাচার’ ও ‘গুপ্ত’ আবার এক হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন এবং জনগণকে তাদের বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
ফেনীর একই বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেছেন, কিছু রাজনৈতিক দল দেশে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারা করছে। তিনি সবাইকে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সোচ্চার ও সতর্ক থাকারও আহ্বান জানিয়েছেন। এই বক্তব্যগুলোর রাজনৈতিক তাৎপর্য উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। কারণ বাংলাদেশের অতীত রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা বলছে, ক্ষমতাসীন ও বিরোধী শক্তির মধ্যে রাজনৈতিক ভাষা যখন ক্রমাগত কঠোর হয়েছে, তখন তার প্রভাব শুধু সংসদ বা রাজনৈতিক মঞ্চে সীমাবদ্ধ থাকেনি। রাজপথ, প্রশাসন এবং রাজনৈতিক কর্মীদেরও প্রভাবিত করেছে, কখনো উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ফলে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা নীতি ও কর্মসূচির প্রতিযোগিতা না হয়ে পারস্পরিক অবিশ্বাস ও সঙ্ঘাতে রূপ নিয়েছে।
এখানেই বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতার বড় পরীক্ষা।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যের আরেক অংশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, আইন সবার জন্য সমান হবে। তিনি বলেছেন, অতীতে আইনের শাসন ভূলুণ্ঠিত হয়েছিল এবং সরকার সর্বশক্তি দিয়ে আইনের সমান প্রয়োগ নিশ্চিত করবে। এই বক্তব্য নিঃসন্দেহে রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকার। কিন্তু আইনের সমান প্রয়োগের প্রতিশ্রুতি তখনই সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য হয়ে উঠবে, যখন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ক্ষেত্রেও একই নীতি দৃশ্যমানভাবে অনুসৃত হবে।
কিন্তু সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা সরকারের সামনে অস্বস্তিকর প্রশ্ন হাজির করছে। রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা মেডিক্যাল সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট হয়েছে; ভারী যন্ত্র দিয়ে কেন্দ্রের অংশবিশেষ ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে। এমনকি লুটপাটের সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলেও ব্যবস্থা নেয়নি বলে তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। পরে সংশ্লিষ্ট থানার ওসিকে প্রত্যাহার এবং একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। 
এর মধ্যেই আদাবরের শ্যামলী হাউজিংয়ে একটি বাড়ি দখলের চেষ্টাকে কেন্দ্র করে হামলা এবং মোহাম্মদপুরের চাঁদ উদ্যান হাউজিংয়ে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এসব ঘটনায় পুলিশ ১৩ জনকে গ্রেফতার করেছে। অন্য দিকে নিউগিনি প্রোপার্টিজ আবাসন প্রকল্পে হামলা ও লুটপাটের পর সেখানকার বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্কের খবর এসেছে। অর্থাৎ অল্প সময়ের মধ্যে হাসপাতাল, বাড়ি ও আবাসন প্রকল্প ঘিরে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও দখলের অভিযোগ জননিরাপত্তা এবং সম্পত্তির অধিকারের প্রশ্নটিকে সামনে নিয়ে এসেছে।
তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে, আইনের শাসন কোথায় দৃশ্যমান হচ্ছে?
আইনের শাসন শুধু বক্তৃতায় বলার বিষয় নয়। এর বাস্তব অর্থ হলো, অপরাধীর রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া। 
সরকার যদি বলে আইন সবার জন্য সমান, তাহলে জনগণ বাস্তব ক্ষেত্রে সেই সমতার প্রমাণ দেখতে চাইবে।  কোনো ঘটনায় পুলিশ নিষ্ক্রিয় থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া অবশ্যই ইতিবাচক; কিন্তু তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো এমন একটি প্রশাসনিক ব্যবস্থা তৈরি করা, যেখানে রাজনৈতিক পরিচয় না দেখে পুলিশ ঘটনাস্থলেই আইন প্রয়োগ করবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যদি অপরাধ সংঘটনের সময় কার্যকর ভূমিকা না নেয় এবং পরে জনমতের চাপে ব্যবস্থা নিতে হয়, তাহলে প্রতিরোধমূলক আইনের শাসনের জায়গায় প্রতিক্রিয়াশীল প্রশাসন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন বিচার নিয়ে। প্রধানমন্ত্রী এর আগে বলেছেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচার আইনের যথাযথ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্যভাবে সম্পন্ন হবে। কিন্তু জনগণের একটি অংশ যদি বিচারপ্রক্রিয়ার গতি নিয়ে প্রশ্ন তোলে, সরকারকে তার উত্তরও দিতে হবে বিচারিক প্রক্রিয়ার দৃশ্যমান অগ্রগতির মাধ্যমে। ন্যায়বিচার যেমন তাড়াহুড়ো করে করা যায় না, তেমনি অযৌক্তিক বিলম্বও মানুষের আস্থা দুর্বল করতে পারে। বিচারাধীন বিষয়ে রাজনৈতিক রায় নয়— প্রয়োজন স্বচ্ছ প্রক্রিয়া, নিয়মিত অগ্রগতি এবং জনগণকে তথ্য জানানো।
প্রধানমন্ত্রী যখন বলেন, ‘আইন সবার জন্য সমান হবে’, জনগণ তার দৃশ্যমান প্রমাণ দেখতে চাইবে। তারা প্রশ্ন করবে, কোথায় আইনের সমান প্রয়োগ হচ্ছে? এই প্রশ্ন সরকারের বিরোধিতার জন্য নয়; বরং ঘোষিত নীতির বাস্তবায়ন যাচাই করার জন্যই জরুরি।
গণতন্ত্রের সৌন্দর্য এখানেই যে, সরকার ও বিরোধী দল পরস্পরের সমালোচনা করবে, কিন্তু রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান, আইন ও প্রশাসন কোনো দলের প্রতিপক্ষ হয়ে উঠবে না।
এখানে বিরোধী দলেরও দায়িত্ব কম নয়। সরকারকে জবাবদিহির মধ্যে রাখা বিরোধী দলের অন্যতম প্রধান গণতান্ত্রিক দায়িত্ব। সরকারের ভুল নীতি, দুর্বলতা, দুর্নীতি, আইনশৃঙ্খলার অবনতি কিংবা জনস্বার্থবিরোধী সিদ্ধান্তের সমালোচনা করতেই হবে। কিন্তু সেই সমালোচনা যদি তথ্য ও নীতিগত বিকল্পের পরিবর্তে কেবল অভিযোগ, উত্তেজনা কিংবা সরকারকে ব্যর্থ করার কৌশলে সীমাবদ্ধ হয়, তাহলে গণতন্ত্র শক্তিশালী হয় না। একইভাবে সরকার যদি বিরোধী দলের প্রতিটি সমালোচনাকে ষড়যন্ত্র, অরাজকতা কিংবা রাষ্ট্রবিরোধী তৎপরতা হিসেবে দেখতে শুরু করে, তাহলেও রাজনৈতিক পরিসর সঙ্কুচিত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।
বাংলাদেশের মানুষ বহু বছর ধরে সঙ্ঘাতময় রাজনীতির মূল্য দিয়েছে। হরতাল, অবরোধ, সহিংসতা, রাজনৈতিক মামলা, গ্রেফতার, সংসদ বর্জন, পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি এবং রাজপথের সংঘর্ষ— এসব আমাদের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে দুর্বল করেছে। সরকার বদলেছে, রাজনৈতিক জোট বদলেছে, নেতৃত্ব বদলেছে; কিন্তু রাজনৈতিক আচরণের মৌলিক সংস্কৃতি কতটা বদলেছে, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
এই প্রশ্নটি আরো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে যখন ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ঘটনায় সম্পৃক্ততার অভিযোগ সংবাদমাধ্যমে আসে। মনে রাখতে হবে, অভিযোগই অপরাধের প্রমাণ নয়। কিন্তু এমন অভিযোগ উঠলে সরকারের পরীক্ষা হচ্ছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি কোন দলের সেটি না দেখে তদন্ত ও আইনের প্রয়োগ করা। বিরোধী দল যদি এর জবাবে একই ভাষায় সরকার বা বিএনপির বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ তোলে, তারপর ক্ষমতাসীন দল আবার তার জবাব দেয় তাহলে খুব দ্রুতই রাজনীতি নীতি ও জনস্বার্থের আলোচনা থেকে সরে গিয়ে পারস্পরিক দোষারোপের চক্রে আটকে যেতে পারে।
আর এখানেই সবচেয়ে বড় আশঙ্কা।
দেশের সামনে এখন কর্মসংস্থান, মূল্যস্ফীতি, বিনিয়োগ, ব্যাংকিং খাত, দুর্নীতি, আইনশৃঙ্খলা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জ্বালানি ও প্রশাসনিক সংস্কারের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন রয়েছে। এ সব বিষয়ে সরকার কী করছে এবং বিরোধী দলের বিকল্প প্রস্তাব কী— রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হওয়া উচিত সেটি। কে কাকে কত কঠোর ভাষায় আক্রমণ করতে পারল, সেটি নয়।
প্রধানমন্ত্রী নিজেই ফেনীতে উন্নয়নমূলক কর্মসূচির কথা বলেছেন, কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, নদী ও খাল খনন এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেছেন। রাজনীতির প্রতিযোগিতা যদি এসব কর্মসূচির কার্যকারিতা, স্বচ্ছতা, ব্যয়, বাস্তবায়ন এবং মানুষের প্রাপ্ত সুফল নিয়ে হয়, সেটিই হবে গণতন্ত্রের জন্য ইতিবাচক। বিরোধী দল দেখাবে কোথায় সরকারের ঘাটতি; সরকার তথ্য দিয়ে তার জবাব দেবে। জনগণ বিচার করবে।
সরকারের দায়িত্ব এখানে তুলনামূলকভাবে বেশি। কারণ ক্ষমতার সাথে সংযমের সম্পর্ক থাকা জরুরি। বিরোধী দল কঠোর বক্তব্য দিলে সরকারপ্রধানকে সবসময় একই মাত্রার রাজনৈতিক ভাষায় তার উত্তর দিতে হবে— এমন নয়; বরং সরকারপ্রধান চাইলে রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেও সংলাপ, সহনশীলতা ও আইনের শাসনের বার্তা আরো শক্তিশালী করতে পারেন। এতে সরকার দুর্বল হয় না; বরং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থা বাড়তে পারে।
একইভাবে বিরোধী দলেরও উপলব্ধি করা প্রয়োজন, সরকারের ভুলের সমালোচনা করা আর সরকারের ব্যর্থতা কামনা এক নয়। সরকারের একটি ভালো উদ্যোগ সফল হলে তার সুফল শেষ পর্যন্ত নাগরিকরাই পায়। 
প্রধানমন্ত্রীর ফেনীর বক্তব্য ধরে দেশ আবার সঙ্ঘাতের রাজনীতির দিকে যাবে কি না এমন প্রশ্ন তোলা হয়তো সমীচীন নয়, তবে  একটি সতর্ক সঙ্কেত হিসেবে দেখাই যায়। 
সরকার ও বিরোধী দল পরস্পরকে শত্রু ভাবতে শুরু করলে, সঙ্ঘাতের ঝুঁকি বাড়তে পারে। ‘আমাদের নসিহত করার আগে নিজের ঘর সামলান’— এই বক্তব্য শুধু জামায়াতের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক জবাব হিসেবে দেখার বিষয় নয়। এটি বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সংস্কৃতির সামনে একটি বড় প্রশ্নও রেখে গেছে যে, আমরা কি আবার সঙ্ঘাতের পুরনো পথে হাঁটব, নাকি একটি সহনশীল, জবাবদিহিমূলক ও নীতিনির্ভর রাজনৈতিক সংস্কৃতির দিকে এগোব?
দেশের মানুষ বহু সঙ্ঘাত দেখেছে। এখন তারা আর প্রতিহিংসার রাজনীতি দেখতে চায় না, তারা চায় জবাবদিহির রাজনীতি; কে কাকে কতটা আক্রমণ করতে পারে তার প্রদর্শনী নয়, কে দেশকে কতটা ভালোভাবে পরিচালনা করতে পারে সেই প্রতিযোগিতা দেখতে চায় জনগণ। রাজনীতিকদের কথার সাথে কাজের মিল যত বেশি হবে, প্রধানমন্ত্রীর ‘আইন সবার জন্য সমান’—এই ঘোষণা তত বেশি রাষ্ট্রীয় নীতিতে পরিণত হবে। 
এই প্রশ্নের উত্তর শুধু সরকার বা বিরোধী দলের হাতে নয়। শেষ পর্যন্ত উভয় পক্ষের রাজনৈতিক আচরণই নির্ধারণ করবে— বাংলাদেশের আগামী দিনের রাজনীতি হবে সঙ্ঘাতের, নাকি গণতান্ত্রিক প্রতিযোগিতার। 
লেখক : সাবেক সচিব, ও প্রেসিডেন্ট, সেন্টার ফর পলিসি অ্যানালাইসিস অ্যান্ড অ্যাডভোকেসি

Advertisement