লোড হচ্ছে...
চব্বিশের পর আমাদের তো ‘ফাউল প্লে’ হওয়ার কথা না। এর আগে দেখেছি সংসদীয় গণতন্ত্রের নাম করে স্বৈরতন্ত্রের বীভৎস বিস্তার। মানুষের আশা ছিল, নতুন দিনে এই লেবাস খুলে ফেলা হবে; কিন্তু সেটি হয়নি। আবার শুরু হয়েছে দখলবাজি, পেশিশক্তির দাপট, ভাঙচুর। ধসে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষের ওপর আস্থা। আর রাজনীতি ধীরে ধীরে জাতীয় সংসদ থেকে চলে যাচ্ছে রাজপথের দিকে। তাহলে কি ‘রোমে’ আগুন লেগে গেছে? না, সঙ্কট এতটা পরিণত হয়নি। তবে ‘রোম’ উষ্ণ হয়ে উঠছে। এই উষ্ণতাকে স্বাভাবিক তাপে ফিরিয়ে আনার পথ এখনো বন্ধ হয়ে যায়নি। পরিস্থিতি নিয়ে তেমন হতাশ হওয়ারও কিছু নেই। এসব অনিয়ম শক্ত হাতে দমন করতে পারলে সব ঠিক হয়ে যাবে, এটাই স্বাভাবিক। এর জন্য চাই সদিচ্ছা ও দূরদর্শিতা।
৪ দিন আগে

যেসব এলাকায় চীনের খনি বা পাইপলাইন রয়েছে (যেমন— শান বা রাখাইন রাজ্য), সেখানকার শক্তিশালী বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোকে (যেমন— আরাকান আর্মি ও অন্যান্য জাতিগত গোষ্ঠী) চীন অস্ত্র সরবরাহ ও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নিয়ন্ত্রণে রাখে। বেইজিং বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোকে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে, তাদের ভূখণ্ডে থাকা চীনা প্রকল্পে যেন কোনো হামলা না হয়। এভাবে চীন ‘চেকস অ্যান্ড ব্যালান্স’-এর মাধ্যম মিয়ানমারকে সামাল দিচ্ছে। সার্বক্ষণিক গৃহযুদ্ধ ও নিরাপত্তা শঙ্কার মধ্যে বাংলাদেশ বা চীন কেউই সড়ক করিডোর খাতে বড় অঙ্কের দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের ঝুঁকি নিতে পারছে না। বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সবচেয়ে বড় সঙ্কট হলো রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন। রাজনৈতিকভাবে এই সঙ্কটের সম্মানজনক সমাধান না হওয়া পর্যন্ত মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের কোনো যৌথ অর্থনৈতিক বা কানেক্টিভিটি প্রকল্প এগিয়ে নেয়া রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল। চীন এই করিডোর নিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা চালালেও, মিয়ানমারে যতক্ষণ না একটি স্থিতিশীল সরকার প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে এবং দেশটির অভ্যন্তরীণ যুদ্ধ পরিস্থিতি শান্ত হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে চীন সড়ক যোগাযাগ বাস্তব রূপ নেয়া সম্ভব নয়।
৪ দিন আগে

সামাজিক সুরক্ষা ও নীতি-নির্ধারণে অংশগ্রহণ : রাষ্ট্রীয় সামাজিক পদমর্যাদায় শিক্ষাবিদদের অগ্রাধিকার প্রদান এবং জাতীয় শিক্ষানীতি নির্ধারণে শিক্ষকদের সক্রিয় প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা। বিগত ছয় দশক ধরে যে আন্তর্জাতিক সনদের মূল বক্তব্য ছিল শিক্ষকদের ক্ষমতায়ন ও সুরক্ষা, তা বাংলাদেশে কার্যকর করার এখনই উপযুক্ত সময়। শিক্ষকরা যদি দৈনন্দিন আর্থিক অনিশ্চয়তা, সামাজিক অবহেলা ও প্রশাসনিক বৈষম্যের শিকার হন, তবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার স্বপ্ন অধরাই থেকে যাবে। আসুন, পেশাগত মর্যাদা ও ন্যায্য অধিকার ফিরিয়ে দিয়ে শিক্ষকদের পাশে দাঁড়াই এবং উন্নত ও আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথ প্রশস্ত করি।
৪ দিন আগে

মীক্ষার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সমস্যা হলো— এ দেশে কোনোরকম সমীক্ষা ছাড়া প্রকল্প বাস্তবায়নের রেকর্ড যেমন আছে, তেমনি সমীক্ষার নামে দীর্ঘসূত্রতার ঘটনাও কম নয়। এ কারণে নতুন সমীক্ষার সিদ্ধান্ত জনমনে সংশয় সৃষ্টির কারণ হতে পারে।
৫ দিন আগে

বিমানবন্দরের সীমাহীন অব্যবস্থাপনার শিকার হয়ে একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে এর প্রতিবাদ করেছেন মেজর (অব:) আখতারুজ্জামান। তার প্রতিবাদের ভাষা অগ্রহণযোগ্য স্বীকার করেও একথা বলা যায়, একজন ভুক্তভোগী অনিয়মের বিরুদ্ধে সোচ্চার হলে তা অপরাধ হিসেবে আমলে নিতে হবে? এটি করে সরকার কী বার্তা দিতে চায়? সরকার কি ভেবে নিয়েছে, এতে তাদের ভাবমর্যদা বাড়বে?
৫ দিন আগে

উন্নয়ন বাজেটের সাথে দুর্নীতি ও অপচয়ের প্রশ্নও গুরুত্বপূর্ণ। কোনো প্রকল্পের প্রকৃত ব্যয় কত হওয়া উচিত এবং বাস্তবে কত টাকা ব্যয় হচ্ছে— সে বিষয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি। প্রকল্পের ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেলে তার কারণ জনসমক্ষে পরিষ্কার করা দরকার। একই সাথে নিম্নমানের কাজ, অতিরিক্ত ব্যয়, ঠিকাদারি অনিয়ম কিংবা প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বার্থের সঙ্ঘাত থাকলে তা কঠোরভাবে তদন্ত ও প্রতিরোধ করতে হয়। আরো গুরুত্বপূর্ণ একটি জাতীয় চিত্র হলো, ২০২৬ সালের একটি সরকারি গ্রামীণ সড়ক পুনর্বাসন প্রকল্পে দেশে গ্রামীণ সড়কে বিদ্যমান সেতু-কালভার্টের মোট দৈর্ঘ্য দুই লাখ ১৯ হাজার ৯৭১ মিটার উল্লেখ করা যায়। অথচ এর অধিকাংশ এখন সচল নয়। অচল কয়েকটি সেতু-কালভার্টে ব্যয় করা হয়েছে ১৩ কোটি কয়েক লাখ টাকা।
৫ দিন আগে

চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে সরকারের নতুন করে কঠোর অভিযান পরিচালনার কথা শোনা গেলেও তার দ্রুত ও দৃশ্যমান বাস্তবায়ন দেখতে চায় নগরবাসী। অপরাধীদের মনে আইনের এমন এক কঠোর ভীতি তৈরি করতে হবে, যাতে কেউ আর ঢাকাকে অপরাধের অভয়াশ্রম ভাবার দুঃসাহস না পায়। ঢাকা বাঁচলে তবেই বাঁচবে আমাদের জাতীয় আশা-আকাঙ্ক্ষা।
৫ দিন আগে

তিউনিসিয়া, তুরস্ক ও মরক্কোর মতো দেশগুলোর ইসলামী আন্দোলনের গতিপ্রকৃতি আলোচনার মাধ্যমে আমার বাবা মূলত এটি খতিয়ে দেখেছেন, জনপরিসরে ইসলামী মূল্যবোধের প্রতিফলন ঘটানোয় জামায়াতের অনুসৃত পন্থা সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি কি না। তিনি ধর্মীয় দাওয়াত ও রাজনৈতিক আন্দোলনকে পরস্পর থেকে পৃথক রাখার জোর সুপারিশ করেছিলেন। তার যুক্তি ছিল, ইসলামের প্রতি অনুগত থাকার অর্থ এই নয় যে, একটি নির্দিষ্ট দলীয় কাঠামো বা রাজনৈতিক কৌশলের সাথে স্থায়ীভাবে আবদ্ধ থাকতে হবে। তিনি মূলত সমাজ কাঠামোর নিচ থেকে উপরের দিকে রূপান্তরের প্রস্তাব দিয়েছিলেন; যেখানে শিক্ষা, গবেষণা, সমাজসেবা ও বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনার মাধ্যমে সামাজিক পর্যায়ে পরিবর্তন নিয়ে আসা সম্ভব।
৫ দিন আগে

প্রধানমন্ত্রীর ফেনীর বক্তব্য ধরে দেশ আবার সঙ্ঘাতের রাজনীতির দিকে যাবে কি না এমন প্রশ্ন তোলা হয়তো সমীচীন নয়, তবে একটি সতর্ক সঙ্কেত হিসেবে দেখাই যায়। সরকার ও বিরোধী দল পরস্পরকে শত্রু ভাবতে শুরু করলে, সঙ্ঘাতের ঝুঁকি বাড়তে পারে। ‘আমাদের নসিহত করার আগে নিজের ঘর সামলান’— এই বক্তব্য শুধু জামায়াতের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক জবাব হিসেবে দেখার বিষয় নয়। এটি বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সংস্কৃতির সামনে একটি বড় প্রশ্নও রেখে গেছে যে, আমরা কি আবার সঙ্ঘাতের পুরনো পথে হাঁটব, নাকি একটি সহনশীল, জবাবদিহিমূলক ও নীতিনির্ভর রাজনৈতিক সংস্কৃতির দিকে এগোব?
৫ দিন আগে

বিদেশ থেকে পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে আনা এবং অপরাধীদের শাস্তি দেয়া শুধু অর্থনৈতিক সুবিধার বিষয় নয়; এতে নিহিত আছে আমাদের অর্থনীতি ভবিষ্যতে কতটা সুস্থ ধারায় ফিরবে তার বার্তা। এ কাজে ব্যর্থ হলে সরকার উন্নত নৈতিক ভিত্তি পাবে না। মুদ্রা পাচারকারীরা আখেরে মাফ পেয়ে যায়— এমন ধারণা থেকে যাবে। সে কারণে শুধু পুরনো নয়, নতুন চোররাও উৎসাহী হবে। সুতরাং এআরটিএফকে করিৎকর্মা হতে হবে। প্রয়োজনে কারো সহযোগিতার দরকার হলে তাদেরও কাজে লাগাতে হবে। যে করেই হোক, যারা দেশকে দেউলিয়া করেছে; তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।
৬ দিন আগে

এনসিটিবির মতো দায়িত্বশীল একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষা বছরের সূচনালগ্নে এমন গাফিলতি কোনোভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। প্রশ্ন হলো— কর্মকর্তাদের অবহেলা ও নজরদারির অভাবে শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ সময় নষ্টের দায় কে নেবে? সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উচিত অনতিবিলম্বে এনসিটিবির কার্যক্রমে কঠোর তদারকি নিশ্চিত করা; কয়েক দিনের মধ্যে সিলেবাস ও নম্বর বণ্টন প্রকাশ করা।
৬ দিন আগে

জনপ্রশাসন এখন ঠিকমতো কাজ করছে না বলে সরকারের নীতিনির্ধারকরা আফসোস করছেন; কিন্তু জনপ্রশাসনকে মেরিটোক্র্যাসি এবং পেশাদারত্বের নীতির ওপর দাঁড় করাতে কার্যকর কোনো উদ্যোগ না নিয়ে; বরং পতিত সরকারের রেখে যাওয়া প্রশাসনিক মেশিনারি দিয়ে কাজ চালানোর ফল যা হওয়ার তা-ই হচ্ছে। সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. আকবর আলি খানের একটি উদ্ধৃতি দিয়ে আজকের কলাম শেষ করছি— ‘রাজনৈতিক বিবেচনাই যদি পদোন্নতির মাপকাঠি হয়, তাহলে কর্মকর্তাদের মধ্যে রাজনীতিকীকরণ বাড়বে। প্রশাসন তার নিজস্ব গতি হারাবে। নতুন ও অনভিজ্ঞ রাজনীতিকদের নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ গঠন করা গেলেও মেধাহীন ও অদক্ষ কর্মকর্তাদের দিয়ে কাঙ্ক্ষিত মানের প্রশাসন কায়েম করা যায় না’।
৬ দিন আগে

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ক্ষমতার পালাবদল বরাবর সাধারণ মানুষের মনে নতুন আশার সঞ্চার করে। গণ-অভ্যুত্থান বা বড় ধরনের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের মানুষ স্বপ্ন দেখে একটি...
৬ দিন আগে

দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বড় দাগে ভারতের অনুকূলে। হাতে গোনা কয়েকটি মাত্র পণ্য দেশটিতে রফতানি হয়। বাংলাদেশ যখন প্রিমিয়াম পণ্য নিয়ে ভারতীয় বাজারে প্রবেশ করতে চায়, তখনই একের পর এক বেআইনি শুল্ক ও কঠিন পোর্ট-বিধি চাপিয়ে পথ বন্ধ করে দেয়া হয়। শুধু কূটনৈতিক অনুরোধ বা আনুষ্ঠানিক চিঠিপত্র পাঠিয়েই এই অন্যায্য বাণিজ্য বাধা উত্তরণ সম্ভব নয়। দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে সরকারকে দৃঢ় ও শক্ত অবস্থান নিতে হবে।
৭ দিন আগে

জরুরি সার আমদানিতে বিসিআইসি পোস্ট ল্যান্ডিং ইন্সপেকশন এবং প্রাক-জাহাজীকরণ পরিদর্শনের মতো কিছু কাগজে-কলমে সুরক্ষামূলক শর্ত রাখলেও সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে বা নিম্নমানের সার এলে শুধু শর্ত দিয়ে সঙ্কট মোকাবেলা করা সম্ভব হবে না। এ ক্ষেত্রে ভরা মৌসুমে মাঠে সারের ঘাটতি দেখা দিলে এর সরাসরি প্রভাব পড়বে দেশের খাদ্য উৎপাদনে। কৃষকের হাতে যথাসময়ে সার পৌঁছানো যেমন জরুরি; তেমনি রাষ্ট্রীয় অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
৭ দিন আগে

বাংলাদেশ ব্যাংকের দায়িত্ব হবে সব ব্যাংকের ক্ষেত্রে একই আইনি মানদণ্ড প্রয়োগ করা। কোনো ব্যাংক পর্ষদ অনিয়মে জড়িত থাকলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে হবে; কিন্তু সেখানে আরেকটি রাজনৈতিক বা ব্যবসায়ী গোষ্ঠীকে বসানো সংস্কার নয়। ব্যাংক পুনর্গঠনের প্রতিটি পর্যায়ে আমানতকারী, শেয়ারহোল্ডার ও সাধারণ জনগণকে স্বচ্ছ তথ্য জানাতে হবে। বাংলাদেশের প্রয়োজন একটি পূর্ণাঙ্গ, নিরপেক্ষ ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যাংকিং তদন্ত। জানাতে হবে কে কিভাবে ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নিলো, কারা শেয়ার কিনল, অর্থের উৎস কী ছিল, কার অনুমোদনে ঋণ দেয়া হলো, কোথায় অর্থ গেল এবং কারা সুবিধা পেল। তদন্তে ইসলামী ও প্রচলিত উভয় ধরনের ব্যাংককেই অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। কারণ কোনো ব্যাংক রাজনৈতিক দলের সম্পদ নয়, কোনো ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর ব্যক্তিগত ভাণ্ডারও নয়।
৭ দিন আগে

জনগণের ভাগ্য নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলে তাদের চরম পরিণতি হয়। বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে হাসিনা একা ছিনিমিনি খেলেননি, ভারতও সাথী ছিল। হাসিনার বিরুদ্ধে এখন ফ্যাসিস্টের তকমা লেগেছে, তিনি এখন পলাতক, তার কোনো সম্মান-মর্যাদা অবশিষ্ট নেই। ভারতের যারা হাসিনার সহযোগী হয়ে বাংলাদেশের মানুষের অধিকার কেড়ে নিয়েছেন, তাদেরও একটি পরিণতি অপেক্ষা করছে। পুরো ভারত এখন অগ্নিগর্ভ হয়ে আছে। সেখানে যেকোনো সময় জনবিস্ফোরণ ঘটতে পারে। দেশটির পাপেট নির্বাচন কমিশন ও তাদের প্রভুদের পরিণতি হাসিনা ও তার পাণ্ডা নির্বাচন কমিশনারদের মতো কিছু একটা হওয়া অসম্ভব নয়।
৭ দিন আগে

মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি নিছক কোনো সামরিক দলিল নয়, এটি মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ছাতার সম্ভাব্য এক কাঠামোগত পরিবর্তনের সূচনা, যার ঢেউ ইতোমধ্যে দক্ষিণ এশিয়ায় পৌঁছেছে। বাংলাদেশের জন্য এটি একই সাথে সুযোগ ও ঝুঁকির সমীকরণ। বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বিচক্ষণ নীতি হবে এই চুক্তিকে প্রত্যাখ্যান নয়, আবার তাড়াহুড়ো করে পূর্ণ সদস্যপদও নয়; বরং ধাপে ধাপে সহযোগিতা, সতর্ক পর্যবেক্ষণ, জাতীয় স্বার্থের নিরন্তর মূল্যায়ন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত অর্থাৎ পূর্ণ সদস্য পদের সিদ্ধান্ত। ভারত, ইরান, যুক্তরাষ্ট্র বা চীন— কাউকে শত্রু না বানিয়ে, আবার কোনো একক শক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল না হয়ে, জাতীয় স্বার্থকেন্দ্রিক বহুমুখী কূটনীতি ও কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন রক্ষাই হওয়া উচিত বাংলাদেশের পথ।
৭ দিন আগে

শিক্ষার নামে বেকার সৃষ্টির এই কারখানাগুলোকে জাতির সাথে প্রতারণা করতে দেয়া যায় না। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষাজীবন শেষ করে তরুণরা কর্মসংস্থান প্রতিযোগিতায় হেরে গিয়ে নিরাশায় ভুগছেন। বিদেশ গিয়ে রাস্তা ঝাড়ু দিচ্ছেন, গাড়ি মোছার কাজ করে নিজেকে তিলে তিলে ক্ষয়ে দিচ্ছেন। দেশ গড়ার শক্তি তারুণ্যকে এভাবে ব্যবহারের নজির খুব কম দেশেই আছে
৭ দিন আগে

সংসদে বিরোধী দলকে আস্থায় নেয়া সরকারি দলের জন্যই জরুরি। সংবিধান সংশোধন কমিটিতে বিরোধী দলের যোগ দেয়ার বিষয়টিকেও সরকারি দল ভিন্ন ইস্যুতে শর্ত হিসেবে দাঁড় করিয়েছে, যা দৃষ্টিকটু। তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফিরেছে। এর রূপরেখা নির্ধারণ করতে হবে রাজনৈতিক ঐকমত্যের মাধ্যমেই। ভিন্নপথ অবলম্বন বা ধোঁয়াশা সৃষ্টি হতে পারে এমন কোনো পদক্ষেপ কারোরই কাম্য হতে পারে না।
৮ দিন আগে


