লোড হচ্ছে...
প্রাথমিক তদন্ত ও ময়নাতদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর সব বিষয় জেনে এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা যাবে।
১ দিন আগে

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তাহসিফের বাবা কে এম এনায়েতুল করিম আত্মহত্যার সম্ভাবনা দৃঢ়ভাবে নাকচ করেন। তিনি বলেন, ‘ও সারাদিন ওর মায়ের সাথে ছিল, শপিং করেছে, ভেরি হ্যাপি মোডে ছিল। সে ছিল দেশের একজন সম্পদ, একজন দক্ষ পাইলট। এটা কোনোভাবেই আত্মহত্যা হতে পারে না।’
১ দিন আগে

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহতের খালাতো ভাই জহির হাসান উদ্ধার করা লাশটি শনাক্ত করেন। লাশের মাথার চুল কালো এবং উচ্চতা আনুমানিক ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি। কপাল স্বাভাবিক ও মুখমণ্ডল গোলাকার। মুখ ও চোখ বন্ধ ছিল। নাক দিয়ে রক্ত বের হতে দেখা গেছে। তার ছোট ছোট কালো দাড়ি ও গোঁফ ছিল। দুই হাত মাথার সামনের দিকে বাঁকানো অবস্থায় ছিল। সুরতহাল প্রস্তুতকারী কর্মকর্তা হাতের মুষ্টি খোলা পেয়েছেন।
১ দিন আগে

নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: শাহিনুল ইসলাম জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ তদন্ত করছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
৮ দিন আগে

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) হাবিবুর রহমান চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে অবগত করা হয়েছে।
১০ দিন আগে

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো: হাবিবুর রহমান চিকিৎসকের বরাত দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা-পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।
১৪ দিন আগে

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ (পরিদর্শক) হাবিবুর রহমান চিকিৎসকের বরাত দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের জরুরী বিভাগে মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।
১৫ দিন আগে

রোববার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার আরামবাগ এলাকার বায়তুশ শরফ সড়কে ওই কোম্পানির স্টোররুম থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
১৯ দিন আগে

কারারক্ষী আমিরুল ইসলাম জানান, কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়লে কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মেডিসিন বিভাগে ভর্তি করেন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
২৯ দিন আগে

যাত্রাবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো: আওলাদ হোসেন জানান, সকাল ৫টার দিকে খবর পেয়ে একটি গার্মেন্টসের বিপরীতে কাঁচাবাজার সংলগ্ন পাকা সড়ক থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়।
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

পল্টন থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহিদ হাসান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মিজানের লাশ উদ্ধার করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে সকাল পৌনে ৭টার দিকে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সদর উপজেলার ছিলারচর ইউনিয়নের চরলক্ষ্মীপুর গ্রামে নিজ বাড়িতে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান।
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক হাবিবুর রহমান চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্ত করা হবে। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ধানমন্ডি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল গফুর জানান, খবর পেয়ে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ধানমন্ডি ১০ নম্বর রোডের আবেশ হোটেলের পেছনে ব্রিজের নিচে লেকের পানিতে ভাসমান অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো: হাবিবুর রহমান জানান, লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। নিহতের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬


