
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে নিখোঁজের চারদিন পর রত্না দাস (৩০) নামে এক গৃহবধূর হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে রত্নার লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এর আগে, বুধবার বিকেলে উপজেলার ভলাকুট ইউনিয়নের খাগালিয়া গ্রামের বাড়ির পাশের একটি পুকুর থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত রত্না উপজেলার ভলাকুট ইউনিয়নের খাগালিয়া গ্রামের সুশীল দাসের স্ত্রী এবং সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের মধ্যপাড়া গ্রামের মহনলাল দাসের মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাতে নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন রত্না। পরদিন তার স্বামী নাসিরনগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। বুধবার স্থানীয় লোকজন পুকুরে লাশ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে স্বজনেরা তার পরিচয় শনাক্ত করেন।
পুলিশ জানায়, রত্নার গলায় শাড়ি প্যাঁচানো ছিল। তার হাত-পা রশি দিয়ে সিমেন্টের স্লাবের মতো একটি ভারী বস্তুর সাথে বাঁধা ছিল।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, ঘরের নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে রত্নাকে হত্যা করে পুকুরে ফেলে দেয়া হয়েছে।
নিহতের মামা বিনোদ দাস এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে, ঘটনার পর থেকে রত্নার স্বামী সুশীল দাসের মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে বলেও জানিয়েছে পরিবার।
নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: শাহিনুল ইসলাম জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ তদন্ত করছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








