লোড হচ্ছে...
উন্নত বিশ্বে আয়কর আইন কঠোর হওয়ায় সবাই আয়কর দিতে বাধ্য। বাংলাদেশে পেশাজীবীরাসহ শহরের বাড়ির মালিকরা পর্যন্ত বা গ্রামের ধনী কৃষক তারা আয়কর এড়িয়ে যেতে পারছেন। বাংলাদেশে নজরদারি সক্ষমতায় উৎকট ঘাটতি রয়েছে। যদি সঠিক হিসাবের মাধ্যমে কাউকে বলা যেত যে, আপনি সারা বছর ২৫ টাকা আয়কর দিয়েছেন; কিন্তু আপনার প্রদেয় আয়কর হয়েছে ২০ টাকা। আপনি পাঁচ টাকা ফেরত পাবেন। এই নিন আপনার বাড়তি টাকা। বাড়তি অর্থ ফেরত দেয়ার সংস্কৃতি যখন চালু হবে; তখন কিন্তু কর দেয়ার ক্ষেত্রে উন্নাসিকতা, অনাগ্রহ দূর হবে। ২০০৮ সালে জাতীয় পরিচয়পত্র যদি আর্থ-প্রশাসনিক, রাজস্ব সংগ্রহ সব ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে পারা যায়, তাহলে এটি হবে বাংলাদেশে যুগান্তকারী সংস্কার। এনআইডির সাথে ই-টিন ও অন্যান্য বিষয়ের সংযোগ করানো গেলে সব পেশাজীবী এর ভেতরে এসে যাবেন। স্বয়ংক্রিয়ভাবে (অটোমেশন) হিসাব মিলানো বা মনিটর না করা গেলে ফাঁকি দেয়ার পথ প্রশস্ত হচ্ছে বা হবে
৯ দিন আগে

রাশিয়ায় গিয়ে বাংলাদেশীদের যুদ্ধ করার খবর পাওয়া যাচ্ছে কয়েক বছর থেকে। রণক্ষেত্র থেকে কেউ কেউ লাইভ ভিডিও করে ছেড়েছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। বাংলাদেশী একজন রীতিমতো ‘ওয়ার ব্লগার’ হিসেবেও পরিচিতি পেয়ে গেছেন। তার ব্লগেই দেখা গেছে লাশের স্তূপ। এসব স্তূপের মধ্যে আছে বাংলাদেশীরাও। ব্লগে দেখে, ভয়াবহ তথ্য জেনে-বুঝেও কেন মানুষ রাশিয়ার যেতে রাজি হয়
৯ দিন আগে

গ্লোবাল সাউথের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সুযোগ পুরোপুরি কাজে লাগাতে হলে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নীতিমালায় বেশ কিছু কৌশলগত সংস্কার আনা জরুরি। যেমন, গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোর (বিশেষ করে ল্যাটিন আমেরিকা ও আফ্রিকা) সাথে বাণিজ্য বাড়াতে শুল্ক কাঠামোর আধুনিকায়ন প্রয়োজন। আমদানির ক্ষেত্রে উচ্চ শুল্ক বা ট্যারিফ লাইন কমানো এবং কাস্টমস পাসের জটিল প্রক্রিয়া ডিজিটাল ও ওয়ান-স্টপ সার্ভিসে রূপান্তর করা। বাংলাদেশ এখনো তৈরী পোশাক খাতের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল। গ্লোবাল সাউথের বাজারে ওষুধ, কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য, চামড়া, প্লাস্টিক ও তথ্যপ্রযুক্তি পণ্যের বিশাল চাহিদা রয়েছে। তাই এসব খাতে শুল্ক ছাড়, ট্যাক্স হলিডে এবং বিশেষ রফতানি প্রণোদনা দেয়ার নীতি সংস্কার করতে হবে
৯ দিন আগে

বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের গবেষণা ও প্রযুক্তির সম্ভাব্য সুফল কয়েকটি ক্ষেত্রে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। মৃত্তিকার স্বাস্থ্য সুরক্ষায় মাটিবান্ধব চিন্তা— উৎপাদন খরচ কমানো : স্থানীয়ভাবে তৈরি কম্পোস্ট ও উপযুক্ত জীবাণু সার ব্যবহার করলে ক্ষেত্রবিশেষে রাসায়নিক সারের ব্যয় কমবে। বাংলাদেশের কৃষি গবেষণায় জৈবসার, জীবাণু সার, ট্রাইকোডার্মা-ভিত্তিক জৈব ছত্রাকনাশক, সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা এবং উন্নত ফসলের জাত উদ্ভাবন উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি। এগুলো মাঠপর্যায়ে আরো কার্যকরভাবে ছড়িয়ে দেয়া, কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেয়া এবং মানসম্মত পণ্য সহজলভ্য করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
১০ দিন আগে

বাংলাদেশের ব্যাংক খাতের বর্তমান সঙ্কট বহু বছরের অনিয়ম, দুর্বল ঋণ ব্যবস্থাপনা ও যথাসময়ে ব্যবস্থা না নেয়ার সম্মিলিত ফল। এ থেকে উত্তরণে কেবল নীতিমালা পরিবর্তন যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন কঠোর ও নিরপেক্ষ বাস্তবায়ন। ব্যাংককে রাজনৈতিক ও গোষ্ঠীগত প্রভাবমুক্ত করে আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষা এবং উৎপাদনশীল খাতে ঋণপ্রবাহ নিশ্চিত করতে না পারলে খেলাপি ঋণের এ সঙ্কট দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার জন্য দীর্ঘমেয়াদি বাধা হয়ে থাকবে।
১০ দিন আগে

ফ্যাসিস্টদের অবশিষ্টাংশ দেশে সমাজের সাথে মিশে রয়েছে। তাদের হাতে প্রচুর অর্থপ্রবাহ আছে। প্রতিবেশী দেশের ভূরাজনৈতিক স্বার্থও এই ফ্যাসিস্টদের সাথে মিলে একাকার! কাজেই সাবোটাজমূলক কিছুুই ঘটানোর চেষ্টা যে হবে না সেটি বলা যায় না। এ জন্য পুলিশ, সরকারি দল, বিরোধী দল এবং সাধারণ নাগরিক সবাই সজাগ থাকলে এবারের পূজাও নির্বিঘ্নে, বিনা হুমকিতে হিন্দু সম্প্রদায় পালন করতে সক্ষম হবে। এ জন্য পুলিশি নিরাপত্তার পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তা, মণ্ডপে মণ্ডপে সিসিটিভি ব্যবহার, গোয়েন্দা নজরদারি, আনসার মোতায়েন এবং ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এলাকাবাসী মনিটরিং সেল গঠন করে সক্রিয় থাকলে কোনো দুষ্কৃতকারীই নিরাপত্তার ব্যাঘাত ঘটাতে দুঃসাহস করবে না।
১১ দিন আগে

গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের মনোবলে যে ঘাটতি তৈরি হয়েছিল, তা কাটিয়ে উঠে তাদের সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে কাজ করার পরিবেশ তৈরি করে দেয়া সরকারের দায়িত্ব। একইভাবে ইসিকেও কেবল বিধিমালা সংশোধনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে মাঠপর্যায়ে তার নিরপেক্ষ ও সাহসী প্রয়োগ ঘটিয়ে নিজেদের সক্ষমতার প্রমাণ দিতে হবে। কোনো বিশেষ পক্ষকে সুবিধা দেয়া বা কাউকে প্রতিপক্ষ বানিয়ে ঘায়েল করার পুরনো কৌশল বর্জন করে জনপ্রতিনিধি বেছে নেয়ার চূড়ান্ত ক্ষমতা সাধারণ ভোটারদের হাতে ছেড়ে দেয়া উচিত। রক্তপাত, হানাহানি আর কেন্দ্র দখলের কালো অধ্যায় পেরিয়ে গ্রামবাংলায় আবারো ভোটের সেই চিরচেনা আনন্দমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরে আসুক— একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে এটিই আমাদের একান্ত চাওয়া।
১১ দিন আগে

চব্বিশের জুলাই বিপ্লবের পর এসব পরিবর্তনের বৈধতা নিয়ে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়। ওই বছরের শেষ দিকে সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচ নাগরিক হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন। পরে একই বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ আরো কয়েকজন পৃথক রিট দায়ের করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে হাইকোর্ট ২০২৪ সালের ১৭ ডিসেম্বর এক ঐতিহাসিক রায় দেন। আদালত পঞ্চদশ সংশোধনীর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদকে সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করেন। বিশেষ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল এবং সংবিধানের ৭(ক) ও ৭(খ) অনুচ্ছেদকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হয়। হাইকোর্টের এসব রায়ের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হলে কয়েকটি পক্ষ আপিল বিভাগে ‘লিভ টু আপিল’ দায়ের করে। তার পরিপ্রেক্ষিতে টানা কয়েক দিনের শুনানি শেষে ৯ জুলাই, ২০২৬ আপিল বিভাগ সব আপিল খারিজ করে হাইকোর্টের রায় বহাল রাখেন। এর মধ্য দিয়ে সাংবিধানিক বিতর্কের কয়েকটি বিষয়ের আইনি ফয়সালা হয়ে গেল।
১১ দিন আগে

গণমাধ্যম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সুশীলসমাজকে সচেতনতার আলো ছড়িয়ে দিতে হবে, যেন নাগরিকেরা আবেগের বদলে বিবেক দিয়ে বিচার করতে শেখে। সর্বোপরি প্রয়োজন এমন এক ‘জনসংস্কৃতি’ ও মূল্যবোধের পুনর্জাগরণ, যেখানে প্রতিটি নাগরিক পরস্পরের মর্যাদাকে সম্মান করতে শিখবে। উন্মত্ত জনতার হাতে ন্যায়বিচারের ভার তুলে দিলে সভ্যতা কখনো টেকে না; বরং তা সমাজকে বর্বরতার এক অন্তহীন চক্রে আবদ্ধ করে ফেলে। প্রফেসর ইউনূসের প্রতি এই হেনস্তা তাই কেবল একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়— এটি গোটা জাতির বিবেকের কাছে এক তীব্র প্রশ্ন। সভ্য জাতি হিসেবে মাথা উঁচু করে টিকে থাকতে হলে আমাদের মবের সংস্কৃতি নয়, আইন ও মর্যাদার সংস্কৃতিকেই আঁকড়ে ধরতে হবে
১১ দিন আগে

বাংলাদেশের জন্য তাই প্রয়োজন একটি সামগ্রিক রাষ্ট্রীয় সংস্কারনীতি। জুলাইয়ের পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষাকে যদি প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারে রূপ দেয়া যায়, তাহলে বাংলাদেশের মানবসম্পদ, কৃষি, শিল্প, সমুদ্র, বাজার ও ভৌগোলিক অবস্থান, সবই শক্তিশালী অর্থনীতির ভিত্তিতে পরিণত হতে পারে। তখন উন্নয়ন শুধু জিডিপির পরিসংখ্যান হবে না; তা হবে একটি সৎ, দক্ষ, জবাবদিহিমূলক ও আত্মমর্যাদাশীল রাষ্ট্রের বাস্তব রূপ
১২ দিন আগে

শিশুু আইন ২০২৩ অনুসারে ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত শিশু। প্রাণঘাতী কোনো অপরাধের জন্য তাকে কঠোর শাস্তি দেয়া যায় না। আইনের এই দুর্বলতার ফাঁকে কিশোর গ্যাংয়ের দাপট আরো অপ্রতিহত হয়ে ওঠে। ভারত, সিঙ্গাপুর, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র এই আইনের পরিবর্তন করেছে। এ আইনে ১৬ থেকে ১৮ বছর বয়সী কোনো কিশোর যদি খুন, ধর্ষণ বা মারাত্মক কোনো অপরাধ করে বসে, তবে তার শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা যাচাই করে নিয়মিত আদালতে বিচার করার বিধান তৈরি করা হয়েছে। এসব দেশে অপরাধের গভীরতা ও প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে কিশোরদের ফৌজদারি আদালতে বিচারের বিধান রয়েছে। এর বিপরীতে ১৮ বছর বয়সী একজন কিশোরকে দেয়া হয়েছে ভোটাধিকার, একজন প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকের মতোই ভালো মন্দ ভাবনার সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকার। পরস্পর সাংঘর্ষিক এই আইনের সংশোধন প্রয়োজন। কিশোর গ্যাং রুখতে হলে প্রয়োজন সামাজিক অভিভাবকত্ব। প্রয়োজন তাদের অবসর সময়কে সৃজনশীলতার রূপান্তরের আয়োজন, সৃজনশীল সুস্থ শিক্ষার ব্যবস্থা।
১২ দিন আগে

কটুবাক্য নয়, কাদা ছোড়াছুড়ি নয়, বিষোদ্গারও নয়। মতপার্থক্য থাকবে; কিন্তু তা যেন বিভেদ ও বিদ্বেষের কারণ না হয়। আসুন, আল-ইত্তিফাক মাআল-ইখতিলাফ, ভিন্নতা সত্ত্বেও ঐক্যের পথ অনুসরণ করি। প্রত্যেক ব্যক্তি ও দলের স্বাতন্ত্র্য ও মতভিন্নতাকে সম্মান জানিয়ে অভিন্ন লক্ষ্য ও বৃহত্তর কল্যাণে ঐক্যবদ্ধ হই। আমাদের এই সংগ্রাম প্রতিহিংসার নয়, আদর্শ ও জনকল্যাণের। লাখ লাখ মানুষের সমর্থন আমাদের শক্তি, তাদের প্রত্যাশা আমাদের দায়িত্ব। বিভেদের নয়, ঐক্যের; বিদ্বেষের নয়, সম্প্রীতির পথেই আমাদের অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।
১৩ দিন আগে

সামরিক জোটের সাফল্য কেবল কত সৈন্য, যুদ্ধবিমান বা ক্ষেপণাস্ত্র একত্র করা গেল, তার ওপর নির্ভর করে না। নির্ভর করে হুমকি সঠিকভাবে শনাক্ত করা, বেসামরিক মানুষকে রক্ষা করা এবং প্রতিপক্ষের সাথে যোগাযোগের পথ খোলা রাখার ওপর। ইরানকে ঘিরে সঙ্ঘাতের সমাধান, ইয়েমেনে অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক বন্দোবস্ত এবং সুদানে যুদ্ধ বন্ধের কার্যকর উদ্যোগ ছাড়া লোহিত সাগরে স্থায়ী নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করা কঠিন। মক্কা জোট যদি কেবল সামরিক প্রতিক্রিয়ার কাঠামো না হয়ে সঙ্ঘাত প্রতিরোধ ও কূটনৈতিক সমাধানের ব্যবস্থাও গড়ে তুলতে পারে, তাহলে তা ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। অন্যথায়, যে সমুদ্রপথ বিশ্বকে যুক্ত করে, সেটিই বিভক্তির রেখায় পরিণত হবে। আর সেই বিভাজনের মূল্য শুধু মধ্যপ্রাচ্য বা আফ্রিকার মানুষকে নয়, বাংলাদেশসহ গোটা বিশ্বের অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষকেও দিতে হবে
১৪ দিন আগে

সশস্ত্র বাহিনীকেও বুঝতে হবে, আদেশ দিয়ে জনআস্থা সৃষ্টি করা যায় না। শৃঙ্খলাবদ্ধ সদস্যরা যখন মানুষের জীবন রক্ষা করেন, অধিকারকে সম্মান করেন, নিজেদের কাজের ব্যাখ্যা দেন এবং জবাবদিহি মেনে নেন, তখনই আস্থা গড়ে ওঠে। তাই প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা রক্ষার জন্য রাজনৈতিক অপব্যবহারের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থানের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতা সংশোধনের সংকল্পও প্রয়োজন। প্রত্যেক কর্মরত কর্মকর্তা, বিশেষ করে বেসামরিক দফতরে দায়িত্ব পালনকারীদের প্রতি আহ্বান দৃঢ় : পদমর্যাদা ধারণ করুন বিনয়ের সাথে, দায়িত্ব পালন করুন সাহসের সাথে। নিজের এখতিয়ার অতিক্রম করবেন না। তোষামোদের বিনিময়ে উন্নতি কেনার চেষ্টা করবেন না। কারো রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য নিজের পোশাক ও পরিচয় ব্যবহার করতে দেবেন না
১৪ দিন আগে

সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলার জন্য শাহবাজ শরিফের সরকারকে সব রাজনৈতিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। এমন বার্তা দেয়া উচিত নয় যে, সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধের নামে খায়বার পাখতুনখাওয়ায় নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হচ্ছে। এই নীতির মাধ্যমে প্রদেশে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে না। শাহবাজ শরিফের সরকার ইমরান খান ফোবিয়ায় বন্দী হয়ে গেছে। এ বন্দী সরকার পাকিস্তানকে বেসামরিক স্বৈরশাসনের দিকে ঠেলে দিয়েছে। সরকারকে ইমরান খান ফোবিয়া থেকে মুক্ত হতে হবে এবং বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হাসিনা ওয়াজেদের পরিণতি থেকে শিক্ষা নিতে হবে।
১৪ দিন আগে

একজন সফল ব্যবসায়ী হওয়া সত্ত্বেও সেখ আকিজউদ্দীনের প্রাতিষ্ঠানিক কোনো শিক্ষা ছিল না। অক্লান্ত পরিশ্রম, কঠোর অধ্যবসায়, আপসহীন সততা, সর্বোপরি মহান আল্লাহর ওপর পরিপূর্ণ আস্থা তাকে সফলতার চূড়ান্ত শিখরে পৌঁছে দিয়েছে। বাস্তব অভিজ্ঞতা তার পুরো জীবনের নিয়ন্ত্রক। অভিজ্ঞতা থেকে পাওয়া জ্ঞান সহজে নিজের জীবনে ব্যবহার করতে পেরেছিলেন। বিশাল শিল্প পরিবার গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তার নিজের জীবনে স্কুল-কলেজের শিক্ষার প্রয়োজন হয়নি; বরং প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার প্রতি এক ধরনের অনাগ্রহ সৃষ্টি হয়েছিল। তবে দূরদৃষ্টিসম্পন্ন হওয়ায় সন্তানদের নিজ নিজ ক্ষেত্রে উচ্চশিক্ষা লাভের প্রতি ছিলেন অয়োময় নির্দেশক ও যত্নবান, যার ডিভিডেন্ড আকিজ শিল্প পরিবার পাচ্ছে এখন। তাদের মেধা ও প্রতিভার সমন্বয়ে গড়ে তোলা তার প্রতিষ্ঠানে এখন হাজার হাজার শ্রমজীবী মেহনতি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। প্রকারান্তরে রাষ্ট্রীয় কোষাগার পাচ্ছে বেসরকারি খাতে পুনঃবিনিয়োগযোগ্য পুঁজি।
১৬ দিন আগে

কিশোরবেলা হলো— দুঃসাহসিক অভিযানের ব্যাকড্রপ। এ কারণেই কিশোর উপন্যাসের এত কদর। কিশোর উপন্যাস মানে— ম্যারম্যারা উপন্যাস নয়। এতে থাকে গোয়েন্দাগিরি, থাকে রোমাঞ্চ আর অ্যাডভেঞ্চার। মার্ক টোয়েনের ক্লাসিক কিশোর অ্যাডভেঞ্চার ‘টম সয়্যার’ এর ডানপিটে কিশোর টম। টোয়েনের আরেক সৃষ্টি ‘হাকলবেরি ফিন’। এতে মিসিসিপি নদীতে ভেলা ভাসিয়ে পালিয়ে যায় ঘরহারা কিশোর হাক। সত্যজিৎ রায়ের ফেলুদা চরিত্রের ছায়াসঙ্গী তোপসে (তপেশরঞ্জন মিত্র)। কিশোরবেলায় এই চরিত্রগুলোর মধ্য দিয়েই নিজেকে দেখেছি। এখনো ফিরে ফিরে সেই বেলায় যেতে হয়। কেন যেতে হয়?
১৬ দিন আগে

ভারতের দৃষ্টিতে পাকিস্তান, সৌদি আরব এবং তুরস্কের সাথে বাংলাদেশের একই কাঠামোয় যোগদান, দক্ষিণ এশিয়ায় একটি নতুন নিরাপত্তা সমীকরণ তৈরি করবে। অনেকে এটিকে ভারতের সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রে জটিলতা সৃষ্টিকারী বিষয় হিসেবে উল্লেখ করে থাকেন। চুক্তির বাস্তব প্রয়োগের নিয়ম, যতক্ষণ পুরোপুরি পরিষ্কার হচ্ছে না, ততদিন বাংলাদেশকে না জেনে চুক্তিতে যোগদান করা যুক্তিসঙ্গত হবে না। চীন, বাংলাদেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অংশীদার। একই সাথে পাকিস্তানও চীনের ঘনিষ্ঠ নেতিবাচক হিসেবে দেখবে না। বাংলাদেশ এর পূর্ণ সদস্য হওয়ার বিষয়ে ধীরস্থির ভাবে, আবেগ বর্জিতাবস্থায় সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
১৮ দিন আগে

জুলাই বিপ্লবের পর মানুষ শুধু সরকার পরিবর্তন চায়নি; মানুষ রাষ্ট্রের চরিত্র পরিবর্তন চেয়েছিল। সেই আকাঙ্ক্ষা যদি আবার দলীয়করণ, দখল, চাঁদাবাজি, হামলা, ভয় এবং মতপ্রকাশ নিয়ন্ত্রণের মধ্যে আটকে যায়, তাহলে হতাশা তৈরি হবেই। সাত মাসে একটি সরকারকে চূড়ান্ত ব্যর্থ বলা যায় না; কিন্তু সাত মাসে সতর্কসঙ্কেত দেখা দিলে তা উপেক্ষা করাও যায় না। বিএনপির জন্য সবচেয়ে বড় বিপদ বিরোধী দল নয়; সবচেয়ে বড় বিপদ হলো— নিজেদের দলের এমন একটি অংশ, যারা দলীয় ক্ষমতাকে ব্যক্তিগত ক্ষমতা মনে করতে শুরু করে। সরকার যদি তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে। আর যদি না পারে, তাহলে প্রশ্ন উঠবেই— বিএনপি কি দেশ চালাচ্ছে, নাকি বিএনপির একটি অংশ সরকার চালাচ্ছে? এই প্রশ্নের উত্তরই আগামী দিনের রাজনীতির গতিপথ নির্ধারণ করবে।
১৮ দিন আগে

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক প্রবেশদ্বার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সুনাম রক্ষা করতে হলে কোনো তালি দেয়া সাময়িক পদক্ষেপ নয়; বরং প্রয়োজন আমূল প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ও আধুনিক ব্যবস্থাপনা। আন্তর্জাতিক ফ্লাইট আসার সঠিক সময়ের সাথে ট্রলি মেলানো, লাগেজ কাটা ও চুরির জন্য দায়ী অসাধু সিন্ডিকেট নির্মূল করা, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ট্রানজিট যাত্রীদের জন্য যুক্তিসঙ্গত বিকল্প পথ উন্মুক্ত রাখা এবং সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করা হতে পারে এ অচলাবস্থা দূরের একমাত্র পথ। দেশের প্রবাসী আয় এবং বিদেশী পর্যটকদের কাছে প্রথম ইম্প্রেশন হিসেবে এই বিমানবন্দরকে একটি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর এবং যাত্রীবান্ধব সেন্টারের উপযোগী করতে প্রশাসনিক জবাবদিহি ও সদিচ্ছার কোনো বিকল্প নেই।
২০ দিন আগে


