লোড হচ্ছে...
একটি জাতি কতটা সভ্য ও প্রগতিশীল, তা নিরূপিত হয় তার শিশু ও প্রবীণ জনগোষ্ঠীর সুরক্ষার স্তরের ওপর ভিত্তি করে। কেবল আইন প্রণয়ন করে কিংবা সন্তানের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের ব্যবস্থা করলেই প্রশাসনের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। প্রতিটি সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও জেলা পর্যায়ে সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগে প্রবীণবান্ধব পার্ক, কল্যাণকেন্দ্র এবং কমিউনিটিভিত্তিক বিনোদনকেন্দ্রের পরিধি বাড়ানো সময়ের দাবি। পাশাপাশি বার্ধক্যজনিত রোগ নিরাময়ে বিশেষায়িত জেরিয়াট্রিক কেয়ার বা চিকিৎসাকেন্দ্র গড়ে তোলা জরুরি।
২ ঘণ্টা ১৬ মিনিট আগে

আইনশৃঙ্খলার সাথে ব্যক্তিনিরাপত্তার, ব্যক্তিনিরাপত্তার সাথে সামাজিক নিরাপত্তার, সামাজিক নিরাপত্তার সাথে আয় উপার্জনের সব কার্যক্রমের কার্যকারণগত সম্পর্ক রয়েছে। দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে সংগ্রামে চাই আয় উপার্জনের সুস্থ স্বাভাবিক পরিবেশ। শিক্ষা কর্মদক্ষতাকে, স্বাস্থ্যসেবা কর্মক্ষমতাকে, কর্মদক্ষতা ও কর্মক্ষমতা উৎপাদন ও ব্যবসাবাণিজ্যে প্রসার ঘটবে— এটিই প্রত্যাশা। সর্বত্র সেই পরিবেশের সহায়তা একান্ত অপরিহার্য যেখানে সীমিত সম্পদের ও সুযোগের সর্বোত্তম ব্যবহার সম্ভব। একটিকে উপেক্ষা মানে যুগপৎভাবে অন্যান্য অনেক সমস্যাকে ছাড় দেয়া
২ দিন আগে

চব্বিশের পর আমাদের তো ‘ফাউল প্লে’ হওয়ার কথা না। এর আগে দেখেছি সংসদীয় গণতন্ত্রের নাম করে স্বৈরতন্ত্রের বীভৎস বিস্তার। মানুষের আশা ছিল, নতুন দিনে এই লেবাস খুলে ফেলা হবে; কিন্তু সেটি হয়নি। আবার শুরু হয়েছে দখলবাজি, পেশিশক্তির দাপট, ভাঙচুর। ধসে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষের ওপর আস্থা। আর রাজনীতি ধীরে ধীরে জাতীয় সংসদ থেকে চলে যাচ্ছে রাজপথের দিকে। তাহলে কি ‘রোমে’ আগুন লেগে গেছে? না, সঙ্কট এতটা পরিণত হয়নি। তবে ‘রোম’ উষ্ণ হয়ে উঠছে। এই উষ্ণতাকে স্বাভাবিক তাপে ফিরিয়ে আনার পথ এখনো বন্ধ হয়ে যায়নি। পরিস্থিতি নিয়ে তেমন হতাশ হওয়ারও কিছু নেই। এসব অনিয়ম শক্ত হাতে দমন করতে পারলে সব ঠিক হয়ে যাবে, এটাই স্বাভাবিক। এর জন্য চাই সদিচ্ছা ও দূরদর্শিতা।
২ দিন আগে

যেসব এলাকায় চীনের খনি বা পাইপলাইন রয়েছে (যেমন— শান বা রাখাইন রাজ্য), সেখানকার শক্তিশালী বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোকে (যেমন— আরাকান আর্মি ও অন্যান্য জাতিগত গোষ্ঠী) চীন অস্ত্র সরবরাহ ও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নিয়ন্ত্রণে রাখে। বেইজিং বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোকে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে, তাদের ভূখণ্ডে থাকা চীনা প্রকল্পে যেন কোনো হামলা না হয়। এভাবে চীন ‘চেকস অ্যান্ড ব্যালান্স’-এর মাধ্যম মিয়ানমারকে সামাল দিচ্ছে। সার্বক্ষণিক গৃহযুদ্ধ ও নিরাপত্তা শঙ্কার মধ্যে বাংলাদেশ বা চীন কেউই সড়ক করিডোর খাতে বড় অঙ্কের দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের ঝুঁকি নিতে পারছে না। বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সবচেয়ে বড় সঙ্কট হলো রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন। রাজনৈতিকভাবে এই সঙ্কটের সম্মানজনক সমাধান না হওয়া পর্যন্ত মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের কোনো যৌথ অর্থনৈতিক বা কানেক্টিভিটি প্রকল্প এগিয়ে নেয়া রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল। চীন এই করিডোর নিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা চালালেও, মিয়ানমারে যতক্ষণ না একটি স্থিতিশীল সরকার প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে এবং দেশটির অভ্যন্তরীণ যুদ্ধ পরিস্থিতি শান্ত হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে চীন সড়ক যোগাযাগ বাস্তব রূপ নেয়া সম্ভব নয়।
২ দিন আগে

সামাজিক সুরক্ষা ও নীতি-নির্ধারণে অংশগ্রহণ : রাষ্ট্রীয় সামাজিক পদমর্যাদায় শিক্ষাবিদদের অগ্রাধিকার প্রদান এবং জাতীয় শিক্ষানীতি নির্ধারণে শিক্ষকদের সক্রিয় প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা। বিগত ছয় দশক ধরে যে আন্তর্জাতিক সনদের মূল বক্তব্য ছিল শিক্ষকদের ক্ষমতায়ন ও সুরক্ষা, তা বাংলাদেশে কার্যকর করার এখনই উপযুক্ত সময়। শিক্ষকরা যদি দৈনন্দিন আর্থিক অনিশ্চয়তা, সামাজিক অবহেলা ও প্রশাসনিক বৈষম্যের শিকার হন, তবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার স্বপ্ন অধরাই থেকে যাবে। আসুন, পেশাগত মর্যাদা ও ন্যায্য অধিকার ফিরিয়ে দিয়ে শিক্ষকদের পাশে দাঁড়াই এবং উন্নত ও আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথ প্রশস্ত করি।
২ দিন আগে

উন্নয়ন বাজেটের সাথে দুর্নীতি ও অপচয়ের প্রশ্নও গুরুত্বপূর্ণ। কোনো প্রকল্পের প্রকৃত ব্যয় কত হওয়া উচিত এবং বাস্তবে কত টাকা ব্যয় হচ্ছে— সে বিষয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি। প্রকল্পের ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেলে তার কারণ জনসমক্ষে পরিষ্কার করা দরকার। একই সাথে নিম্নমানের কাজ, অতিরিক্ত ব্যয়, ঠিকাদারি অনিয়ম কিংবা প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বার্থের সঙ্ঘাত থাকলে তা কঠোরভাবে তদন্ত ও প্রতিরোধ করতে হয়। আরো গুরুত্বপূর্ণ একটি জাতীয় চিত্র হলো, ২০২৬ সালের একটি সরকারি গ্রামীণ সড়ক পুনর্বাসন প্রকল্পে দেশে গ্রামীণ সড়কে বিদ্যমান সেতু-কালভার্টের মোট দৈর্ঘ্য দুই লাখ ১৯ হাজার ৯৭১ মিটার উল্লেখ করা যায়। অথচ এর অধিকাংশ এখন সচল নয়। অচল কয়েকটি সেতু-কালভার্টে ব্যয় করা হয়েছে ১৩ কোটি কয়েক লাখ টাকা।
২ দিন আগে

চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে সরকারের নতুন করে কঠোর অভিযান পরিচালনার কথা শোনা গেলেও তার দ্রুত ও দৃশ্যমান বাস্তবায়ন দেখতে চায় নগরবাসী। অপরাধীদের মনে আইনের এমন এক কঠোর ভীতি তৈরি করতে হবে, যাতে কেউ আর ঢাকাকে অপরাধের অভয়াশ্রম ভাবার দুঃসাহস না পায়। ঢাকা বাঁচলে তবেই বাঁচবে আমাদের জাতীয় আশা-আকাঙ্ক্ষা।
৩ দিন আগে

তিউনিসিয়া, তুরস্ক ও মরক্কোর মতো দেশগুলোর ইসলামী আন্দোলনের গতিপ্রকৃতি আলোচনার মাধ্যমে আমার বাবা মূলত এটি খতিয়ে দেখেছেন, জনপরিসরে ইসলামী মূল্যবোধের প্রতিফলন ঘটানোয় জামায়াতের অনুসৃত পন্থা সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি কি না। তিনি ধর্মীয় দাওয়াত ও রাজনৈতিক আন্দোলনকে পরস্পর থেকে পৃথক রাখার জোর সুপারিশ করেছিলেন। তার যুক্তি ছিল, ইসলামের প্রতি অনুগত থাকার অর্থ এই নয় যে, একটি নির্দিষ্ট দলীয় কাঠামো বা রাজনৈতিক কৌশলের সাথে স্থায়ীভাবে আবদ্ধ থাকতে হবে। তিনি মূলত সমাজ কাঠামোর নিচ থেকে উপরের দিকে রূপান্তরের প্রস্তাব দিয়েছিলেন; যেখানে শিক্ষা, গবেষণা, সমাজসেবা ও বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনার মাধ্যমে সামাজিক পর্যায়ে পরিবর্তন নিয়ে আসা সম্ভব।
৩ দিন আগে

প্রধানমন্ত্রীর ফেনীর বক্তব্য ধরে দেশ আবার সঙ্ঘাতের রাজনীতির দিকে যাবে কি না এমন প্রশ্ন তোলা হয়তো সমীচীন নয়, তবে একটি সতর্ক সঙ্কেত হিসেবে দেখাই যায়। সরকার ও বিরোধী দল পরস্পরকে শত্রু ভাবতে শুরু করলে, সঙ্ঘাতের ঝুঁকি বাড়তে পারে। ‘আমাদের নসিহত করার আগে নিজের ঘর সামলান’— এই বক্তব্য শুধু জামায়াতের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক জবাব হিসেবে দেখার বিষয় নয়। এটি বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সংস্কৃতির সামনে একটি বড় প্রশ্নও রেখে গেছে যে, আমরা কি আবার সঙ্ঘাতের পুরনো পথে হাঁটব, নাকি একটি সহনশীল, জবাবদিহিমূলক ও নীতিনির্ভর রাজনৈতিক সংস্কৃতির দিকে এগোব?
৩ দিন আগে

জনপ্রশাসন এখন ঠিকমতো কাজ করছে না বলে সরকারের নীতিনির্ধারকরা আফসোস করছেন; কিন্তু জনপ্রশাসনকে মেরিটোক্র্যাসি এবং পেশাদারত্বের নীতির ওপর দাঁড় করাতে কার্যকর কোনো উদ্যোগ না নিয়ে; বরং পতিত সরকারের রেখে যাওয়া প্রশাসনিক মেশিনারি দিয়ে কাজ চালানোর ফল যা হওয়ার তা-ই হচ্ছে। সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. আকবর আলি খানের একটি উদ্ধৃতি দিয়ে আজকের কলাম শেষ করছি— ‘রাজনৈতিক বিবেচনাই যদি পদোন্নতির মাপকাঠি হয়, তাহলে কর্মকর্তাদের মধ্যে রাজনীতিকীকরণ বাড়বে। প্রশাসন তার নিজস্ব গতি হারাবে। নতুন ও অনভিজ্ঞ রাজনীতিকদের নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ গঠন করা গেলেও মেধাহীন ও অদক্ষ কর্মকর্তাদের দিয়ে কাঙ্ক্ষিত মানের প্রশাসন কায়েম করা যায় না’।
৩ দিন আগে

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ক্ষমতার পালাবদল বরাবর সাধারণ মানুষের মনে নতুন আশার সঞ্চার করে। গণ-অভ্যুত্থান বা বড় ধরনের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের মানুষ স্বপ্ন দেখে একটি...
৩ দিন আগে

বাংলাদেশ ব্যাংকের দায়িত্ব হবে সব ব্যাংকের ক্ষেত্রে একই আইনি মানদণ্ড প্রয়োগ করা। কোনো ব্যাংক পর্ষদ অনিয়মে জড়িত থাকলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে হবে; কিন্তু সেখানে আরেকটি রাজনৈতিক বা ব্যবসায়ী গোষ্ঠীকে বসানো সংস্কার নয়। ব্যাংক পুনর্গঠনের প্রতিটি পর্যায়ে আমানতকারী, শেয়ারহোল্ডার ও সাধারণ জনগণকে স্বচ্ছ তথ্য জানাতে হবে। বাংলাদেশের প্রয়োজন একটি পূর্ণাঙ্গ, নিরপেক্ষ ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যাংকিং তদন্ত। জানাতে হবে কে কিভাবে ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নিলো, কারা শেয়ার কিনল, অর্থের উৎস কী ছিল, কার অনুমোদনে ঋণ দেয়া হলো, কোথায় অর্থ গেল এবং কারা সুবিধা পেল। তদন্তে ইসলামী ও প্রচলিত উভয় ধরনের ব্যাংককেই অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। কারণ কোনো ব্যাংক রাজনৈতিক দলের সম্পদ নয়, কোনো ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর ব্যক্তিগত ভাণ্ডারও নয়।
৫ দিন আগে

জনগণের ভাগ্য নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলে তাদের চরম পরিণতি হয়। বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে হাসিনা একা ছিনিমিনি খেলেননি, ভারতও সাথী ছিল। হাসিনার বিরুদ্ধে এখন ফ্যাসিস্টের তকমা লেগেছে, তিনি এখন পলাতক, তার কোনো সম্মান-মর্যাদা অবশিষ্ট নেই। ভারতের যারা হাসিনার সহযোগী হয়ে বাংলাদেশের মানুষের অধিকার কেড়ে নিয়েছেন, তাদেরও একটি পরিণতি অপেক্ষা করছে। পুরো ভারত এখন অগ্নিগর্ভ হয়ে আছে। সেখানে যেকোনো সময় জনবিস্ফোরণ ঘটতে পারে। দেশটির পাপেট নির্বাচন কমিশন ও তাদের প্রভুদের পরিণতি হাসিনা ও তার পাণ্ডা নির্বাচন কমিশনারদের মতো কিছু একটা হওয়া অসম্ভব নয়।
৫ দিন আগে

মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি নিছক কোনো সামরিক দলিল নয়, এটি মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ছাতার সম্ভাব্য এক কাঠামোগত পরিবর্তনের সূচনা, যার ঢেউ ইতোমধ্যে দক্ষিণ এশিয়ায় পৌঁছেছে। বাংলাদেশের জন্য এটি একই সাথে সুযোগ ও ঝুঁকির সমীকরণ। বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বিচক্ষণ নীতি হবে এই চুক্তিকে প্রত্যাখ্যান নয়, আবার তাড়াহুড়ো করে পূর্ণ সদস্যপদও নয়; বরং ধাপে ধাপে সহযোগিতা, সতর্ক পর্যবেক্ষণ, জাতীয় স্বার্থের নিরন্তর মূল্যায়ন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত অর্থাৎ পূর্ণ সদস্য পদের সিদ্ধান্ত। ভারত, ইরান, যুক্তরাষ্ট্র বা চীন— কাউকে শত্রু না বানিয়ে, আবার কোনো একক শক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল না হয়ে, জাতীয় স্বার্থকেন্দ্রিক বহুমুখী কূটনীতি ও কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন রক্ষাই হওয়া উচিত বাংলাদেশের পথ।
৫ দিন আগে

শিক্ষার নামে বেকার সৃষ্টির এই কারখানাগুলোকে জাতির সাথে প্রতারণা করতে দেয়া যায় না। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষাজীবন শেষ করে তরুণরা কর্মসংস্থান প্রতিযোগিতায় হেরে গিয়ে নিরাশায় ভুগছেন। বিদেশ গিয়ে রাস্তা ঝাড়ু দিচ্ছেন, গাড়ি মোছার কাজ করে নিজেকে তিলে তিলে ক্ষয়ে দিচ্ছেন। দেশ গড়ার শক্তি তারুণ্যকে এভাবে ব্যবহারের নজির খুব কম দেশেই আছে
৫ দিন আগে

উজবেকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান এবং কাজাখস্তানের সাথে আফগানিস্তানের রেল, বিদ্যুৎ এবং খনিজ বাণিজ্য নিয়ে নিবিড় কূটনৈতিক সম্পর্ক সচল রয়েছে। রাশিয়া ও ইরানের সাথে আফগানিস্তানের গভীর রাজনৈতিক ও নিরাপত্তাবিষয়ক কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। পাকিস্তান, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাথে আফগানিস্তানের নিয়মিত কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক যাতায়াত রয়েছে। কাতার মূলত আফগানিস্তান ও পশ্চিমা বিশ্বের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে। চীন বিশ্বের একমাত্র দেশ, যারা আফগানিস্তানের বর্তমান সরকারকে পূর্ণ কূটনৈতিক মর্যাদা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে আফগানিস্তান অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে চলেছে। অভ্যন্তরীণ সম্পদের ব্যবহার, কৃষি সম্প্রসারণ, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন, বাঁধ নির্মাণ করে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন, জুস প্ল্যান্ট স্থাপন, খনিজসম্পদ উত্তোলন আফগানিস্তানের চেহারা বদলে দিতে পারে। আফগান জাতি স্বনির্ভরতার ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে।
৫ দিন আগে

নেপালের জনসংখ্যার দু’টি বড় অংশ হিন্দু ও বৌদ্ধ। উভয় সম্প্রদায়ের মানুষকে, নেপালের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে তিনি একটি শ্লোকে তুষ্ট করলেন। বিশ্বের সবচেয়ে বড় মঞ্চে দাঁড়িয়ে এক দিকে আন্তর্জাতিক ও বৈশ্বিক সমস্যা-সঙ্কটের উপস্থাপন, সমাধানের দাবি তুলে ধরার পাশাপাশি বিশ্বমোড়লদের সীমাবদ্ধতা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়ার এই যে দুরন্ত সাহস, এর চেয়ে একজন প্রধানমন্ত্রীর কাছে আর কী চাইতে পারে তার দেশ! আমরা বালেন্দ্রর মধ্যে এক স্বাধীনচেতা বিশ্বনেতার ছায়া দেখছি। যদি কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে।
৫ দিন আগে

কূটনীতিতে কখনো কখনো প্রকাশ্য বৈঠকের চেয়ে নীরব সফর বেশি তাৎপর্য বহন করে। কারণ, প্রকাশ্য সফরের বার্তা সাধারণত রাজনৈতিকভাবে প্রস্তুত ও পরিমার্জিত থাকে; কিন্তু জাতীয় নিরাপত্তা...
৭ দিন আগে

সশস্ত্রবাহিনীর প্রতি ভালোবাসা ও সম্মান প্রদর্শনের অর্থ তাদের প্রতিটি কাজ প্রশ্নহীনভাবে সমর্থন করা নয়; বরং এর অর্থ হলো ন্যায়সঙ্গত, দায়িত্বশীল ও তথ্যভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করা এবং জাতীয় জীবনে তাদের অপরিহার্য ভূমিকা উপলব্ধি করা। বাংলাদেশের প্রতিপক্ষরা এমন একটি সেনাবাহিনী দেখতে চাইবে, যা তার জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন এবং এমন একটি জনগোষ্ঠী চাইবে, যারা দেশের প্রতিরক্ষাকারীদের বিশ্বাস করে না। রাজনৈতিক অপব্যবহার কিংবা দায়িত্বহীন অনলাইন তৎপরতার মাধ্যমে সেই দূরত্ব সৃষ্টি করা অনুচিত। জনগণ ও সশস্ত্রবাহিনীর মধ্যকার আস্থা ও সংহতি আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার এক অমূল্য সম্পদ। এই সম্পর্ক রক্ষার দায়িত্ব শুধু সেনাবাহিনীর নয়; সরকার, রাজনৈতিক নেতৃত্ব, গণমাধ্যম, নাগরিক সমাজ এবং প্রতিটি সচেতন ও দেশপ্রেমিক নাগরিকেরও।
৭ দিন আগে

একটি কল্যাণমুখী ও দক্ষ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য জ্যেষ্ঠতা এবং অভিজ্ঞতার যথাযথ মূল্যায়ন অপরিহার্য। বেতন স্কেলের মূল উদ্দেশ্যই হওয়া উচিত জীবনযাত্রার ব্যয়ের সাথে সামঞ্জস্য রেখে সবার জন্য সমতার নীতি নিশ্চিত করা। কিন্তু বর্তমান গাণিতিক মডেলটি জুনিয়র ও সিনিয়রের মধ্যকার আনুপাতিক ব্যবধানকে সঙ্কুুচিত ও ম্লান করে দিচ্ছে, যা দীর্ঘ মেয়াদে প্রবীণ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে চরম হতাশা ও বঞ্চনা বোধের জন্ম দিতে পারে।
৭ দিন আগে


