লোড হচ্ছে...

আমরা মনে করি, পাচারের অর্থ ফিরিয়ে এনে সিআইডি যেভাবে আটকে রেখেছে, তাতে শুধু সংস্থাটির তিন কর্মকর্তা নন, এবার প্রতিষ্ঠানটিও তীব্রভাবে প্রশ্নের মুখে পড়েছে। সঙ্গতকারণে সিআইডির উচিত শুধু এই রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের নয় বরং গোটা বাংলাদেশের ভাবমর্যাদা রক্ষায় অবিলম্বে ভুক্তভোগীদের টাকা ফিরিয়ে দিয়ে স্বচ্ছতার প্রমাণ রাখা। এটিকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসাবে দেখার সুযোগ নেই। এই বিষয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপ জরুরি।

সরকার নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার পরপর সংস্কারের চেয়ে নিজেদের দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নে বেশি মনোযোগী হয়ে পড়েছে। একই সাথে তারা উল্লেখ করেন, বর্তমান অচলাবস্থা প্রমাণ করে— শুধ লক্ষ্য এক হওয়া যথেষ্ট নয়, পথ ও প্রক্রিয়া নিয়েও জাতীয় ঐকমত্য জরুরি। এ জন্য বিএনপি ও জামায়াতসহ প্রধান দলগুলোর মধ্যে অবিলম্বে একটি বিশেষ জাতীয় সংলাপ আয়োজন করা প্রয়োজন। তারা আরো সতর্ক করে বলেন, জুলাই চার্টার বাস্তবায়নের দীর্ঘসূত্রতা দেশের গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতাকে আবার ঝুঁকিতে ফেলতে পারে
২১ ঘণ্টা ৫২ মিনিট আগে

পার্বত্য চট্টগ্রাম বাংলাদেশের এক-দশমাংশজুড়ে বিস্তৃত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল অঞ্চল। স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রের মূলনীতি হলো সব নাগরিকের জন্য সমান অধিকার, সমান সুবিধা...
২২ ঘণ্টা ৬ মিনিট আগে

বাংলাদেশের সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদে আইন অনুযায়ী আচরণ পাওয়াকে নাগরিকের অবিচ্ছেদ্য অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। উচ্চ আদালতও সরকারি দায়িত্ব পালনে আইন ও বিধি অক্ষরে ও মর্মে অনুসরণের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন।
২৩ ঘণ্টা ৭ মিনিট আগে

দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে নতুন সরকারের রাজনৈতিক দর্শন, গণতান্ত্রিক রূপান্তর এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন-রূপরেখা তুলে ধরার বিশাল সুযোগ তৈরি হয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের।
১ দিন আগে

সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধের নামে ইরাকসহ অন্তত সাতটি মুসলিম দেশ ধ্বংসের পর এবার ২০২৬ সালে একই রকম আরেক অজুহাত তুলে ইরানের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। এ যুদ্ধের বিন্দুমাত্র বৈধতাও নেই। খোদ মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদন নেই। কিন্তু দেশটি ধ্বংসের খেলায় নেমেছে ঠাণ্ডামাথায়। শুধু ইরান নয়, নিশানায় আছে তুরস্ক, সৌদি আরব, ইয়েমেনও। এর পরও মুসলিমরা নিশ্চুপ। তাদের আশার জায়গা হয়তো একটিই। যিনি অন্ধকার থেকে সত্য প্রকাশ করেন, অলক্ষ্যে গ্রহপুঞ্জের আবর্তন ঘটান, যিনি সব পরিকল্পনাকারীর সেরা পরিকল্পনাকারী, কেবল তিনি পারেন দানবীয় সাম্রাজ্যবাদী অপশক্তির পতন ঘটাতে। আর সেটি কখন কিভাবে কার উসিলায় ঘটবে, কে বলতে পারে!
১ দিন আগে

নাইন-ইলেভেন হামলায় নিহত হয়েছিলেন তিন হাজার নিরপরাধ নাগরিক। পরবর্তী সময়ে মার্কিন প্রতিক্রিয়ায় আজ ২৫ বছরে প্রায় ৫০ লাখ মানুষ নিহত হয়েছেন। পঙ্গু হয়েছেন আরো কয়েক লাখ। উদ্বাস্তু হয়েছেন কোটি মানুষ। এখন প্রশ্ন উঠতে পারে— কারা কী উদ্দেশ্যে নাইন-ইলেভেন হামলার পরিকল্পনা করেছিল? এখন পর্যন্ত এর বস্তুনিষ্ঠ তদন্ত বা গবেষণা হয়নি। একতরফা পশ্চিমাদের তথ্য বিশ্লেষণ এবং বয়ান আমরা চোখ বুজে বিশ্বাস করে নিচ্ছি। তবে নিরপেক্ষ বিশ্লেষক এবং বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণ দেখলে সন্দেহের যথেষ্ট উপাদান সামনে আসে; কারা, কেন এবং কোন মিশন নিয়ে কিভাবে ইতিহাসের জঘন্যতম আক্রমণ করেছিল ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর তারিখে?
১ দিন আগে

১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে উচ্চফলনশীল জাত উদ্ভাবনের মাধ্যমে দেশের ধান উৎপাদন কয়েকগুণ বাড়াতে ব্রির ভূমিকা অনস্বীকার্য। ‘ব্রি ধান-১১৮’-এর মতো সময়োপযোগী ও জলবায়ু-সহনশীল জাত দ্রুত হাওরের সর্বত্র ছড়িয়ে দেয়া গেলে পাহাড়ি ঢলের অভিশাপ থেকে স্থায়ী মুক্তি মিলবে। আমরা আশা করি, সরকার ও কৃষি বিভাগের সমন্বিত পদক্ষেপে দ্রুত হাওরাঞ্চলের জলবায়ু-ঝুঁকি কাটিয়ে এক নতুন কৃষি বিপ্লবের সূচনা করতে পারবে।
১ দিন আগে

ইরানে হামলা চালানোর কোনো অধিকার যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের নেই। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী এটি অবৈধ। এই দানবদের বাধা দেয়ারও কেউ নেই। এই অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে জাতিসঙ্ঘের পক্ষ থেকে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ তোলা একটি আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। প্রয়োজন মানবতার বিরুদ্ধে অব্যাহত অপরাধ চালানো ব্যক্তিদের বিচারের মুখোমুখি করা। বাস্তবতা হচ্ছে— এদের বিচারের আওতায় আনার কোনো শক্তিশালী পক্ষ বিশ্বে এখনো নেই।
১ দিন আগে

১৯৪৭ সালে জাতি-স্বাতন্ত্র্যের ভিত্তিতে বাংলাকে ভাগ করে যে মানচিত্র তৈরি করা হয়, সে ভূখণ্ড আজ বাংলাদেশ নামে পরিচিত। এ মানচিত্র তথা এই ভূখণ্ডের সংরক্ষণকে আজকের বাংলাদেশের বাঙালি মুসলমানরা নিজেদের নিরাপত্তায় অপরিহার্য বিবেচনা করেন। এ ভূখণ্ড ঘিরে তাদের ভৌগোলিক স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সংরক্ষণের সংগ্রাম। আর এ ভূখণ্ডের মানুষের জাতিসত্তার বিকাশ ঘটেছে তাদের হাজার বছরের সংগ্রামী ঐতিহ্যে লালিত সুচিহ্নিত জীবনদৃষ্টির ভিত্তিতে। সে জীবনদৃষ্টির নাম ইসলাম। ইসলাম জীবনদৃষ্টি এ এলাকার মানুষের যে সত্তা নির্মাণ করেছে, সেই সত্তাকে অবলম্বন করে বিকশিত হয়েছে আমাদের রাষ্ট্রসত্তা। এই আত্মপরিচয়, ভাব ও গৌরব নিয়েই মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে আমাদের স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। এই আত্মপরিচয়, ভাব ও গৌরব আমাদের জাতিসত্তার ভিত্তি। আমাদের জাতিসত্তার এ ভিত যতদিন অটুট থাকবে, আমরা আমাদের স্বাধীন, মর্যাদাপূর্ণ, গৌরবদীপ্ত অস্তিত্ব ততদিন অক্ষুণ্ন রাখতে সক্ষম হব।
১ দিন আগে

এই কাঠামোগত সঙ্কট থেকে উত্তরণ এবং সারে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে বিজ্ঞানীরা এখন তাকিয়েছেন প্রযুক্তির দিকে। বিশ্ব কৃষিতে ‘চতুর্থ বিপ্লব’ হিসেবে আবির্ভূত হওয়া ‘ন্যানো ফার্টিলাইজার’ বা অণু সার হতে পারে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কৃষির সবচেয়ে বড় রক্ষাকবচ। প্রচলিত রাসায়নিক সারের ব্যবহার গত দুই দশকে কয়েকগুণ বেড়েছে, যা একদিকে যেমন আমদানি ব্যয় বাড়াচ্ছে, অন্যদিকে মাটির স্বাভাবিক উর্বরতা নষ্ট করছে।
১ দিন আগে

মূল্যবৃদ্ধি রোধে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে সাধারণ মানুষের আয়ের সাথে ব্যয়ের সঙ্গতি রেখে জীবনযাত্রায় সামঞ্জস্য ফেরাতে হবে। তবে এখনই যে কাজটি করতে হবে, তাহলো বাজার সিন্ডিকেট গুঁড়িয়ে দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা। তা না হলে দেশের সামাজিক শক্তির ভারসাম্য রক্ষাকারী এই বৃহৎ মধ্যবিত্ত শ্রেণী ধীরে ধীরে নিঃস্ব হয়ে পড়বে। এতে সমাজে দেখা দিতে পারে চরম বিশৃঙ্খলা।
২ দিন আগে

অর্থ ব্যয়ের প্রতিটি ধাপ, গ্রাহক নির্বাচন এবং প্রযুক্তি স্থাপনের গুণগত মান কঠোর নজরদারির আওতায় আনতে হবে। একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক কাঠামোর মাধ্যমে এই অর্থ প্রকৃত উদ্যোক্তা ও সেবাগ্রহীতাদের হাতে পৌঁছানো নিশ্চিত করতে হবে। আমরা আশা করি, জ্বালানি বিদ্যুতের টেকসই ভবিষ্যৎ গড়তে এই ঋণের সুষম ও দুর্নীতিমুক্ত ব্যবহার করা হবে।
২ দিন আগে

গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় বিপদ আসে বাইরে থেকে নয়, ভেতর থেকে— যখন নাগরিকরা রাজনৈতিক অংশগ্রহণ থেকে বিরত হয়, যখন ক্ষমতাসীনরা জনগণকে কেবল ভোটদাতা হিসেবে দেখেন, অংশীদার হিসেবে নয়। বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ইতিহাসে এই বিপদ বারবার ফিরে এসেছে। বাকশাল থেকে একাদশ সংসদ পর্যন্ত প্রতিটি গণতান্ত্রিক পশ্চাৎপসরণের মূলে ছিল ক্ষমতার কেন্দ্রীভবন এবং জনগণের প্রান্তিকীকরণ। বর্তমান সরকারের সামনে সুযোগ আছে সেই চক্র ভাঙার— জুলাই অভ্যুত্থানের রক্তমূল্যে অর্জিত এই সুযোগ হাতছাড়া হলে ইতিহাস কাউকেই ক্ষমা করবে না। গণতন্ত্র কেবল একটি শাসনপদ্ধতি নয়, এটি একটি জীবনদর্শন, একটি সভ্যতার মানদণ্ড, একটি জাতির আত্মমর্যাদার প্রকাশ। সেই মর্যাদা রক্ষার দায়িত্ব সরকারের, বিরোধী দলের, নাগরিক সমাজের এবং প্রতিটি সচেতন নাগরিকের
২ দিন আগে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-ডাকসু শুধু ছাত্র প্রতিনিধি প্রতিষ্ঠান নয়; এটি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাগার। ক্ষমতা, প্রতিনিধিত্ব, জবাবদিহি ও প্রাতিষ্ঠানিক ধারাবাহিকতা যেমন জাতীয়...
২ দিন আগে

একজন মুসলমান নতুন বিধান অনুযায়ী সম্পত্তি হস্তান্তর করলেন। তার মৃত্যুর পর একজন উত্তরাধিকারী বললেন, দলিল অনুযায়ী সম্পত্তি তার। অন্যরা বললেন, হানাফি আইনে কবজা হস্তান্তর হয়নি, তাই হিবা সম্পূর্ণ হয়নি এবং সম্পত্তিটি মৃতের পরিত্যক্ত সম্পত্তির অংশ। আদালত একটি সিদ্ধান্ত দিলো, আর আলেম বা সামাজিক সালিশ ভিন্ন সিদ্ধান্ত দিলো। তখন একই সম্পত্তিকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রীয় আইন, ধর্মীয় বিধান ও সামাজিক বাস্তবতার মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি দ্বন্দ্ব তৈরি হতে পারে
২ দিন আগে
