ড. মো: মিজানুর রহমান
ড. মো: মিজানুর রহমান ছবি: নয়া দিগন্ত গ্রাফিক্স

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-ডাকসু শুধু ছাত্র প্রতিনিধি প্রতিষ্ঠান নয়; এটি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাগার। ক্ষমতা, প্রতিনিধিত্ব, জবাবদিহি ও প্রাতিষ্ঠানিক ধারাবাহিকতা যেমন জাতীয় গণতন্ত্রের মান নির্ধারণ করে, ডাকসুর ক্ষেত্রেও তা প্রযোজ্য। প্রশ্ন হলো— ডাকসু কি ক্ষমতাকেন্দ্রিক ছাত্ররাজনীতি থেকে প্রতিনিধিত্ব, সেবা ও প্রাতিষ্ঠানিক গণতন্ত্রের দিকে এগোতে পেরেছে?
ডাকসু যাত্রা শুরু করে ১৯২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে। ভাষা আন্দোলন, স্বাধিকার আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিন্তু স্বাধীনতার পর এর নির্বাচন ও ধারাবাহিকতা বারবার বাধাগ্রস্ত হয়েছে। ২০১৯ সালের নির্বাচন অচলাবস্থা ভাঙলেও ধারাবাহিকতা প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি। ফলে ২০২৫ সালের নির্বাচন ছিল প্রতিনিধিত্ব ও প্রাতিষ্ঠানিক গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা।
নানা জটিলতা ও আইনি সঙ্কট পেরিয়ে ৯ সেপ্টেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং ১৪ সেপ্টেম্বর নতুন কমিটি দায়িত্ব নেয়। ভিপি সাদিক কায়েম, জিএস এস এম ফরহাদসহ তাদের সমর্থিত প্রার্থীরা ২৮টি পদের মধ্যে ২৩টিতে এবং হল সংসদেও নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করেন। উল্লেখযোগ্য হলো— যে ছাত্রসংগঠনটি বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন প্রকাশ্য রাজনীতির সুযোগ পায়নি, তাদের এই বিজয় ক্যাম্পাসের রাজনৈতিক বাস্তবতায় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। 
নবনির্বাচিত ডাকসুর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কাজ হলো— ক্ষমতার প্রচলিত সংস্কৃতি বদলানোর উদ্যোগ। গণরুম-গেস্টরুমের বিলুপ্তি এর সবচেয়ে বড় প্রতীকী উদাহরণ। ক্যাম্পাস রাজনীতিতে এগুলো রাজনৈতিক আনুগত্য, নিয়ন্ত্রণ ও ভয়ের সংস্কৃতির সাথে যুক্ত ছিল। এটি নিয়ন্ত্রণমূলক ক্ষমতা থেকে সক্ষমতামূলক ক্ষমতার দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করে।
ছাত্র সংসদের সাফল্য মাপা উচিত তারা কতজন শিক্ষার্থীকে শিক্ষা, দক্ষতা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে সক্ষম করেছে। ডাকসুর ইতিবাচক দিক হলো— এই দ্বিতীয় ধরনের ক্ষমতার দিকে যাওয়ার চেষ্টা। এর বাস্তব প্রতিফলন দেখা যায় পরিবহন খাতে। এ খাতে প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকার কাজ হয়েছে। নতুন রুট, কুমিল্লা পর্যন্ত বাসসেবা, সান্ধ্যকালীন ও শনিবারের ট্রিপ এবং বাসের অবস্থান জানার ‘লালবাস’ অ্যাপ শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন সমস্যা সমাধানের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। প্রযুক্তির ব্যবহার পরিবহনব্যবস্থায় সময়, স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বাড়াতে পারে।
স্বাস্থ্যসেবায়ও উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা: মোহাম্মদ মোর্তজা মেডিক্যাল সেন্টারের অবকাঠামো উন্নয়নে প্রায় তিন কোটি টাকার কাজ হয়েছে। তুরস্কের কারিগরি সহযোগিতায় অ্যাম্বুলেন্স, এক্স-রে, ইসিজি ও বিভিন্ন পরীক্ষার যন্ত্র যুক্ত হয়েছে। বিভিন্ন চিকিৎসা শিবিরে পাঁচ সহস্রাধিক শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা প্রশিক্ষণ, ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও হলভিত্তিক ছারপোকা নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগও শিক্ষার্থী কল্যাণকে গুরুত্ব দেয়ার প্রমাণ।
অবকাঠামো উন্নয়নেও উল্লেখযোগ্য অর্থ ব্যয়ের কথা জানানো হয়েছে। গণরুমের কিছু অংশ পাঠকক্ষে রূপান্তর, সেখানে শীতাতপনিয়ন্ত্রণ ও কম্পিউটার সুবিধা এবং বিভিন্ন হলে শরীরচর্চাকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগও ইতিবাচক।
নারীশিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও কিছু উদ্যোগ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। শারীরিক শিক্ষাকেন্দ্রে প্রায় ৬৫ লাখ টাকার উন্নয়ন, কলাভবনে শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানোর কক্ষ, মেয়েদের কমনরুমে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ, ছাত্রী হলে ১০ হাজারের বেশি স্যানিটারি ন্যাপকিন বিতরণ এবং প্রায় এক হাজার নারীশিক্ষার্থীকে হিজাব দেয়া হয়েছে। মাতৃত্বকালীন ছুটির ব্যবস্থাও করা হয়েছে। এগুলোকে নারীবান্ধব ও লিঙ্গ-সংবেদনশীল পরিচালন ব্যবস্থার সূচনা হিসেবে দেখা যায়।
তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল সম্পদ তার ভবন নয়, শিক্ষার্থী। অর্থনীতির মানবসম্পদ তত্ত্ব অনুযায়ী জ্ঞান, দক্ষতা, স্বাস্থ্য ও সক্ষমতায় বিনিয়োগই দীর্ঘমেয়াদি উৎপাদনশীলতার ভিত্তি। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে ডাকসুর দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানমূলক উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন বিনামূল্যের কোর্স, আবাসিক হলে কম্পিউটার ল্যাব, চীনের ৩১টির বেশি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে চাকরি মেলা এবং প্রায় ৪৩০টি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির উদ্যোগ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কর্মজীবনে উত্তরণের সেতু তৈরির চেষ্টা। সাতটি আন্তর্জাতিক গবেষণা সাময়িকীতে বিনামূল্যে প্রবেশাধিকারও ইতিবাচক পদক্ষেপ।
সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও ডাকসু সক্রিয় ছিল। ২৭টি বই প্রকাশ, বিভিন্ন সেমিনার, সম্মেলন ও সাংস্কৃতিক আয়োজন এবং ২৭০ শিক্ষার্থীকে নিরাপত্তা ও আইনি সহায়তা দেয়ার দাবি দেখায় যে, এ কার্যক্রম শুধু রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ ছিল না। সংস্কৃতি, জ্ঞান ও আইনি সহায়তাকে ছাত্রকল্যাণের সাথে যুক্ত করা ছাত্র সংসদের সামাজিক ভূমিকা বিস্তৃত করেছে। 
তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো— অর্থায়ন ও জবাবদিহি। ডাকসুর দাবি অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে দুই দফায় ৩৫ লাখ টাকা পেলেও ব্যক্তি, অ্যালামনাই, দেশী-বিদেশী প্রতিষ্ঠান ও করপোরেট সহযোগিতায় প্রায় ৩০-৪০ কোটি টাকার কাজ ও উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এই সম্পদ সংগ্রহের সক্ষমতা প্রশংসনীয় হলেও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে আর্থিক স্বচ্ছতা আরো গুরুত্বপূর্ণ। কারণ জবাবদিহি ছাড়া বৈধতা অসম্পূর্ণ। অর্থের উৎস, প্রকল্পভিত্তিক ব্যয় ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের তথ্য শিক্ষার্থীদের জানার অধিকার রয়েছে। নিয়মিত নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী, ব্যয়ের হিসাব ও অর্থদাতাদের তথ্য প্রকাশ করা গেলে ভবিষ্যতে ডাকসুর প্রতি আস্থা আরো বাড়বে। অন্যদিকে, এক বছরের সীমাবদ্ধতাও স্পষ্ট। আবাসন সঙ্কট, নিরাপত্তা, খাবারের মান ও প্রশাসনিক সেবায় ঘাটতি আছে। এগুলোর দায় অবশ্য ডাকসুর ওপর বর্তায় না। ছাত্র সংসদ কোনো প্রশাসন নয়; এটি শিক্ষার্থীদের স্বার্থ ও অধিকার রক্ষায় প্রতিনিধিত্বকারী প্রতিষ্ঠান। তার বাজেট ও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ক্ষমতা সীমিত এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতার ওপর অনেক ক্ষেত্রে নির্ভরশীল। তাই প্রশ্ন হলো— সেই দায়িত্ব পালনের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা কি দেয়া হয়েছে? 
এ কারণে ডাকসু ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সম্পর্ক নতুন করে নির্ধারণ প্রয়োজন। ছাত্র সংসদ প্রশাসনের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, আবার অধীনস্থও নয়। আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অংশগ্রহণমূলক পরিচালন ব্যবস্থা হলো— প্রশাসন সিদ্ধান্ত নেবে; কিন্তু শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়ায় অর্থবহ অংশগ্রহণ করবে। আবাসন, পরিবহন, খাদ্য, নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোর মতো বিষয়ে ডাকসুর প্রতিনিধিত্বমূলক ভূমিকা প্রাতিষ্ঠানিক করা দরকার।
ডাকসুর সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক অর্জন সম্ভবত এখানেই। রাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্যেও একটি নির্বাচিত ছাত্র সংসদের টিকে থাকা। বাংলাদেশের ক্যাম্পাস রাজনীতিতে ক্ষমতার পরিবর্তনের সাথে ছাত্র সংগঠনের আধিপত্য পরিবর্তনের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। সেই বাস্তবতায় নির্বাচিত ডাকসুর মেয়াদ পূর্ণ হওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক ধারাবাহিকতা। গণতন্ত্র শুধু নির্বাচন নয়; নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানের নিয়মিত কার্যক্রম ও ক্ষমতা হস্তান্তরের সংস্কৃতিও গণতন্ত্রের অংশ।
এই এক বছরের আরেকটি শিক্ষা হলো— ছাত্ররাজনীতির ভবিষ্যৎ শুধু মতাদর্শিক স্লোগানে নয়, কর্মদক্ষতাভিত্তিক বৈধতাতেও নির্ভর করবে। একটি নেতৃত্ব কী বাস্তব ফলাফল তৈরি করেছে, শিক্ষার্থীদের জীবনে কী পরিবর্তন এনেছে এবং প্রতিশ্রুতির কতটুকু বাস্তবায়ন করেছে— সেটিও তার বৈধতার ভিত্তি হবে। তবে কর্মদক্ষতার সাথে মূল্যবোধের ভারসাম্যও জরুরি। ছাত্র সংসদ যদি শুধু বাস, জিম, পাঠকক্ষ ও চাকরি মেলায় সীমাবদ্ধ হয়ে যায়, তার ঐতিহাসিক রাজনৈতিক ভূমিকা দুর্বল হবে। আবার শুধু রাজনৈতিক আন্দোলনে ব্যস্ত থেকে শিক্ষার্থীর দৈনন্দিন জীবন উপেক্ষা করলেও তা উদ্দেশ্য থেকে বিচ্যুতি। একটি আধুনিক ডাকসুকে তাই একই সাথে নৈতিক নেতৃত্ব, গণতান্ত্রিক প্রতিনিধিত্ব ও কার্যকর ছাত্রসেবা নিশ্চিত করতে হবে।
সব মিলিয়ে সাদিক কায়েমের নেতৃত্বাধীন ডাকসুকে নিখুঁত সাফল্যের মডেল বলা যাবে না। তবে এটি ক্ষমতার সংস্কৃতি থেকে প্রতিনিধিত্বের সংস্কৃতির দিকে একটি সম্ভাব্য পরিবর্তনের সূচনা করতে পেরেছে। এ সাফল্য সামান্য নয়। সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ হলো— একটি নির্বাচিত ছাত্র সংসদ তার মেয়াদ পূর্ণ করে নিয়মতান্ত্রিকভাবে দায়িত্ব হস্তান্তরের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। ছাত্র সংসদের সাফল্য শুধু কিছু প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্যে সীমিত নয়; বরং এটি কী ধরনের রাজনৈতিক সংস্কৃতি, মূল্যবোধ ও প্রাতিষ্ঠানিক উত্তরাধিকার রেখে গেছে, তার মধ্যেই তার দীর্ঘমেয়াদি তাৎপর্য নিহিত।
নিয়মিত নির্বাচন, শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তর, আর্থিক ও রাজনৈতিক জবাবদিহি, বিরোধী মতের নিরাপত্তা এবং শিক্ষার্থীর অধিকার ও কল্যাণকে দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে স্থান দিতে পারলেই এই পরিবর্তন দীর্ঘস্থায়ী হবে। 
মেয়াদ শেষে ক্ষমতা আঁকড়ে না ধরে নিয়মতান্ত্রিকভাবে দায়িত্ব হস্তান্তরের মানসিকতা সাংবিধানিকতাবাদ ও প্রাতিষ্ঠানিক নিয়মের প্রতি আনুগত্যের শিক্ষা দেয়। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে সাদিক কায়েমের নেতৃত্বে ডাকসুর ছাত্র-ছাত্রীদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে হাতে চিঠি তুলে দিয়ে বিদায় নেয়া একটি তাৎপর্যপূর্ণ উদ্যোগ। বিদায়ী চিঠিতে এক বছরের কর্মকাণ্ডের সাফল্য ও শিক্ষার্থীদের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতার পাশাপাশি জবাবদিহি, ভবিষ্যতের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং ডাকসুর ধারাবাহিকতা ও নিয়মিত নির্বাচন নিশ্চিত করার আহ্বান রয়েছে। শেষ পর্যন্ত এই বিদায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তাই দেয়— নেতৃত্ব ক্ষণস্থায়ী, প্রতিষ্ঠান স্থায়ী; ব্যক্তির মেয়াদ শেষ হলেও প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে যেতে হয়। আর এই প্রাতিষ্ঠানিক ধারাবাহিকতাই ডাকসুর পুনর্জাগরণকে একটি সাময়িক ঘটনা থেকে দীর্ঘমেয়াদি গণতান্ত্রিক উত্তরাধিকারে রূপ দিতে পারে।
শেষ পর্যন্ত ডাকসুর সবচেয়ে বড় উত্তরাধিকার হতে পারে একটি মৌলিক ধারণা— ছাত্ররাজনীতি ক্ষমতা দখলের জন্য নয়, শিক্ষার্থীকে ক্ষমতাবান করার জন্য; ছাত্র সংসদ আধিপত্যের জন্য নয়, প্রতিনিধিত্বের জন্য; আর নেতৃত্ব পদ আঁকড়ে রাখার জন্য নয়, প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করে পরবর্তী প্রজন্মের হাতে তুলে দেয়ার জন্য। এই ধারণা টিকে থাকলেই ডাকসুর পুনর্জাগরণ বাংলাদেশের গণতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে থাকবে। 


লেখক : অর্থনীতিবিদ গবেষক ও কলামিস্ট