লোড হচ্ছে...
সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মো: ছুফি উল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
১০ দিন আগে

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) হাবিবুর রহমান চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে অবগত করা হয়েছে।
১১ দিন আগে

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ (পরিদর্শক) হাবিবুর রহমান চিকিৎসকের বরাত দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের জরুরী বিভাগে মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।
১৬ দিন আগে

সিআইডি জানায়, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অনুযায়ী পরিবেশগত অপরাধের মাধ্যমে অর্জিত অর্থ হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে এর প্রকৃত উৎস গোপনের অভিযোগ অনুসন্ধান করা হয়েছে।
১৯ দিন আগে

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী একজন ব্যবসায়ী। ২০২৫ সালের আগস্টে সংঘবদ্ধ চক্রটি টেলিগ্রাম আইডি থেকে তাকে অনলাইনে খণ্ডকালীন চাকরির প্রস্তাব দেয়। নেদারল্যান্ডসের একটি প্রতিষ্ঠানের আদলে নকল ওয়েবসাইট তৈরি করে একটি ট্রাভেল প্ল্যাটফর্মে বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে ইতিবাচক রেটিং ও ফিডব্যাক দেয়ার বিনিময়ে দৈনিক ৮০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা আয়ের প্রলোভন দেখানো হয়। প্রস্তাবে আকৃষ্ট হয়ে কাজ শুরু করলে তাকে কয়েক দফায় পারিশ্রমিকও দেয়া হয়। পরে তাকে একটি টেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত করা হয়। সেখানে প্রতিষ্ঠানের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে ১ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা বিনিয়োগে আকর্ষণীয় মুনাফার প্রস্তাব দেয়া হয়।
২১ দিন আগে

সিআইডির অনুসন্ধানে কেএনএফের ৪০ হাজার সেট চার রঙের ক্যামোফ্লেজ ইউনিফর্ম তৈরির ফ্যাব্রিক ও সেলাইয়ের কাজ বাবদ মোট এক কোটি ৬২ লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকা লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।
২৩ দিন আগে

সূত্র মতে, নোয়াখালীর সেনবাগের বাসিন্দা ভুক্তভোগী ওই যুবক প্রায় তিন বছর সৌদি আরবে কর্মরত ছিলেন। দেশে ফেরার পথে বিমানে এক সহযাত্রীর সাথে তার পরিচয় হয়। ওই সহযাত্রীর মাধ্যমে তিনি মানবপাচার চক্রের এক সদস্যের সাথে পরিচিত হন। চক্রের সদস্যরা তাকে লিবিয়া হয়ে নিরাপদে ইতালি পাঠানোর প্রলোভন দেখায়। এজন্য ১২ লাখ টাকার বিনিময়ে তাকে ইতালি পাঠানোর চুক্তি করা হয়।
২৫ দিন আগে

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো: হাবিবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, তারা দুইজনেই ভবঘুরে প্রকৃতির ছিলেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অসুস্থতাজনিত কারণে তাদের মৃত্যু হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
২৫ দিন আগে

ঘটনাস্থল থেকে উপস্থিত লোকজন তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
২৫ দিন আগে

সিআইডি জানায়, মামলার বাদিনীকে ইতালি পাঠানোর কথা বলে আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে বিভিন্ন সময়ে তার কাছ থেকে মোট ২৫ লাখ ৯৫ হাজার টাকা গ্রহণ করেন। পরে ২০২৪ সালের ১২ জুন তাকে লিবিয়ায় পাঠানো হয় বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। লিবিয়ায় পৌঁছানোর পর মানব পাচার চক্রের সহযোগীরা বাদিনীকে একটি স্থানে আটক রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে এবং তার কাছে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

যাত্রাবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো: আওলাদ হোসেন জানান, সকাল ৫টার দিকে খবর পেয়ে একটি গার্মেন্টসের বিপরীতে কাঁচাবাজার সংলগ্ন পাকা সড়ক থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়।
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

পল্টন থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহিদ হাসান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মিজানের লাশ উদ্ধার করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে সকাল পৌনে ৭টার দিকে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ডিআইজি (ভারপ্রাপ্ত) মো: সাইফুদ্দিন শাহীন বলেন, ‘বর্তমান প্রজন্ম একইসাথে বাস্তব ও ডিজিটাল দুই জগতেই বসবাস করছে। প্রযুক্তির বিস্তার মানুষের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করলেও এর সাথে সৃষ্টি হয়েছে নতুন ধরনের ঝুঁকি ও অপরাধ। তাই প্রযুক্তি ব্যবহারের পাশাপাশি এর নিরাপদ ব্যবহার সম্পর্কেও সমানভাবে সচেতন হতে হবে।’
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ওই ঘটনায় আদালতে স্বীকারোক্তি দেয়া আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে একটি গাড়িতে করে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেয় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মহানগর ডিবির ওসি জিন্নাত আলীসহ তার টিম।
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

টেলিগ্রাম অ্যাপের মাধ্যমে ভুয়া চাকরির প্রস্তাব দিয়ে অধিক মুনাফার প্রলোভনে ৯৪ লাখ ১৯ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সংঘবদ্ধ অনলাইন প্রতারক চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে...
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬


