
সাভারে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইটভাটা পরিচালনা ও পরিবেশদূষণের অভিযোগে তিন ব্যক্তি ও চার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি মানিলন্ডারিং মামলা দায়ের করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
সোমবার বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ঢাকার বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো: ছুফি উল্লাহ এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
পরিবেশ অধিদফতরের ঘোষিত ডিগ্রেডেড এয়ারশেড এলাকায় ইট প্রস্তুত কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকলেও সাভারের কয়েকটি ইটভাটায় অবৈধভাবে উৎপাদন চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগে মামলাগুলো দায়ের করা হয়।
সিআইডি জানায়, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অনুযায়ী পরিবেশগত অপরাধের মাধ্যমে অর্জিত অর্থ হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে এর প্রকৃত উৎস গোপনের অভিযোগ অনুসন্ধান করা হয়েছে।
মামলায় অভিযুক্তরা হলেন মো: জাকির হোসেন, মেসার্স এ বি এন অ্যান্ড কোম্পানির স্বত্বাধিকারী মো: আবু বকর, মেসার্স এমএইচএস স্টার ও মেসার্স এমএইচবি স্টার কোং-এর স্বত্বাধিকারী এবং কাওছার আহমেদ, মেসার্স এ আই এম ব্রিকস কোং-এর স্বত্বাধিকারী। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট চারটি ইটভাটার মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইট উৎপাদন এবং পরিবেশগত অপরাধের মাধ্যমে অর্থ উপার্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
সিআইডির অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, সাভারকে ডিগ্রেডেড এয়ারশেড ঘোষণা করে ইট প্রস্তুত কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার পরও সংশ্লিষ্ট ইটভাটাগুলোতে উৎপাদন অব্যাহত ছিল।
এজাহারে উল্লেখ করা প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, এসব ইটভাটায় উৎপাদিত ইটের বাজারমূল্য প্রায় তিন কোটি টাকা। সিআইডির প্রাথমিক অনুসন্ধানে এ অর্থ পরিবেশগত অপরাধের মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়েছে।
সংস্থাটি আরো জানায়, পরিবেশদূষণ ও জনস্বাস্থ্যের ক্ষতিসাধনের সাথে সংশ্লিষ্ট মানিলন্ডারিং অপরাধে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে আইনের আওতায় আনতে অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে। তথ্য-প্রমাণ পাওয়া সাপেক্ষে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পরিচালিত অন্যান্য ইটভাটার বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








