
চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ঢাকায় পরিবহনের পথে কাভার্ডভ্যান থেকে ১৫ লাখ টাকা মূল্যের ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী চুরির ঘটনায় আন্তঃজেলা চোর চক্রের এক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
মঙ্গলবার বাংলাদেশ পুলিশের সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) স্বাক্ষরিত এক ক্ষুদে বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
সিআইডি জানায়, রোববার (৪ অক্টোবর) চীন থেকে আমদানি করা মাইক্রোফোন, মাইক্রোফোন স্ট্যান্ড, টেলিপ্রম্পটার, সফট বক্স, মোবাইল ফোন হোল্ডারসহ মোট ১ হাজার ২৬০ কার্টুন ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী চট্টগ্রাম বন্দর থেকে তিনটি কাভার্ডভ্যানে ঢাকায় মেসার্স আবেদিন এন্টারপ্রাইজের উদ্দেশে পাঠানো হয়। ফিউচার প্লাস লজিস্টিকস ট্রান্সপোর্ট কোম্পানির মাধ্যমে পরিবহন করা এসব মালামালের আনুমানিক মূল্য ছিল ৭০ লাখ টাকা।
পরদিন সোমবার (৫ অক্টোবর) রাত ২টা ৩৫ মিনিটে কাভার্ডভ্যানগুলো ঢাকার পুরানা পল্টনে মেসার্স আবেদিন এন্টারপ্রাইজের গোডাউনে পৌঁছায়। এ সময় দুইটি কাভার্ডভ্যানের মালামাল যথাযথভাবে পাওয়া গেলেও মো: রাবিউল নামের চালকের মাধ্যমে পাঠানো চট্টগ্রাম মেট্রো-ট-১১-৯২৯৭ নম্বরের কাভার্ডভ্যানে থাকা ৪১০ কার্টুনের মধ্যে ৩৪৩ কার্টুন পাওয়া যায়। বাকি ৬৭ কার্টুন মালামাল, যার আনুমানিক মূল্য ১৫ লাখ টাকা, নিখোঁজ ছিল।
এ ঘটনায় সোমবার (২ নভেম্বর) মেসার্স আবেদিন এন্টারপ্রাইজের মালিকের পক্ষে মো: কুতুব উদ্দিন মজুমদার পল্টন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। যার নম্বর ১১৯।
জিডির তথ্যের ভিত্তিতে সিআইডির একটি আভিযানিক দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অবস্থান শনাক্ত করে। পরে পল্টন থানা পুলিশের সহযোগিতায় ওই দিন সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটে মিরপুর থানাধীন দারুসসালাম রোডের পূর্ব পাশে মিসকো সুপার মার্কেটের ৪০ নম্বর দোকান হাসান এন্টারপ্রাইজের সামনে পাকা রাস্তায় অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার রণগোপালদী গ্রামের মো: সুজন হোসেনকে (২১) গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার হেফাজত থেকে চুরি হওয়া ১৩ লাখ টাকা মূল্যের ২৪ কার্টুন মালামাল উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতার আসামি ও উদ্ধার করা মালামাল পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পল্টন থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় মো: কুতুব উদ্দিন মজুমদারের দায়ের করা এজাহারের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) পল্টন থানায় মামলা হয়েছে। মামলার নম্বর ০২। দণ্ডবিধির ৪০৭, ৩৭৯ ও ৪১১ ধারায় মামলাটি করা হয়েছে।
চুরি হওয়া বাকি মালামাল উদ্ধার এবং ঘটনার সাথে জড়িত চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে সিআইডির অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মামলার তদন্তও চলছে বলেও জানায় সিআইডি।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








