লোড হচ্ছে...
প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্র নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আরো দুজন আহত হয়েছে।
২৯ দিন আগে

গোপালগঞ্জ থেকে ঢাকাগামী অজ্ঞাতপরিচয় একটি গাড়ি তাকে ধাক্কা দিলে তিনি রাস্তার ওপর ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। মুমূর্ষ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত মেডিক্যাল অফিসার আরএমও ডা: মামুনুর রহমান মৃত ঘোষণা করেন।
২৯ দিন আগে

ডাববোঝাই একটি নসিমনের সাথে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি জিক্সার মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় আরো দু’টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই রিমন মোল্লা ও আমিন খান মারা যায়।
৩ অক্টোবর, ২০২৬

আলমগীর প্রধান নিজেই মোটরসাইকেল চালিয়ে সড়ক দিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা অপর একটি মোটরসাইকেলের সাথে তার মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
৩ অক্টোবর, ২০২৬

নিহত উজ্জলের লাশ দেশে আনা ও দাফনের বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে দাবি জানানো হয়েছে।
৩ অক্টোবর, ২০২৬

শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ আইয়ুব আলী বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। সেখান থেকে লাশ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
৩ অক্টোবর, ২০২৬

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, সড়কের বাঁকে দ্রুতগতিতে আসা দুই যানবাহন নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পারায় মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
৩ অক্টোবর, ২০২৬

রিপন বাইসাইকেল যোগে মুকসুদপুরের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় বিপরীত দিক থেকে গোপালগঞ্জগামী ইমাদ পরিবহনের একটি বাস তাকে ধাক্কা দেয়।
৩ অক্টোবর, ২০২৬

‘আমার দেবর গাজীপুরে দিনমজুরের কাজ করতেন। শাশুড়ি, ভাতিজি আর তার ছেলেকে নিয়ে যাওয়ার জন্য বাড়িতে এসেছিলেন। ভাতিজি মর্জিনা দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিল। একসাথে পরিবারে এতজনকে হারিয়ে শোকাহত আমাদের পরিবার।’
২ অক্টোবর, ২০২৬

মোটরসাইকেলের সাথে আলমসাধুর সংঘর্ষে স্কুলছাত্র নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আরো দুজন আহত হয়েছে।
২ অক্টোবর, ২০২৬

সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি এমনভাবে দুমড়ে-মুচড়ে যায় যে ভেতর থেকে লাশ বের করতে উদ্ধারকর্মীদের বেগ পেতে হয়েছে।
২ অক্টোবর, ২০২৬

উপজেলার জলিরপাড় ইউনিয়নের মুন্সি কলিগ্রাম এলাকায় মুরগী বোঝাই অটোভ্যান চালিয়ে যাওয়ার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার খাঁদে পড়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
২ অক্টোবর, ২০২৬

পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মহাসড়কে যানজট এড়াতে ও যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে স্থানীয়দের সহযোগিতায় যানবাহনগুলো সড়ক থেকে সরিয়ে নেয়।
২ অক্টোবর, ২০২৬

পুলিশ জানায়, পিকআপভ্যানটি মতলব দক্ষিণের দিকে যাওয়ার সময় ব্রিজে ওঠে। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা অজ্ঞাত একটি ছয় চাকার গাড়ি পিকআপভ্যানটিকে ধাক্কা দেয়। এতে পিকআপের চালকের পাশে বসা অহিদুল ইসলাম মাথায় গুরুতর আঘাত পান। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। পরে অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকায় নেয়ার পথে রাত সাড়ে ৮টার দিকে মতলব উত্তর উপজেলার শ্রীরায়েরচর বাংলা বাজার এলাকায় তার মৃত্যু হয়।
২ অক্টোবর, ২০২৬

১৫ সেপ্টেম্বর দুপুরে উপজেলার গয়েশপুর বাজার এলাকায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সাথে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এতে গুরুতর আহত হয় রাজিম।
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে মিঠু ও আলামিন একটি মোটরসাইকেলযোগে দ্রুতগতিতে পরানপুরের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে পোলট্রি ফার্মের মোড়ে পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের একটি গাছের সাথে ধাক্কা লাগে। এ সময় মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই চালক মিঠুর মৃত্যু হন এবং আলামিন গুরুতর আহত হন।
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

যাত্রাবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো: আওলাদ হোসেন জানান, সকাল ৫টার দিকে খবর পেয়ে একটি গার্মেন্টসের বিপরীতে কাঁচাবাজার সংলগ্ন পাকা সড়ক থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়।
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে চালক ঘুমন্ত অবস্থায় থাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। লাশ উদ্ধার করে আইনগত প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হচ্ছে।
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

গৌরী রানী ওষুধ কেনার জন্য বোর্ডবাজার থেকে গাজীপুর শহরে আসেন। এক পর্যায়ে রাজবাড়ি রোডের রেল ক্রসিং এলাকায় সড়ক পার হওয়ার সময় অজ্ঞাতপরিচয় একটি গাড়ি তাকে চাপা দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

পল্টন থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহিদ হাসান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মিজানের লাশ উদ্ধার করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে সকাল পৌনে ৭টার দিকে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬


