লোড হচ্ছে...
‘১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্রের চর্চা ও জাতীয় স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব শক্তিশালী করার নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছিল। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বন্ধ দরজা খুলে দিয়েছিলেন।’
২ ঘণ্টা ৭ মিনিট আগে

বিবৃতিতে বিএজে নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘প্রকাশ্যে ভিডিওতে একটি শীর্ষস্থানীয় সংবাদপত্র ছিঁড়ে ফেলা কেবল একটি পত্রিকার প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন নয়, বরং তা মুক্ত সাংবাদিকতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপর সরাসরি আঘাতের শামিল। কোনো সংবাদ বা প্রতিবেদনে ভুল থাকলে কিংবা কোনো বক্তব্যে আপত্তি থাকলে তথ্য ও যুক্তি দিয়ে প্রতিবাদ জানানোর, প্রেস কাউন্সিলে যাওয়ার অথবা আইনি প্রতিকার চাওয়ার সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক পথ খোলা রয়েছে। কিন্তু সেসব পদক্ষেপ না নিয়ে আক্রমনাত্মক ভঙ্গিতে প্রকাশ্যে সংবাদপত্র ছিঁড়ে হুমকি ছড়ানো কোনোভাবেই দায়িত্বশীল আচরণ হতে পারে না। মতের অমিলের জবাব দিতে হবে যুক্তি ও সত্য দিয়ে, সংবাদপত্র ছিঁড়ে নয়।’
৪ দিন আগে

বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান ফেসবুক লাইভে দৈনিক ‘আমার দেশ’ পত্রিকা ছেড়ায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে খেলাফত মজলিস। কোনো সংবাদে আপত্তি থাকলে আইনি পথ বা শালীনভাবে ক্ষোভ প্রকাশের আহ্বান জানান তারা।
৪ দিন আগে

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন লাইভে 'আমার দেশ' পত্রিকা ছিঁড়ে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ ও ফ্যাসিবাদী আচরণ করেছেন।
৫ দিন আগে

সরকার পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে, কিন্তু সেটি নিজে স্থায়ী সমাধান নয়। যে কাঠামোর মধ্যে ক্ষমতার অপব্যবহার সম্ভব, সেই কাঠামো অপরিবর্তিত থাকলে নতুন সরকারও একই সমস্যার মুখোমুখি হতে পারে। দেখতে হবে, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো কিভাবে কাজ করছে। পুলিশ কি রাজনৈতিক নির্দেশের বাইরে থেকে আইন প্রয়োগ করতে পারছে? মানবাধিকার কমিশন কি স্বাধীনভাবে অভিযোগ তদন্ত করতে পারছে? কেউ ক্ষমতার অপব্যবহার করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কার্যকর প্রক্রিয়া আছে কি না? নাগরিকরা স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ করতে পারছেন কি না? এসব প্রশ্নের উত্তর থেকেই বোঝা যাবে সংস্কার কতটা কার্যকর হয়েছে।
৬ দিন আগে

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন বলেছেন, ‘জনগণের সুরক্ষার পরিবর্তে সরকারের সুরক্ষার জন্য সাইবার সুরক্ষা আইন করা হচ্ছে।’
৯ দিন আগে

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপতথ্য ও গুজবের বিস্তার ঠেকাতে একটি সুসংগত ও কার্যকর সাইবার নিরাপত্তা আইনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে, তবে তা যেন কোনোভাবেই মূলধারার বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে ব্যাহত না করে, সে বিষয়টি সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে। একই সাথে অপতথ্য মোকাবিলায় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমে প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ মিনিটের নিয়মিত তথ্য যাচাই বা ‘ফ্যাক্ট চেক’ ভিত্তিক অনুষ্ঠান প্রচারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এ এ এম সালেহ শিবলী।
২০ দিন আগে

সভায় আগামী মাসের আলোচনার জন্য ‘কিশোর গ্যাং: সমস্যা ও উত্তরণের উপায়’ বিষয়টি নির্ধারণ করা হয়। পাশাপাশি ‘অন্য এক দিগন্ত’-এর নভেম্বর ২০২৬ সংখ্যার বিভিন্ন লেখা নিয়ে ঐচ্ছিক আলোচনা হবে। আগামী ১৩ নভেম্বর ক্লাবের পরবর্তী মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হবে।
২৮ দিন আগে

নূরুন্নিসা সিদ্দীকা এমপি বলেন, ‘বুধবার (৭ অক্টোবর) ঢাবির ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক তাসনিম সিরাজ মাহবুব কর্তৃক ক্লাসরুমে হিজাব-নেকাব পরিহিত ছাত্রীকে কটাক্ষ করা হয়েছে। এসময় তাকে ফান্ডামেন্টালিস্ট ও সন্ত্রাসী ট্যাগ দিয়ে হেনস্তা করা হয়। দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠে এ ধরনের ঘটনা অনাকাঙ্খিত ও নিন্দনীয়।’
২৮ দিন আগে

তথ্যমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনগণকে ভুল তথ্য ও অপতথ্য থেকে সুরক্ষা দেয়ার বিষয়টিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ সময় তিনি গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানহানিকর ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
৫ অক্টোবর, ২০২৬

মিডের নির্বাহী পরিচালক রাশেদুল হাসান বলেন, ‘সাংবাদিকদের ওপর নির্যাতন মুক্ত গণমাধ্যম ও জনগণের তথ্য জানার অধিকারের ওপর প্রত্যক্ষ আঘাত। প্রতিটি ঘটনার নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্ত, হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতকরণ করে সাংবাদিকদের সুরক্ষায় সরকারকে আন্তরিক হতে হবে।’
২ অক্টোবর, ২০২৬

প্রফেসর মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা বলেন, ‘আগামী বছরের শিক্ষাবর্ষ থেকে নবম-দশম শ্রেণির ‘বাংলা সাহিত্য’ বইয়ে জিয়াউর রহমানের লেখা ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’ নিবন্ধটি অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে এনসিসিসি চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। যার যতটুকু অবদান, তা নিরপেক্ষ ও নির্মোহভাবে পাঠ্যবইয়ে তুলে ধরতেই সরকার এ উদ্যোগ নিয়েছে।
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬


