লোড হচ্ছে...
কারারক্ষী আমিরুল ইসলাম জানান, কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়লে কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মেডিসিন বিভাগে ভর্তি করেন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
২৭ দিন আগে

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের আটক করে। পরে এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তাদেরকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়।
২৮ দিন আগে

দুই দিনের রিমান্ড শেষে আজ তাকে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজুর রহমান তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
২৮ দিন আগে

দুই দিনের রিমান্ড শেষে মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ।
২৯ দিন আগে

ছয় দিনের রিমান্ড শেষে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্টন মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো: নাজমুল ইসলাম।
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।
২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক হাবিবুর রহমান চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্ত করা হবে। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) তাকে ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সিদ্দিক আজাদ তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেন তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে পরা সোহরাব হোসেন নামের এক কয়েদি ঢাকা মেডিক্যালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী দুপুর ১২টায় তিনি পুরোনো কারাগার পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্টদের সাথে মতবিনিময়ও করেন।
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) তাদের হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এহসানুল ইসলাম তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

চলতি বছরের মার্চে একটি জুরি আলশেখকে ‘নির্যাতনের ষড়যন্ত্রের একটি অভিযোগ, নির্যাতনের তিনটি অভিযোগ, ভিসা জালিয়াতির একটি অভিযোগ এবং নাগরিকত্ব পাওয়ার প্রক্রিয়ায় জালিয়াতির চেষ্টার একটি অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে।
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

পুরোনো কারাগারের এই জায়গায় সিটি করপোরেশন কোনো বাণিজ্যিক স্থাপনা বা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারবে না। অর্থাৎ, নগরবাসীর জন্য নির্ধারিত এই জায়গার মূল উদ্দেশ্য থাকবে জনকল্যাণ ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা।
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬


