লোড হচ্ছে...
অধিকৃত পশ্চিম তীরের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর হেবরনে উচ্ছেদ করা হচ্ছে পরিবার, বেথলেহেমে বিকল্প সড়কেও বাধা
৮ দিন আগে

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ‘সড়কে যানজট, যত্রতত্র ময়লা ফেলা এবং পথচারীদের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টির জন্য বহুলাংশে দায়ী অবৈধ হকার ও ভাসমান দোকান। ঢাকাবাসী তথা সিটি করপোরেশন এ দুর্ভোগ থেকে মুক্তি চায়। তাই মানবিকতার দোহাই দিয়ে রাস্তা ও ফুটপাত দখলের কোনো সুযোগ নেই। ডিএসসিসির নির্ধারিত নিয়মের বাইরে দোকান বসালেই মালামাল জব্দ ও আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
৯ দিন আগে

অভিযানে ভুলতা, গোলাকান্দাইল ও সাওঘাট এলাকা পর্যন্ত ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্ট্যান্ড, দোকানপাট ও বিভিন্ন স্থাপনা ভেকু দিয়ে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়া হয়। এর আগে এক দিন মাইকিং করে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। এ কারণে অনেক ব্যবসায়ী নিজেরাই তাদের দোকানপাট ও স্থাপনা সরিয়ে নেন।
২০ দিন আগে

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
২০ দিন আগে

সরকারি খালের ওপর নির্মিত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে উপজেলা প্রশাসন।
২২ দিন আগে

মিরপুর-১০ এলাকায় হকার উচ্ছেদ-পরবর্তী পরিবেশ, পরিচ্ছন্নতা, ড্রেনেজ ও নগর ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন বিষয় সরেজমিনে দেখতে এই পরিদর্শন করেন ডিএনসিসি প্রশাসক।
২৭ দিন আগে

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, নগরবাসীর সুবিধা নিশ্চিত করতে নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে আজ মিরপুর-১০ এলাকায় ফুটপাত দখলমুক্ত করতে অভিযান চালানো হয়।
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: হাফিজুর রহমান জানান, সকালে হকার উচ্ছেদের সময় একটি ভবনে বৈদ্যুতিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ সময় ঘটনাস্থলে থাকা হকাররা সিটি করপোরেশনের গাড়িতে আগুন দেন এবং পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করেন।
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

অভিযান শেষে জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘নোয়াখালী শহরের যেসব স্থানে অবৈধ স্থাপনাসহ সড়কের পাশে দোকানপাট রয়েছে, সেগুলোও পর্যায়ক্রমে উচ্ছেদ করা হবে।’
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জনস্বার্থে ও আদালতের নির্দেশে এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে। সরকারি জায়গায় এ ধরনের উচ্ছেদ অভিযান ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে।
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬


