রূপগঞ্জে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ 
রূপগঞ্জের ভুলতা ও গোলাকান্দাইল এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। নয়া দিগন্ত

‎নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এসএম আব্দুল্লাহ বিন শফিকের ভ্রাম্যমাণ আদালত এ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সহযোগিতা করেন।

Advertisement

মঙ্গলবার (১৩  অক্টোবর) সকাল থেকে উপজেলার ভুলতা ও গোলাকান্দাইল এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। ‎

‎অভিযানে  ভুলতা, গোলাকান্দাইল ও সাওঘাট এলাকা পর্যন্ত ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্ট্যান্ড, দোকানপাট ও বিভিন্ন স্থাপনা ভেকু দিয়ে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়া হয়। এর আগে এক দিন মাইকিং করে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। এ কারণে অনেক ব্যবসায়ী নিজেরাই তাদের দোকানপাট ও স্থাপনা সরিয়ে নেন।

অভিযানের ফলে মহাসড়কের দখলমুক্ত অংশে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

‎এ সময় নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম, রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএইচএম সালাউদ্দিন, রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আনোয়ার সাদাত সায়েম, আশরাফুল রিপন, ভুলতা ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি আব্বাস উদ্দিন ভুইয়া, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল, ভুলতা ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি শাকিল আহমেদ নুরুসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা ও বিএনপি নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা বিএনপির নেতারা জানান, স্থানীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপুর নির্দেশনায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক দখলমুক্ত রাখতে উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা প্রশাসনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন।
‎
জেলা পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম বলেন, এর আগেও একাধিকবার উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। কিন্তু কিছুদিন পর আবারো ফুটপাত দখল করে দোকানপাট বসানো হয়। এবার রাজনৈতিক নেতাসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় অভিযান চালানো হচ্ছে, যাতে নতুন করে কেউ দখল করতে না পারে সে ব্যবস্থা নেয়া হবে। ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর অবস্থানে থাকবে।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এসএম আব্দুল্লাহ বিন শফিক বলেন, ‘মহাসড়ক দখলমুক্ত রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। আপাতত ৪০ জন স্বেচ্ছাসেবী নিয়মিতভাবে এখানে কাজ করবেন। পরবর্তী সময়ে সড়কে ডিভাইডার স্থাপন করে যানবাহন চলাচল আরো সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ করার উদ্যোগ নেয়া হবে।’