লোড হচ্ছে...
সম্মেলনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে অধ্যক্ষরা জাতীয় শিক্ষানীতি, সরকারের শিক্ষাদর্শন, উচ্চশিক্ষার উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত শিক্ষা-সংক্রান্ত অঙ্গীকার বাস্তবায়ন সম্পর্কে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা পাবেন।
১২ দিন আগে

‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) নতুন সুযোগ কাজে লাগিয়ে তরুণদের বৈশ্বিক মানের শিক্ষায় গড়ে তুলতে হবে। এক্ষেত্রে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ডিজিটাল সমাধান ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা দিতে গ্রামীণফোন প্রস্তুত।’
১৩ দিন আগে

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় পুরো শিক্ষাবর্ষ জুড়েই এ ধরনের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচি পালন করবে, যা শিক্ষার্থীদের সুস্থ ও আনন্দময় মনোজগৎ তৈরিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
১৩ দিন আগে

ভিসি অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেছেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে বেকার তৈরির কারখানা বলা হয়, কিন্তু বাস্তবতা তা নয়। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দেশে-বিদেশে বিভিন্ন খাতে কর্মরত রয়েছেন।
১৩ দিন আগে

বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর পরীক্ষা ও মূল্যায়নের প্রচলিত ব্যবস্থায় প্রযুক্তিনির্ভর পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। পরীক্ষা পরিচালনা থেকে মূল্যায়ন — পুরো প্রক্রিয়ায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে যুক্তরাজ্যের এ কিউ এ গ্লোবালের সাথে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
২৬ দিন আগে

‘দলাদলি বন্ধ করুন, নতুবা শিক্ষকতা ছেড়ে দিন’—অধিভুক্ত কলেজের শিক্ষকদের এমন কঠোর বার্তা দিয়েছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ।
২৮ দিন আগে

অ্যাপ্লাইড আইসিটি’ কোর্সের পাঠদানকে আরো কার্যকর করতে শিক্ষক প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে এ প্রশিক্ষণ কলেজ পর্যায়ে ছড়িয়ে দেয়া হবে।
২৯ দিন আগে

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা কী শিখছে, কিভাবে শিখছে ও সেই শিক্ষা বাস্তব জীবনে কিভাবে কাজে লাগাতে পারছে এসব বিবেচনায় নিয়েই সংশোধিত সিলেবাস তৈরি ও বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে যাচাই করা হচ্ছে।’
২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

‘বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের যুগে কর্মমুখী শিক্ষা ছাড়া চাকরি বা কর্মসংস্থান ধরে রাখা সম্ভব হবে না’ বলে মনে করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ।
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি বলেন, ‘টেকনাফের শিক্ষার্থীদের মূলধারায় ফিরিয়ে আনতে হলে প্রথমেই তাদের জন্য মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।’
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ড. আমানুল্লাহ বলেন, ‘শিক্ষাকে আনন্দময় ও প্রাণবন্ত করতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। খেলার মাঠ শিক্ষার্থীদের কেবল সুস্থ রাখে না, বরং তাদের মধ্যে শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব, পারস্পরিক সহযোগিতা ও জয়-পরাজয় মেনে নেয়ার ইতিবাচক মানসিকতা তৈরি করে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় শুধু অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সারাদেশের অধিভুক্ত কলেজগুলোর শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে সহশিক্ষা কার্যক্রম আরো গতিশীল করবে।’
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

‘প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের দাফতরিক কাজেও পরিবর্তন আনতে হবে। কর্মকর্তাদের দক্ষতা বাড়াতে নিয়মিত প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত দক্ষতা কাজে লাগানো গেলে দাফতরিক কাজের গতি ও স্বচ্ছতা বাড়বে।’
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

‘সমাবর্তন শুধু আনুষ্ঠানিক আয়োজন নয়; একজন শিক্ষার্থীর দীর্ঘ শিক্ষাজীবনের অর্জন ও সাফল্যের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির দিন। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর প্রত্যাশা বিবেচনায় নিয়ে একটি স্মরণীয় সমাবর্তন আয়োজন করতে হবে।’
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

রাষ্ট্রপতির সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন উদ্যোগের ব্যাপারে রাষ্ট্রপতিকে অভিহিত করা হয়।
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫ সালের ডিগ্রি (পাস) ও সার্টিফিকেট কোর্স প্রথম বর্ষের ২৩ সেপ্টেম্বরের পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে।
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ভিসি প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, ‘আমরা চাই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে মেধাবী ও যোগ্য শিক্ষার্থীরা স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভর্তির সুযোগ পাক। পরীক্ষার্থীরা যেন কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই পরীক্ষা দিতে পারে, আমরা সে বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছি।’
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

পরীক্ষার আবেদন ফরম জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটের ems.nu.ac.bd থেকে সংগ্রহ করতে হবে। অনলাইনে তথ্য পূরণের পর প্রিন্ট কপি যাচাই করে কলেজের অধ্যক্ষের স্বাক্ষর নিতে হবে।
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

অধিভুক্ত কলেজগুলোর শিক্ষার মান, শিক্ষক-কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালন এবং আয়-ব্যয়ের ওপর কঠোর নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬


