
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৪০ লাখ শিক্ষার্থীর স্বাস্থ্যসেবা, মানসিক সুস্থতা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে ‘ক্যারিয়ার অ্যান্ড ওয়েলবিং সেন্টার’ (সিডব্লিউসি) প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ সেন্টারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা, জেনেটিক কাউন্সেলিং, মানসিক স্বাস্থ্য পরামর্শ এবং কর্মমুখী দক্ষতা উন্নয়নের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। পাশাপাশি ইন্টার্নশিপ ও চাকরির সুযোগ তৈরিতেও কাজ করবে সেন্টারটি।
এ লক্ষ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও বায়োটেডের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। শুক্রবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর কার্যালয়ে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে এতে স্বাক্ষর করেন ভিসি অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ। বায়োটেডের পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ড. মোহাম্মদ শওগাতুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো: নাজমুল হোসাইন, রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেন, ইন্টারন্যাশনাল ডেস্কের পরিচালক রাজ বিন কাসেম এবং জেনএক্স হেলথের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মুনিয়া আমিন উপস্থিত ছিলেন।
সমঝোতা অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান অবকাঠামো ও অধিভুক্ত কলেজগুলোর নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে সেন্টারটির কার্যক্রম পরিচালিত হবে। শিক্ষার্থীদের থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী গোপনীয় জেনেটিক কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কাউন্সেলিংয়ের পাশাপাশি প্রয়োজন হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে পাঠানো হবে। এসব সেবায় শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষার বিষয়েও গুরুত্ব দেয়া হবে।
এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের উপযোগী করতে চারটি খাতে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এগুলো হলো—ডিজিটাল সেবা, ব্যবসা ও অর্থায়ন, ইংরেজি ও কর্মক্ষেত্রে যোগাযোগ এবং কেয়ার ও স্বাস্থ্যসেবা সহায়তা। প্রচলিত শিক্ষাক্রমের পরিপূরক হিসেবে এসব প্রশিক্ষণ পরিচালিত হবে।
চাকরির প্রস্তুতির অংশ হিসেবে জীবনবৃত্তান্ত তৈরি, সাক্ষাৎকারের প্রস্তুতি, ব্যবহারিক কাজ ও ইন্টার্নশিপের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। ডিগ্রি শেষ হওয়ার আগেই শিক্ষার্থীরা যাতে বাস্তবভিত্তিক প্রকল্পে কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারেন, সে উদ্যোগও নেয়া হয়েছে। প্রশিক্ষণ শেষে নিয়োগদাতাদের সঙ্গে যোগাযোগ ও চাকরির সুপারিশের ব্যবস্থাও থাকবে। বিশেষ করে নারী স্নাতকদের কর্মসংস্থানে গুরুত্ব দিয়ে তাদের জন্য পৃথক সহায়তা ডেস্ক ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করবে সেন্টারটি।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








