লোড হচ্ছে...
গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা জানিয়েছে, তাল আল-হাওয়া এলাকায় ছয়তলা ভবনটিতে ইসরাইলের সাথে যুদ্ধের কারণে বাস্তুচ্যুত মানুষরা বসবাস করছিলেন।
১০ ঘণ্টা ৫২ মিনিট আগে
ফিলিস্তিনিদের প্রতি ইসরাইলের আচরণ নিয়ে সম্প্রতি ইউরোপের বেশিভাগ দেশের সাথে ইসরাইলের সম্পর্কে শীতলতা তৈরি হলেও স্লোভেনিয়া এই প্রবণতার বিপরীত পথে হাঁটছে।
৭ দিন আগে
গাজা স্ট্রিপ থেকে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, আল জাজিরা মুবাশের প্রতিনিধি মোহাম্মদ উইশাহ ইসরায়েলের ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছেন। বুধবার (৮ এপ্রিল) গাজা সিটির পশ্চিমে আল-রাশিদ রোডে উইশাহের গাড়িতে এ হামলা করে ইসরায়েল। হামলায় গাড়ি বিস্ফোরিত হয়ে নিহত হন তিনি।
৯ এপ্রিল, ২০২৬
গাজায় প্রায় আড়াই বছর ধরে ইসরাইলি আগ্রাসনের ধ্বংসলীলা অব্যাহত রয়েছে, যার ফলে শত শত স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় ধ্বংস হয়ে গেছে। তবে, এমন পরিস্থিতিতেও গাজার শিক্ষাব্যবস্থা থেমে যায়নি। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, গাজার শিক্ষার্থীরা সমুদ্র সৈকতে বসে পরীক্ষা দিচ্ছে। এই দৃশ্যটি বিশ্ববাসীর মধ্যে গভীর প্রভাব ফেলেছে। ভিডিওটির সাথে অনেকে লিখেছেন, ‘গাজার শিক্ষার্থীরা স্কুল-বিশ্ববিদ্যালয় ধ্বংস হয়ে যাওয়ার পরও সৈকতে বসে পরীক্ষা দিচ্ছে। কে পারবে এই মানুষের ইচ্ছাশক্তি ভাঙতে?’ অন্যদিকে, আরেকজন লিখেছেন, ‘হানাদাররা স্কুল ভেঙেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে বোমা মেরেছে, সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছে। কিন্তু ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থীর মনোবল ভাঙতে পারেনি এবং পারবেও না।’
৩ এপ্রিল, ২০২৬
আমি গাজায় অনেক মৃত্যু দেখেছি। সেগুলো স্বাভাবিক মৃত্যু ছিল না; ছিল নৃশংস ও পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। কিন্তু ইউনিফর্ম পরা অবস্থায় সমাহিত স্বাস্থ্যকর্মীদের লাশ খুঁড়ে বের করার সেই ভয়াবহ দৃশ্য আমার স্মৃতিতে চিরস্থায়ী হয়ে আছে। গত বছর আমি ফিলিস্তিনে মানবিক সহায়তা সমন্বয়কারী হিসেবে জাতিসংঘের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলাম। সে সময় দক্ষিণ গাজায় 'প্যালেস্টাইন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি' (PRCS) এবং সিভিল ডিফেন্সের উদ্ধারকারীরা নিখোঁজ হন। তারা নিহত হওয়ার পর এক সপ্তাহ পর্যন্ত আমরা জানতাম না তারা জীবিত না মৃত। প্রতিদিন আমরা তাদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করেছি, কিন্তু ইসরায়েলি বাহিনী আমাদের পথ আটকে দেয়। আমরা দেখেছি রাস্তা অবরোধ করে রাখা হয়েছে এবং পালিয়ে যাওয়া সাধারণ মানুষের ওপর সেনারা গুলি চালাচ্ছে।
৩১ মার্চ, ২০২৬
বিদ্যুৎ অবকাঠামোতে হামলার হুমকি থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্প সরে আসার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইরানের দুটি গ্যাস স্থাপনা ও একটি পাইপলাইনে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলা চালানো হয়েছে। ইরানি গণমাধ্যমের খবরে এমনটিই দাবি করা হয়েছে। ফারস নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, “জায়নবাদী ও মার্কিন শত্রুদের চলমান হামলার অংশ হিসেবে ইসফাহানের কাভেহ সড়কে অবস্থিত গ্যাস প্রশাসন ভবন এবং গ্যাস চাপ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে (রেগুলেশন স্টেশন) হামলা চালানো হয়েছে।”
২৪ মার্চ, ২০২৬
অধিকৃত পশ্চিম তীরের দুটি এলাকায় ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা ফিলিস্তিনিদের বাড়ি ও গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। পুরো ফিলিস্তিনি অঞ্চলজুড়ে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার খবরের মধ্যেই এই ঘটনায় অন্তত একজন আহত হয়েছেন। স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা 'ওয়াফা' জানিয়েছে, শনিবার রাতে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা জেনিনের দক্ষিণে আল-ফান্দাকুমিয়া গ্রাম এবং সিলাত আল-দাহর শহরে হামলা চালায়।
২২ মার্চ, ২০২৬
ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব আলি লারিজানি অভিযোগ করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথ হামলার পর ইসরায়েল এখন ইরানকে 'খণ্ড-বিখণ্ড' বা ভাগ করার চেষ্টা করছে। ফারস নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে লারিজানি বলেন, "নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য বড় দেশগুলোকে ভেঙে ফেলা ছাড়া ইসরায়েলি শাসকগোষ্ঠীর সামনে আর কোনো পথ খোলা নেই।"
১ মার্চ, ২০২৬
ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সির পোস্ট করা একটি ভিডিও ক্লিপে দেখা গেছে, সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে হাজার হাজার মানুষ শোক পালন শুরু করেছেন। ভিডিওতে মানুষকে বুক ও মাথায় চাপড়াতে (মাতম করতে) দেখা গেছে, যা ইরানে শোক প্রকাশের প্রচলিত প্রথা। তেহরান টাইমস পত্রিকার তথ্যমতে, লোরেস্তান প্রদেশেও একই ধরনের দৃশ্য দেখা গেছে। রাজধানী তেহরানসহ ইয়াসুজের মত বিভিন্ন শহরে শোক পালন করছে হাজার-হাজার মানুষ।
১ মার্চ, ২০২৬
ইরানের সরকারি বার্তা সংস্থা আইআরএনএ (IRNA) জানিয়েছে, শনিবার ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় দেশটির সেনাপ্রধান আব্দুল রহিম মুসাভি এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহ নিহত হয়েছেন। আমরা আগেই যেমনটি জানিয়েছিলাম, ইরান এর আগে সর্বোচ্চ নেতা খামেনি, তাঁর নিরাপত্তা উপদেষ্টা আলি শামখানি এবং আইআরজিসি-র প্রধান কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপুর নিহত হওয়ার বিষয়টিও নিশ্চিত করেছে।
১ মার্চ, ২০২৬
গাজা উপত্যকার মধ্যাঞ্চলে বুরেজ শরণার্থী শিবির এবং দক্ষিণের খান ইউনিসের আল-মাওয়াসি এলাকায় দুটি পুলিশ পোস্টে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় অন্তত ছয় ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া এই উপত্যকায় ইসরায়েলের দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা ‘গণহত্যামূলক যুদ্ধ’ অব্যাহত থাকার মধ্যেই এই হামলা চালানো হলো।
২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
২০২৫ সালে ইসরায়েল অন্তত ৮৪ জন গণমাধ্যমকর্মী ও সাংবাদিককে হত্যা করেছে। সংবাদমাধ্যমের ইতিহাসের সবচেয়ে প্রাণঘাতী বছর হিসেবে রেকর্ড গড়া এই সময়ে, অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় ইসরায়েল অনেক বেশি সাংবাদিক হত্যা করেছে। বুধবার 'কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস' (CPJ) তাদের বার্ষিক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করে। সংস্থাটি ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর মধ্যে "সংবাদমাধ্যমের ওপর হামলার জন্য দায়মুক্তি বা শাস্তির আওতামুক্ত থাকার সংস্কৃতি" অব্যাহত থাকার দিকে ইঙ্গিত করেছে।
২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ইসরায়েলি নেসেট (সংসদ) একটি বিল পাসের চেষ্টা চালাচ্ছে, যা পাস হলে দখলদার কর্তৃপক্ষ আইনগতভাবে ফিলিস্তিনিদের মৃত্যুদণ্ড দিতে পারবে। এই বিষয়টি আন্তর্জাতিক মহলের খুব একটা নজর কাড়েনি, কিন্তু ফিলিস্তিনিদের জন্য এটি আরেকটি ভয়াবহ বিভীষিকার ইঙ্গিত। ২০২২ সালের শেষের দিকে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর জোট সরকার গঠনের যে চুক্তি হয়েছিল, এই বিলটি তারই অংশ। বর্তমান জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির এই দাবি তুলেছিলেন, যিনি গত তিন বছর ধরে পশ্চিম তীরে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন।
২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রমজানের তৃতীয় দিনে গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত দুইজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। চার মাসেরও বেশি সময় আগে হামাসের সঙ্গে স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি চুক্তির এটি সর্বশেষ লঙ্ঘন। শনিবার উত্তর গাজার জাবালিয়া ক্যাম্প এবং দক্ষিণ গাজার কিজান আন-নাজ্জার এলাকায় এই হামলা চালানো হয়।
২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওয়াশিংটন ডিসিতে তার 'বোর্ড অফ পিস' (বিওপি)-এর প্রথম বৈঠক ডাকেন। কিন্তু গাজা উপত্যকার ফিলিস্তিনিদের মধ্যে কূটনৈতিক ভাষা বা রাজনৈতিক কাঠামো নিয়ে কোনো আলোচনা ছিল না। মধ্য ও দক্ষিণ গাজার রাস্তাঘাট এবং তাঁবুতে—যেখানে লাখো বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি বেঁচে থাকার জন্য সংগ্রাম করছে—সবার মুখে একটাই প্রশ্ন: এই কঠোর বাস্তবতায় আসলে কি কোনো পরিবর্তন আসবে?
২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
গাজা উপত্যকা এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। পুরো শহরের বিভিন্ন এলাকা মাটির সাথে মিশে গেছে। সুপেয় পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা, রাস্তাঘাট, বিদ্যুৎ গ্রিড এবং ব্যাপক অনাহার রোধে খাদ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধে বিধ্বস্ত এই এলাকার জন্য চকচকে নতুন জাতীয় ফুটবল স্টেডিয়াম? হ্যাঁ, অন্তত ফুটবলের আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা তেমন প্রতিশ্রুতিই দিচ্ছে।
২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের গণহত্যামূলক যুদ্ধের প্রকৃত মানবিক মূল্য পূর্বের সরকারি হিসাবকে অনেক ছাড়িয়ে গেছে। বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসা সাময়িকীগুলোতে প্রকাশিত স্বাধীন গবেষণায় দেখা গেছে, ২০২৫ সালের শুরুর দিকেই "সহিংস মৃত্যু"র সংখ্যা ৭৫,০০০-এর বেশি।
১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
আরব ও ইসলামিক বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশে রমজান মাস শুরু হওয়ায় গাজার ফিলিস্তিনিরা বুধবার ভোররাতে সেহরির জন্য সমবেত হন। কিছু দেশে অবশ্য পবিত্র এই মাসটি একদিন পর শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। বুধবার থেকে গাজার বাসিন্দারা পবিত্র রমজান পালন শুরু করলেও, "যুদ্ধবিরতি" থাকা সত্ত্বেও ইসরায়েলের চলমান গণহত্যামূলক যুদ্ধের মধ্যে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানি জোগাড় করতে তাদের চরম হিমশিম খেতে হচ্ছে।
১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
বিশ্বজুড়ে নিন্দা এবং আন্তর্জাতিক আইনকে তোয়াক্কা না করে, চলতি মাসের শুরুর দিকে ইসরায়েল পশ্চিম তীরের 'কার্যত সংযুক্তি' (de facto annexation) কার্যক্রম এগিয়ে নিয়েছে। ১৯৬৭ সাল থেকে অবৈধভাবে দখল করা এই ভূখণ্ডে ৩০ লাখেরও বেশি ফিলিস্তিনি বসবাস করে।
১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
অধিকৃত পশ্চিম তীরের ওপর নিয়ন্ত্রণ বিস্তার এবং ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের বিশাল অংশকে ইসরায়েলি "রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি" হিসেবে দাবি করার পরিকল্পনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘের ৮০টিরও বেশি সদস্য রাষ্ট্র। মঙ্গলবার ৮৫টি সদস্য রাষ্ট্র এবং বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংস্থার জোটের পক্ষে কথা বলার সময় জাতিসংঘে নিযুক্ত ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূত রিয়াদ মনসুর বলেন, "আমরা পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের বেআইনি উপস্থিতি বিস্তারের লক্ষ্যে নেওয়া একতরফা সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।"
১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

