
ইকবাল মজুমদার তৌহিদ নিউইয়র্ক থেকে
পাঁচদিনের যুক্তরাষ্ট্র সফরে এসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসঙ্ঘের অধিবেশনে যোগদানের পাশাপাশি চার কর্ম দিবসে তুরস্ক, ইরান, পাকিস্তানসহ আট দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের সাথে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ দিকে বাংলাদেশ সরকার বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, আমাদের বার্তা খুবই পরিষ্কার- বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত। শুক্রবার স্থানীয় সময় সকালে নিউ ইয়র্কের ম্যানহাটনে জেপি মর্গানের সদর দফতরে ওয়াল স্ট্রিটের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতা ও বিনিয়োগকারীদের সাথে এক প্রাতঃরাশ বৈঠকে এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী যাদের সাথে বৈঠক করেছেন তারা হচ্ছেন- তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তৈয়ব এরদোগান, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেই প্লেনকোভিচ, হাইতির প্রধানমন্ত্রী আলিক্স দিদিয়ে ফিস-আইমে, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল এবং মালদ্বীপের ভাইস প্রেসিডেন্ট উজ হুসেইন মোহামেদ লতিফ। এ ছাড়া কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স শেখ সাবাহ আল খালিদ আল হামাদ আল সাবাহ, সংযুক্ত আরব আমীরাতের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান, সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান বিন আবদুল্লাহ আল সৌদ এবং সুইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারিয়া মালম পৃথকভাবে তারেক রহমানের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন। সব মিলিয়ে চার দিনে ১১টি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও ৩০টি কর্মসূচিতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী।
বাংলাদেশ ব্যবসা ও বিনিয়োগের জন্য প্রস্তুত : শুক্রবার স্থানীয় সময় সকালে ম্যানহাটনে জেপি মর্গানের সদর দফতর ২৭০ পার্ক অ্যাভিনিউয়ে ওয়াল স্ট্রিটের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতা ও বিনিয়োগকারীদের সাথে এক প্রাতঃরাশ বৈঠকে ওয়াল স্ট্রিটের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতা, বিনিয়োগকারী ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, তার সরকার বাংলাদেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত। রাজনীতিতে আসার আগে ব্যবসায় কর্মজীবন শুরু করার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, সেখান থেকে তিনি একটি সহজ শিক্ষা পেয়েছেন- বিনিয়োগের জন্য আস্থা, পূর্বানুমেয়তা এবং প্রবৃদ্ধির উপযোগী সঠিক পরিবেশ প্রয়োজন।
জেপি মর্গান এবং অংশগ্রহণকারী ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওয়ালস্ট্রিটের মানুষ নন; একজন বাংলাদেশী এবং রাজনৈতিক নেতা হিসেবে দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার দায়িত্ব নিয়ে এখানে এসেছি। জাতিসঙ্ঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে বাংলাদেশের অগ্রাধিকারগুলো তুলে ধরেছেন। আজ তিনি দেশের অর্থনীতি এবং বৈশ্বিক ব্যবসার জন্য বাংলাদেশে বিদ্যমান সুযোগগুলো সরাসরি তুলে ধরতে চান। বাংলাদেশে ১৮ কোটিরও বেশি মানুষের বসবাস। দেশটির রয়েছে তরুণ ও কর্মঠ জনগোষ্ঠী, ক্রমবর্ধমান বাজার এবং কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থান।
জ্বালানি, অবকাঠামো, লজিস্টিকস, প্রযুক্তি, ডিজিটাল সেবা, জলবায়ু অর্থায়ন, উৎপাদন, কৃষি ও স্বাস্থ্যসেবায় উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তোলা এবং বাংলাদেশকে বিশ্বব্যাপী সংযুক্ত উৎপাদন, বিনিয়োগ ও সেবা খাতের একটি কেন্দ্রে পরিণত করা সরকারের লক্ষ্য। এ লক্ষ্য অর্জনে বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশকে আরো সহজ, স্থিতিশীল ও নির্ভরযোগ্য করে তুলতে সরকার কাজ করছে।
বাংলাদেশের প্রথম সার্বভৌম বন্ড ইস্যুতে জেপি মর্গ্যানের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের জন্য একটি নতুন রেফারেন্স পয়েন্ট পেয়েছেন এবং দেশের পুঁজিবাজারকে বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থার সাথে আরো ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
ওয়াল স্ট্রিটের প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশকে এমন একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্মে পরিণত করতে চায় সরকার, যেখান থেকে বিনিয়োগকারীরা বৃহত্তর আঞ্চলিক বাজারে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন। আশা করি, আপনাদের অনেককেই শিগগিরই বাংলাদেশে দেখতে পাব।
৪ দিনে ৩০ কর্মসূচি ও ১১টি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, প্রধানমন্ত্রী জাতিসঙ্ঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দেয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের সাথে বৈঠক করেছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন জাতিসঙ্ঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস, বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা, জাতিসঙ্ঘ মহাসচিবের মিয়ানমারবিষয়ক বিশেষ দূত জুলি বিশপ, জাতিসঙ্ঘের শরণার্থী-বিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম ছালিহ, জাতিসঙ্ঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক, ইন্টারন্যাশনাল পিস ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট জায়েদ রা‘য়াদ আল হুসেইন এবং গেটস ফাউন্ডেশনের সিইও মার্ক সুজম্যান। এসব বৈঠকে বাংলাদেশের অর্থনীতি, বিনিয়োগ এবং রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিজের দেশে প্রত্যাবর্তনের বিষয়গুলো আলোচনা এবং করণীয় বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
জাতিসঙ্ঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন ছাড়াও ‘রোহিঙ্গা সঙ্কট’, ‘সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিতে উপকূলীয় দেশগুলোর শঙ্কা’, ‘জলবায়ু কার্যক্রম ও ন্যায্য রূপান্তর’ এবং ‘পরিবর্তন ও অঙ্গীকার থেকে কার্যকর পদক্ষেপ : প্রতিরোধযোগ্য মাতৃ ও নবজাতকের মৃত্যু বন্ধে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় ধাত্রীর সেবার সমন্বয়’ এই চারটি বিষয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী।
জেপি মরগ্যান আয়োজিত ওয়াল স্ট্রিটের প্রতিনিধিদের সাথে এক প্রাতঃরাশ বৈঠকে মিলিত হন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে বাংলাদেশের অর্থনীতি ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা ও বাণিজ্য-আর্থিক খাত বিষয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়। অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া বিশ্বের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের সম্মানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নৈশভোজ এবং জাতিসঙ্ঘের মহাসচিবের প্রাতঃরাশে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।
কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্সের সাথে বৈঠক : শুক্রবার সকালে নিউ ইয়র্ক সফররত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স শেখ সাবাহ খালেদ আল-হামাদ আল-সাবাহর সাথে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ ও কুয়েতের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন। তিনি দুই দেশের সম্পর্কের বিকাশ ও পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ঐতিহাসিক অবদানের কথা স্মরণ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাদের সময় থেকে বাংলাদেশ ও কুয়েতের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সৌহার্দ্য ও সহযোগিতার যে ভিত্তি গড়ে উঠেছে, তা সময়ের সাথে আরো বিস্তৃত হয়েছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক কল্যাণে এই ঐতিহাসিক সম্পর্ককে আরো গভীর ও বহুমাত্রিক করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে শ্রমশক্তি রফতানি বৃদ্ধি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন দুই নেতা। এ সময় আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়।
তারেক রহমান বাংলাদেশ ও কুয়েতের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরো এগিয়ে নিতে দুই দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ বৃদ্ধির পাশাপাশি অর্থনীতি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জনশক্তি ও অন্যান্য সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে বৈঠক : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান বিন আবদুল্লাহ আল সৌদ বৈঠক করেছেন। নিউ ইয়র্কের স্থানীয় সময় শুক্রবার দুপুরে জাতিসঙ্ঘ সদর দফতরের ইউএন বাইল্যাটেরাল বুথ (গ্যাল-৭)-এ অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যকার ঐতিহাসিক ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জনশক্তি, উন্নয়ন সহযোগিতা এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়াদি নিয়ে মতবিনিময় করা হয়। বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ইস্যুতেও মতবিনিময় হয়।
দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী ও সফরসঙ্গীরা : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসঙ্ঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে অংশ নিতে পাঁচ দিনের নিউ ইয়র্ক সফর শেষে দেশে ফেরার উদ্দেশে নিউ ইয়র্ক ত্যাগ করেছেন। এমিরেটসের একটি ফ্লাইট স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৩০ মিনিটে নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে দুবাই হয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সাথে তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ও সফরসঙ্গীরা রয়েছেন বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী। ফ্লাইটটি ২৬ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় দুবাই পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সেখান থেকে রাত ২টায় ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়ে ২৭ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
বিশ্বমানের পর্যটন শিল্প গড়ে তোলা অন্যতম অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী
বাসস জানায়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পকে আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর, পরিবেশবান্ধব ও বিশ্বমানের শিল্পে উন্নীত করা সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনার অন্যতম অগ্রাধিকার।
‘বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পর্যটন শুধু অবকাশযাপনের সুযোগ নয়; এটি কর্মসংস্থান, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন, স্থানীয় অর্থনীতির বিকাশ এবং আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে বিশ্বে তুলে ধরার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তাই বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পকে আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর, পরিবেশবান্ধব ও বিশ্বমানের শিল্পে উন্নীত করা আমাদের উন্নয়ন পরিকল্পনার অন্যতম অগ্রাধিকার।’ এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে তিনি বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২৬ উপলক্ষে পর্যটনশিল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট সব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান, বিনিয়োগকারী, পর্যটন পেশাজীবী ও উদ্যোক্তা, দেশ-বিদেশের পর্যটক এবং দেশের সর্বস্তরের পর্যটনপ্রেমীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








