সম্পাদকীয়
আয়-ব্যয়ে সামঞ্জস্য রাখতে হবে
সাধারণ মানুষের প্রকৃত আয় ও ব্যয়ের মধ্যে সামঞ্জস্য রাখতে না পারলে অর্থনীতির টেকসই উন্নয়ন সম্ভব হবে না। নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে এবং বাড়তে থাকা খাদ্যবহির্ভূত খাতের খরচ নিয়ন্ত্রণে আনতে বাস্তবমুখী পদক্ষেপ জরুরি।
ব্যাপক অনুসন্ধান জরুরি
ভবিষ্যতের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শুধু স্থলভাগে নয়, সমুদ্রে অনুসন্ধানের কাজও শুরু করা দরকার। এ জন্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানির (বাপেক্স) সক্ষমতা ও শক্তি বাড়াতে হবে। প্রয়োজনে জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করে বিদেশী কোম্পানির সহায়তা নিতে হবে।
সময় থাকতে পদক্ষেপ নিন
বিশ্বে শ্রমবাজারে দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। সৌদি আরবও তার বাইরে নয়। দেশটি প্রতিনিয়ত প্রযুুক্তি-নির্ভর ও জ্ঞানভিত্তিক শিল্পের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি, জ্বালানি খাত, স্বাস্থ্য ও প্রকৌশল বিভাগে দক্ষ শ্রমিকের চাহিদা বাড়ছে। সেই সাথে নিম্ন দক্ষতাসম্পন্ন কাজের চাহিদা ক্রমশ কমছে।
চিকিৎসাসেবা অপ্রতুল
হামে আক্রান্তরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা পায়নি। আমাদের স্বাস্থ্য খাত সময়মতো উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেনি। করোনাকালেও এমনটি দেখা গেছে। যদিও হামে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে সরকার আইসিইউ সেবা বাড়িয়ে দেয়ার পদক্ষেপের কথা বলছে। সেই সাথে সরকার ৫ এপ্রিল থেকে বিশেষ টিকা কার্যক্রম শুরু করেছে। ছয় মাস বয়স থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের এই টিকা দেয়া চলবে এ মাসের ২০ তারিখ পর্যন্ত। হামের চিকিৎসায় এবং এর সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ অব্যাহত রাখতে হবে। এ ব্যাপারে কোনো গাফিলতি গ্রহণযোগ্য হবে না।
প্রয়োজন উন্নত গবেষণার
সরকার, মৎস্য বিভাগ এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সৎ প্রচেষ্টা পারে ইলিশের ঐতিহ্য ধরে রাখতে, জেলেদের মুখে হাসি ফোটাতে। না হয় জাতীয় মাছ ইলিশ কেবল উচ্চবিত্তের বিলাসিতায় সীমাবদ্ধ হয়ে যাবে।




