সম্পাদকীয়
এখনই লাগাম টানুন
সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সামাজিক সচেতনতা ও পারিবারিক প্রতিরোধ। সন্তানদের ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর অভিভাবকদের নজরদারি বাড়ানোর বিকল্প নেই। জুয়ার কুফল সম্পর্কে গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রচার চালাতে হবে। যুবসমাজকে এই আত্মঘাতী পথ থেকে ফিরিয়ে আনতে রাষ্ট্র, সমাজ ও পরিবারকে সমন্বিতভাবে রুখে দাঁড়াতে হবে।
স্থায়ী শান্তির প্রত্যাশা
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি বলেছেন, সমঝোতা চুক্তি বাস্তবায়নের দায় যুক্তরাষ্ট্রের। আমরা আশা করব, যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে আর নতুন করে ঘোঁট পাকাবে না; বরং স্থায়ী শান্তির লক্ষ্যেই কাজ করবে।
কর্মসূচি বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা প্রয়োজন
ভিডব্লিউবির মতো নিরাপত্তা কর্মসূচিগুলোর উপকারভোগীদের তালিকা যাচাই-বাছাই করে পুরনো তালিকার এমন অনিয়মগুলো বাদ দিতে হবে। সত্যিকার অর্থে যারা দুস্থ তাদেরকে নতুন তালিকায় স্থান দিতে হবে। তালিকা করার ক্ষেত্রে যাতে রাজনীতিক ও প্রভাবশালীদের অবৈধ ভূমিকা না থাকে সেটি নিশ্চিত করতে হবে।
যানজট নিরসনে সহায়ক হবে
ঢাকার যানজট এখন শুধু ভোগান্তির বিষয় নয়; এটি অর্থনীতি, উৎপাদনশীলতা এবং নাগরিক জীবনের মানের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে। তাই দীর্ঘসূত্রতা না করে চারটি বাস টার্মিনাল দ্রুত স্থানান্তরের উদ্যোগ বাস্তবায়নে আর কালক্ষেপণ নয়। সঠিক পরিকল্পনা ও কার্যকর বাস্তবায়নে এ পদক্ষেপ রাজধানীর যানজট নিরসনে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হতে পারে।
চাই শিশুবান্ধব পরিবেশ ও বিকল্প দণ্ডবিধি
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও কারা কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় করে শিশুদের জন্য স্থায়ী মনিটরিং সেল গঠন করা প্রয়োজন। আমরা আশা করি আদালতের এই নির্দেশনা কেবল কাগুজে প্রতিবেদনে সীমাবদ্ধ থাকবে না। কারাবন্দী শিশুদের ‘বিপন্ন শৈশব’ উদ্ধারে কার্যকর রোডম্যাপ করা হবে। মায়ের অপরাধের দায়ে যেন কোনোভাবেই শিশুর ভবিষ্যৎ অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেয়া না হয়। মুক্ত বাতাসে বেড়ে ওঠার অধিকার প্রতিটি শিশুর জন্মগত। আর সেই অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।




