অভিমত
নবাব সিরাজউদদৌলা : ট্র্যাজেডির নায়ক
নবাব সিরাজউদদৌলা অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্র এবং বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হন। পলাশীর যুদ্ধের ইতিহাস যতবার আলোচিত হয়, ২৩ জুন যতবার ফিরে আসে, ততবারই নতুনভাবে উপলব্ধি করা হয়, ঔপনিবেশিক আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে তার প্রতিরোধ ও আত্মত্যাগের কথা।
চীনের শিক্ষাব্যবস্থা: অভিজ্ঞতা, শিক্ষা ও ভাবনা
বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য চীনের শিক্ষাব্যবস্থা থেকে অনেক কিছু শেখার রয়েছে। বিশেষ করে গবেষণায় বিনিয়োগ, শিক্ষা অবকাঠামোর উন্নয়ন, শৃঙ্খলাভিত্তিক শিক্ষার পরিবেশ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে চীনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হতে পারে।
ভারতের হাসিনাকে হঠাৎ সামনে আনার রহস্য কী?
বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় ভারতের পক্ষে আগের মতো একক প্রভাব বিস্তার করা আর সহজ নয়। তাই “হাসিনা কার্ড” ব্যবহার করে তারা একদিকে আওয়ামী লীগের অবশিষ্ট সমর্থকদের আবেগ জিইয়ে রাখতে চাইছে, অন্যদিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মানসিক অস্থিরতা ও রাজনৈতিক বিভাজন সৃষ্টি করতে চাইছে। কিন্তু ইতিহাসের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো—যে রাজনীতি জনগণের ওপর না দাঁড়িয়ে, বিদেশী আশ্রয়ের ওপর দাঁড়ায়, তার পরিণতি কখনোই স্থায়ী হয় না। আজ শেখ হাসিনা হয়তো ভারতের কাছে একটি কৌশলগত সম্পদ। কিন্তু ইতিহাসের শেষ বিচারে তিনি মূল্যায়িত হবেন একজন বিতর্কিত শাসক হিসেবেই—যার শাসনামলে গণতন্ত্র, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং রাষ্ট্রের প্রাতিষ্ঠানিক ভারসাম্য গভীরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। আর ভারতও একদিন বুঝবে—কোনো দেশের জনগণকে পাশ কাটিয়ে কেবল একটি পরিবার বা একটি দলের ওপর ভর করে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা যায় না।
প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য চীন সফর নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে ভারতীয় গণমাধ্যম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য চীন সফর শুধু একটি সফর নয়; বরং এটি বাংলাদেশের নতুন কূটনৈতিক আত্মবিশ্বাসের প্রতীক। এটি এমন এক বার্তা, যেখানে বাংলাদেশ বলতে চাইছে— আমরা বন্ধুত্ব চাই, সহযোগিতা চাই, উন্নয়ন চাই; কিন্তু সেটি হতে হবে সম্মান ও সমতার ভিত্তিতে। কারণ,বাংলাদেশ স্বাধীন। বাংলাদেশ সার্বভৌম।বাংলাদেশ এখন আর কারও দয়ার উপর নির্ভরশীল নয়। তাই বাংলাদেশের নতুন পররাষ্ট্রনীতির মূল দর্শন এখন একটাই— “সবার আগে বাংলাদেশ।”
মধ্যযুগীয় যাজকতন্ত্র ও ইসলামী শরীয়ার বিচারব্যবস্থা সমতুল্য নয়
ইউরোপের মধ্যযুগীয় যাজকতন্ত্রের অন্ধকার ইতিহাস আর ইসলামী শরীয়ার বিচারব্যবস্থাকে এক করে দেখার কোনো সুযোগ নেই। শরীয়তের বিচারব্যবস্থা কোনোভাবেই অমানবিক বা বর্বর নয়; বরং তা ন্যায়, ভারসাম্যপূর্ণ ও মানবকল্যাণভিত্তিক একটি পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থা। অন্যায়, অবিচার ও অপরাধ দমন, সামাজিক স্থিতি ও মানুষের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণে এর কার্যকারিতা সব যুগেই সমভাবে প্রযোজ্য।





