অভিমত

গ্যাস সঙ্কটের জরুরি সমাধান প্রয়োজন

গ্যাস সঙ্কটের জরুরি সমাধান প্রয়োজন

সমস্যাটি সমাধানে সরকারের উচিত তাৎক্ষণিক ও দীর্ঘমেয়াদি—উভয় ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা। দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম জোরদার করতে হবে। পাশাপাশি পুরোনো গ্যাসকূপগুলো পুনরায় চালু করা এবং গ্যাস উত্তোলন বাড়াতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

দুর্যোগ মোকাবেলায়ও কাণ্ডারি সশস্ত্র বাহিনী

দুর্যোগ মোকাবেলায়ও কাণ্ডারি সশস্ত্র বাহিনী

দেশের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষা তাদের প্রধান দায়িত্ব হলেও, প্রয়োজনের সময় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করা সেনাবাহিনীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, মানবিক সহায়তা এবং জাতি গঠনমূলক কর্মকাণ্ডে সেনাবাহিনীর অংশগ্রহণ সর্বজনস্বীকৃত। দুর্যোগ মোকাবিলার এ কাজটি করতে গিয়ে প্রায় সব ক্ষেত্রেই অগ্রভাগে থাকে। ভবন ধস, বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস কিংবা অগ্নিকাণ্ডে আটকে পড়াদের উদ্ধারে নিজ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেনাবাহিনীর কর্মতৎপরতা বরাবরই সাহসের গৌরব গাঁথা।

নিভৃতে জেগে উঠেছিল এক সম্ভাবনা

নিভৃতে জেগে উঠেছিল এক সম্ভাবনা

কেউ প্রশ্ন করতে পারেন, এত সহায়তা দিয়ে বিদেশী শিক্ষার্থী ডেকে আনার ঠেকা পড়েছে কেন? ঠেকা পড়েনি, এটা সত্য। কিন্তু বৈদেশিক মুদ্রার অভাবে আমরাই যে ঠেকে যাচ্ছি! বাইরের দেশের সাথে ঠিকমতো ব্যবসা-বাণিজ্যও করতে পারছি না। দেশের বাইরে থেকে কেউ পড়তে এলে সাথে নিয়ে আসে কাঙ্ক্ষিত সেই বৈদেশিক মুদ্রা।

সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে গ্রীষ্মকালীন মহড়ায় প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ

সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে গ্রীষ্মকালীন মহড়ায় প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ

গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী যে বার্তা দিয়েছেন, তা যদি ধারাবাহিকভাবে পেশাদার প্রশিক্ষণ, আধুনিকায়ন এবং প্রতিরক্ষা পরিকল্পনায় প্রতিফলিত হয়, তবে তা বাংলাদেশের নিরাপত্তা সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। একই সাথে এই উদ্যোগকে এমনভাবে এগিয়ে নিতে হবে, যাতে সেনাবাহিনীর সাংবিধানিক ভূমিকা, পেশাদারিত্ব এবং জনগণের আস্থা আরো সুদৃঢ় হয়।

বঙ্গোপসাগরের গ্যাস কি তবে দিল্লির হাতে তুলে দিয়েছিলেন হাসিনা?

বঙ্গোপসাগরের গ্যাস কি তবে দিল্লির হাতে তুলে দিয়েছিলেন হাসিনা?

শেখ হাসিনা সরকার নিজের অবৈধ ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে এবং দিল্লির একচেটিয়া রাজনৈতিক সমর্থন ধরে রাখতে এই চরম জাতীয় স্বার্থবিরোধী অনিয়মের বিরুদ্ধে একটি শব্দও উচ্চারণ করার সাহস পাননি। দেশের সার্বভৌম স্বার্থকে বিসর্জন দিয়ে প্রতিবেশী রাষ্ট্রকে এভাবে ‘ফ্রি লুট’ বা অবাধে চুরির সুযোগ করে দেয়া হয়েছিল, যার চরম মাশুল আজ দেশের জনগণকে দিতে হচ্ছে।