লোড হচ্ছে...
উত্তরা পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মোর্শেদ আলম বলেন, এসআরবি গ্রেফতার চারজনকে থানায় হস্তান্তর করেছে। অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। পরবর্তী তারিখে রিমান্ড শুনানি হবে।
২৯ দিন আগে

ডিবিপ্রধান বলেন, আইনবিরোধী রাজনৈতিক দলকে কোনো কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হতে দেয়া হবে না। দেশের জনগণ, বিশেষ করে ঢাকা মহানগর এলাকায় যারা বসবাস করে, তাদের জানমালের নিরাপত্তা বিধান করা আমাদের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনে আমরা সচেষ্ট, সজাগ রয়েছি। যেকোনো অপতৎপরতা রুখে দেবো।
৭ অক্টোবর, ২০২৬

উপ-পুলিশ কমিশনার মো: আকতার হোসেন জানান, গ্রেফতারদের মধ্যে রমনা বিভাগে ২১ জন, লালবাগে ৫৫, ওয়ারীতে ৫৯, মতিঝিলে ৭৫, তেজগাঁওয়ে ৬০, মিরপুরে ১১৪, গুলশানে ২৯, উত্তরা বিভাগে ৪২ ও গোয়েন্দা বিভাগে ১০ জন রয়েছেন।
৭ অক্টোবর, ২০২৬

লিফলেট বিতরণ উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন বলেছেন, ‘নিত্যপণ্যের বাজারে মানুষের স্বস্তি ফেরাতে সরকার ধারাবাহিকভাবে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে। সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখা, বাজার মনিটরিং জোরদার এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার ফলে বাজার পরিস্থিতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে।’
৬ অক্টোবর, ২০২৬

ডিএমপি সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর বিভিন্ন বিভাগ ও থানা এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১০১ জনকে গ্রেফতার করেছে মিরপুর বিভাগ।
৬ অক্টোবর, ২০২৬

ডিএমপির তথ্যমতে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে গত চার দিন ধরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে এসব চিহ্নিত চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করা হয়। আজ আনুষ্ঠানিকভাবে ডিএমপির মিডিয়া বিভাগ গ্রেফতারের এ চিত্র তুলে ধরে।
৬ অক্টোবর, ২০২৬

ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন বলেন, ‘রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন আলামত ও মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ তাদের গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’
২ অক্টোবর, ২০২৬

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহবায়ক মো: আমিনুল হক এবং সদস্য সচিব মো: মোস্তফা জামান এর নেতৃত্বাধীন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির ৫১ সদস্যবিশিষ্ট বিদ্যমান আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে।
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্রেফতারদের মধ্যে রমনা বিভাগ ২৭ জন, লালবাগ বিভাগ ৩৬, ওয়ারী বিভাগ ৭৯, মতিঝিল বিভাগ ৮৩, তেজগাঁও বিভাগ ১০১, মিরপুর বিভাগ ৯৬, গুলশান বিভাগ ৩৬, উত্তরা বিভাগ ৩৭, গোয়েন্দা বিভাগ তিন ও সিটিটিসি বিভাগ একজনকে গ্রেফতার করেছে।
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, বড় শহরগুলোতে মানুষের চলাচল সহজতর করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাস্তায় মানুষের মূল্যবান সময় নষ্ট হলে অর্থনীতির ওপর বড় প্রভাব পড়ে। তাই নগরবাসীর চলাচল স্বাভাবিক রাখতে যানজট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নিয়াজ মেহেদী বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব আলামত ও মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ডিএমপি জানায়, রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে এসব আলামত ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সিলেট মহানগরী আমির বলেন, ‘জনগণের কল্যাণের পরিবর্তে সরকার একের পর এক এমন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, যা জনজীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।’
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গ্রেফতারদের মধ্যে মিরপুর বিভাগ ৯৭ জন, তেজগাঁও বিভাগ ৮৬ জন, ওয়ারী বিভাগ ৫৩ জন, গুলশান বিভাগ ৪২ জন, উত্তরা বিভাগ ৪১ জন, মতিঝিল বিভাগ ৩৬ জন, লালবাগ বিভাগ ২৮ জন, রমনা বিভাগ ১৮ জন ও গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) দুইজনকে গ্রেফতার করে।
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এসব মামলা করা হয়।
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ডিএমপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব আলামত ও মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার মো: আকতার হোসেন জানান, গ্রেফতারদের মধ্যে রমনা বিভাগে ৩৬ জন, লালবাগ বিভাগে ৩০ জন, ওয়ারী বিভাগে ৮৬ জন, মতিঝিল বিভাগে ৬৫ জন, তেজগাঁও বিভাগে ৭৪ জন, মিরপুর বিভাগে ১৫২ জন, গুলশান বিভাগে ৪৯ জন, উত্তরা বিভাগে ৩৫ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগে (ডিবি) ১৯ জন রয়েছেন।
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬


