
গাজীপুর মহানগর প্রতিনিধি
‘বাউবি শুধু সার্টিফিকেট প্রদানের কারখানা নয়; বাউবি ডিগ্রি অর্জনের একটি প্রতিষ্ঠান।’ শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করাকে প্রধান লক্ষ্য উল্লেখ করে এ মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান। একই সাথে মাঠপর্যায়ে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমাতে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার, সেবাকার্যক্রমে গতি এবং দফতরগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।
গতকাল বুধবার সকালে গাজীপুরে বাউবি ভিসির কনফারেন্স কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক মতবিনিময় সভায় এসব বিষয়ে আলোচনা হয়। সভায় প্রোভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. শেখ রফিকুল ইসলাম, রেজিস্ট্রার টি এম আহমেদ হুসেইনসহ বিভিন্ন স্কুলের ডিন, বিভাগের পরিচালক, প্রোগ্রাম অফিসার ও আঞ্চলিক কেন্দ্রের পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমাতে সনদ সংশোধনপ্রক্রিয়া সহজীকরণ, উপ-আঞ্চলিক কেন্দ্রগুলোতে নিয়মিত সমন্বয় সভা এবং পরীক্ষা চলাকালে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়। সব স্কুলের অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার যথাসময়ে প্রকাশ, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হালনাগাদ বদলি নীতিমালা প্রণয়ন ও জনবলের দক্ষতা বৃদ্ধিতে নিয়মিত প্রশিক্ষণের ওপরও গুরুত্ব দেয়া হয়।
নতুন প্রোগ্রাম সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের অবহিত করতে প্রচার ও ব্র্যান্ডিং জোরদার এবং তৃতীয় লিঙ্গ ও নারীশিক্ষার্থীদের ভর্তিতে ফি আরো কমানোর বিষয়টি বিবেচনার তাগিদ দেয়া হয়। পাশাপাশি পরীক্ষায় অসাধু উপায় প্রতিরোধে প্রযুক্তির সর্বাত্মক ব্যবহার নিশ্চিত করার বিষয়ে কর্মকর্তারা মতামত দেন।
স্টুডেন্ট সাপোর্ট সার্ভিসেস বিভাগের পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. আবু তালেবের সঞ্চালনায় সভায় অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন অভিযোগ ও পরামর্শ শোনেন ভিসি। তিনি বলেন, ‘স্বল্প জনবল ও সীমিত অর্থনৈতিক কাঠামোর মধ্যে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে সমস্যাগুলো সমাধানের পথে আমরা এগিয়ে যাবো।’ তিনি জানান, প্রযুক্তির উন্নয়নের পাশাপাশি দ্রুত ই-অ্যাটেনডেন্স প্রক্রিয়া চালুর উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। আসন্ন বাউবির ষষ্ঠ সমাবর্তন ও বিশ্ববিদ্যালয় দিবস সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি। এদিকে, বাউবির মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা কেন্দ্রের উদ্যোগে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী সেমিনার গতকাল শেষ হয়েছে। সমাপনী অনুষ্ঠানে চারজন গবেষকসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








