
মধ্যপ্রাচ্যে শুরু হওয়া নতুন কোনো সংঘাত শুধু এই অঞ্চলের গণ্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। তেহরানের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে, যেকোনো হামলার বিপরীতে কঠোর ও আন্তর্জাতিক মাত্রার জবাব দিতে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
ইরানি আইন প্রণেতা ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মানুচেহর মুত্তাকী সে দেশের গণমাধ্যমকে জানান, ইরানের ওপর হামলা হলে সেই যুদ্ধের প্রভাব সরাসরি ইউরোপেও গিয়ে পড়বে। তিনি উল্লেখ করেন, ভৌগোলিক সীমানার বাধ্যবাধকতা সরিয়ে নেওয়ার অর্থ হলো ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ইউরোপের যেকোনো স্থানে আঘাত হানতে সক্ষম।
সম্প্রতি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেয়ি বাহিনীকে যেকোনো আক্রমণ রুখে দিতে তাৎক্ষণিক ও সীমাহীন সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন। সর্বোচ্চ নেতার সেই কড়া বার্তার পরদিনই সাবেক এই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন আক্রমণাত্মক বক্তব্য সামনে এলো।
মুত্তাকী আরও অভিযোগ করেন, যুক্তরাজ্য, ইতালি, পর্তুগাল এবং জার্মানির মতো দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহার করতে দিয়ে পরোক্ষভাবে হামলায় সাহায্য করছে। ফলে ওয়াশিংটনের নেওয়া প্রতিটি আগ্রাসনে এই ইউরোপীয় দেশগুলোকেও সমান অপরাধী ও অংশীদার হিসেবে দেখছে তেহরান।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








