
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের নেতাদের হত্যা করতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ‘হয়তো একটু বাড়াবাড়িই করে ফেলেছে’। তার ভাষায়, এখন কথা বলার মতো কেউ আর অবশিষ্ট নেই।
আল জাজিরা জানায়, সোমবার (২ নভেম্বর) আইওয়া অঙ্গরাজ্যের ডুবুক শহরে রিপাবলিকান পার্টির সমর্থকদের এক সমাবেশে এসব কথা বলেন ট্রাম্প। মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন। ভোটের মাত্র এক দিন আগে এমন মন্তব্য করলেন তিনি।
সমাবেশে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর সিদ্ধান্তের পক্ষে আবারো সাফাই গেয়েছেন ট্রাম্প। সাম্প্রতিক নির্বাচনী সমাবেশগুলোতে দেয়া বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি করে তিনি দাবি করেন, এই সংঘাত শুরু করেছে তেহরান, ওয়াশিংটন নয়।
তার দাবি, ‘বিশ্বের এক নম্বর সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক রাষ্ট্রের হাত থেকে আমি আমাদের দেশকে রক্ষা করেছি।’
ট্রাম্পের আরো দাবি, ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের পর থেকেই দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের ওপর হামলা চালিয়ে আসছে। ইয়েমেনের এডেন বন্দরের কাছে ২০০০ সালে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস কোল-এ হামলার জন্যও তিনি তেহরানকে দায়ী করেন। ওই হামলার দায় স্বীকার করেছিল আল-কায়েদা। এ ছাড়া ইরাকসহ বিভিন্ন দেশে মার্কিন সেনাদের নিশানা করে সড়কে পুঁতে রাখা বোমা হামলার জন্যও ইরানকে দায়ী করেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, এসব হামলার জবাবে মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের কমান্ডার কাসেম সোলাইমানিকে হত্যা করেছিল। সোলাইমানিকে তিনি কথিত ‘সড়ক বোমার জনক’ বলে অভিহিত করেছিলেন। ২০২০ সালে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে বাগদাদে মার্কিন হামলায় নিহত হন এই ইরানি কমান্ডার।
ট্রাম্প বলেন, ‘যুদ্ধটা তারাই (ইরান) শুরু করেছে। আমরা শুরু করিনি। আমরাই এটা শেষ করছি। আমরা তাদের তুলোধোনা করছি।’
ইরানের নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী, আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ও রাডার ধ্বংস করে দেয়ার পাশাপাশি দেশটির নেতাদেরও হত্যা করা হয়েছে বলে আগের দাবির পুনরাবৃত্তি করেন ট্রাম্প। এরপর তিনি বলেন, ‘নেতাদের ক্ষেত্রে হয়তো আমরা একটু বেশিই করে ফেলেছি। ইরানে এখন কথা বলার মতো কেউ আর নেই।’
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








