খাদ্য নিরাপত্তার পরের লড়াই বীজে

 কাওসার আজম

Advertisement

খাদ্য উৎপাদনে বাংলাদেশের সাফল্য গত পাঁচ দশকে যেমন বিস্ময়কর, তেমনি সেই সাফল্যের আড়ালেই কৃষির সামনে তৈরি হয়েছে একাধিক নতুন চ্যালেঞ্জ। ১৯৭১-৭২ অর্থবছরে যেখানে দেশে চাল উৎপাদন হয়েছিল ৯ দশমিক ৭৭ মিলিয়ন টন, ২০২৪-২৫ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০ দশমিক ৬৩ মিলিয়ন টনে। কিন্তু উৎপাদন বাড়ার বিপরীতে কৃষিজমি প্রতি বছর প্রায় ৬৯ হাজার হেক্টর কমছে। জনসংখ্যা বাড়ছে, খাদ্যাভ্যাস বদলাচ্ছে, জলবায়ু পরিবর্তনে একদিকে উপকূলে লবণাক্ততা, অন্য দিকে বরেন্দ্রে খরা, হাওরে আকস্মিক বন্যা, চরাঞ্চলে নদীভাঙন ও পাহাড়ে ভূমিয়ের চাপ বাড়ছে। এর সাথে যুক্ত হয়েছে মানসম্মত বীজের ঘাটতি, হাইব্রিড বীজে জেনেটিক নির্ভরতা এবং উৎপাদিত খাদ্যের বড় অংশের সংগ্রহোত্তর তি। ফলে বাংলাদেশের কৃষির পরবর্তী লড়াই এখন শুধু ‘আরো বেশি উৎপাদন’-এর বিষয় নয়। বরং কম জমিতে বেশি ফলন, মানসম্মত বীজের নিশ্চয়তা, নিজস্ব জেনেটিক সমতা, জলবায়ু-সহনশীল কৃষি, অপচয় রোধ এবং কৃষককে লাভজনক বাজারের সাথে যুক্ত করার। কৃষি বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞদের গবেষণায় এসব উঠে এসেছে।
উৎপাদন বেড়েছে, বদলেছে খাদ্যনিরাপত্তার সংজ্ঞা
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (বিএআরসি) নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো: আবদুছ ছালামের এক প্রবন্ধে বলা হয়, জাতীয় অর্থনীতিতে কৃষির অবদান বর্তমানে ১১ দশমিক ৭১ শতাংশ এবং মোট কর্মসংস্থানের ৪৪ দশমিক ৪২ শতাংশ কৃষির সাথে সম্পৃক্ত। ফলে কৃষির পরিবর্তন মানে শুধু ফসল উৎপাদনের পরিবর্তন নয়; এর সাথে দেশের খাদ্যনিরাপত্তা, কর্মসংস্থান ও গ্রামীণ অর্থনীতির ভবিষ্যৎও সরাসরি জড়িত।
কয়েক দশকের উৎপাদন পরিসংখ্যান বাংলাদেশের কৃষির অগ্রগতির বড় প্রমাণ। চালের পাশাপাশি ভুট্টা, আলু, শাকসবজি ও তেলবীজের উৎপাদনও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০০০ সালে এক মিলিয়ন টন ভুট্টা উৎপাদনের বিপরীতে ২০২৫ সালে তা বেড়ে হয়েছে ৫ দশমিক ৫১ মিলিয়ন টন। আলুর উৎপাদন ৩ দশমিক ২১ মিলিয়ন টন থেকে বেড়ে ১১ দশমিক ৮৮ মিলিয়ন এবং শাকসবজি ১ দশমিক ৭০ মিলিয়ন থেকে ৬ দশমিক ২৮ মিলিয়ন টনে উন্নীত হয়েছে। তেলবীজের উৎপাদনও শূন্য দশমিক ৩৯ মিলিয়ন থেকে বেড়ে ১ দশমিক ২৭ মিলিয়ন টনে দাঁড়িয়েছে।
প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য খাতেও উৎপাদন বেড়েছে। মাছের মাথাপিছু দৈনিক প্রাপ্যতা ৬৭ দশমিক ৮ গ্রামে পৌঁছেছে, যা জাতীয় ল্যমাত্রা ৬০ গ্রামের চেয়ে বেশি। 
তবে উৎপাদন বাড়লেই খাদ্যনিরাপত্তার সব শর্ত পূরণ হয় না। খাদ্যের প্রাপ্যতা, মানুষের খাদ্যে প্রবেশাধিকার, খাদ্যের সঠিক ব্যবহার এবং স্থায়িত্বÑ এই চারটি স্তম্ভের সমন্বয়েই পূর্ণাঙ্গ খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। অর্থাৎ বাজারে পর্যাপ্ত খাদ্য থাকলেও মানুষের ক্রয়মতা না থাকলে কিংবা খাদ্য পর্যাপ্ত হলেও তা পুষ্টিসম্মত ও নিরাপদ না হলে খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত হয় না।
বাংলাদেশের খাদ্যাভ্যাসেও রয়েছে বড় চ্যালেঞ্জ। ভাত ও আলুর মতো কার্বোহাইড্রেটনির্ভর খাবারের আধিক্যের বিপরীতে ডাল, ফল ও শাকসবজির গ্রহণ এখনো তুলনামূলক কম। ফলে কৃষির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় শুধু চালের উৎপাদন বাড়ানো নয়, পুষ্টিনিরাপত্তাকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে।
জমি কমছে, বাড়াতে হবে উৎপাদন 
বাংলাদেশের কৃষির সবচেয়ে বড় বাস্তবতা হলোÑ চাষের জমি বাড়ছে না বরং কমছে। দেশের মোট আয়তন ১৪ দশমিক ৮৫ মিলিয়ন হেক্টর; এর মধ্যে আবাদযোগ্য জমি ৮ দশমিক ৮১ মিলিয়ন হেক্টর। দেশে ৩০টি কৃষি-পরিবেশ অঞ্চল রয়েছে এবং শস্যনিবিড়তা প্রায় ১৯৮ শতাংশ। অর্থাৎ একই জমিতে বছরে একাধিক ফসল উৎপাদনের ওপর দেশের কৃষি ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল।
এর মধ্যেই প্রতি বছর প্রায় ৬৯ হাজার হেক্টর বা শূন্য দশমিক ৭৩ শতাংশ কৃষিজমি অকৃষি খাতে চলে যাচ্ছে বলে উপস্থাপনায় উল্লেখ করা হয়েছে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির চাপের সাথে এই জমি সঙ্কোচন যুক্ত হওয়ায় কৃষির সামনে কঠিন সমীকরণ তৈরি হয়েছেÑজমি কমবে, কিন্তু খাদ্যের চাহিদা বাড়বে।
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) হাইব্রিড রাইস বিভাগের প্রধান মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো: জামিল হাসানের গবেষণালব্ধ প্রতিবেদনে এ বাস্তবতারই প্রতিফলন পাওয়া যায়। তার মতে, কৃষি জমির অনুভূমিক সম্প্রসারণ আর বাস্তবসম্মত বিকল্প নয়। তাই সীমিত জমিতে প্রতি একক এলাকায় ফলন বাড়ানোই হবে খাদ্যচাহিদা মোকাবেলার গুরুত্বপূর্ণ পথ।
এ কারণে উন্নত জাত, হাইব্রিড প্রযুক্তি, আধুনিক চাষাবাদ এবং জিনগত উদ্ভাবনের গুরুত্ব ক্রমেই বাড়ছে।
বীজেই খাদ্যনিরাপত্তার প্রথম পরীা 
কৃষির উৎপাদন বাড়াতে সার, সেচ ও কৃষিযন্ত্রের আলোচনা যতটা হয়, বীজের মানের প্রশ্নটি অনেক সময় ততটা গুরুত্ব পায় না। অথচ একটি শস্যের উৎপাদন সম্ভাবনা কাজে লাগানোর প্রথম শর্তই হলো কৃষকের হাতে সঠিক সময়ে সঠিক মানের বীজ পৌঁছে দেয়া।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের বীজ অনুবিভাগের মহাপরিচালক খোরশেদ আলমের উপস্থাপিত এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে বছরে প্রায় ১৩ লাখ মেট্রিক টন বীজের প্রয়োজন। এর মধ্যে প্রায় ৭ দশমিক ৫ লাখ মেট্রিক টনই আলুবীজ। মোট চাহিদার তুলনায় আমদানির পরিমাণ প্রায় ২ দশমিক ৩ শতাংশ বা ৩০ হাজার মেট্রিক টন।
কিন্তু আমদানির পরিমাণ কম হওয়াই বীজে স্বয়ংসম্পূর্ণতার প্রমাণ নয়। নির্দিষ্ট কিছু ফসলের েেত্র বিদেশী উৎসের গুরুত্ব অনেক বেশি। বিশেষ করে হাইব্রিড ধান, ভুট্টা ও সবজি বীজে বিদেশী জেনেটিক উপাদানের ওপর নির্ভরতা রয়েছে।
আরো উদ্বেগের বিষয় হলো দেশে আনুষ্ঠানিক ব্যবস্থার মাধ্যমে সরবরাহ করা বীজের পরিমাণ প্রায় ৩০ শতাংশ। সরকারি খাতের অবদান ১৩ শতাংশ এবং বেসরকারি খাতের ১৭ শতাংশ। প্রায় ৪০ শতাংশ বীজ আধা-আনুষ্ঠানিক এবং ৩০ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক ব্যবস্থায় সরবরাহ হয়। ফলে বিপুলসংখ্যক কৃষক এমন উৎস থেকে বীজ সংগ্রহ করেন, যেখানে জেনেটিক বিশুদ্ধতা, অঙ্কুরোদগম মতা, রোগমুক্ততা কিংবা সংরণমান সব েেত্র সমান নিশ্চয়তা নেই।
নিম্নমানের বীজের তি শুধু ফলন কমার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এতে কৃষকের সার, সেচ, শ্রম ও জমিতে করা পুরো বিনিয়োগ ঝুঁকিতে পড়ে।
হাইব্রিডে ফলনের সম্ভাবনা, পেছনে জেনেটিক নির্ভরতা 
প্রতিবেদনে বলা হয়, উপযুক্ত পরিবেশ ও ব্যবস্থাপনায় হাইব্রিড ধান সাধারণ উফশী বা ইনব্রিড ধানের তুলনায় প্রায় ১৫ থেকে ২০ শতাংশ বেশি ফলনের সম্ভাবনা সৃষ্টি করতে পারে। ২০২৫-২৬ মৌসুমে প্রায় ১৯ দশমিক ৭২৯ লাখ হেক্টর জমিতে হাইব্রিড ধান চাষের বিপরীতে বীজের চাহিদা ছিল ২৯ হাজার ৭১২ মেট্রিক টন। সরবরাহ হয়েছে ২৫ হাজার ৪৫৭ মেট্রিক টনÑ যা চাহিদার ৮৫ শতাংশ। এর প্রায় ৯৬ শতাংশ সরবরাহ করেছে বেসরকারি খাত।
এখানে বাংলাদেশের বীজ ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটেছে। প্রস্তুত হাইব্রিড ঋ১ বীজ আমদানির পরিবর্তে দেশে উৎপাদনের প্রবণতা বেড়েছে। কিন্তু দেশে ঋ১ উৎপাদন হচ্ছে মানেই পুরো প্রযুক্তি দেশীয় হয়ে গেছেÑ এমন নয়। কারণ অনেক েেত্র ঋ১ উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় প্যারেন্টাল লাইন ও জেনেটিক উপাদান এখনো বিদেশী উৎসনির্ভর।
অর্থাৎ ‘দেশে বীজ উৎপাদন’ এবং ‘বীজ প্রযুক্তিতে স্বনির্ভরতা’ এক বিষয় নয়।
২৭১ হাইব্রিড জাতের মধ্যে দেশীয় মাত্র ২৬ 
চলতি সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জাতীয় বীজ বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, দেশে অনুমোদিত হাইব্রিড ধানের জাত ২৭১টি। এর মধ্যে চীনের উৎসের জাত ১৬৫টি, ভারতের ৬৯টি এবং বাংলাদেশের নিজস্ব জাত ২৬টি। এই চিত্র হাইব্রিড ধানের জেনেটিক সমতার েেত্র বাংলাদেশের সামনে থাকা চ্যালেঞ্জটি স্পষ্ট করে। স্থানীয়ভাবে ঋ১ উৎপাদন বাড়লেও জাতের উৎসে বিদেশী নির্ভরতা রয়ে গেছে। দীর্ঘমেয়াদে তাই প্রশ্ন হচ্ছেÑ বাংলাদেশ কি বিদেশী প্যারেন্টাল লাইন এনে দেশে ঋ১ উৎপাদনেই সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি নিজস্ব প্যারেন্টাল লাইন, জার্মপ্লাজম ও ব্রিডিং সমতা তৈরি করবে?
ব্রির মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. জামিল হাসানের উত্থাপিত প্রবন্ধে গবেষণাগত গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। সোর্স নার্সারি, টেস্ট ক্রস, মেইনটেইনার ও রেস্টোরার শনাক্তকরণ, ব্যাকক্রসিং এবং ঈগঝ লাইন উন্নয়নের মাধ্যমে নিজস্ব জেনেটিক উপাদান তৈরির ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।
বীজ ঘাটতি শুধু হাইব্রিডে নয় 
বীজ সরবরাহের ঘাটতি হাইব্রিড ধানেই সীমাবদ্ধ নয়। ২০২৩-২৪ সালে উফশী বা ইনব্রিড ধানের বীজের চাহিদা ছিল ৩ লাখ ১৮ হাজার ২৩৬ মেট্রিক টন; সরবরাহ হয়েছে ১ লাখ ৯৯ হাজার ৯৪৪ মেট্রিক টন। গমের ৪৩ হাজার ৬২৪ মেট্রিক টনের চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ হয়েছে ২৩ হাজার ৫০৬ মেট্রিক টন। ভুট্টায় ১৩ হাজার ৪৯৫ মেট্রিক টনের চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ হয়েছে ৮ হাজার ৮১৭ মেট্রিক টন।
এখানে মূল দুর্বলতা চাহিদার নির্ভুল পূর্বাভাস ও সরবরাহ সমন্বয়ে। কোন এলাকায় কোন মৌসুমে কোন জাতের কত বীজ প্রয়োজনÑ এই তথ্য সমন্বিতভাবে না থাকলে উৎপাদন ও সরবরাহের মধ্যে ব্যবধান থেকেই যাবে। তাই জাতীয় বীজ ডাটাবেজ, আগাম চাহিদা পূর্বাভাস এবং ডিজিটাল ট্রেসেবিলিটির প্রয়োজন ক্রমেই বাড়ছে।
জলবায়ু বদলাচ্ছে, বদলাতে হবে বীজও
গবেষকরা বলছেন, বাংলাদেশের কৃষির ভবিষ্যৎ শুধু ফলনের প্রশ্ন নয়; কোন পরিবেশে কোন জাত টিকে থাকবে, সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। উপকূলে লবণাক্ততা, বরেন্দ্রে খরা, হাওরে আকস্মিক বন্যা, চরাঞ্চলে নদীভাঙন এবং পাহাড়ে ভূমিয় কৃষির জন্য ভিন্ন ভিন্ন ঝুঁকি তৈরি করছে। এসব ভঙ্গুর অঞ্চল দেশের প্রায় ৬৪ শতাংশ এলাকা জুড়ে রয়েছে বলে উপস্থাপনায় উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে ভবিষ্যতের বীজ উন্নয়নে শুধু উচ্চফলনশীলতা যথেষ্ট হবে না। অঞ্চলভেদে লবণাক্ততা, খরা, জলমগ্নতা ও অন্যান্য প্রতিকূলতা সহ্য করতে পারেÑ এমন জাতের প্রয়োজন বাড়বে।
মাঠের ফলন থেকে বাজারের লাভ
কৃষির আরেকটি বড় বৈপরীত্য হলোÑ একদিকে উৎপাদন বাড়ছে, অন্য দিকে উৎপাদিত খাদ্যের একটি অংশ মানুষের খাদ্যতালিকায় পৌঁছানোর আগেই নষ্ট হচ্ছে। উপস্থাপনায় ইউএনইপির ২০২৪ সালের তথ্য উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে মাথাপিছু বছরে খাদ্য অপচয় ৮২ কেজি এবং মোট বার্ষিক খাদ্য অপচয় ১৪ দশমিক ১০ মিলিয়ন টন। ধানের সংগ্রহোত্তর তি ১০ শতাংশের বেশি। ছোট মাছে এ তি প্রায় ২৫ দশমিক ৪৫ শতাংশ এবং কার্পজাতীয় মাছে ১৮ দশমিক ২ শতাংশ। অতএব, শুধু মাঠে ফলন বাড়ালেই হবে না; উৎপাদনের পর সংরণ, পরিবহন, শীতলীকরণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণ ব্যবস্থাও আধুনিক করতে হবে।
বাংলাদেশের কৃষি ভরণপোষণ থেকে বাণিজ্যিক কৃষির দিকে এগোচ্ছে। কিন্তু এই উত্তরণ সফল করতে হলে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে বাদ দেয়া যাবে না। দেশের ৯১ দশমিক ৭ শতাংশ কৃষক ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্রÑ তাই বাণিজ্যিক কৃষির অর্থ বড় খামারের আধিপত্য নয়; বরং ক্ষুদ্র কৃষককে প্রযুক্তি, বাজার ও মূল্যশৃঙ্খলের সাথে যুক্ত করা।