
নাক দিয়ে পানি পড়া। নাক বন্ধ হওয়া। বিশেষ করে সকালে হাঁচি দেয়া। গলাব্যথা বা গলা শুকিয়ে যাওয়া। শুকনো বা কফযুক্ত কাশি। শরীর ব্যথা বা মাথাব্যথা। মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার জ্বর। চোখ লাল হয়ে যাওয়া বা পানি পড়া। কান্তি ও দুর্বলতা অনুভব করা। ভাইরাসের সাথে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণÑ এগুলোই সর্দি-কাশির সাধারণ লক্ষণ।
চিকিৎসা ও প্রতিকার : সাধারণ ঠাণ্ডা ও কাশি সাত থেকে ১০ দিনের মধ্যে ভালো হয়ে যায়। তবে আরাম পেতে কিছু ঘরোয়া চিকিৎসা করা যেতে পারেÑ গরম পানি ও লবণ দিয়ে গার্গল গলায় ব্যথা ও জীবাণু সংক্রমণ কমায়। মধু ও আদার রস কাশির আরামদায়ক প্রতিকারক। তুলসী ও আদা চা সর্দি-কাশির জন্য কার্যকর। গরম পানির ভাপ নাক বন্ধ প্রশমনে সহায়ক। তুলসীপাতা ও কালোজিরা রোগ প্রতিরোধমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
ওষুধের সাহায্যে : জ্বর ও ব্যথা কমানোর জন্য প্যারাসিটামল। নাক বন্ধ ও সর্দি কমানোর জন্য অ্যান্টিহিস্টামিন। শুকনা ও কফযুক্ত কাশির ধরন অনুযায়ী কাশির সিরাপ। রোগ প্রতিরোধমতা বাড়ানোর জন্য ভিটামিন সি ও জিংক। ব্যাকটেরিয়া ইনফেকশন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টিবায়োটিক খেতে হবে।
প্রতিরোধের উপায় : হাত পরিষ্কার রাখুন, সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিন। অপরিষ্কার হাতে খাবেন না। আক্রান্ত ব্যক্তির কাছ থেকে দূরে থাকুন। পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও পুষ্টিকর খাবার খান। হাঁচি-কাশির সময় রুমাল বা কনুই দিয়ে মুখ ঢেকে রাখুন। পর্যাপ্ত পানি পান করুন। ইন্টারনেট।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








