লোড হচ্ছে...
নদীশাসনে বিভিন্ন প্রকল্প ও বরাদ্দের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। কিন্তু নদী ভাঙনপ্রবণ এলাকার মানুষের দুর্ভোগ পুরোপুরি কাটেনি। এ অবস্থায় নদীশাসন প্রকল্পের কার্যকারিতা, অর্থের যথাযথ ব্যবহার এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয়রা।
৫ দিন আগে

বাঁধে আরো ধ্বস ও ফাটল দেখা দেয়ায় ঝুঁকিতে পড়েছে আশপাশের বসতবাড়ি, সড়ক ও ফসলি জমি। প্রায় ৩০ বছর ধরে নদীভাঙনের সাথে লড়াই করছেন মানুষ। বারবার সংস্কারেও স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না।
১৭ দিন আগে

দীর্ঘদিন ধরে ভাঙন চললেও স্থায়ীভাবে নদী ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিবছর নতুন নতুন এলাকা হুমকির মুখে পড়ছে।
২০ দিন আগে

ভাঙন এলাকার কাজ বর্ষায় করেছে সিরাজগঞ্জ পাউবো অফিস। তবে টাঙ্গাইলের সীমান্তবর্তী হুঘরা এলাকার ভাঙনের বিষয়টি অবগত হয়েছি। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
২৬ দিন আগে

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে সমন্বয় করে এ এলাকায় একটি স্থায়ী গাইড বাঁধ বা প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হবে।’
২৯ দিন আগে

গবেষণা তথ্য বলছে, এ আতঙ্কের পেছনে রয়েছে বাস্তবতাও। ২০০০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ২৩ বছরে যমুনার গতিপথ পরিবর্তন ও তীব্র ভাঙনে সাঘাটা উপজেলার প্রায় ২০.৮৪ বর্গকিলোমিটার এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ভারতখালী, সাঘাটা, হলদিয়া, কামালেরপাড়া ও কচুয়া ইউনিয়ন।
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আগে থেকেই শ্রীপুর-কুড়িকাহুনিয়া লঞ্চঘাটের দক্ষিণ পাশে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বেড়িবাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। বিষয়টি পাউবো কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছিল।
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ধলেশ্বরী নদীতে তীব্র ভাঙনের কারণে এলাকায় আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। গতকাল রোববার বিকেলে ভাঙনে একটি বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এ ছাড়া আরো অন্তত ১৫টি বাড়ি ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে।
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

রোববার সকালে হঠাৎ করে নদীর ভাঙন শুরু হলে আতঙ্কিত হয়ে ঘরবাড়ি থেকে বের হয়ে নিরাপদ স্থানে সরে যান বাসিন্দারা। এ সময় স্থানীয় মনা মালোর বসতঘরটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শতভাগ স্বচ্ছতার সাথে কাজ সম্পন্ন হলে যমুনা-পদ্মার ভাঙন রোধের পাশাপাশি স্থানীয় কৃষি ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে ব্যাপক ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

পদ্মার পানি ও স্রোত বেড়ে যাওয়ায় কয়েক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ভাঙন তীব্র হয়েছে। ইতোমধ্যে শত শত বিঘা ফসলি জমি ও বহু বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ভাঙন আতঙ্কে পড়েছে আশপাশ এলাকার বহু অসহায় মানুষ। অনেক পরিবার তাদের ঘরবাড়ি ও মূল্যবান আসবাবপত্র নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে শুরু করেছেন।
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সড়কটির ২০০ গজের মধ্যে দুটি স্থানে ভাঙনের কারণে লাল পতাকা টাঙিয়ে ওই সড়কে চলাচলকারী যানবাহনগুলোকে বিপদ সংকেত দেয়া হচ্ছে। এতে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে ওই সড়কে চলাচলকারী বাসিন্দাদের।
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

পদ্মার ভাঙনে শুধু ঘরবাড়ি নয়, চরাঞ্চলের মানুষের শিক্ষা, যোগাযোগ ও সামাজিক অবকাঠামোও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তিনটি বিদ্যালয় নদীগর্ভে চলে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে বসতভিটা হারানো পরিবারগুলোর সামনে নতুন করে বাসস্থান ও জীবিকা নিশ্চিত করার প্রশ্নও দেখা দিয়েছে।
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬


