
আলজাজিরা
স্বচ্ছ নির্বাচন আয়োজন ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার ব্যাপক সংস্কারের দাবিতে ল্যাটিন আমেরিকার দেশ ভেনিজুয়েলায় রাজপথে নেমেছেন হাজার হাজার বিক্ষোভকারী। প্রায় দুই বছরের স্থবিরতা কাটিয়ে দেশজুড়ে বিরোধীদের এই বিশাল সমাবেশ ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হলো। রাজধানী কারাকাস ছাড়াও ভ্যালেন্সিয়া, মারাকাই, সান ক্রিস্তোবাল এবং মারাকাইবো শহরে একযোগে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদোর নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক জোট ‘ভেনতে ভেনিজুয়েলা’ এই গণকর্মসূচির ডাক দেয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ভেনিজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ উভয়ই নতুন জাতীয় নির্বাচনের বিষয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত দিলেও সাবেক রাষ্ট্রপ্রধান নিকোলাস মাদুরোর উত্তরসূরি নির্ধারণে এখনো কোনো স্পষ্ট দিনক্ষণ ঠিক করা হয়নি। উল্লেখ্য, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে মার্কিন সামরিক বাহিনীর এক আকস্মিক অভিযানে মাদুরো গ্রেফতার হওয়ার পর দেশটির রাজনীতিতে বড় ধরনের পটপরিবর্তন ঘটে। বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থানরত বিরোধী নেত্রী মাচাদো ২০২৭ সালের জুলাই মাসের মধ্যে একটি অবাধ নির্বাচনের তাগিদ দিয়েছেন। গত ২০২৪ সালের বিতর্কিত নির্বাচনের পর প্রায় এক বছর তাকে অন্তরালে অবস্থান করতে হয়েছিল।
এদিকে গত ৩ জানুয়ারি থেকে রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকা ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ ইউনাইটেড সোশ্যালিস্ট পার্টি অব ভেনিজুয়েলার (পিএসইউভি) নেতৃত্ব দিচ্ছেন। দীর্ঘদিনের এই শাসকদলের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে অবৈধভাবে বন্দী ও নির্যাতনের মতো মানবাধিকার লঙ্ঘনের বহু অভিযোগ রয়েছে। মাদুরো অপসারিত হলেও হোয়াইট হাউজের সমর্থনে পিএসইউভি এখনো প্রশাসন পরিচালনা করছে। মাদুরোর সাবেক এই ভাইস প্রেসিডেন্টের ওপর আস্থা বজায় রেখেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অন্যদিকে ভেনিজুয়েলার বিশাল খনিজ তেল সম্পদের ওপর নিজেদের কর্তৃত্ব ধরে রাখার পাশাপাশি দেশটির বর্তমান সরকারকে বিভিন্ন প্রশাসনিক ও গণতান্ত্রিক সংস্কার বাস্তবায়নে ক্রমাগত চাপ দিয়ে যাচ্ছে ওয়াশিংটন।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








