
সংসদ প্রতিবেদক
চট্টগ্রাম, মোংলা ও পায়রাবন্দরের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত, সরকারি অর্থের অপচয় রোধ এবং দীর্ঘদিনের নিরীক্ষা আপত্তি নিষ্পত্তির ওপর গুরুত্ব দিয়েছে জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত কমিটি। প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম বা আর্থিক ক্ষতি প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের দায় নির্ধারণ করে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করেছে কমিটি।
গতকাল সোমবার জাতীয় সংসদ ভবনে কমিটির পঞ্চম বৈঠকে তিন বন্দরের আর্থিক ব্যবস্থাপনা, পরিচালন কার্যক্রম ও নিরীক্ষা প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হয়। কমিটির সভাপতি ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে বৈঠকে চট্টগ্রাম বন্দরের নিরাপত্তা এবং মোংলা ও পায়রা বন্দরের ড্রেজিং কার্যক্রম নিয়েও আলোচনা হয়।
সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে পণ্যভর্তি কনটেইনার উধাও হওয়া ও চট্টগ্রাম বন্দরের নিরাপত্তাঝুঁঁকি নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে বন্দরের নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা পর্যালোচনা করা হয়। এ সময় দীর্ঘদিন পড়ে থাকা নিলামযোগ্য কনটেইনার ও যানবাহন দ্রুত নিষ্পত্তি, কাস্টমস ও বন্দর কর্তৃপক্ষের সমন্বয় বৃদ্ধি এবং ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়।
মোংলা ও পায়রা বন্দরের ড্রেজিং ও অন্যান্য প্রকল্পের বাস্তবায়ন এবং সংশ্লিষ্ট নিরীক্ষা আপত্তি পর্যালোচনাকালে প্রকল্পের কাক্সিক্ষত ফল অর্জন ও সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার তাগিদ দেয়া হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন ব্যাংকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের রাখা মেয়াদোত্তীর্ণ স্থায়ী আমানত ফেরত আনা এবং তিন বন্দরের দীর্ঘদিনের নিরীক্ষা আপত্তি নিষ্পত্তির বিষয়েও আলোচনা হয়।
বৈঠকে কমিটির সদস্য ও হুইপ মিয়া নূরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, হুইপ মো: আখতারুজ্জামান মিয়া, মোছা: তাহসিনা রুশদীর, খোন্দকার আবু আশফাক, মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া, মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান ও মোহাম্মদ কামাল হোসেন অংশ নেন।
এ সময় হিসাব মহানিয়ন্ত্রক (সিজিএ), অতিরিক্ত হিসাব মহানিয়ন্ত্রক, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা এবং তিন বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








