
কুমিল্লা প্রতিনিধি
কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনকে (১৫) হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়েছিল কিনা তা নিশ্চিত হতে তার পোশাক ও জৈবিক নমুনা পরীক্ষার জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক ডিএনএ ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হচ্ছে। এ ছাড়া তাজমিনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও ফরেনসিক পরীক্ষার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
গতকাল সোমবার মামলার সাবেক তদন্ত কর্মকর্তা লালমাই থানার এসআই আবদুল্লাহ আল ফারুক এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, এসব আলামত পরীক্ষার জন্য ল্যাবরেটরিতে পাঠানোর অনুমতি চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় গ্রেফতার সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক মো: সুমন মিয়া তাজমিনকে ধর্ষণের পর হত্যা করে। হত্যার পর কিশোরীর ভ্যানিটি ব্যাগ থেকে আইফোন নিয়ে নিজের অটোরিকশা ফেলে অন্য একটি অটোরিকশায় পালিয়ে যায় সে। আদালতে দেওয়া জবানবন্দীতেও সুমন ধর্ষণ ও হত্যার দায় স্বীকার করে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ দিকে, ঘটনার আগের দিন কক্সবাজারের একটি হোটেলে হোটেলকর্মী রিয়াজ উদ্দিন রাজু ওরফে রাজু চৌধুরীর (২০) সাথে অবস্থান করেছিল তাজমিন। সেখান থেকে বুধবার রাত ১২টার দিকে বাসে করে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডে নামে সে।
এ ঘটনায় গত রোববার রাতে কক্সবাজার থেকে রাজুকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গতকাল সোমবার সকালে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কুমিল্লায় নিয়ে আসার উদ্দেশ্যে রওনা দেয় কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল।
রাজুকে কুমিল্লায় নিয়ে আসার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান। কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো: আনিসুজ্জামানও এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে চাননি।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (৭ অক্টোবর) বাড়ি ফেরার পথে কুমিল্লার লালমাই উপজেলায় হত্যার শিকার হয় সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী তাজমিন। পরদিন সকালে ভোরালজগপুর উত্তরপাড়া গ্রামের একটি ধানক্ষেতের আইল থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক সুমন মিয়াকে (৩৫) গ্রেফতার করা হয়। বর্তমানে সে কুমিল্লা কারাগারে রয়েছে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








