
এএফপি ও রয়টার্স
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের হাউছি বিদ্রোহীরা। গত বুধবার রাতে চালানো এ হামলায় অন্তত একটি উড়োজাহাজ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে এএফপি সূত্রে জানা গেছে। হাউছিদের রাজনৈতিক শাখা আনসারুল্লাহর সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি জানান, রিয়াদ বিমানবন্দর লক্ষ্য করে দু’টি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়। একই সাথে নাজরান শহরের একটি বিমানবন্দর ও খামিস মুশাইতের একটি বিমানঘাঁটিতেও তারা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। অন্য দিকে সৌদির নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের দাবি, তারা হাউছিদের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে।
এ দিকে হাউছিদের এই ধারাবাহিক আক্রমণের প্রেক্ষাপটে যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় সৌদি আরবকে সহায়তার বিষয়টি পর্যালোচনা করছে তুরস্ক। তবে চুক্তি সত্ত্বেও হাউছিদের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো সামরিক অভিযানে আঙ্কারা সেনা পাঠাবে না বলে স্পষ্ট করেছেন তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। গত বৃহস্পতিবার আঙ্কারায় হাঙ্গেরির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনিতা অরবানের সাথে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে হাকান ফিদান জানান, গত আগস্টে তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’টি কোনো আক্রমণাত্মক চুক্তি নয়, বরং সম্পূর্ণরূপে প্রতিরক্ষামূলক। চুক্তির শর্তানুযায়ী যেকোনো এক দেশ আক্রান্ত হলে অন্যরা পাশে দাঁড়াতে বাধ্য, তবে অন্য কোনো দেশের ভূখণ্ডে আগ্রাসন চালাতে সেনা পাঠানো হবে না। বর্তমানে আঙ্কারা দ্বিপক্ষীয় ব্যবস্থার আওতায় রিয়াদকে মূলত আকাশ প্রতিরক্ষা, ইলেকট্রনিক যুদ্ধকৌশল এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা দেয়ার চিন্তাভাবনা করছে। সৌদি আরবের সুরক্ষায় ঠিক কী ধরনের সহায়তা প্রয়োজন, তা নির্ধারণে সামরিক প্রতিনিধি দল কাজ করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তুর্কি পার্লামেন্টে অনুমোদন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই এই চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ন শুরু হবে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








