
লালমোহন (ভোলা) সংবাদদাতা
ভোলার লালমোহনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় উপজেলা পর্যায়ে মেধাতালিকায় দ্বিতীয় হয়েও নিয়োগপত্র পাননি ফয়জুল আলম। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও ভেরিফিকেশনে বাদ পড়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
ফয়জুল আলমের দাবি, লালমোহন উপজেলায় চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত ৪৩ জনের মধ্যে তিনি ছাড়া অন্য সবাই নিয়োগপত্র পেয়েছেন। প্রথমপর্যায়ে তার নাম গেজেটে না থাকলেও পরবর্তী সময়ে বাদ পড়া প্রার্থীদের নিয়ে পুনরায় গেজেট প্রকাশ করা হয়। তবে দ্বিতীয় পর্যায়ের গেজেটেও তার নাম আসেনি।
ফয়জুল আলম বলেন, ‘চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও অজ্ঞাত কারণে নিয়োগপত্র পাইনি। আমার কাগজপত্রে কোনো সমস্যা নেই। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ হবেÑ এমন আশায় আগের চাকরিও ছেড়ে দিয়েছি। এখন বেকার অবস্থায় পরিবার নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছি।’
তিনি আরো বলেন, তার বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা বা অপরাধের রেকর্ড নেই। ভেরিফিকেশনে কী কারণে বাদ পড়েছেন, তা তাকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় তদন্ত করে নিয়োগের সুযোগ দেয়ার দাবি জানিয়েছেন ফয়জুল।
ভোলা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, ভোলায় লালমোহনের একজনসহ মোট চারজন শিক্ষক বাদ পড়েছেন। তাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ অধিদফতরে চিঠি পাঠানো হয়েছে। অধিদফতর থেকে যে সিদ্ধান্ত দেয়া হবে, সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ফয়জুল আলমের নিয়োগ না পাওয়ার কারণ সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট অধিদফতরের কোনো বক্তব্য প্রতিবেদকের হাতে পাওয়া যায়নি।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








