
বিশেষ সংবাদদাতা
আমরা পোস্টাল ভোটিং শুরু করতে চাই আমাদের দেশে। প্রবাসী যারা জাতীয় জিডিপিতে অবদান রাখে তাদের অন্তর্ভুক্ত করতে চাই নির্বাচনে। বাংলাদেশের জন্যও কাজটা কঠিন ছিল। তবে তারা সফলভাবে কাজটা করেছে। আমরাও বিবেচনা করছি কোন পদ্ধতিতে এগোনো যায় বলে মন্তব্য করেছেন নেপালের নির্বাচন কমিশনার ড. রাজীব সুব্বা। তিনি বলেন, বিদেশে অবস্থানরত নেপালিদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত মডেল অনুসরণের পরিকল্পনা করছে দেশটির নির্বাচন কমিশন। আগামী দেড় বছরের মধ্যে অনুষ্ঠিতব্য নেপালের প্রাদেশিক নির্বাচনে পরীক্ষামূলকভাবে ‘আউট-অব-কান্ট্রি ভোটিং’ (ওসিভি) বা প্রবাসী ভোটগ্রহণ চালু করতে চায় দেশটি।
রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে গতকাল নির্বাচন কমিশনের সাথে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন নেপালের নির্বাচন কমিশনার ড. রাজীব সুব্বা। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনসহ বৈঠকে অন্য নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিব এবং ড. রাজীব সুব্বার নেতৃত্বাধীন ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদল উপস্থিত ছিলেন।
ড. রাজীব সুব্বা জানান, বাংলাদেশের মতো নেপালেরও বিপুল সংখ্যক নাগরিক বিদেশে অবস্থান করছেন, যারা রেমিট্যান্স পাঠিয়ে দেশের অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখছেন। তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ করে দিতে বাংলাদেশের তৈরি ‘আইটি-সহায়ক পোস্টাল ভোটিং’ মডেলটি বেশ কার্যকরী এবং প্রশংসনীয়। আমরা বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে চাই। শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিদের সাথে আলোচনার পর এটি আমাদের তৃতীয় দফার বৈঠক। বাংলাদেশের মডেলটি গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোর জন্য একটি সফল উদাহরণ।
নেপালি নির্বাচন কমিশনার জানান, প্রবাসীদের ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহারে অভ্যস্ত করা এবং ডাকযোগে ব্যালট স্থানান্তরের ক্ষেত্রে সময়ক্ষেপণ ও সাইবার নিরাপত্তা কিছুটা চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। তবে সঠিক নির্বাচনী প্রশিক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের মাধ্যমে এসব সমস্যা মোকাবেলা করা সম্ভব। প্রযুক্তিটি ইতোমধ্যে বাংলাদেশে সফলভাবে পরীক্ষিত হওয়ায়, আশা করি নেপাল সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আরো নির্ভুলভাবে বাস্তবায়ন করতে পারবে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








