
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
শহীদ আবরার ফাহাদের শাহাদতবার্ষিকী ও নিপীড়নবিরোধী দিবস উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ক্ষতচিহ্নের ক্যানভাস : নির্যাতনের ক্যাম্পাস’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও চিত্রপ্রদর্শনীর আয়োজন করেছে ইসলামী ছাত্রশিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। গতকাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে চিত্রপ্রদর্শনী শুরু হয়। পরে বিকেলে একই স্থানে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
চিত্রপ্রদর্শনীতে ক্যাম্পাসে বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত নিপীড়ন, নির্যাতন ও সহিংসতার ঘটনা চিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়। বিকেলে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ছাত্রশিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ও ডাকসুর এজিএস মহিউদ্দিন খান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন- সংগঠনটির সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, ডাকসুর ভিপি মো: আবু সাদিক কায়েম ও জিএস এস এম ফরহাদ। এতে ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। স্বাগত বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসাইন খান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন শাখার সেক্রেটারি কাজী আশিক।
আলোচনায় বক্তারা বলেন, শিক্ষাঙ্গনে নিপীড়ন, সহিংসতা ও মানবিক মর্যাদাহানি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও মর্যাদা নিশ্চিত করে মানবিক ও নিরাপদ ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
নুরুল ইসলাম সাদ্দাম আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ক্যাম্পাসে নিপীড়নের অভিযোগ তুলে বলেন, বর্তমান সরকার ও তাদের ছাত্রসংগঠনও আওয়ামী লীগের অনুসরণ করছে। সিরাজুল ইসলাম বলেন, আবরার ফাহাদের বক্তব্যগুলো সবার কথা ছিল। তার মৃত্যুর পর সেই প্রতিবাদের স্ফুলিঙ্গ বড় আন্দোলনে রূপ নেয়। তিনি বলেন, সমালোচনাকে শত্রুতা হিসেবে না দেখার বিষয়টি ক্ষমতাসীনদের বুঝতে হবে।
সাদিক কায়েম বলেন, ডাকসুর অন্যতম বড় সাফল্য হলো ক্যাম্পাসকে সহিংসতামুক্ত রাখা। তিনি আবরার ফাহাদসহ বিভিন্ন সময়ের আন্দোলনকারীদের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। এস এম ফরহাদ বলেন, গত ১৫ বছরে ক্যাম্পাসে নির্যাতনের অন্যতম কাঠামো ছিল গণরুম ও গেস্টরুম সংস্কৃতি। অন্য দিকে মহিউদ্দিন খান সব ছাত্রসংগঠনকে শিক্ষার্থীদের স্বার্থে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








