
আনাদোলু এজেন্সি
ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যকার আকাশপথে গোলাবর্ষণে উভয় পক্ষে অন্তত ১১ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। বুধবার রাতে চালানো এই হামলায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও চালকবিহীন বিমান (ড্রোন) ব্যবহার করা হয়। উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে অবকাঠামোগত ও বেসামরিক হতাহতের দায় চাপিয়েছে।
ইউক্রেনীয় প্রশাসনের তথ্যমতে, রাশিয়ার ছোঁড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় দেশের বিভিন্ন স্থানে ১১ জন নিহত এবং অন্তত ৩৪ জন আহত হয়েছেন। রাজধানী কিয়েভ লক্ষ্য করে চালানো ব্যালিস্টিক হামলায় পোদিলস্কি জেলার একটি অনাবাসিক স্থাপনা এবং দারনিতস্কি জেলার একটি গ্যারেজ সমবায় এলাকায় অগ্নিকাণ্ড ঘটে। কিয়েভে দু’জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে স্থানীয় প্রশাসন। সবচেয়ে বড় হতাহতের ঘটনা ঘটেছে চেরনিহিভ অঞ্চলের প্রিলুকি শহরে। সেখানকার একটি আবাসিক ভবনে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতে অন্তত পাঁচজন নিহত ও ২৫ জন আহত হন। এ ছাড়া পোলতাভা অঞ্চলে হামলায় দু’জন নিহত ও সাতজন আহত হয়েছেন। কিরোভোহরাদ অঞ্চলের ওলেকসান্দ্রিয়া শহরে নিহত হয়েছেন আরো দু’জন। অন্যদিকে দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলের একটি কারখানা, আবাসিক ভবন ও ক্রীড়া কেন্দ্রে ক্ষয়ক্ষতি হলেও হতাহতের সংখ্যা দু’জনে সীমাবদ্ধ ছিল।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানান, জ্বালানি অবকাঠামো ধ্বংস করাই ছিল প্রতিপক্ষের প্রধান লক্ষ্য। হামলায় প্রায় ৭০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও অসংখ্য ‘শাহেদ’ ড্রোন ব্যবহার করা হয়। ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধে কিয়েভের আকাশ সুরক্ষা ব্যবস্থার জরুরি বাড়তি প্রয়োজনীয়তার কথা জোর দিয়ে বলেন তিনি। পাল্টা পদক্ষেপে ইউক্রেনীয় বিমান বাহিনী দাবি করেছে, তারা রাশিয়ার ৪৪টি ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি ১৩০টি ড্রোনের মধ্যে ১১৭টিই আকাশে ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








