
এক্সপ্রেস ট্রিবিউন
মধ্যপ্রাচ্য থেকে অপরিশোধিত তেল রফতানি বাড়ার পাশাপাশি জি-সেভেনভুক্ত দেশগুলো জরুরি মজুদ বাজারে ছাড়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম কিছুটা কমেছে। যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও ইরান সংঘাতের কারণে পারস্য উপসাগরের জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকলেও সরবরাহ বাড়ায় তেলের বাজার কিছুটা থিতু হয়েছে।
আন্তর্জাতিক বাজারে ব্র্যান্ড ক্রুডের দাম প্রতি ব্যারেলে ৬৬ সেন্ট বা ০.৬৫ শতাংশ কমে ১০১.৫৯ ডলারে নেমেছে। অন্য দিকে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআইর দাম ৯৫ সেন্ট বা ১.০৩ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ৯০.১২ ডলারে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপে জি-সেভেনভুক্ত দেশগুলো জরুরি মজুদ থেকে ১০ কোটি ব্যারেল ডিজেল ও অপরিশোধিত তেল ছাড়তে রাজি হয়। একই সাথে তারা জ্বালানি রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা না দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। জাহাজ চলাচলের তথ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালীতে জাহাজে হামলা সত্ত্বেও সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে মধ্যপ্রাচ্যের তেল রফতানি যুদ্ধপূর্ব মাত্রা ছাড়িয়ে যায়। কেসিএম ট্রেডের প্রধান বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার জানান, কৌশলগত মজুদ উন্মুক্ত করা এবং সৌদি রফতানি স্বাভাবিক হওয়ার খবরে সাময়িকভাবে দাম কমছে।
এ দিকে সৌদি আরবের রিয়াদ ও খুরেইসে আরামকো প্রতিষ্ঠানে ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি করেছে হাউছিরা। তবে সৌদি আরব এটি নিশ্চিত করেনি। অন্য দিকে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের বিমান হামলার পর ইয়েমেনের হাউছি নিয়ন্ত্রিত সব এলাকা উদ্ধারে নতুন সেনা অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে দেশটির সরকার। তবে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, জাহাজ হামলা ও ইউরোপে রুশ শোধনাগারে হামলার হুমকির কারণে বাজারে এখনো অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








